আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনুল লায়স (রহঃ) ..... ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এ সনদে বর্ণিত হাদীসে তিনি যুহরীর কথা وَذُكِرَ لِي থেকে শুরু করে পরবর্তী অংশটুকু উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩১৭, ইসলামীক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইব্রাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম, হারূন ইবনু আবদুল্লাহ, হাজ্জাজ ইবনু শাইর ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) [তাদের শব্দগুলো প্রায় কাছাকাছি] ... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার সালাত আদায় করতে অনেক রাত করলেন। এমনকি রাতের বড় একটা অংশ অতিবাহিত হয়ে গেল এবং মসজিদের লোকজনও ঘুমিয়ে পড়ল। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন এবং সালাত আদায় করে বললেনঃ এটাই ইশার সালাতের উত্তম সময়। তারপর তিনি বললেনঃ যদি আমি আমার উম্মাতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম (তাহলে এ সময়কে ইশার সালাতের সময় হিসেবে নির্দিষ্ট করতাম)। আবদুর রাযযাক বর্ণিত হাদীসে কিছুটা বর্ণনার তারতম্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি আমার উম্মাতের জন্য কষ্টদায়ক হয়ে না দাঁড়াত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩১৮, ইসলামীক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাতে ইশার সালাতে আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করলাম। রাতের এক তৃতীয়াংশ অথবা তারও বেশী সময় অতিবাহিত হওয়ার পর তিনি আমাদের কাছে আসলেন। আমরা জানি না তিনি পারিবারিক কোন কাজে ব্যস্ত ছিলেন, না অন্য কোন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তিনি এসে আমাদেরকে বললেনঃ তোমরা এমন এক সালাতের জন্য অপেক্ষা করছ যার জন্য তোমরা ছাড়া অন্য কোন দীনের লোকেরা অপেক্ষা করছে না। (তারপর তিনি বললেন) আমার উম্মাতের জন্য যদি ভাল না হত তাহলে আমি তাদের সাথে প্রতিদিন এ সময়েই (ইশার) সালাত আদায় করতাম। এরপর তিনি মুয়াযযিনকে আযান দিতে আদেশ করলেন। এরপর মুয়াযযিন ইকামাত দিলে তিনি সালাত আদায় করলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩১৯, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1447 — Sahih Muslim 5:280
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم شُغِلَ عَنْهَا لَيْلَةً فَأَخَّرَهَا حَتَّى رَقَدْنَا فِي الْمَسْجِدِ ثُمَّ اسْتَيْقَظْنَا ثُمَّ رَقَدْنَا ثُمَّ اسْتَيْقَظْنَا ثُمَّ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَ " لَيْسَ أَحَدٌ مِنْ أَهْلِ الأَرْضِ اللَّيْلَةَ يَنْتَظِرُ الصَّلاَةَ غَيْرُكُمْ " .
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক রাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন কাজে ব্যস্ত হয়ে যাওয়ার কারণে ইশার সালাত আদায় করতে খুব দেরী করে ফেললেন। এমনকি আমরা সবাই মসজিদেই ঘুমিয়ে পড়লাম। তারপর জেগে উঠে আবার ঘুমিয়ে পড়লাম। এরপর আবার জেগে উঠলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে এসে বললেনঃ আজকের এ রাতে তোমরা ছাড়া পৃথিবীর আর কেউ-ই সালাতের জন্য অপেক্ষা করছে না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩২০, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু নাফি আল আবদী (রহঃ) ..... সাবিত (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকেরা আনাসকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আংটি (বা সিল-মোহর) সম্পর্কে জানার জন্য জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ এক রাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার সালাত আদায় করতে দেরী করলেন। এত দেরী করলেন যে, রাতের অর্ধেক অতিবাহিত হয়ে গেল অথবা প্রায় অর্ধেক অতিবাহিত হওয়ার উপক্রম হল। তখন তিনি আসলেন এবং বললেনঃ অনেক লোক সালাত আদায় করে ঘুমিয়ে পড়েছে। (কিন্তু তোমরা সালাতের জন্য অপেক্ষা করছ) যে সময় থেকে তোমরা সালাতের জন্য অপেক্ষা করছ সে সময় থেকে তোমরা সালাতরত আছ। আনাস বলেছেন, আমি যেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রৌপ্য নির্মিত আংটির চাকচিক্য বা উজ্জ্বলতা এখনও দেখতে পাচ্ছি। এ কথা বলে আনাস তার বাঁ হাতের কনিষ্ঠ অঙ্গুলি উঠিয়ে ইশারা করলেন (অর্থাৎ- এর দ্বারা তিনি বুঝালেন যে, আংটিটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ঐ আঙ্গুলেই পরিহিত ছিল)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩২১, ইসলামীক সেন্টার)
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক রাতে (ইশার সালাত আদায় করতে) আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করলাম। এভাবে রাত প্রায় অর্ধেক হয়ে আসল। এরপর তিনি এসে সালাত আদায় করলেন এবং সালাত শেষে আমাদের দিকে ঘুরে বসলেন। আমি যেন এ মুহুর্তেও হাতের আঙ্গুলে পরিহিত আংটির উজ্জ্বলতা দেখতে পাচ্ছি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩২২, ইসলামীক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু সব্বাহ আল আত্বর (রহঃ) ..... কুররাহ (রহঃ)-এর মাধ্যমে উক্ত সানদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তার বর্ণনাতে 'পরে তিনি আমাদের দিকে ঘুরালেন' কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩২৩, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1451 — Sahih Muslim 5:284
وَحَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الأَشْعَرِيُّ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ بُرَيْدٍ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ كُنْتُ أَنَا وَأَصْحَابِي الَّذِينَ، قَدِمُوا مَعِي فِي السَّفِينَةِ نُزُولاً فِي بَقِيعِ بُطْحَانَ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْمَدِينَةِ فَكَانَ يَتَنَاوَبُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عِنْدَ صَلاَةِ الْعِشَاءِ كُلَّ لَيْلَةٍ نَفَرٌ مِنْهُمْ قَالَ أَبُو مُوسَى فَوَافَقْنَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَا وَأَصْحَابِي وَلَهُ بَعْضُ الشُّغُلِ فِي أَمْرِهِ حَتَّى أَعْتَمَ بِالصَّلاَةِ حَتَّى ابْهَارَّ اللَّيْلُ ثُمَّ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّى بِهِمْ فَلَمَّا قَضَى صَلاَتَهُ قَالَ لِمَنْ حَضَرَهُ " عَلَى رِسْلِكُمْ أُعْلِمُكُمْ وَأَبْشِرُوا أَنَّ مِنْ نِعْمَةِ اللَّهِ عَلَيْكُمْ أَنَّهُ لَيْسَ مِنَ النَّاسِ أَحَدٌ يُصَلِّي هَذِهِ السَّاعَةَ غَيْرُكُمْ " . أَوْ قَالَ " مَا صَلَّى هَذِهِ السَّاعَةَ أَحَدٌ غَيْرُكُمْ " . لاَ نَدْرِي أَىَّ الْكَلِمَتَيْنِ قَالَ قَالَ أَبُو مُوسَى فَرَجَعْنَا فَرِحِينَ بِمَا سَمِعْنَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
আবূ আমির আল আশ'আরী ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং আমার সাথে যেসব সঙ্গী-সাথী ও বন্ধু-বান্ধব জাহাজে চড়ে এসেছিল সবাই বাকী' নামক একটি কঙ্করময় স্থানে অবস্থানরত ছিলাম। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনাতে অবস্থান করছিলেন। প্রতিদিন রাতে ইশার সালাতের সময় পালা করে তাদের (আমার সাথে জাহাজে আগত বন্ধু-বান্ধব) একদল রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে (তার সাথে ইশার সালাত আদায় করার জন্য) যেত। আবূ মূসা বলেন, একদিন (পালাক্রমে) আমি ও আমার সঙ্গী-সাথীরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলাম। তিনি সেদিন কোন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তাই ইশার সালাতের জন্য আসতে দেরী করলেন। সালাত শেষ হলে উপস্থিত সবাইকে লক্ষ্য করে তিনি বললেন, কিছুক্ষণ অপেক্ষা কর। আমি তোমাদেরকে কিছু অবহিত করছি। তোমরা সু-সংবাদ গ্রহণ কর। কারণ এটা তোমাদের প্রতি আল্লাহর নি’আমাত যে, এ মুহুর্তে তোমরা ছাড়া অন্য কোন মানুষই সালাত আদায় করছে না। অথবা (আবূ মূসা বলেন,) এ দু'টি কথার মধ্যে কোন কথাটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন তা আমার মনে নেই। আবূ মূসা বর্ণনা করেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে যা শুনলাম তাতে অত্যন্ত খুশী হয়ে ফিরে আসলাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩২৪, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... ইবনু জুরায়জ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আতাকে জিজ্ঞেস করলাম, ইশার সালাত যাকে লোকে আতামাহ বলে থাকে- পড়ার জন্য আপনার কাছে কোন সময়টা সব চেয়ে পছন্দনীয়? (তা জানতে পারলে) ইমাম হয়ে বা একাকী থেকে আমিও সে সময় ইশার সালাত আদায় করতাম। এ কথা শুনে আতা বললেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাসকে বলতে শুনেছি- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন ইশার সালাত আদায় করতে বেশ দেরী করে ফেললেন। এমনকি লোকজন (মসজিদে) ঘুমিয়ে পড়ল। পরে জেগে উঠে আবার ঘুমিয়ে পড়ল। এরপর তারা আবার জেগে উঠলে উমার ইবনুল খাত্ত্বাব উঠে গিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেন, সালাতের সময় হয়েছে। 'আতা বলেন, 'আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস বলেছেন- অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন। আমি যেন এ মুহুর্তেও দেখছি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চুল থেকে পানি টপকে পড়ছে। আর তিনি মাথার একপাশে হাত দিয়ে আছেন। তিনি বললেনঃ যদি আমি আমার উম্মাতের জন্য কষ্টকর হবে বলে মনে না করতাম তাহলে আমি তাদেরকে এ রকম সময়েই (ইশার) সালাত আদায় করার আদেশ করতাম। ইবনু জুরায়জ বলেন- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মাথার উপর কীভাবে হাত রাখার কথা আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস তাকে বলেছেন আমি তা আতাকে দেখাতে বললাম। তখন আতা তার আঙ্গুলগুলো কিছুটা ছড়ালেন এবং আঙ্গুলের পার্শ্বদেশ মাথার পার্শ্বভাগে রাখলেন। অতঃপর আঙ্গুলগুলো মাথার উপর দিয়ে টেনে নীচের দিকে নিয়ে আসলেন। এরূপ এমনভাবে করলেন যে, বৃদ্ধাঙ্গুলি মুখমণ্ডলের দিকে কানের পার্শ্ব স্পর্শ করল। অতঃপর কপালের পার্শ্বদেশ ও দাঁড়ির প্রান্তভাগ পর্যন্ত টেনে নিলেন। এ সময় খুব জোরে চাপ দিচ্ছিলেন না আবার আঙ্গুলগুলো খুব শিথিলও করছিলেন না, শুধু আলতোভাবে টেনে নিচ্ছিলেন। ইবনু জুরায়জ বলেন, আমি আতাকে জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে রাতে ইশার সালাত কত দেরী করেছিলেন বলে 'আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস আপনার কাছে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেনঃ আমি জানি না। আত্বা বললেন, ইশার সালাত আমি ইমাম হিসেবে কিংবা একা আদায় করি রসুলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ যেভাবে দেরি করে আদায় করেছেন সেভাবে দেরি করে আদায় করাই আমার কাছে সর্বাপেক্ষা পছন্দনীয়। তবে লোকের সাথে জামা'আতে ইমাম হয়ে সালাত আদায়কালে কিংবা একাকী আদায়কালে এ সময়টা যদি তোমার জন্য কষ্টকর হয় তাহলে মাঝামাঝি সময়ে আদায় করা। বেশী আগেও আদায় করো না কিংবা বেশী বিলম্বেও আদায় করো না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩২৫, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1453 — Sahih Muslim 5:286
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُؤَخِّرُ صَلاَةَ الْعِشَاءِ الآخِرَةِ .
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার সালাত দেরী করে আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩২৬, ইসলামীক সেন্টার)