আলী ইবনু হুজুর আস্ সাদী (রহঃ)..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এক বৃষ্টিঝরা দিনে তিনি মুয়াৰ্যযিনকে বললেনঃ আজকের আযানে যখন তুমি “আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ, আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্ল-হ" বলে শেষ করবে তার পরে কিন্তু "হাইয়া আলাস্ সলা-হ” বলবে না। বরং বলবে, “সল্লু ফী বুয়ুতিকুম" অর্থাৎ- তোমরা তোমাদের বাড়ীতেই সালাত আদায় করে নাও। হাদীসের বর্ণনাকারী (আবদুল্লাহ ইবনু হারিস) বলেছেনঃ এরূপ করা লোকজন পছন্দ করল না বলে মনে হ'ল। তা দেখে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস বললেনঃ তোমরা এ কাজকে আজগুবি মনে করছ? অথচ যিনি আমার চেয়ে উত্তম তিনি এরূপ করেছেন। জুমুআর সালাত আদায় করা ওয়াজিব। কিন্তু তোমরা কাঁদাযুক্ত পিচ্ছিল পথে কষ্ট করে চলবে তা আমি পছন্দ করিনি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ..... আবদুল হামীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু হারিস (রহঃ) কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, এক বৃষ্টিকর দিনে আবদুল্লাহ ইবনু "আব্বাস আমাদের সামনে বক্তৃতা করলেন। এতটুকু বর্ণনা করে তিনি পূর্বোক্ত ইবনু উলাইয়্যাহ বর্ণিত। তিনি বলেছেন, হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করলেন। তবে তিনি জুমুআর দিনের কথা উল্লেখ করেননি। তিনি বলেছেন, যিনি আমার চেয়ে উত্তম অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করেছেন। আবূ কামিল বলেছেনঃ হাম্মদ আসিম এর মাধ্যমে আবদুল্লাহ ইবনু হারিস থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1606 — Sahih Muslim 6:37
وَحَدَّثَنِيهِ أَبُو الرَّبِيعِ الْعَتَكِيُّ، - هُوَ الزَّهْرَانِيُّ - حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، - يَعْنِي ابْنَ زَيْدٍ - حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، وَعَاصِمٌ الأَحْوَلُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَمْ يَذْكُرْ فِي حَدِيثِهِ يَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم .
আবূর রাবী আল আতাকী (আয যাহরানী) (রহঃ) ... আইয়ুব ও আসিম আল আহওয়াল (রহঃ) থেকে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি পূর্বোক্ত হাদীসের 'নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম' কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৭৬, ইসলামীক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক বৃষ্টিকর জুমুআর দিনে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস এর (নিযুক্ত) মুয়াযযিন আযান দিলেন। এতটুকু বর্ণনা করার পর তিনি ইবনু উলাইয়্যাহ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বিষয়বস্তু বর্ণনা করলেন। তিনি (আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস) বললেনঃ তোমরা কর্দময় ও পিচ্ছিল পথে চলবে তা আমার পছন্দ হয়নি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৭৭, ইসলামীক সেন্টার)
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনুল হারিস (রহঃ) এর মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বৃষ্টিঝরা জুমুআর দিনে তার (নিযুক্ত) মুয়াজ্জিনকে আযান দেয়ার আদেশ দিলেন। এভাবে তিনি অন্য বর্ণনাকারীদের অনুরূপ বর্ণনা করলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৭৯, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1610 — Sahih Muslim 6:41
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي سُبْحَتَهُ حَيْثُمَا تَوَجَّهَتْ بِهِ نَاقَتُهُ .
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। সওয়ারীর মুখ যেদিকেই থাক না কেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সওয়ারীর পিঠে বসে নফল সালাত আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৮০, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1611 — Sahih Muslim 6:42
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ حَيْثُ تَوَجَّهَتْ بِهِ .
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। উটের মুখ যে দিকেই থাকুক না কেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উটের পিঠে বসেই নফল সালাত আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৮১, ইসলামীক সেন্টার)
উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার আল কাওয়ারীরী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কাহ থেকে মদীনায় আসার পথে যে দিকেই তার মুখ হোক না কেন সওয়ারীতে বসে সালাত আদায় করতেন। এ ব্যাপারেই আয়াত (অর্থ) "তোমরা যেদিকেই মুখ ফিরাবে সেটিই আল্লাহর দিক"- (সুরাহ আল বাকারাহ ২ঃ ১১৫) অবতীর্ণ হয়। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৮২, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ কুরায়ব, ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... সকলে 'আবদুল মালিক (রহঃ) থেকে একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনুল মুবারাক ও ইবনু আবূ যায়িদাহ বর্ণিত হাদীসে এ কথা উল্লেখিত হয়েছে যে, হাদীসটি বর্ণনার পর আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) "তোমরা যেদিকেই মুখ কর না কেন সবই আল্লাহর দিক"- (সূরাহ আল বাকারাহ ২ঃ ১১৫)। এ আয়াতটি তিলাওয়াত করে বললেন, এ আয়াতটি এ ব্যাপারেই অবতীর্ণ হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৪৮৩, ইসলামীক সেন্টার)