মিনজাব ইবনুল হারিস আত তামীমী (রহঃ), ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আল হানযালী (রহঃ) ...... উভয়ে আ'মাশ থেকে এ সানাদে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি ঈসা (রহঃ) এর হাদীসে “সত্য বলার চেষ্টা করে এবং মিথ্যা বলার চেষ্টা করে” কথাটি উল্লেখ করেননি। আর ইবনু মুসহির (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে "অবশেষে আল্লাহ তা লিখবেন" কথাটি উল্লেখ আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪০২, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও উসমান ইবনু আবু শাইবাহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা তোমাদের মাঝে কাউকে নিঃসন্তান বলে মনে করো? বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, যার সন্তান জন্মায় না তাকেই নিঃসন্তান মনে করি। তিনি বললেন, সে ব্যক্তি মূলতঃ নিঃসন্তান নয় বরং সে লোকই নিঃসন্তান, যে তার কোন সন্তানকে আগে পাঠায়নি (অর্থাৎ- যার জীবিতাবস্থায় তার সন্তান মৃত্যুবরণ করেন)। তিনি বললেন, তোমরা তোমাদের মাঝে কাকে বীর বিক্রম বলে গণ্য করো? আমরা বললাম, যাকে মানুষেরা কুস্তিতে ঠকাতে পারে না। তিনি বললেন, মূলতঃ সে বীর বিক্রম নয়; বরং (প্রকৃত বীর সে-ই) যে রাগের মুহুর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪০৩, ইসলামিক সেন্টার)
(…/...) আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ, আবু কুরায়ব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) হতে এ সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪০৪, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আবদুল আ’লা ইবনু হাম্মাদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সে লোক প্রকৃত বীর বিক্রম নয়, যে কুস্তিতে জয়ী হয় বরং প্রকৃত বীর বিক্রম সে-ই যে রাগের মুহূর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪০৫, ইসলামিক সেন্টার)
হাজিব ইবনুল ওয়ালীদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, সে লোক প্রকৃত বীর বিক্রম নয়, যে কুস্তিতে সফল হয়। লোকেরা জানতে চাইল, হে আল্লাহর রসূল! তাহলে প্রকৃত বীর কে? তিনি বললেন, প্রকৃত সাহসী বীর সে-ই, যে রাগের মুহুর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪০৬, ইসলামিক সেন্টার ৬৪৫৬ [ক)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪০৭, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও মুহাম্মাদ ইবনুল আলী (রহঃ) ..... সুলাইমান ইবনু সুরাদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে দু’ব্যক্তি কথা কাটাকাটিতে প্রবৃত্ত হলো এবং তাদের একজনের দু' চোখ (রাগে) লাল হয়ে গেল এবং তার রগরেশ খাড়া হয়ে গেল। রসূলুল্লাহ বললেন, আমি এমন একটি কালিমাহ জানি, যা যে কেউ পাঠ করলে তার রাগ দূর হয়ে যায়। আর তা হচ্ছে أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ (আমি বিতাড়িত শাইতানের (শয়তানের) থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই)। (এ কথা শুনে) সে ব্যক্তি বলল, আপনি কি আমাকে পাগল মনে করেছেন? ইবনুল আলী (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেন, তারপর তিনি বললেন, তুমি কি মনে করছ? الرَّجُلَ শব্দটি তিনি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪০৮, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 6647 — Sahih Muslim 45:144
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، سَمِعْتُ الأَعْمَشَ، يَقُولُ سَمِعْتُ عَدِيَّ بْنَ ثَابِتٍ، يَقُولُ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ صُرَدٍ، قَالَ اسْتَبَّ رَجُلاَنِ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَجَعَلَ أَحَدُهُمَا يَغْضَبُ وَيَحْمَرُّ وَجْهُهُ فَنَظَرَ إِلَيْهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " إِنِّي لأَعْلَمُ كَلِمَةً لَوْ قَالَهَا لَذَهَبَ ذَا عَنْهُ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ " . فَقَامَ إِلَى الرَّجُلِ رَجُلٌ مِمَّنْ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ أَتَدْرِي مَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم آنِفًا قَالَ " إِنِّي لأَعْلَمُ كَلِمَةً لَوْ قَالَهَا لَذَهَبَ ذَا عَنْهُ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ " . فَقَالَ لَهُ الرَّجُلُ أَمَجْنُونًا تَرَانِي
নাসর ইবনু ‘আলী আল জাহযামী (রহঃ) ..... সুলাইমান ইবনু সুরাদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে দু’ব্যক্তি কথা কাটাকাটি করতে উদ্যত হলো। তাদের একজন কঠিন রাগাম্বিত হলো এবং তার মুখমণ্ডল রাগে লাল হয়ে গেল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার প্রতি তাকিয়ে বললেন, আমি এমন একটি কালিমাহ জানি যদি সে তা পাঠ করে তাহলে তার থেকে এ রাগ চলে যাবে। (আর তা হলো) আউযু বিল্লাহি মিনাশ শাইত্ব-নির রজীম – "আমি বিতাড়িত শাইতানের (শয়তানের) থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই"। সে সময় যারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী শুনেছেন, তাদের মধ্য হতে একজন সে লোকটির নিকট গিয়ে বললেন, তুমি কি জান, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটু আগে কী বলেছেন? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, অবশ্যই আমি এমন একটি কালিমাহ জানি, তা যদি সে পাঠ করত তাহলে তার হতে তা (রাগ) চলে যেত। (আর তা হলো) এ أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ তারপর সে ব্যক্তি তাকে বলল, তুমি কি আমাকে পাগল মনে করছ? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪০৯, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা জান্নাতে যখন আদম (আঃ) এর আকৃতি সৃষ্টি করেন তখন আল্লাহ তা’আলা তাকে নিজের ইচ্ছামত ফেলে রাখলেন। আর ইবলীস তার চতুর্দিকে প্রদক্ষিণ করতো এবং দেখতে থাকতো যে, পদার্থটি কি? সে যখন দেখতে পেল তা খালী পাত্র তখন সে বুঝল যে, তাকে এমন এক স্বভাব দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে, যে নিজকে আয়ত্তে রাখতে পারে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪১১, ইসলামিক সেন্টার)