মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার, উবাদুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ...... আবদুর রহমান ইবনুল আসবাহানী (রহঃ) এ সূত্রে তার সমার্থ হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তারা সকলে আবদুর রহমান ইবনু আসবাহানী (রহঃ) হতে এটুকু বেশি বর্ণনা করেছেন যে, "তিনি বলেন, আমি আবু হাযিমকে আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বলতে শুনেছি"। তিনি বলেন, এমন তিনটি সন্তান যারা সাবালক হয়নি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৬১, ইসলামিক সেন্টার)
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, আবু সাঈদ আল আশাজ্জ, উমার ইবনু হাফস্ ইবনু গিয়াস (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক মহিলা একটি ছেলে সন্তান নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপনি তার জন্যে আল্লাহর নিকট দু’আ করুন। আমি তিনটি সন্তান কবরস্থ করেছি। তিনি বললেন, তুমি তিনটি সন্তান দাফন করেছ? মহিলা বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি তো অবশ্যই জাহান্নাম হতে একটি শক্ত প্রাচীর তৈরি করেছ। তাদের মাঝ থেকে উমার তার দাদার সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, অবশিষ্টরা তাল্ক (রহঃ) হতে রিওয়ায়াত করেছেন তারা الْجَدَّ দাদার’ শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৬৩, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক মহিলা তার একটি ছেলে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সমীপে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! নিশ্চয়ই সে, অসুস্থ এবং তার ব্যাপারে আমি ভয় করছি। আর আমি তিনটি সন্তান কবরস্থ করেছি। তিনি বললেন, তুমি জাহান্নাম হতে বাঁচার জন্যে একটি শক্ত দেয়াল তৈরি করেছ। যুহায়র (রহঃ) তালক হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি কুনইয়াত (উপনাম) উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৬৪, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা যদি কোন বান্দাকে পছন্দ করেন তখন জিবরীল (আঃ) কে ডাক দেন এবং বলেন, নিশ্চয়ই আমি অমুক লোককে পছন্দ করি, তুমিও তাকে পছন্দ কর। তিনি বলেন, তখন জিবরীল (আঃ) তাকে পছন্দ করেন। অতঃপর তিনি আকাশমণ্ডলীতে ঘোষণা দিয়ে বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ অমুক লোককে পছন্দ করেন, সুতরাং আপনারাও তাকে পছন্দ করুন। তখন আকাশবাসীরা তাকে পছন্দ করে। তিনি বলেন, এরপর দুনিয়াতে তাকে নন্দিত, সমাদৃত করা হয়। আর আল্লাহ যদি কোন লোকের উপর রাগ করেন তখন জিবরীল (আঃ) কে ডাক দেন এবং বলেন, আমি অমুক বান্দার উপর রাগ করেছি, তুমিও তার প্রতি নারাজ হও। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, তখন জিবরীল (আঃ) তার উপর রাগাম্বিত হন। তারপর তিনি আকাশবাসীদেরকে ডাক দিয়ে বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা অমুকের উপর রাগান্বিত। কাজেই আপনারাও তার উপর ক্রোধাম্বিত হোন। তিনি বলেন, তখন লোকেরা তার উপর দুশমনি পোষণ করে। তারপর তার জন্য পৃথিবীতে শত্রু বানিয়ে দেয়া হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৬৫, ইসলামিক সেন্টার)
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... আবু সালিহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করছিলাম। তখন উমর ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) গমন করলেন। সে সময় হজ্জের মৌসুম, লোকেরা তাকে দেখে দাঁড়িয়ে গেলেন। তখন আমি আমার পিতাকে বললাম, হে আব্বাজান! আমার মনে হয়, আল্লাহ তা’আলা উমার ইবনু আবদুল আযীয (রহঃ) কে পছন্দ করেন। তিনি বলেন, সে কি? অর্থাৎ- তুমি কিভাবে বুঝলে? আমি বললাম, এ কারণে যে, মানুষের হৃদয়ে তার ভালবাসা বদ্ধমূল হয়ে আছে। তিনি বললেন, তোমার পিতার শপথ! তুমি শুনেছ আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীস বর্ণনা করতে। তারপর তিনি সুহায়ল (রাযিঃ) হতে জারীর বর্ণিত হাদীসের হুবহু বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৬৭, ইসলামিক সেন্টার)
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রুহসমূহ সমাজবদ্ধ*। সুতরাং যারা পরস্পরে পরিচিতি লাভ করছে তারা দুনিয়াতে পরস্পরে প্রতি বন্ধনে আবদ্ধ হয়। আর যারা সেখানে অপরিচিত তারা এখানেও ভিন্ন থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৬৮, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে মারফু সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত। তিনি বলেন, মানুষ স্বর্ণ ও রৌপ্যের খনি স্বরূপ। জাহিলিয়াতের সময় যারা সর্বোৎকৃষ্ট তারা ইসলামের সময়ও সর্বোৎকৃষ্ট, যখন তারা সূক্ষ্ম জ্ঞান অর্জন করেন (দীনের বুঝদার হয়ে থাকেন)। আর আত্মাসমূহ স্বভাবজাত সমাজবদ্ধ। সেখানে যেসব রূহ পরস্পরে পরিচিতি লাভ করেছিল দুনিয়াতে সেগুলো সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে থাকে আর সেখানে যেগুলো অপরিচিত ছিল, এখানেও তারা অপরিচিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৪৬৯, ইসলামিক সেন্টার ৬৫২০ [ক)