আমর ইবনু সাওওয়াদ আল আমির, মুহাম্মদ ইবনু সালামাহ আল মুরাদী ও আহমদ ইবনু ঈসা (রহঃ) তাদের শব্দগুলো প্রায় কাছাকাছি ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সাথে আসরের সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষে বানী সালামাহ গোত্রের জনৈক ব্যক্তি তার কাছে এসে বললঃ হে আল্লাহর রসূল! আমরা আমাদের একটা উট যাবাহ করতে চাই। আমরা চাই আপনিও সেখানে উপস্থিত থাকুন। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আচ্ছা, ঠিক আছে। এরপর তিনি রওয়ানা হলে আমরাও তার সাথে রওয়ানা হলাম। আমরা গিয়ে দেখলাম উটটি তখনও যাবাহ করা হয়নি। উটটি যাবাহ করতে প্রস্তুত করা হলো এবং তার কিছু গোশত রান্না করা হলো। সূর্যাস্তের পূর্বেই আমরা তা খেলাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৮৮, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু মিহরান আর রাযী (রহঃ) ..... রাফি ইবনু খাদীজ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে এমন সময় আসরের সালাত আদায় করতাম যে সালাতের পর উট যাবাহ করা হত*। তা দশ ভাগে বিভক্ত করা হত। এরপর তা রান্না করে সূর্যাস্তের পূর্বেই সু-সিদ্ধ গোশত খেতাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৮৯, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1416 — Sahih Muslim 5:250
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، وَشُعَيْبُ بْنُ إِسْحَاقَ الدِّمَشْقِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ كُنَّا نَنْحَرُ الْجَزُورَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعْدَ الْعَصْرِ . وَلَمْ يَقُلْ كُنَّا نُصَلِّي مَعَهُ .
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আওযাঈ (রহঃ) থেকে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আমরা আসরের সালাতের পর উট যাবাহ করতাম। কিন্তু তিনি বলেননি যে, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে (আসরের) সালাত আদায় করতাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৯০, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1417 — Sahih Muslim 5:251
وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الَّذِي تَفُوتُهُ صَلاَةُ الْعَصْرِ كَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلَهُ وَمَالَهُ " .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তির আসরের সালাত কাযা হয় তার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সবই যেন ধ্বংস হয়ে গেল*। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৯১, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আমর আন নাকিদ (রহঃ) ...... ইবনু উমার (রযিঃ) থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে আমর শুধু বর্ণনাই করেছেন। আর আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ মারফু হাদীস হিসেবে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৯২, ইসলামীক সেন্টার)
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তির আসরের সালাত কাযা হলো তার পরিবার-পরিজন ও ধনসম্পদ সবই যেন ধ্বংস হয়ে গেল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৯৩, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেনঃ আল্লাহ তা'আলা তাদের কবর ও ঘর-বাড়ী যেন আগুন দিয়ে ভরে দেন। কারণ তারা আমাদেরকে যুদ্ধের কাজ-কর্মে ব্যস্ত রেখে সালাতুল উসত্বা (আসরের সালাত), থেকে বিরত রেখেছে এবং এ অবস্থায়ই সূর্য অস্তমিত হয়ে গেল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৯৪, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মদ ইবনু আবূ বাকর আল মুক্বদ্দামী, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) এর মাধ্যমে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৯৫, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তারা (কাফিররা) আমাদের (যুদ্ধ তৎপরতায়) ব্যস্ত রাখার কারণে আমরা আসরের সালাত আদায় করতে পারিনি এবং এ অবস্থায়ই সূর্য অস্তমিত হয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ তা'আলা যেন তাদের কবর, বাড়ী-ঘর ও পেটসমূহ আগুন দ্বারা ভর্তি করে দেন। বর্ণনাকারী শু'বাহ ঘর-বাড়ী ও পেটসমূহ কথাটি সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৯৬, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... কাতাদাহ (রহঃ) এর মাধ্যমে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে বুয়ুতাহুম ও কুবুরাহুম তাদের ঘর-বাড়ী ও কবরসমূহ সম্পর্কে কোন সন্দেহ পোষণ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১২৯৭, ইসলামীক সেন্টার)