Qurani·قرآني
বাংলা

কিতাবুল ফাযায়েল (ফজিলত)

5785 হাদিস · #384–6168

হাদিস 3654 — Sahih Muslim 18:3
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ طَلَّقْتُ امْرَأَتِي عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهْىَ حَائِضٌ فَذَكَرَ ذَلِكَ عُمَرُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ "‏ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا ثُمَّ لْيَدَعْهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ تَحِيضَ حَيْضَةً أُخْرَى فَإِذَا طَهُرَتْ فَلْيُطَلِّقْهَا قَبْلَ أَنْ يُجَامِعَهَا أَوْ يُمْسِكْهَا فَإِنَّهَا الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ أَنْ يُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ قُلْتُ لِنَافِعٍ مَا صَنَعَتِ التَّطْلِيقَةُ قَالَ وَاحِدَةٌ اعْتَدَّ بِهَا ‏.‏
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) এর সূত্রে ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আমি আমার স্ত্রীকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিলাম, তখন সে ঋতুমতী ছিল। উমর (রাযিঃ) বিষয়টি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আলোচনা করলে তিনি বললেন, তাকে আদেশ কর সে যেন তাকে রাজ'আত (পুনঃ গ্রহণ) করে। অতঃপর পবিত্র হয়ে পুনরায় আর একটি মাসিকে ঋতুমতী হওয়া পর্যন্ত তাকে স্থিতাবস্থায় রেখে দিবে। পরে যখন পবিত্র হবে তখন তার সঙ্গে যৌন সঙ্গম করার আগে (যৌন সঙ্গম মুক্ত তুহর কালে) তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিবে কিংবা তাকে (স্ত্রীরূপে) রেখে দিবে। কেননা, এটাই হল সে ইদ্দাত যার প্রতি লক্ষ্য রেখে স্ত্রীদের তলাক (তালাক) দেয়ার জন্য আল্লাহ তা'আলা আদেশ করেছেন। রাবী উবায়দুল্লাহ (রহঃ) বলেন, আমি শায়খ নাফি’ (রহঃ) কে বললাম, ধার্য করা হল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫১৮, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3655 — Sahih Muslim 18:4
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ الْمُثَنَّى، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ نَحْوَهُ وَلَمْ يَذْكُرْ قَوْلَ عُبَيْدِ اللَّهِ لِنَافِعٍ ‏.‏ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى فِي رِوَايَتِهِ فَلْيَرْجِعْهَا ‏.‏ وَقَالَ أَبُو بَكْرٍ فَلْيُرَاجِعْهَا ‏.‏
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইবনুল মুসান্না (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... উবায়দুল্লাহ (রহঃ) সূত্রে এ সানাদে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। তবে নাফি’ (রহঃ) এর উদ্দেশে, উবায়দুল্লাহ (রহঃ) এর বক্তব্যটি এতে উল্লিখিত হয়নি। এছাড়া ইবনুল মুসান্না (রহঃ) তার রিওয়ায়াতে বলেছেনفَلْيَرْجِعْهَا সে যেন প্রত্যাহার করে এবং আবূ বাকর (রহঃ) বলেছেনفَلْيُرَاجِعْهَا সে যেন ফিরিয়ে নেয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫১৯, ইসলামীক সেন্টার
হাদিস 3656 — Sahih Muslim 18:5
وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهْىَ حَائِضٌ فَسَأَلَ عُمَرُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَهُ أَنْ يَرْجِعَهَا ثُمَّ يُمْهِلَهَا حَتَّى تَحِيضَ حَيْضَةً أُخْرَى ثُمَّ يُمْهِلَهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ يُطَلِّقَهَا قَبْلَ أَنْ يَمَسَّهَا فَتِلْكَ الْعِدَّةُ الَّتِي أَمَرَ اللَّهُ أَنْ يُطَلَّقَ لَهَا النِّسَاءُ ‏.‏ قَالَ فَكَانَ ابْنُ عُمَرَ إِذَا سُئِلَ عَنِ الرَّجُلِ يُطَلِّقُ امْرَأَتَهُ وَهْىَ حَائِضٌ يَقُولُ أَمَّا أَنْتَ طَلَّقْتَهَا وَاحِدَةً أَوِ اثْنَتَيْنِ ‏.‏ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمَرَهُ أَنْ يَرْجِعَهَا ثُمَّ يُمْهِلَهَا حَتَّى تَحِيضَ حَيْضَةً أُخْرَى ثُمَّ يُمْهِلَهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ يُطَلِّقَهَا قَبْلَ أَنْ يَمَسَّهَا وَأَمَّا أَنْتَ طَلَّقْتَهَا ثَلاَثًا فَقَدْ عَصَيْتَ رَبَّكَ فِيمَا أَمَرَكَ بِهِ مِنْ طَلاَقِ امْرَأَتِكَ ‏.‏ وَبَانَتْ مِنْكَ ‏.‏
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) এর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, ইবনু উমার (রাযিঃ) তাঁর স্ত্রীকে তার ঋতুকালীন অবস্থায় ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিলেন। তখন উমর (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে (এ বিষয়ে) জিজ্ঞেস করলে তিনি তাকে (ইবনু উমারকে) হুকুম দিলেন যে, স্ত্রীকে সে রাজ'আত (পুনঃপ্রহণ) করে নিবে। এরপর তাকে অপর একটি ঋতুতে ঋতুমতী হওয়া পর্যন্ত অবকাশ দিবে। অতঃপর (ঋতু হতে) পবিত্র হওয়া পর্যন্ত তাকে অবকাশ দিবে। পরে তার সঙ্গে যৌন সঙ্গম করার আগেই তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিবে। এটাই হল সে ইদ্দাত যার প্রতি লক্ষ্য রেখে স্ত্রীদের ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়ার জন্য মহামহীয়ান আল্লাহ হুকুম করেছেন। রাবী (নাফি') বলেন, পরবর্তীতে স্ত্রীর হায়য অবস্থায় ত্বলাক (তালাক) (তালাক) প্রদানকারী পুরুষ (এর মাসআলা) সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করা হলে ইবনু উমার (রাযিঃ) বলতেন, যদি তুমি তাকে এক কিংবা দু'ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়ে থাক, নিশ্চয় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে হুকুম দিয়েছেন যে, সে তাকে রাজ’আত করে নিবে। অতঃপর আর একটি হায়যে ঋতুমতী হওয়া পর্যন্ত তাকে অবকাশ দিবে, এরপর পবিত্রতা (তুহর) পর্যন্ত তাকে অবকাশ দিবে। অতঃপর স্পর্শ (যৌন সঙ্গম) করার আগেই ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিবে (যদি ইচ্ছা কর)। আর যদি তুমি তাকে তিন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়ে থাক তবে তুমি তোমার প্রতিপালকের অবাধ্য হয়েছ তোমার স্ত্রীকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়ার ব্যাপারে তিনি তোমাকে যে আদেশ প্রদান করেছেন সে ব্যাপারে এবং সে স্ত্রী তোমার সঙ্গ হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২০, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3657 — Sahih Muslim 18:6
حَدَّثَنِي عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنِي يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، - وَهُوَ ابْنُ أَخِي الزُّهْرِيِّ - عَنْ عَمِّهِ، أَخْبَرَنَا سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، قَالَ طَلَّقْتُ امْرَأَتِي وَهْىَ حَائِضٌ فَذَكَرَ ذَلِكَ عُمَرُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَتَغَيَّظَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَ ‏ "‏ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا حَتَّى تَحِيضَ حَيْضَةً أُخْرَى مُسْتَقْبَلَةً سِوَى حَيْضَتِهَا الَّتِي طَلَّقَهَا فِيهَا فَإِنْ بَدَا لَهُ أَنْ يُطَلِّقَهَا فَلْيُطَلِّقْهَا طَاهِرًا مِنْ حَيْضَتِهَا قَبْلَ أَنْ يَمَسَّهَا فَذَلِكَ الطَّلاَقُ لِلْعِدَّةِ كَمَا أَمَرَ اللَّهُ ‏"‏ ‏.‏ وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ طَلَّقَهَا تَطْلِيقَةً وَاحِدَةً فَحُسِبَتْ مِنْ طَلاَقِهَا وَرَاجَعَهَا عَبْدُ اللَّهِ كَمَا أَمَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত যে, ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেছেন, আমি আমার স্ত্রীকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিলাম- তখন সে ঋতুমতী ছিল। উমর (রাযিঃ) তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উল্লেখ করলেন। ফলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাগান্বিত হলেন। পরে বললেন, তাকে আদেশ কর সে যেন তাকে রাজ'আত করে নেয়- যতক্ষণ না যে হায়য কালে তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছে সেটি ব্যতীত আর একটি হায়যে সে ঋতুমতী হয়। তখন যদি তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়া তার মনঃপুত হয় তবে যেন তার হায়য থেকে পবিত্র হওয়া অবস্থায় তার সঙ্গে যৌন সঙ্গম করার আগে তাকে তলাক (তালাক) দেয়। তিনি আরো বললেন, এটিই হল ইদ্দাতের (সময় নির্ণয়ের) জন্য ত্বলাক (তালাক) (তালাক) প্রদান যেমন আল্লাহ হুকুম করেছেন। (সালিম বলেন) আবদুল্লাহ (রাযিঃ) তাকে এক ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছিলেন। সেটি তার ত্বলাক (তালাক) (তালাক) গণনা করা হল (অর্থাৎ এক ত্বলাক (তালাক) (তালাক) ধরা হল) এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশ অনুসারে আবদুল্লাহ (রাযিঃ) তাকে (স্ত্রীকে রাজ'আত করে নিয়েছিলেন)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২১, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3658 — Sahih Muslim 18:7
وَحَدَّثَنِيهِ إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ رَبِّهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنِي الزُّبَيْدِيُّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ قَالَ ابْنُ عُمَرَ فَرَاجَعْتُهَا وَحَسَبْتُ لَهَا التَّطْلِيقَةَ الَّتِي طَلَّقْتُهَا ‏.‏
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... (পূর্বোক্ত সানাদের ন্যায়) যুহরী (রহঃ) সূত্রে ঐ সানাদে বর্ণিত। তবে এতে রাবী (সরাসরি ইবনু উমারের উক্তি উদ্ধৃত করে) বলেছেন যে, ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেছেন, পরে আমি তাকে রাজ'আত করে নিলাম এবং তাকে যে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) টি দিয়েছিলাম তা তার জন্য একটি ত্বলাক (তালাক) (তালাক) রূপে হিসাব করা হল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২২, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3659 — Sahih Muslim 18:8
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ - وَاللَّفْظُ لأَبِي بَكْرٍ - قَالُوا حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، مَوْلَى آلِ طَلْحَةَ عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهْىَ حَائِضٌ فَذَكَرَ ذَلِكَ عُمَرُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ "‏ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا ثُمَّ لْيُطَلِّقْهَا طَاهِرًا أَوْ حَامِلاً ‏"‏ ‏.‏
আবূ বাকুর ইবনু আবূ শায়বাহ, যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু নুমায়র (রহিমাহুমুল্লাহ) ..... সালিম (রহঃ) সূত্রে ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি নিজের স্ত্রীকে তার ঋতুবতী অবস্থায় ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিলেন। তখন উমর (রাযিঃ) বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সকাশে আলোচনা করলেন। তিনি বললেন, তাকে আদেশ কর যেন সে তাকে রাজ’আত করে নেয়। পরে যেন তাকে তুহর (পবিত্র) অবস্থায় কিংবা গর্ভাবস্থায় (অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে) ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২৩, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3660 — Sahih Muslim 18:9
وَحَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ حَكِيمٍ الأَوْدِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ، - وَهُوَ ابْنُ بِلاَلٍ - حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهْىَ حَائِضٌ فَسَأَلَ عُمَرُ عَنْ ذَلِكَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ "‏ مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا حَتَّى تَطْهُرَ ثُمَّ تَحِيضَ حَيْضَةً أُخْرَى ثُمَّ تَطْهُرَ ثُمَّ يُطَلِّقَ بَعْدُ أَوْ يُمْسِكَ ‏"‏ ‏.‏
আহমাদ ইবনু উসমান ইবনু হাকীম আল আওদী (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু দীনার (রহঃ) এর সূত্রে ইবনু উমর (রাযিঃ) সম্পর্কে বর্ণনা করেন যে, তিনি নিজের স্ত্রীকে- যখন সে হায়য অবস্থায় ছিল- ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিলেন। তখন উমর (রাযিঃ) এ বিষয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, তাকে হুকুম কর যেন সে তাকে (স্ত্রীকে) রাজ’আত করে নেয়। অবশেষে সে আর একটি হায়যে ঋতুমতী হবার পরে আবার পবিত্র হলে, তখন তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিবে কিংবা (স্ত্রীরূপে) রেখে দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২৪, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3661 — Sahih Muslim 18:10
وَحَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ، سِيرِينَ قَالَ مَكَثْتُ عِشْرِينَ سَنَةً يُحَدِّثُنِي مَنْ لاَ أَتَّهِمُ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ ثَلاَثًا وَهْىَ حَائِضٌ فَأُمِرَ أَنْ يُرَاجِعَهَا فَجَعَلْتُ لاَ أَتَّهِمُهُمْ وَلاَ أَعْرِفُ الْحَدِيثَ حَتَّى لَقِيتُ أَبَا غَلاَّبٍ يُونُسَ بْنَ جُبَيْرٍ الْبَاهِلِيَّ ‏.‏ وَكَانَ ذَا ثَبَتٍ فَحَدَّثَنِي أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ عُمَرَ فَحَدَّثَهُ أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ تَطْلِيقَةً وَهْىَ حَائِضٌ فَأُمِرَ أَنْ يَرْجِعَهَا - قَالَ - قُلْتُ أَفَحُسِبَتْ عَلَيْهِ قَالَ فَمَهْ ‏.‏ أَوَإِنْ عَجَزَ وَاسْتَحْمَقَ
‘আলী ইবনু হুজর আস্ সাদী (রহঃ) ... ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, বিশ বছর আমি এ অবস্থায় অবস্থান করলাম যে, আমি অবিশ্বস্ত মনে করি না এমন লোক আমাকে এ মর্মে হাদীস শোনাচ্ছিল যে, ইবনু উমর (রাযিঃ) তার স্ত্রীর ঋতুবতী অবস্থায় তাকে তিন ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দেয়ার পরে তাকে রাজ’আত করে নেয়ার জন্য তিনি আদিষ্ট হয়েছিলেন। আমি এ বর্ণনাকারীদের প্রতি অনাস্থা ও সন্দেহ পোষণ করছিলাম না অথচ আমি ছিলাম প্রকৃত হাদীসের পরিচয় লাভে বঞ্চিত। অবশেষে আমি আবূ গাল্লাব ইউনুস ইবনু জুবায়র আল বাহিলী (রহঃ) এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি ছিলেন স্থিরমতি-আস্থাভাজন। তিনি আমাকে হাদীস বর্ণনা করলেন যে, তিনি (নিজে) ইবনু উমর (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলে তিনি (ইবনু উমর) তাঁকে হাদীস বর্ণনা করলেন যে, তিনি তার স্ত্রীকে তার হায়য চলাকালে এক ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিয়েছিলেন। তখন তাকে রাজ’আত করে নেয়ার জন্য তিনি আদিষ্ট হলেন। তিনি (আবূ গাল্লাব) বলেছেন, তবে আর কী! যদি নাকি তিনি (ইবনু উমার) অপারগ হয়ে থাকেন ও নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়ে থাকেন। (তাতে কার কী আসে যায়) (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২৫, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3662 — Sahih Muslim 18:11
وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو الرَّبِيعِ، وَقُتَيْبَةُ، قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ أَيُّوبَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ نَحْوَهُ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ فَسَأَلَ عُمَرُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَهُ ‏.‏
আবূ রবী ও কুতায়বাহ্ (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... (পূর্বোক্ত সানাদের রাবী) আইয়্যুব (রহঃ) এর সূত্রে ঐ সানাদে অনুরূপ রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তিনি বলেছেন .... উমর (রযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি তাকে হুকুম করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২৬, ইসলামীক সেন্টার)
হাদিস 3663 — Sahih Muslim 18:12
وَحَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، عَنْ أَيُّوبَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ فِي الْحَدِيثِ فَسَأَلَ عُمَرُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ فَأَمَرَهُ أَنْ يُرَاجِعَهَا حَتَّى يُطَلِّقَهَا طَاهِرًا مِنْ غَيْرِ جِمَاعٍ وَقَالَ ‏ "‏ يُطَلِّقُهَا فِي قُبُلِ عِدَّتِهَا ‏"‏ ‏.‏
আবদুল ওয়ারিস ইবনু আবদুস সামাদ (রহঃ) ..... আইয়্যুব (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদে রিওয়ায়াত করেছেন। এ সানাদের হাদীসে রাবী বলেছেন, পরে উমার (রাযিঃ) এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি তাকে পুনঃগ্রহণ করে নেয়ার জন্য তার (ইবনু উমারের) প্রতি আদেশ প্রদান করলেন। যাতে অবশেষে তাকে (স্ত্রীকে) যৌন সঙ্গমবিহীন তুহর (পবিত্র) অবস্থায় ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিতে পারে। তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আরো বললেন, তার (স্ত্রীর) ইদ্দাত (ইদ্দত) (এর সময়) এর পূর্ব ভাগে (আগমন কালে) তাকে ত্বলাক (তালাক) (তালাক) দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৫২৭, ইসলামীক সেন্টার)
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।