মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু মীনা (রহঃ) বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছিঃ আমার খালা আয়িশাহ (রাযিঃ) আমাকে বলেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ! তোমার সম্প্রদায়ের লোকেরা নিকট অতীতে শিরক পরিত্যাগ না করলে আমি কাবাহ ঘর ভেঙ্গে এর ভিত ভূমির সমতলে স্থাপন করতাম। এর দুটি দরজা করতাম- একটি পূর্বদিকে, অপরটি পশ্চিমদিকে এবং আল হাজার (হাতীম) এর ছয় গজ স্থান কা'বার অন্তর্ভুক্ত করতাম। কেননা কুরায়শরা কাবাহ ঘর নির্মাণকালে এর ভিত ছোট করে দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১১০, ইসলামীক সেন্টার)
হান্নাদ ইবনুস্ সারী (রহঃ) ..... আত্বা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়াযীদ ইবনু মুআবিয়ার সময় কা'বাহ ঘর দগ্ধীভূত হয়েছিল- যখন সিরীয় বাহিনী মাক্কায় (মক্কায়) যুদ্ধে লিপ্ত ছিল (৬৩ হিজরী) এবং কা'বার যা হবার তাই হল। হাজ্জের (হজ্জের/হজের) মৌসুমে লোকদের আগমনের সময় 'আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) কা'বাকে এ অবস্থায় রেখে দিলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল লোকদেরকে উদ্দীপ্ত করা অথবা তাদের মধ্যে সিরীয়দের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার মনোবল সৃষ্টি করা। লোকেরা সমবেত হলে তিনি বললেন, হে জনগণ! আমাকে কা'বাহ ঘর সম্পর্কে পরামর্শ দিন। আমি কি তা ভেঙ্গে ফেলে সম্পূর্ণ নতুনভাবে গড়ে তুলব, নাকি শুধু এর ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করব? ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, আমার মনে একটি মতের উদয় হয়েছে, আমি মনে করি যে, শুধু ক্ষতিগ্রস্ত অংশ তুমি মেরামত করবে এবং লোকদের ইসলাম গ্রহণ ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নবুওয়াত লাভকালীন সময়ে কাবাহ ঘর ও পাথরসমূহ যে অবস্থায় ছিল, তা সে অবস্থায় রেখে দিবে। ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) বললেন, আপনাদের কারো ঘর অগ্নিদগ্ধ হলে তা সংস্কার না করা পর্যন্ত তিনি স্বস্তি লাভ করতে পারেন না। অতএব আপনাদের প্রতিপালকের ঘর কী করে এরূপ জীৰ্ণ অবস্থায় রাখা যেতে পারে? আমি আমার রব এর কাছে তিনদিন ইস্তিখারা করব (অভিপ্রায় অবগত হবার জন্য)। অতঃপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব। তিনদিন পর তিনি কা'বাহ ঘর ভেঙ্গে পুনর্নির্মাণের দৃঢ় সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন। লোকেরা আশংকা করল যে, সর্বপ্রথম যে ব্যক্তি কাবার ছাদে উঠবে, সে হয়ত কোন আসমানী গযবে নিপতিত হবে। শেষ পর্যন্ত এক ব্যক্তি (ছাদ ভাঙ্গার জন্য) কাবার ছাদে উঠল এবং তার একটি পাথর নীচে ফেলল। লোকেরা যখন দেখল সে কোন বিপদে পড়েনি, তখন তারাও তাকে অনুসরণ করল এবং কা'বাহ ঘর ভেঙ্গে জমিনের সাথে মিশিয়ে দিল। অতঃপর ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) কতগুলো থাম স্থাপন করে এগুলোর সাথে পর্দা ঝুলিয়ে দিলেন। অবশেষে কা'বার দেয়ালের গাথুনি উচ্চ হল। ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) বললেন, অবশ্যই আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “লোকেরা যদি নিকট অতীতে কুফুরী ত্যাগ না করত এবং আমার নিকটও কা'বাকে পুনর্নির্মাণ করার মত অর্থসামর্থ্যও নেই- তাহলে আমি অবশ্যই আল-হাজার (হাতীম) এর পাঁচ গজ স্থান কা'বাহ ঘরের অন্তর্ভুক্ত করতাম এবং লোকদের প্রবেশের জন্য ও বের হবার জন্য এর দু'টি দরজা বানাতাম।" ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) বলেন, বর্তমানে আমার হাতে তা নির্মাণের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ আছে এবং লোকদের তরফ থেকেও কোন প্রতিবাদের আশংকা নেই। রাবী বলেন, এরপর তিনি হাতীমের পাঁচ গজ এলাকা কা'বার অন্তর্ভুক্ত করলেন। ফলে তা (পুরাতন) ভিতের উপর গড়ে উঠল যার উপর ইবরাহীম (আঃ) তা গড়েছিলেন এবং লোকেরা তা অবলোকন করল। এ ভিতের উপর দেয়াল গড়ে তোলা হল। কা'বার দৈর্ঘ্য ছিল আঠার গজ। তা যখন (প্রস্থে) বাড়ানো হল, তখন (স্বাভাবিকভাবেই দৈর্ঘ্য) তা ছোট হওয়ায় দৈর্ঘ্যে তা আরও দশ গজ বৃদ্ধি করা হল এবং এর দু'টি দরজা নির্মাণ করা হল, একটি প্রবেশের জন্য এবং অপরটি প্রস্থানের জন্য। ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) শহীদ হলে হাজ্জাজ (ইবনু ইউসুফ) 'আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ানকে তা লিখে জানাল। সে আরও জানাল যে, ইবনু যুবায়র (কাবাহ ঘর) সে ভিতের উপর নির্মাণ করেছে [যা ছিল ইবরাহীম (আঃ)-এর ভিত] এবং মাক্কার (মক্কার) বিশ্বস্ত লোকেরা তা যাচাই করে দেখেছে। 'আবদুল মালিক তাকে লিখে পাঠালেন যে, কোন বিষয়ে ইবনু যুবায়রকে অভিযুক্ত করার প্রয়োজন আমাদের নেই। সে দৈর্ঘ্যে যতটুকু বর্ধিত করেছে, তা বহাল রাখ এবং হাতীমের দিকে যতটুকু বর্ধিত করেছে, তা ভেঙ্গে পূর্বাবস্থায় নিয়ে অসো। আর সে যে (নতুন) দরজা খুলেছে তা বন্ধ করে দাও। এরপর হাজ্জাজ তা ভেঙ্গে পূর্বের ভিতের উপর পুনর্নির্মাণ করে।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১১১, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... হারিস ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু আবূ রবী'আহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবায়দ বলেন, হারিস ইবনু আবদুল্লাহ প্রতিনিধি হিসেবে ‘আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ানের রাজত্বকালে তার নিকট গিয়েছিলেন। আবদুল মালিক বললেন, আমি মনে করি না যে, আবূ যুবায়র অর্থাৎ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) আয়িশাহ (রাযিঃ) এর নিকট এমন কিছু শুনেছেন যার দাবি তিনি করে থাকেন। অর্থাৎ ইবরাহীম (আঃ) এর ভিতের উপর কা'বাহ ঘরের পুনর্নির্মাণের ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অভিপ্রায় সম্পর্কিত কোন হাদীস তিনি আয়িশাহ (রাযিঃ) এর নিকট শুনেননি। হারিস বলেন, হ্যাঁ, আমি নিজেই তার নিকট এ হাদীস শুনেছি। আবদুল মালিক বললেন, আপনি তাকে কী বলতে শুনেছেন? হারিস বলেন, “আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “তোমার কওমের লোকের কা'বাহ ঘরের ভিত (আয়তনে) ছোট করে ফেলেছে। অতীতে তারা শিরক পরিত্যাগ না করলে আমি তাদের পরিত্যক্ত অংশটুকু কা'বার অন্তর্ভুক্ত করে দিতাম। তোমার সম্প্রদায়ের লোকেরা যদি আমার পরে তা পুননির্মাণের পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তবে এসো, আমি তোমাকে তাদের পরিত্যক্ত অংশটুকু দেখিয়ে দিই”- অতএব রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আয়িশাহ-কে (হাতীম সংলগ্ন) প্রায় সাত গজ স্থান দেখিয়ে দিলেন। এ হাদীস আবদুল্লাহ ইবনু উবায়দ কর্তৃক বর্ণিত। ওয়ালীদ ইবনু আত্বা এ বর্ণনার উপর আরো বৃদ্ধি করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “আমি জমিনের সমতলে দুটি দরজাও নির্মাণ করতাম একটি পূর্বদিকে এবং অপরটি পশ্চিম দিকে। তুমি কি জান তোমার গোত্রের লোকেরা কাবার দরজা (ভূমি থেকে) উচুতে স্থাপন করেছে কেন?” আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “গর্ব ও অহংকারের বশবর্তী হয়ে (তারা এটা করেছে) যাতে কেবল সে ব্যক্তিই কা'বার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে যাকে তারা অনুমতি দিবে। যখন কোন ব্যক্তি কা'বার অভ্যন্তরে প্রবেশের ইচ্ছা করত, তারা তাকে সিড়ি বেয়ে উপরে উঠতে দিত। এমনকি সে যখন তাতে প্রবেশ করত, তখন তারা তাকে টেনে নিচে ফেলে দিত।" 'আবদুল মালিক হারিসকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি আয়িশাহ্ (রাযিঃ) কে এ কথা বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাবী বলেন, কিছুক্ষণ তিনি হাতের ছড়ি দিয়ে মাটি খুঁড়তে লাগলেন, এরপর বললেনঃ আমি তার (ইবনু যুবায়র) কাজ স্ব অবস্থায় বহাল রাখার আকাঙ্ক্ষা করছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১১২, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আবূ কাযা'আহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। ‘আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ান বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ)-কালে বলে উঠলেন, আল্লাহ ইবনু যুবায়রকে ধ্বংস করুন- যেহেতু সে উম্মুল মু'মিনীন [আয়িশাহ (রাযিঃ)] এর উপর মিথ্যারোপ করেছে যে, সে তাকে নাকি বলতে শুনেছে, “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে ‘আয়িশাহ! তোমার সম্প্রদায় যদি অতীতে কুফুরী পরিত্যাগকারী না হতো তবে আমি কাবাহ ঘর ভেঙ্গে তাতে হাতীমের অংশ যুক্ত করে দিতাম। কারণ তোমার সম্প্রদায় কা'বার আয়তন ছোট করে দিয়েছে।” (আবদুল মালিকের এ কথার উপর) হারিস ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু আবূ রবী'আহ বলল, হে আমীরুল মুমিনীন! এ কথা আর বলবেন না। কারণ আমি নিজে উম্মুল মুমিনীন আয়িশাহ (রাযিঃ) কে এ কথা বলতে শুনেছি। অতঃপর আবদুল মালিক বললেন, কা'বাহ ঘর ভাঙ্গার পূর্বে যদি আমি তা শুনতে পেতাম, তাহলে ইবনু যুবায়রের ভিতের উপরই তা অটুট রাখতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১১৪, ইসলামীক সেন্টার)
সাঈদ ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, হাতীমের দেয়াল কি বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি পুনরায় জিজ্ঞেস করলাম, তবে তারা কেন এটাকে বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত করেনি? তিনি বললেন, তোমার সম্প্রদায়ের নিকট পর্যাপ্ত অর্থ ছিল না। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, এর দরজা উচুতে স্থাপিত হবার কারণ কী? তিনি বললেন, তাও তোমার সম্প্রদায়ের কাণ্ড, যাতে তাদের কাঙ্খিত ব্যক্তি তাতে প্রবেশাধিকার পায় এবং অবাঞ্ছিত ব্যক্তি প্রবেশ করতে না পারে। তোমার কওমের জাহিলিয়্যাত পরিত্যাগের যুগ নিকটতম না হলে এবং আমার যদি এ আশংকা না হতো যে, তাদের অন্তর পরিবর্তিত হয়ে যেতে পারে- তা হলে আমি অবশ্যই (হাতীমের) দেয়াল বায়তুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত করে দিতাম এবং কা'বার দরজা জমিনের সমতলে স্থাপন করার বিষয়ে বিবেচনা করতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১১৫, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল হাজার (হাতীম) সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম। এরপর পূর্বোক্ত আবূল আহওয়াস-এর হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় আছে ['আয়িশাহ (রাযিঃ) জিজ্ঞেস করলেন] “এর দরজা উচুতে স্থাপিত হবার কারণ কী যে, সিড়ি ব্যতীত তাতে উঠা যায় না?” এতে আরো আছেঃ "তাদের অন্তর পরিবর্তিত হয়ে যাবার আশংকায়।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১১৬, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাযল ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) সওয়ারীতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পিছনে উপবিষ্ট ছিলেন। এমতাবস্থায় খাস'আম গোত্রের এক মহিলা তার নিকট মাসআলাহ জিজ্ঞেস করতে আসলো। ফাযলও তার দিকে তাকাচ্ছিল এবং মহিলাটিও ফাযলের দিকে তাকাচ্ছিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাযল এর মুখমণ্ডল অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিলেন। মহিলাটি বলল, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহ তার বান্দাদের উপর যে হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ফারয (ফরয) করেছেন- তা আমার বৃদ্ধ পিতার উপরও ফারয (ফরয) হয়েছে, কিন্তু তিনি বাহনের উপর অবস্থান করতে অক্ষম। আমি কি তার পক্ষ থেকে হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করতে পারি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। এটা বিদায় হাজ্জের (হজ্জের/হজের) সময়কার ঘটনা * (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১১৭, ইসলামীক সেন্টার)
‘আলী ইবনু খাশরম (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে তার ভাই ফাযলের সূত্রে বর্ণিত খাস'আম গোত্রের এক মহিলা বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার পিতা অতি বৃদ্ধ হয়ে পড়েছেন এবং তার উপর আল্লাহর ধার্যকৃত হজ্জ ফারয (ফরয) হয়েছে। কিন্তু তিনি উটের পিঠে বসে থাকতে সক্ষম নন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তার পক্ষ থেকে হাজ্জ (হজ্জ/হজ) কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১১৮, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাওহা নামক স্থানে একদল আরোহীর সাক্ষাৎ পেলেন এবং তিনি বললেন, তোমরা কোন সম্প্রদায়ের লোক? তারা বলল, আমরা মুসলিম। তারা আরও জিজ্ঞেস করল, আপনি কে? তিনি বললেন, আল্লাহর রসূল। এরপর এক মহিলা তার সামনে একটি শিশুকে তুলে ধরে জিজ্ঞেস করল, এর জন্য হাজ্জ আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ এবং তোমার জন্য সাওয়াব রয়েছে।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১১৯, ইসলামীক সেন্টার)