আবূ ত্বহির, হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... উসামাহ্ ইবনু যায়দ ইবনু হরিসাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনি কি মাক্কায় (মক্কায়) আপনার বাড়িতে অবতরণ করবেন? তিনি বললেন, “আকীল কি আমাদের জন্য কোন চার দেয়াল বা ঘর অবশিষ্ট রেখেছে?" আবূ তলিবের (মৃত্যুর পর তার পুত্র) আকীল ও ত্বলিব তার ওয়ারিস হয়, কিন্তু জাফার ও আলী তার কোন কিছুর ওয়ারিস হতে পারেনি। কেননা তারা উভয়ে (আবূ ত্বালিবের মৃত্যুর সময়) ছিলেন মুসলিম এবং ‘আকীল ও তলিব ছিল কাফির। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৬০, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু মিহরান আর রাযী (রহঃ) ..... উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি আগামীকাল কোথায় অবতরণ করবেন? এটা ছিল তার বিদায় হাজ্জ (হজ্জ/হজ)কালীন ঘটনা, যখন আমরা মাক্কার (মক্কার) নিকটবর্তী হয়েছিলাম। তিনি উত্তরে বললেন, ‘আকীল কি আমাদের জন্য কোন বাসস্থান অবশিষ্ট রেখেছে? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৬১, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... উসামাহ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর মর্জি আপনি আগামীকাল কোথায় অবতরণ করবেন? এটা মাক্কাহ্ (মক্কা) বিজয়কালের বক্তব্য। তিনি বললেন, ‘আকীল কি আমাদের জন্য কোন বাসস্থান অবশিষ্ট রেখেছে? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৬২, ইসলামীক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ ইবনু কা'নাব (রহঃ) ... 'আলা ইবনুল হাযরামী (রাযিঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, হাজ্জ (হজ্জ/হজ) সমাপনান্তে প্রত্যাবর্তনের পূর্বে মুহাজিরগণ তিনদিন মাক্কায় (মক্কায়) অবস্থান করবে। তিনি যেন এ বাক্যের দ্বারা তিন দিনের অধিক না হবার কথা বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৬৩, ইসলামীক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আলা ইবনুল হাযরামী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হাজ্জের (হজ্জের/হজের) অনুষ্ঠানাদি শেষ করার পর মুহাজিরগণ মাক্কায় (মক্কায়) তিনদিন অবস্থান করতে পারবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৬৬, ইসলামীক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আল হানযালী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কাহ (মক্কা) বিজয়ের দিন বলেছেনঃ হিজরাতের আর প্রয়োজন নেই, কিন্তু জিহাদ ও নিয়্যাত অব্যাহত থাকবে। তোমাদেরকে যখন জিহাদের আহবান জানানো হয় তখন জিহাদে যোগদান কর। মাক্কাহ (মক্কা) বিজয়ের দিন তিনি আরও বলেন, আল্লাহ তা'আলা এ শহরকে সম্মানিত করেছেন- যেদিন তিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন সেদিন থেকে। অতএব কিয়ামত পর্যন্ত আল্লাহ তা'আলা এ শহরের মর্যাদা ও সম্মান অক্ষুন্ন রাখবেন। তিনি এ শহরে আমার পূর্বে আর কারও জন্য যুদ্ধ বৈধ করেননি। আমার জন্য মাত্র এক দিনের কিছু সময় তিনি এখানে যুদ্ধ বৈধ করেছিলেন। অতএব তথায় যুদ্ধ বিগ্রহ করা হারাম। আল্লাহ তা'আলা কর্তৃক কিয়ামত পর্যন্ত নিষিদ্ধ করার কারণে এখানকার কোন কাঁটাযুক্ত গাছ উপড়ানো যাবে না, এখানকার শিকারের পশ্চাদ্ধাবণ করা যাবে না, এখানকার পতিত জিনিস তোলা যাবে না। তখন “আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! কিন্তু ইযখির (লম্বা ঘাস) সম্পর্কে (অনুমতি দিন)। কারণ তা স্বর্ণকার ও তাদের ঘরের কাজে লাগে। তিনি বললেন, কিন্তু ইযখির (তোলার অনুমতি দেয়া হল)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৬৮, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) মানসূর (রহঃ) থেকে এ সূত্রে সামান্য শাব্দিক পার্থক্য সহকারে উপরোক্ত সানাদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে তিনি "যেদিন আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন" কথাটুকুর উল্লেখ করেননি এবং কিতাল শব্দের পরিবর্তে কতল শব্দ ব্যবহার করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩১৬৯, ইসলামীক সেন্টার)