ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) থেকে একই সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর আবদুর রহমান (রাযিঃ) এর হাদীসে "এটি অমুকের বিশ্বাসঘাতকতার প্রতীক" এ কথাটির উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক অঙ্গীকার ভঙ্গকারীর জন্য কিয়ামত দিবসে একটি পতাকা থাকবে, যদ্বারা তাকে চেনা যাবে। আর বলা হবে যে, এটি অমুকের বিশ্বাসঘাতকতার প্রতীক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৮৫, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4536 — Sahih Muslim 32:17
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لِكُلِّ غَادِرٍ لِوَاءٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يُعْرَفُ بِهِ " .
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক অঙ্গীকার ভঙ্গকারীর জন্য কিয়ামত দিবসে একটি পতাকা থাকবে, যেটা দিয়ে তাকে চেনা যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4537 — Sahih Muslim 32:18
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ خُلَيْدٍ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لِكُلِّ غَادِرٍ لِوَاءٌ عِنْدَ اسْتِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না ও উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামত দিবসে প্রত্যেক অঙ্গীকার ভঙ্গকারীর নিতম্বের (পাছা) পার্শ্বে একটি পতাকা থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক ধোকাবাজের জন্য কিয়ামত দিবসে একটি পতাকা থাকবে আর তা তার বিশ্বাসঘাতকতার পরিমাণ অনুযায়ী উচু করা হবে। সাবধান জনগণের শাসক হয়ে যে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তার চেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতক আর নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4539 — Sahih Muslim 32:20
وَحَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ السَّعْدِيُّ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، - وَاللَّفْظُ لِعَلِيٍّ وَزُهَيْرٍ - قَالَ عَلِيٌّ أَخْبَرَنَا وَقَالَ الآخَرَانِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ سَمِعَ عَمْرٌو، جَابِرًا يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الْحَرْبُ خَدْعَةٌ " .
আলী ইবনু হুজুর সাদী, আমর আন্ নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যুদ্ধ কৌশল ও ছলনারই নাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৮৯, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4540 — Sahih Muslim 32:21
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَهْمٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم "الْحَرْبُ خُدْعَةٌ " .
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু সাহম (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যুদ্ধ কুটকৌশলেরই নাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৯০, ইসলামিক সেন্টার)
হাসান ইবনু ‘আলী হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহ) ... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা শত্রুর মুখোমুখি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করো না আর যখন মুখোমুখি হয়ে পড়ে তখন ধৈর্যধারণ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৯১, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4542 — Sahih Muslim 32:23
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي مُوسَى، بْنُ عُقْبَةَ عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ كِتَابِ، رَجُلٍ مِنْ أَسْلَمَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يُقَالُ لَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي أَوْفَى فَكَتَبَ إِلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ حِينَ سَارَ إِلَى الْحَرُورِيَّةِ يُخْبِرُهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ فِي بَعْضِ أَيَّامِهِ الَّتِي لَقِيَ فِيهَا الْعَدُوَّ يَنْتَظِرُ حَتَّى إِذَا مَالَتِ الشَّمْسُ قَامَ فِيهِمْ فَقَالَ " يَا أَيُّهَا النَّاسُ لاَ تَتَمَنَّوْا لِقَاءَ الْعَدُوِّ وَاسْأَلُوا اللَّهَ الْعَافِيَةَ فَإِذَا لَقِيتُمُوهُمْ فَاصْبِرُوا وَاعْلَمُوا أَنَّ الْجَنَّةَ تَحْتَ ظِلاَلِ السُّيُوفِ " . ثُمَّ قَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَقَالَ " اللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ وَمُجْرِيَ السَّحَابِ وَهَازِمَ الأَحْزَابِ اهْزِمْهُمْ وَانْصُرْنَا عَلَيْهِمْ " .
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আবূ নাযর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবাদের মধ্য থেকে আসলাম গোত্রের এক ব্যক্তির যার নাম ছিল 'আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা- চিঠি থেকে বর্ণনা করেছেন। এ চিঠি তিনি লিখেছিলেন উমর ইবনু উবাইদুল্লাহ (রাযিঃ) এর নিকট, যখন তিনি হারুরিয়্যাহ্ (খারিজীদের বিরুদ্ধে) অভিযানে যাচ্ছিলেন। এতে তিনি তাকে অবহিত করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব যুদ্ধে শক্র বাহিনীর মুখোমুখী হয়েছিলেন তার কোন একযুদ্ধে অপেক্ষা করতে লাগলেন। অবশেষে যখন সূর্য ঢলে পড়ল তখন তিনি সঙ্গীদের মধ্যে দাঁড়িয়ে বললেনঃ হে লোকজন তোমরা শত্রুর মুখোমুখি হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করো না। বরং আল্লাহর কাছে নিরাপত্তার প্রার্থনা করো। আর যখন তোমরা শত্রুর সামনা-সামনি হয়ে যাও তখন ধৈর্য ধারণ করবে। আর জেনে রেখো যে, জান্নাত তরবারির ছায়াতলে। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়িয়ে দু'আ করলেন, ইয়া আল্লাহ! কিতাব অবতীর্ণকারী, মেঘমালা পরিচালনাকারী এবং শক্রদলকে পরাস্তকারী। তুমি তাদের পরাস্ত করো এবং তাদের উপর আমাদেরকে সাহায্য করো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৯২, ইসলামিক সেন্টার)
সাঈদ ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্মিলিত বাহিনীর বিরুদ্ধে (খন্দকের যুদ্ধে) এভাবে দুআ করলেন যে, হে আল্লাহ! কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসেব গ্রহণকারী, তুমি সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করে দাও। হে আল্লাহ! তুমি তাদের পরাজিত করে দাও এবং তাদের কম্পমান করে দাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৯৩, ইসলামিক সেন্টার)