Qurani·قرآني
বাংলা

কিতাবুল ফাযায়েল (ফজিলত)

5785 হাদিস · #384–6168

হাদিস 1804 — Sahih Muslim 6:232
وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ قَيْسِ بْنِ مَخْرَمَةَ، أَخْبَرَهُ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ، أَنَّهُ قَالَ لأَرْمُقَنَّ صَلاَةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اللَّيْلَةَ فَصَلَّى ‏.‏ رَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَهُمَا دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَهُمَا دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَهُمَا دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَهُمَا دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا ثُمَّ أَوْتَرَ فَذَلِكَ ثَلاَثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً ‏.‏
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু খালিদ আল জুহানী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাতে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত দেখব। রাতের বেলা প্রথমে তিনি সংক্ষিপ্তভাবে দু' রাকাআত সালাত আদায় করলেন। তারপর অনেক অনেক দীর্ঘায়িত করে দু' রাকাআত সালাত আদায় করলেন। তারপর দু' রাকাআত সালাত আদায় করলেন যা পূর্বের দু' রাকাআত থেকে কম দীর্ঘ ছিল। এরপর দু' রাকাআত আদায় করলেন যা এর পূর্বের দু' রাকাআত থেকে কম দীর্ঘায়িত ছিল। এরপর দু' রাকাআত আদায় করলেন যা পূর্বের দু' রাকাআত থেকে কম দীর্ঘায়িত ছিল। পরে আরো দু' রাকাআত আদায করলেন যা পূর্বের দু' রাকাআত থেকেও কম দীর্ঘায়িত ছিল। এরপর বিতর অর্থাৎ এক রাকাআত সালাত আদায় করলেন এবং এভাবে মোট তের রাকাআত সালাত হ'ল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1805 — Sahih Muslim 6:233
وَحَدَّثَنِي حَجَّاجُ بْنُ الشَّاعِرِ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ الْمَدَائِنِيُّ أَبُو جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا وَرْقَاءُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ كُنْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ فَانْتَهَيْنَا إِلَى مَشْرَعَةٍ فَقَالَ ‏ "‏ أَلاَ تُشْرِعُ يَا جَابِرُ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ بَلَى - قَالَ - فَنَزَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَشْرَعْتُ - قَالَ - ثُمَّ ذَهَبَ لِحَاجَتِهِ وَوَضَعْتُ لَهُ وَضُوءًا - قَالَ - فَجَاءَ فَتَوَضَّأَ ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ خَالَفَ بَيْنَ طَرَفَيْهِ فَقُمْتُ خَلْفَهُ فَأَخَذَ بِأُذُنِي فَجَعَلَنِي عَنْ يَمِينِهِ ‏.‏
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক সফরে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। এক সময়ে আমরা এক (পানির কিনারে) ঘাটে গিয়ে পৌছলাম। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ জাবির তুমি কি ঘাট পার হবে না? আমি বললাম, হ্যাঁ। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অপর পাড়ে গিয়ে অবতরণ করলে আমিও পার হলাম। (জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ বর্ণনা করেছেন যে,) এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারতে গেলে আর আমি তার ওযুর পানি প্রস্তুত করে রাখলাম। (তিনি বর্ণনা করেছেন) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে ওযু করলেন এবং একখানা মাত্র কাপড় গায়ে জড়িয়ে সালাতে দাঁড়ালেন। কাপড়খানার আঁচল বিপরীত দিকের দু কাঁধে দিলেন। তখন আমি গিয়ে তার পিছনে দাঁড়ালাম। কিন্তু তিনি আমার কান ধরে নিয়ে তার ডান পাশে খাড়া করে দিলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1806 — Sahih Muslim 6:234
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ جَمِيعًا عَنْ هُشَيْمٍ، - قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، - أَخْبَرَنَا أَبُو حُرَّةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَامَ مِنَ اللَّيْلِ لِيُصَلِّيَ افْتَتَحَ صَلاَتَهُ بِرَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ ‏.‏
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আবূ বকর ইবনু আবৃ শায়বাহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে সালাত আদায় করতে উঠলে সংক্ষিপ্তভাবে দু' রাকাআত (প্রথম দু' রাকাআত) সালাত শুরু করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৭৬, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1807 — Sahih Muslim 6:235
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي، هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ إِذَا قَامَ أَحَدُكُمْ مِنَ اللَّيْلِ فَلْيَفْتَتِحْ صَلاَتَهُ بِرَكْعَتَيْنِ خَفِيفَتَيْنِ
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ রাতে সালাত আদায় করতে শুরু করলে সে যেন সংক্ষিপ্তভাবে দু' রাকাআত সালাত দিয়ে শুরু করে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৭৭, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1808 — Sahih Muslim 6:236
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ، عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ إِذَا قَامَ إِلَى الصَّلاَةِ مِنْ جَوْفِ اللَّيْلِ ‏ "‏ اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ نُورُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ قَيَّامُ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ رَبُّ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ وَمَنْ فِيهِنَّ أَنْتَ الْحَقُّ وَوَعْدُكَ الْحَقُّ وَقَوْلُكَ الْحَقُّ وَلِقَاؤُكَ حَقٌّ وَالْجَنَّةُ حَقٌّ وَالنَّارُ حَقٌّ وَالسَّاعَةُ حَقٌّ اللَّهُمَّ لَكَ أَسْلَمْتُ وَبِكَ آمَنْتُ وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْكَ أَنَبْتُ وَبِكَ خَاصَمْتُ وَإِلَيْكَ حَاكَمْتُ فَاغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَأَخَّرْتُ وَأَسْرَرْتُ وَأَعْلَنْتُ أَنْتَ إِلَهِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ ‏"‏ ‏.‏
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাতের বেলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত আদায় করতে উঠতেন তখন এ বলে দু'আ করতেনঃ "আল্ল-হুম্মা লাকাল হামদু আনতা নুরুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরযি ওয়ালাকাল হামদু আনতা ক্বইয়্যামুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আৱযি ওয়ালাকাল হামদু আনতা রব্বুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরযি ওয়ামান ফীহিন্না আনতাল হাক্কু ওয়া ওয়াদুকাল হাক্কু ওয়াক্বাওলুকাল হাক্কু ওয়ালিকা-উকা হাক্কুন ওয়াল জান্নাতু হাক্কুন ওয়ান্না-রু হাক্কুন ওয়াস সা-আতু হাক্কুন, আল্লহুম্মা লাকা আসলামতু ওয়াবিকা আ-মানতু ওয়া আলায়কা তাওয়াক্কালতু ওয়া ইলায়কা আনাব্‌তু ওয়াবিকা খাসামতু ওয়া ইলায়কা হা-কামতু ফাগফিরলী মা- ক্বদ্দাম্‌তু ওয়া আখখারতু ওয়া আস্‌রারতু ওয়া আলানতু আনতা ইলা-হী লা-ইলা-হা ইল্লা- আনতা” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তোমার জন্যই সব প্রশংসা। তুমি আসমান ও জমিনের নূর বা আলো। তোমার জন্যই সব প্রশংসা, তুমিই আসমান ও জমিনের ব্যবস্থাপক। তোমার জন্যই সব প্রশংসা তুমিই আসমান ও জমিনের এবং এ সবের মধ্যে অবস্থিত সবকিছুর প্রতিপালক। তুমিই হাক্ব বা সত্য। তোমার ওয়া’দা সত্য, তোমার সব বাণী সত্য তোমার সাথে সাক্ষাতের বিষয়টি সত্য। জান্নাত সত্য, জাহান্নামও সত্য এবং কিয়ামতও সত্য। হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছেই আত্মসমর্পণ করেছি, তোমারই প্রতি ঈমান এনেছি, তোমার ওপরই তাওয়াক্কুল বা নির্ভর করেছি, তোমার কাছেই প্রত্যাবর্তন করেছি, তোমারই জন্যে অন্যদের সাথে বিবাদ করেছি এবং তোমার কাছেই ফায়সালা চেয়েছি। তাই তুমি আমার আগের ও পরের এবং গোপনে ও প্রকাশ্যে কৃত সব পাপ ক্ষমা করে দাও। একমাত্র তুমিই আমার ইলাহ। তুমি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই।)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৭৮, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1809 — Sahih Muslim 6:237
حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ وَابْنُ أَبِي عُمَرَ قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، كِلاَهُمَا عَنْ سُلَيْمَانَ الأَحْوَلِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ أَمَّا حَدِيثُ ابْنِ جُرَيْجٍ فَاتَّفَقَ لَفْظُهُ مَعَ حَدِيثِ مَالِكٍ لَمْ يَخْتَلِفَا إِلاَّ فِي حَرْفَيْنِ قَالَ ابْنُ جُرَيْجٍ مَكَانَ قَيَّامُ قَيِّمُ وَقَالَ وَمَا أَسْرَرْتُ وَأَمَّا حَدِيثُ ابْنِ عُيَيْنَةَ فَفِيهِ بَعْضُ زِيَادَةٍ وَيُخَالِفُ مَالِكًا وَابْنَ جُرَيْجٍ فِي أَحْرُفٍ ‏.‏
আমর আন নাকিদ, ইবনু নুমায়র ও ইবনু আবূ উমার, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে উপরে বর্ণিত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে শুধু দুটি শব্দ ছাড়া ইবনু জুরায়জ বর্ণিত হাদীসের শব্দসমূহ মালিক বর্ণিত হাদীসের শব্দসমূহের অনুরূপ। দুটি স্থানের একটি ইবনু জুরায়জ قَيَّامُ শব্দের পরিবর্তে قَيِّمُ শব্দটি উল্লেখ করেছেন। আর অপর স্থানটিতে শুধু وَمَا أَسْرَرْتُ এ কথাটি উল্লেখ করেছেন। আর ইবনু উয়াইনাহ বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ হাদীসটিতে কিছু অতিরিক্ত শব্দ আছে এবং অনেকগুলো শব্দের ব্যাপারে তিনি মালিকের এবং ইবনু জুরায়জ-এর সাথে পার্থক্য করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৭৯, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1810 — Sahih Muslim 6:238
وَحَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا مَهْدِيٌّ، - وَهُوَ ابْنُ مَيْمُونٍ - حَدَّثَنَا عِمْرَانُ، الْقَصِيرُ عَنْ قَيْسِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذَا الْحَدِيثِ وَاللَّفْظُ قَرِيبٌ مِنْ أَلْفَاظِهِمْ ‏.‏
শায়বান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এই একই সানাদে হাদীসটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের শব্দ উপরে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৮০, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1811 — Sahih Muslim 6:239
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، وَأَبُو مَعْنٍ الرَّقَاشِيُّ قَالُوا حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، حَدَّثَنِي أَبُو سَلَمَةَ، بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ قَالَ سَأَلْتُ عَائِشَةَ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ بِأَىِّ شَىْءٍ كَانَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَفْتَتِحُ صَلاَتَهُ إِذَا قَامَ مِنَ اللَّيْلِ قَالَتْ كَانَ إِذَا قَامَ مِنَ اللَّيْلِ افْتَتَحَ صَلاَتَهُ ‏ "‏ اللَّهُمَّ رَبَّ جِبْرَائِيلَ وَمِيكَائِيلَ وَإِسْرَافِيلَ فَاطِرَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضِ عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ أَنْتَ تَحْكُمُ بَيْنَ عِبَادِكَ فِيمَا كَانُوا فِيهِ يَخْتَلِفُونَ اهْدِنِي لِمَا اخْتُلِفَ فِيهِ مِنَ الْحَقِّ بِإِذْنِكَ إِنَّكَ تَهْدِي مَنْ تَشَاءُ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম, আবদ ইবনু হুমায়দ ও আবূ মা'ন আররাক্বাশী (রহঃ) .... 'আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উন্মুল মু'মিনীন আয়িশাহ (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলা যখন সালাত আদায় করতেন তখন কীভাবে তার সালাত শুরু করতেন? জবাবে আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেনঃ রাতে যখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাত আদায় করতে উঠতেন তখন এ দু'আটি পড়ে সালাত শুরু করতেনঃ "আল্ল-হুম্মা রব্বা জিবরীলা ওয়া মীকাঈলা ওয়া ইসরা-ফীলা ফা-তিরাস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরযি আ-লিমাল গয়বি ওয়াশ্ব শাহা-দাতি আনতা তাহকুমু বায়না ইবা-দিকা ফীমা কা-নূ ফীহি ইয়াখতালিফ নাহদিনী লিমাখ তুলিফা ফীহি মিনাক হাক্কি বি ইযনিকা ইন্নাকা তাহদী মান তাশা-উ ইলা সিরা-ত্বিম মুসতাকীম" (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! জিবরীল, মিকাঈল ও ইসরাফীলের প্রতিপালক, আসমান ও জমিনের স্রষ্টা, প্রকাশ্য ও গোপন বিষয়সমূহের জ্ঞানের অধিকারী। তোমার বান্দারা যেসব বিষয়ে মতানৈক্য পোষণ করে তুমিই সেগুলোর ফায়সালা করবে। সত্য ও ন্যায়ের যেসব বিষয়ে মতানৈক্য পোষণ করা হয়েছে সে বিষয়ে তুমি আমাকে পথ দেখাও। তুমিই তো যাকে ইচ্ছা সরল-সহজ পথ দেখিয়ে থাকো।)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৮১, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1812 — Sahih Muslim 6:240
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ الْمَاجِشُونُ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَبْدِ، الرَّحْمَنِ الأَعْرَجِ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَانَ إِذَا قَامَ إِلَى الصَّلاَةِ قَالَ ‏"‏ وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ حَنِيفًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ إِنَّ صَلاَتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَاىَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ اللَّهُمَّ أَنْتَ الْمَلِكُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ ‏.‏ أَنْتَ رَبِّي وَأَنَا عَبْدُكَ ظَلَمْتُ نَفْسِي وَاعْتَرَفْتُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي ذُنُوبِي جَمِيعًا إِنَّهُ لاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ وَاهْدِنِي لأَحْسَنِ الأَخْلاَقِ لاَ يَهْدِي لأَحْسَنِهَا إِلاَّ أَنْتَ وَاصْرِفْ عَنِّي سَيِّئَهَا لاَ يَصْرِفُ عَنِّي سَيِّئَهَا إِلاَّ أَنْتَ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ كُلُّهُ فِي يَدَيْكَ وَالشَّرُّ لَيْسَ إِلَيْكَ أَنَا بِكَ وَإِلَيْكَ تَبَارَكْتَ وَتَعَالَيْتَ أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ ‏"‏ ‏.‏ وَإِذَا رَكَعَ قَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ لَكَ رَكَعْتُ وَبِكَ آمَنْتُ وَلَكَ أَسْلَمْتُ خَشَعَ لَكَ سَمْعِي وَبَصَرِي وَمُخِّي وَعَظْمِي وَعَصَبِي ‏"‏ ‏.‏ وَإِذَا رَفَعَ قَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَوَاتِ وَمِلْءَ الأَرْضِ وَمِلْءَ مَا بَيْنَهُمَا وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَىْءٍ بَعْدُ ‏"‏ ‏.‏ وَإِذَا سَجَدَ قَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ لَكَ سَجَدْتُ وَبِكَ آمَنْتُ وَلَكَ أَسْلَمْتُ سَجَدَ وَجْهِي لِلَّذِي خَلَقَهُ وَصَوَّرَهُ وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ تَبَارَكَ اللَّهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِينَ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ يَكُونُ مِنْ آخِرِ مَا يَقُولُ بَيْنَ التَّشَهُّدِ وَالتَّسْلِيمِ ‏"‏ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَسْرَفْتُ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ ‏"‏ ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর আল মুকাদ্দামী (রহঃ) ..... ‘আলী ইবনু আবূ তুলিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন সালাত আদায় করতে দাঁড়াতেন তখন এ বলে শুরু করতেনঃ "ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহিয়া লিল্লাযী ফাত্বারাস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরযা হানীফাওঁ ওয়ামা- আনা মিনাল মুশরিকীনা ইন্না সলা-তী ওয়া নুসুকী ওয়া মাহইয়া-ইয়া ওয়া মামা-তী লিল্লা-হি রব্বিল আ-লামীনা লা শারীকা লাহু ওয়াবি যা-লিকা উমিরতু ওয়া আনা- মিনাল মুসলিমীন, আল্ল-হুম্মা আনতাল মালিকু লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা আনতা রব্বী ওয়া আনা- আবদুকা যলামতু নাফসী ওয়া'তারাফতু বিযাম্বি ফাগফিরলী যুনুবী জামী'আন ইন্নাহু লা- ইয়াগকরুত্ব যুনুবা ইল্লা- আনতা ওয়াহদিনী লিআহসানিল আখলা-ক্বি লা- ইয়াহদী লিআহসানিহা- ইল্লা- আনতা ওয়াসরিফ আন্নী সাইয়্যিআহা- লা- ইয়াসরিফু 'আন্নী সাইয়্যিআহা- ইল্লা- আনতা লাব্বায়কা ওয়া সাদায়কা ওয়াল খয়রু কুল্লুহু কী ইয়াদায়কা ওয়াশ শুররু লায়সা ইলায়কা আনা- বিকা ওয়া ইলায়কা তাবা-রাকত ওয়াতা আ-লায়তা আস্তাগফিরুকা ওয়া আতুব ইলায়ক" (অর্থাৎ- আমি একনিষ্ঠ হয়ে আমার মুখ সে মহান সত্তার দিকে ফিরিয়ে নিলাম যিনি আসমান ও জমিনকে সৃষ্টি করেছেন। আর আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই। আমার সালাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও মৃত্যু সবকিছুই আল্লাহর জন্য যিনি সারা বিশ্বজাহানের প্রতিপালক। তার কোন শারীক নেই। আমি এ জন্যই আদিষ্ট হয়েছি। আমি মুসলিম বা আত্মসমর্পণকারী। হে আল্লাহ! তুমিই সার্বভৌম বাদশাহ। তুমি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। তুমি আমার প্রতিপালক, আর আমি তোমার বান্দা। আমি নিজে আমার প্রতি যুলুম করেছি। আমি আমার পাপ স্বীকার করছি। সুতরাং তুমি আমার সব পাপ ক্ষমা করে দাও। কেননা তুমি ছাড়া আর কেউ পাপ ক্ষমা করতে পারে না। আমাকে সর্বোত্তম আখলাক বা নৈতিকতার পথ দেখাও। তুমি ছাড়া এ পথ আর কেউ দেখাতে সক্ষম নয়। আর আখলাক বা নৈতিকতার মন্দ দিকগুলো আমার থেকে দূরে রাখ। তুমি ছাড়া আর কেউ মন্দগুলোকে দূরে রাখতে সক্ষম নয়। আমি তোমার সামনে হাজির আছি- তোমার আনুগত্য করতে প্রস্তুত আছি। সব রকম কল্যাণের মালিক তুমিই। অকল্যাণের দায়-দায়িত্ব তোমার নয়। আমার সব কামনা-বাসনা তোমার কাছেই কাম্য। আমার শক্তিসামর্থ্যও তোমারই দেয়া। তুমি কল্যাণময়, তুমি মহান। আমি তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তোমার কাছেই তওবা করছি।)। আর রুকূ করার সময় বলতেনঃ “আল্ল-হুম্মা লাকা রাকা'তু ওয়াবিকা আ-মানতু ওয়ালাকা আসলামতু খশা'আ লাকা সামঈ ওয়া বাসার ওয়া মুখখী ওয়া আযমী ওয়া আসাবী"- (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তোমার উদ্দেশেই আত্মসমর্পণ করলাম। আমার কান, চোখ, মগজ, হাড় এবং সব স্নায়ুতন্ত্রী তোমার কাছে নত ও বশীভূত হ’ল)। আর রুকূ’ থেকে উঠে বলতেনঃ “আল্ল-হুম্মা রব্বানা- লাকাল হামদু মিলআস সামা-ওয়াতি ওয়ামিল আল আরযি ওয়ামিলআ মা- বায়নাহুমা- ওয়ামিলআ মা- শি'তা মিন শাইয়িন বাদু”— (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! হে আমার প্রতিপালক, সব প্রশংসা তোমারই প্রাপ্য। আসমান ভর্তি প্রশংসা একমাত্র তোমারই প্রাপ্য)। আর যখন সাজদায় যেতেন তখন বলতেনঃ "আল্ল-হুম্মা লাকা সাজাদতু ওয়াবিকা আ-মানতু ওয়ালাকা আসলামৃত্যু সাজাদা ওয়াজহী লিল্লায়ী খলাকাহু ওয়াসাও ওয়ারাহু ওয়াশাক্বকা সাম'আহু ওয়া বাসারাহ্ তাবা-রাকাল্লা-হু আহসানুল খ-লিকীন”— (অর্থা- হে আল্লাহ! তোমারই উদ্দেশে আমি সিজদা করলাম। তোমারই প্রতি আমি ঈমান পোষণ করেছি। তোমারই উদ্দেশে আমি আত্মসমর্পণ করেছি। আমার মুখমণ্ডল সে মহান সত্তার উদ্দেশে সিজদা করল যিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আকৃতি দান করেছেন আর কান ও চোখ ফুটিয়ে শোনা ও দেখার উপযোগী করে তৈরি করেছেন। মহা কল্যাণময় আল্লাহ, তিনি কতই না উত্তম সৃষ্টিকার)। অতঃপর সবশেষে তাশাহহুদ ও সালামের মধ্যবর্তী সময়ে তিনি বলতেনঃ “আল্ল-হুম্মাগফিরলী মা- ক্বদ্দামতু ওয়ামা- আখখারতু ওয়ামা আসসারতু ওয়ামা আ'লানতু ওয়ামা আসরাফতু ওয়ামা আনতা আ'লামু বিহী মিন্নী আনতাল মুকাদ্দিমু ওয়া আনতাল মুআখখিরু লা-ইলা-হা ইল্লা- আনতা"- (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! তুমি আমার পূর্বের ও পরের, গোপনে এবং প্রকাশ্যে কৃত গুনাহ ক্ষমা করে দাও। আর যে সব ব্যাপারে আমি বাড়াবাড়ি করেছি তাও ক্ষমা করে দাও। আমার কৃত যেসব পাপ সম্পর্কে তুমি আমার চাইতে বেশী জান তাও ক্ষমা করে দাও। তুমিই আদি এবং তুমিই অন্ত, তুমি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই।) (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৮২, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 1813 — Sahih Muslim 6:241
وَحَدَّثَنَاهُ زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ، إِبْرَاهِيمَ أَخْبَرَنَا أَبُو النَّضْرِ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَمِّهِ، الْمَاجِشُونِ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ عَنِ الأَعْرَجِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا اسْتَفْتَحَ الصَّلاَةَ كَبَّرَ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ وَجَّهْتُ وَجْهِي ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ ‏"‏ وَأَنَا أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ قَالَ ‏"‏ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ ‏"‏ وَصَوَّرَهُ فَأَحْسَنَ صُوَرَهُ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ وَإِذَا سَلَّمَ قَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ ‏"‏ .‏ إِلَى آخِرِ الْحَدِيثِ وَلَمْ يَقُلْ بَيْنَ التَّشَهُّدِ وَالتَّسْلِيمِ ‏.‏
যুহায়র ইবনু হারব এবং ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আ'রাজ (রহঃ) থেকে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এতে তিনি বলেছেনঃ সালাত শুরু করার সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীর বলতেন তারপরে “ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহী” বলতেন। এরপর শেষের দিকে “ওয়া আনা- আওওয়ালুল মুসলিমীন” বলতেন। এ হাদীসে তিনি আরো বলেছেনঃ যখন তিনি রুকূ’ থেকে মাথা উঠাতেন তখন "সামি'আল্ল-হু লিমান হামিদাহ, রব্বানা- ওয়ালাকাল হামদ” এবং তিনি “ওয়া সাওওয়ারাহ ফা আহসানা সুওয়ারাহু”-ও বলতেন (অর্থাৎ- তিনি আকৃতি দান করেছেন এবং উত্তম আকৃতি দান করেছেন।)। এ বর্ণনাতে আরো আছে, তিনি যখন সালাম ফিরাতেন তখন “আল্ল-হুম্মাগ ফিরলী মা- কুদ্দামতু” কথাটি থেকে শুরু করে পূর্বোক্ত হাদীসের শেষ পর্যন্ত বলতেন। আর তিনি তাশাহহুদ ও সালামের কথা বলেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৬৮৩, ইসলামীক সেন্টার)
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।