মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার, ইবনু নুমায়র ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... সকলেই সাওরী (রহঃ) থেকে, তারা (শুবাহ ও আবদুর রাযযাক) উভয়ে মানসূর থেকে জারীরের হাদীসের মর্মানুযায়ী রিওয়ায়াত করেন। তবে শুবাহু তার হাদীসে “বিসমিল্লাহ" এর উল্লেখ করেননি এবং সাওরী সূত্রে আবদুর রাযযাক এর রিওয়ায়াতে “বিসমিল্লাহ" রয়েছে। আর ইবনু নুমায়র এর রিওয়ায়াতে রয়েছে যে, মানসুর বলেছেন, আমি মনে করি তিনি বলেছেন, “বিসমিল্লাহ"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৩৯৯, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আমর আন্ নাকিদ (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ইয়াহুদীরা বলত, কোন লোক স্ত্রীর পেছন দিক থেকে তার যোনী দ্বারে সঙ্গম করলে এতে সন্তান টেরা চক্ষু বিশিষ্ট হবে। এ প্রসঙ্গে নাযিল হয় অর্থাৎ "স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র। অতএব, তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করতে পার"- (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ২২৩)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০০, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, ইয়াহুদীরা বলত যে, স্ত্রীর পিছন দিক থেকে যোনী দ্বারে যদি সঙ্গম করা হয় এবং এতে সে যদি গর্ভবতী হয় তাহলে তার সন্তান হবে টেরা চক্ষু বিশিষ্ট। রাবী বলেন, এ প্রসঙ্গে নাযিল হল- "স্ত্রীগণ তোমাদের শস্যক্ষেত্র, অতএব তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করতে পার"- (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ২২৩)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০১, ইসলামীক সেন্টার)
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, আবদুল ওয়ারিস ইবনু আবদুস সামাদ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ, হারূন ইবনু আবদুল্লাহ, আবূ মান আর রাকাশী ও সুলায়মান ইবনু মা'বাদ (রহিমাহুমাল্লাহ) ... জাবির (রাযিঃ) থেকে যুহরী সূত্রে বর্ণিত। নু'মান অতিরিক্ত বলেছেন, স্বামী ইচ্ছে করলে উপুড় করে, ইচ্ছা করলে উপুড় না করে তবে একই দ্বারে হতে হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০২, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, স্বামীর বিছানা পরিহার করে কোন স্ত্রী রাত্রি যাপন করলে ফাজর (ফজর) পর্যন্ত মালাকগণ তার প্রতি লা'নাত করতে থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০৩, ইসলামীক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদের বর্ণনায় বলেছেন, ফিরে না আসা পর্যন্ত কথার উল্লেখ আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০৪, ইসলামীক সেন্টার)
ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কসম সে সত্তার যার হাতে আমার জীবন। কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে যখন বিছানায় আহ্বান করে, কিন্তু সে তা অস্বীকার করে, নিঃসন্দেহে যে পর্যন্ত সে তার স্ত্রীর প্রতি সন্তুষ্টি না হয়, ততক্ষণ আসমানবাসী তার প্রতি অসন্তুষ্ট থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০৫, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু শায়বাহ, আবূ কুরায়ব, আবূ সাঈদ আল আশাজ্জ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ স্বামী যখন স্ত্রীকে বিছানায় আহবান করে এবং সে না আসায় তার স্বামী তার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে রাত্রি যাপন করে, সে স্ত্রীর প্রতি ফেরেশতাগণ ভোর হওয়া পর্যন্ত লা'নাত করতে থাকে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০৬, ইসলামীক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শয়বাহ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযীঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন সে ব্যক্তি হবে আল্লাহর কাছে নিকৃষ্টতম পর্যায়ের, যে তার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয় এবং স্ত্রীও তার সাথে মিলিত হয়, অতঃপর সে তার স্ত্রীর গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০৭, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও আবূ করায়ব (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষ বড় আমনাত খিয়ানাতকারী যে তার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয় এবং স্ত্রীও তার সাথে মিলিত হয়। অতঃপর সে তার স্ত্রীর গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়। ইবনু নুময়র বলেন,إِنَّ مِنْ أَعْظَمِ স্থলে إِنَّ أَعْظَمَ (সবচেয়ে অধিক) হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৪০৮, ইসলামীক সেন্টার)