মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু জা'ফার ও শু'বাহ এর মাধ্যমে ইয়াযীদ থেকে একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে ইয়াযীদ তার বর্ণনায় "মা-শা-আল্লা-হ" (আল্লাহ যা চান) কথাটি উল্লেখ করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৩৪, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1665 — Sahih Muslim 6:95
وَحَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ حَبِيبٍ الْحَارِثِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، أَنَّ مُعَاذَةَ الْعَدَوِيَّةَ، حَدَّثَتْهُمْ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الضُّحَى أَرْبَعًا وَيَزِيدُ مَا شَاءَ اللَّهُ .
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'যুহা' বা চাশতের সালাত চার রাকাআত আদায় করতেন এবং আল্লাহর ইচ্ছায় বেশীও আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৩৫, ইসলামীক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) থেকে একই সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৩৬, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1667 — Sahih Muslim 6:97
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، قَالَ مَا أَخْبَرَنِي أَحَدٌ، أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي الضُّحَى إِلاَّ أُمُّ هَانِئٍ فَإِنَّهَا حَدَّثَتْ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ بَيْتَهَا يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ فَصَلَّى ثَمَانِيَ رَكَعَاتٍ مَا رَأَيْتُهُ صَلَّى صَلاَةً قَطُّ أَخَفَّ مِنْهَا غَيْرَ أَنَّهُ كَانَ يُتِمُّ الرُّكُوعَ وَالسُّجُودَ . وَلَمْ يَذْكُرِ ابْنُ بَشَّارٍ فِي حَدِيثِهِ قَوْلَهُ قَطُّ .
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একমাত্র উম্মু হানী ছাড়া আর কেউ-ই আমাকে এ কথা বলেনি যে, সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে 'যুহা’ বা চাশতের সালাত আদায় করতে দেখেছে। উম্মু হানী বর্ণনা করেছেন যে, মাক্কাহ বিজয়ের দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ঘরে গিয়ে আট রাকাআত সালাত আদায় করেছেন। (তিনি এ কথাও বলেছেন যে,) আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আর কখনো এত সংক্ষিপ্ত করে সালাত আদায় করতে দেখিনি। তবে তিনি রুকূ’ ও সিজদাগুলো পূর্ণরূপে আদায় করছিলেন। ইবনু বাশশার তার বর্ণিত হাদীসে 'কাত্তু' (কখনো) শব্দটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৩৭, ইসলামীক সেন্টার)
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া ও মুহাম্মাদ ইবনু সালামাহ আল মুরাদী (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু হারিস ইবনু নাওফাল (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এমন কোন লোকের সন্ধান পেতে আমি খুবই আকাঙ্ক্ষী ছিলাম এবং এ ব্যাপারে লোকদের জিজ্ঞেসও করতাম যে, এমন কেউ আমাকে এ মর্মে জ্ঞাত করতে পারবে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতুয 'যুহা' বা চাশতের সালাত আদায় করেছেন। তবে একমাত্র আবূ ত্বলিবের কন্যা উম্মু হানী ছাড়া আর কাউকেই এমন পাইনি যে, আমাকে এ ব্যাপারে কিছু অবহিত করতে পেরেছে। তিনি (উম্মু হানী) আমাকে জানিয়েছেন যে, মাক্কাহ বিজয়ের দিন সূর্যোদয়ের পর বেলা কিছু বাড়লে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছে আসলেন। একটি কাপড় আনা হ’ল এবং তা দিয়ে পর্দা করে দিলে তিনি গোসল করলেন। তারপর সালাতে দাঁড়ালেন এবং আট রাকাআত সালাত আদায় করলেন। উম্মু হানী (রাযিঃ) বলেছেন- এ সালাত তার কিয়াম (দাঁড়ানো) দীর্ঘতর ছিল, না রুকূ’ দীর্ঘতর ছিল, না সিজদা দীর্ঘতর ছিল তা আমি জানি না। তবে কিয়াম, রুকূ’ ও সিজদা সবগুলোই মনে হয় এক রকমের দীর্ঘ ছিল। উম্মু হানী (রাযিঃ) বলেছেনঃ এর আগে কিংবা পরে আর কখনও আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে 'সালাতুয যুহা’ বা চাশতের সালাত আদায় করতে দেখিনি। হাদীসটির বর্ণনাকারী মুরাদী এটি ইউনুস এর নিকট থেকে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি 'আখবারানী' অর্থাৎ ইউনুস আমাকে বলেছেন কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৩৮, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উম্মু হানী (রাযিঃ) এর আযাদকৃত দাস আবূ মুররাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি আবূ তুলিবের কন্যা উম্মু হানী (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন। (তিনি বলেছেন) মক্কাহ বিজয়ের বছরে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গিয়ে দেখলাম, তিনি গোসল করছেন আর তার কন্যা ফাতিমাহ একটি কাপড় দিয়ে তাকে পর্দা করে রেখেছেন। উম্মু হানী বলেন- আমি তাকে সালাম দিলাম। তখন তিনি জানতে চাইলেন, কে? আমি বললামঃ আমি আবূ তুলিবের কন্যা উম্মু হানী। তিনি (খুশীতে) বললেনঃ উম্মু হানীকে স্বাগতম। অতঃপর গোসল শেষ করে তিনি সালাতে দাঁড়ালেন এবং একটি মাত্র কাপড় গায়ে জড়িয়ে আট রাকাআত সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষে আমি তাকে বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! আমার ভাই আলী ইবনু আবূ তুলিব বলেছেনঃ তিনি আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ)-এর পুত্র অমুককে হত্যা করে ছাড়বেন অথচ আমি তাকে নিরাপত্তা দিয়েছি। সব শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে উম্মু হানী! তুমি যাকে নিরাপত্তা দান করেছ আমিও তাকে নিরাপত্তা দান করেছি। উম্মু হানী বর্ণনা করেছেনঃ এ ঘটনা ছিল 'যুহা' বা চাশতের সময়ের। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৩৯, ইসলামীক সেন্টার)
‘আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আসম আয যুবাঈ (রহঃ) ..... আবূ যার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতিটি দিন শুরু হওয়ার সাথে সাথে তোমাদের প্রত্যেকের প্রতিটি অস্থি-বন্ধনী ও গিটের উপর সদাকাহ ওয়াজিব হয়। সুতরাং প্রতিটি তাসবীহ অর্থাৎ সুবহানাল্ল-হ' বলা সদাকাহ হিসেবে গণ্য হয়। প্রতিটি তাহমীদ অর্থাৎ আলহমদুলিল্লা-হ' বলা তার জন্য সদাকাহ হিসেবে গণ্য হয়। প্রতিটি 'আল্ল-হু আকবার’ তার জন্য এবং নাহী আলিন মুনকার অর্থাৎ খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখার প্রতিটি প্রয়াসও তার জন্য অনুরূপ সদাকাহ বলে গণ্য হয়। তবে 'যুহা’ বা চাশ্তের মাত্র দু' রাকাআত সালাত যদি সে আদায় করে তাহলে তা এ সবগুলো সমকক্ষ হতে পারে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৪১, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1672 — Sahih Muslim 6:102
حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا أَبُو التَّيَّاحِ، حَدَّثَنِي أَبُو عُثْمَانَ النَّهْدِيُّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ أَوْصَانِي خَلِيلِي صلى الله عليه وسلم بِثَلاَثٍ بِصِيَامِ ثَلاَثَةِ أَيَّامٍ مِنْ كُلِّ شَهْرٍ وَرَكْعَتَىِ الضُّحَى وَأَنْ أُوتِرَ قَبْلَ أَنْ أَرْقُدَ .
শায়বান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার বন্ধু (অর্থাৎ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে তিনটি কাজ করতে উপদেশ দিয়েছেন। সেগুলো হ’ল- প্রতি মাসে তিনটি করে সওম (রোযা) পালন করতে, "যুহা" বা চাশতের দু' রাকাআত সালাত আদায় করতে এবং ঘুমানোর পূর্বে বিতর সালাত আদায় করতে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৪২, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1673 — Sahih Muslim 6:103
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبَّاسٍ الْجُرَيْرِيِّ، وَأَبِي، شِمْرٍ الضُّبَعِيِّ قَالاَ سَمِعْنَا أَبَا عُثْمَانَ النَّهْدِيَّ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . بِمِثْلِهِ .
মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৫৪৩, ইসলামীক সেন্টার)