ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা জনৈক আগন্তুক তার কাছে আসলো এবং বলল, ইনি হচ্ছেন হানযালার পুত্র। ইনি লোকের নিকট থেকে বাই’আত নিচ্ছেন। জিজ্ঞেস করলেন, কিসের বাই’আত? বললেন, মৃত্যুর বাই’আত। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরে আমরা আর কারো হাতে মৃত্যুর উপর বাই’আত নেবো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৭১, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু সাব্বাহ, আবূ জাফার (রহঃ) ..... মুজাশি' ইবনু মাসউদ সুলামী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমাতে তার নিকট হিজরাতের বাই’আত গ্রহণের উদ্দেশে আসলাম। তখন তিনি বললেন, হিজরাতের দিন শেষ হয়ে গেছে, তার অধিকারীরা ইতোমধ্যেই তা করে ফেলেছেন। (সে ফাযীলাত আর কারো পাবার অবকাশ নেই) তবে ইসলাম, জিহাদ ও সৎকাজের উপর অটল থাকার বাই’আত হতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৭৩, ইসলামিক সেন্টার)
সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... মুজাশি ইবনু মাসউদ সুলামী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাক্কাহ বিজয়ের পর একদা আমি আমার ভাই আবূ মা'বাদ (রাযিঃ) কে নিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দরবারে আসলাম। তখন আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি তাকে হিজরাতের বাই’আত করান। তিনি তখন বললেন, হিজরাতের দিন অতিক্রান্ত, তার যোগ্য পাত্ররা সে সুযোগ নিয়ে নিয়েছে। আমি বললাম, তাহলে এখন কিসের উপর বাই’আত নিবেন? তিনি বললেন, ইসলাম, জিহাদ ও সৎকাজের বাই’আত হতে পারে। আবূ উসমান (রহঃ) বলেন, আমি আবূ ম'বাদের সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে মুজাশি (রহঃ) এর কথা জানালাম। তিনি বললেন, সে যথার্থই বলেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) এ সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেন। তবে তিনি বলেছেন, আমি তার ভাইয়ের সাথে দেখা করলাম, তখন তিনি বললেন, মুজাশি যথার্থ বলেছে, তবে তিনি আবূ মা'বাদের নাম রিওয়ায়াতে উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিজয় দিবসে তথা মাক্কাহ বিজয়ের দিন বলেছেন, আর হিজরাত নেই (হিজরাতের অবকাশ বাকী নেই) বরং এখন আছে জিহাদ আর নেক-নিয়্যাত। আর যখন তোমাদেরকে জিহাদে বের হওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়, তখন তোমরা (জিহাদের উদ্দেশে) বের হয়ে যাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৭৬, ইসলামিক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে হিজরাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তখন তিনি বললেন, (মাক্কাহ্) বিজয়ের পর আর হিজরাত নেই, তবে জিহাদ ও নিয়্যাত রয়েছে। যখন তোমাদেরকে জিহাদে বের হওয়ার জন্য ডাক দেয়া হয়, তখন তোমরা বের হয়ে যাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৭৮, ইসলামিক সেন্টার)
আবূ বকর ইবনু খাল্লাদ বাহিলী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত যে একদা জনৈক বেদুঈন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে হিজরাত সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ওহে! তোমার জন্য আফসোস! হিজরাতের অবস্থা তো কঠিন ব্যাপার। তোমার কাছে কি উট আছে? সে বলল, হ্যাঁ! তিনি বললেন, তুমি কি তার যাকাত দিয়ে থাকো? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি দরিয়ার ওপার থেকেই 'আমল করে যাও, কেননা আল্লাহ তা'আলা তোমার কোন আমলই বিফল করে দিবেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৭৯, ইসলামিক সেন্টার)
আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) ..... আওযাঈ (রহঃ) হতে এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি (আবদুল্লাহ) বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ তোমার কোন আমলই নিস্ফল হতে দিবেন না। তিনি এ হাদীসে আরও অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন, রসূলুল্লাহ জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি পানি পান করানোর দিন ওগুলোকে (উটনীগুলোকে) দোহন করে থাকো? তিনি উত্তর দিলেন, হ্যাঁ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৬৮০, ইসলামিক সেন্টার)