আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শেষ রাতে জাগতে পারবে না বলে কারো আশঙ্কা হলে সে যেন রাতের প্রথমভাগেই (ইশার সালাতের পর) বিতর আদায় করে নেয়। আর কেউ যদি শেষ রাতে জাগতে আগ্রহী থাকে (অর্থাৎ শেষ রাতে জগতে পারবে বলে নিশ্চিত হতে পারে) তাহলে সে যেন শেষভাগে বিতর আদায় করে নেয়। কেননা শেষ রাতের সালাতে (মালাকগণের) উপস্থিতি থাকে। আর এটাই সর্বোত্তম ব্যবস্থা। হাদীসটি বর্ণনাকারীর আবূ মু'আবিয়াহ مَشْهُودَةٌ শব্দের পরিবর্তে مَحْضُورَةٌ শব্দ উল্লেখ করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৩৬ ইসলামীক সেন্টার)
সালামাহ ইবনু শাবীব (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, তোমাদের কেউ যদি শেষ রাতে জগতে পারবে না বলে আশঙ্কা করে তাহলে বিতর সালাত আদায় করে ঘুমাবে। আর যার শেষরাতে জাগতে পারার আত্মবিশ্বাস বা নিশ্চয়তা আছে সে শেষ রাতে বিতর আদায় করবে। কেননা শেষ রাতের কুরআন পাঠে মালায়িকাহ উপস্থিত থাকে। আর এটা সর্বাপেক্ষা উত্তমও বটে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৩৭, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1768 — Sahih Muslim 6:197
حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَفْضَلُ الصَّلاَةِ طُولُ الْقُنُوتِ " .
আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে সালাতে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কিরআত পড়া হয় সে সালাতই সর্বোত্তম সালাত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৩৮, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও কুরায়ব (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলঃ কোন সালাত সবচেয়ে উত্তম? জবাবে তিনি বলেছিলেনঃ দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে যে সালাত আদায় করা হয় সে সালাত সবচেয়ে উত্তম। আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ বলেছেন যে, হাদীসটি আবূ মু'আবিয়াহ আ'মাশের নিকট থেকে শুনে বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৩৯, ইসলামীক সেন্টার)
উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ সারা রাতের মধ্যে এমন একটি বিশেষ সময় আছে যে সময়ে কোন মুসলিম আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের কোন কল্যাণ প্রার্থনা করলে তিনি তাকে তা দান করেন। আর ঐ বিশেষ সময়টি প্রত্যেক রাতেই থাকে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৪০, ইসলামীক সেন্টার)
সালামাহ ইবনু শাবীব (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রাতের মধ্যে একটি বিশেষ সময় আছে, সে সময় কোন মুসলিম বান্দা যদি আল্লাহর কাছে কোন কল্যাণ প্রার্থনা করে তাহলে তিনি তাকে তা দান করেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৪১, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক রাতে যখন রাতের শেষ তৃতীয়াংশ থাকে তখন আমাদের প্রতিপালক মহান ও কল্যাণময় আল্লাহ দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করে বলতে থাকেনঃ কে এমন আছ, যে এখন আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দিব। এখন কে এমন আছ যে আমার কাছে প্রার্থনা করবে, আমি তাকে দান করব। আর কে এমন আছ, যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে আমি তাকে ক্ষমা করে দিব। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৪২, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ প্রত্যেক রাতে যখন রাতের প্রথম তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হয় তখন আল্লাহ তা'আলা দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করে বলতে থাকেন- আমিই একমাত্র বাদশাহ কে এমন আছ আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দিব। কে এমন আছ আমার কাছে প্রার্থনা করবে, আমি তাকে দান করব। কে মন আছ যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব, ফজরের আলো ছড়িয়ে না পড়া পর্যন্ত আল্লাহ 'আলা এরূপ বলতে থাকেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৪৩, ইসলামীক সেন্টার)