(….) মুহাম্মাদ ইবনু নুমায়র ও আবদুর রহমান ইবনু বিশর (রহঃ) ..... সুফইয়ান (রহঃ) হতে বর্ণিত। সুফইয়ান (রহঃ) এর সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াতে বর্ধিত এতটুকু আছে এবং শিকাল হচ্ছে ঘোড়ার ডান পায়ে ও বাম হাতে (আগের পায়ে) অথবা ডান হাত ও বাম পায়ে শ্বেত বর্ণ হওয়া। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭০৪, ইসলামিক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ...... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা সে ব্যক্তির দায়িত্ব স্বহস্তে তুলে নিয়েছেন যে ব্যক্তি তারই রাস্তায় বের হয়। আমারই রাস্তায় জিহাদ, আমার প্রতি ঈমান এবং আমার রসূলের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাসই তাকে ঘর থেকে বের করে তখন আমারই যিম্মায় বর্তায় যে, আমি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়ে দেবো নতুবা সে তার যে বাসস্থান থেকে বেরিয়েছিল, তার প্রাপ্য সাওয়াব গনীমাতসহ তাকে সেখানে ফিরিয়ে আনবো। কসম সে পবিত্র সত্তার যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! আল্লাহ তা'আলার পথে যে ব্যক্তি যে পরিমাণই যখম হয় না কেন, কিয়ামতের দিন সে ঠিক যখম অবস্থায়ই আসবে; তার বর্ণ হবে রক্ত বর্ণ আর ঘ্রাণ হবে কস্তুরীর। কসম সে পবিত্র সত্তার যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! যদি মুসলিমদের জন্য কষ্টকর না হতো তবে আমি কখনো আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের অভিযানে লিপ্ত দলে যোগদান না করে ঘরে বসে থাকতাম না। কিন্তু আমার কাছে এমন সামর্থ্য নেই যে, যারা আল্লাহর পথে জিহাদ করেন তাদের সকলকে বাহন দান করবো, আর তাদের নিজেদেরও সে সঙ্গতি নেই (যে, নিজেরাই নিজেদের বাহন নিয়ে বের হবে)। আর তাদের জন্যে এটা খুবই কষ্টকর হবে যে, (আমি যুদ্ধে বেরোবার পর আমার সঙ্গে না গিয়ে) তারা পিছনে পড়ে থাকবে। কসম সে পবিত্র সত্তার যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! আমার একান্ত ইচ্ছা হয় আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করি আর তাতে শহীদ হই, তারপর আবার জিহাদ করি, আবারও শহীদ হই, আবারও জিহাদ করি, আবারও শহীদ হই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭০৬, ইসলামিক সেন্টার)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ আল্লাহ সে ব্যক্তির দায়িত্ব নিয়েছেন, যে তারই পথে জিহাদ করে, তাকে ঘর থেকে বের করে কেবল তারই রাস্তায় জিহাদ আর তারই কালিমায় বিশ্বাস। সে দায়িত্বটি হচ্ছে, হয় তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, না হয় তার প্রাপ্য সাওয়াব ও গণীমাতসহ সে স্থানে ফিরিয়ে আনবেন যেখান থেকে সে (জিহাদে) বেরিয়েছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭০৮, ইসলামিক সেন্টার)
আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ এমন কেউ নেই যে আল্লাহর পথে আঘাত পায় আর আল্লাহই সম্যক জানেন, যে কেউ তার পথে যখম হবে সে কিয়ামতের দিন এরূপ অবস্থায় আসবে যে, তার আঘাতপ্রাপ্ত স্থান দিয়ে রক্ত বের হবে, তার রং হবে রক্তের; কিন্তু সুবাস হবে কস্তরীর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭০৯, ইসলামিক সেন্টার)
হাদিস 4863 — Sahih Muslim 33:159
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ أَحَادِيثَ مِنْهَا وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " كُلُّ كَلْمٍ يُكْلَمُهُ الْمُسْلِمُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ثُمَّ تَكُونُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ كَهَيْئَتِهَا إِذَا طُعِنَتْ تَفَجَّرُ دَمًا اللَّوْنُ لَوْنُ دَمٍ وَالْعَرْفُ عَرْفُ الْمِسْكِ " . وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " وَالَّذِي نَفْسُ مُحَمَّدٍ فِي يَدِهِ لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ مَا قَعَدْتُ خَلْفَ سَرِيَّةٍ تَغْزُو فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَلَكِنْ لاَ أَجِدُ سَعَةً فَأَحْمِلَهُمْ وَلاَ يَجِدُونَ سَعَةً فَيَتَّبِعُونِي وَلاَ تَطِيبُ أَنْفُسُهُمْ أَنْ يَقْعُدُوا بَعْدِي " .
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনব্বিহ্ (রহঃ) বলেন, আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যেসব হাদীস বর্ণনা করেছেন, তন্মধ্যে একটি হলো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর পথে মুসলিম যে যখমেই আক্রান্ত হয়, কিয়ামতের দিন তা ঠিক যখন আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিল সেরূপ হবে; রক্ত প্রবাহিত হতে থাকবে যার রং রক্তেরই রং হবে আর সুবাস হবে কম্ভরীর। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যার হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ সে পবিত্র সত্তার কসম! যদি মুমিনদের জন্য কষ্টকর না হতো তবে আমি কোন সেনাদলের যারা আল্লাহর পথে জিহাদে বের হয় তাদের পিছনে বসে থাকতাম না। কিন্তু আমার সে সামর্থ্য নেই যা দিয়ে আমি তাদের সকলকে বাহন দিতে পারি, আর না তাদেরই সে সামর্থ্য আছে যে, (নিজ থেকে বাহন নিয়ে যুদ্ধযাত্রাকালে) আমার অনুসরণ করবে, আর আমার (যুদ্ধ অভিযানে বের হয়ে যাওয়ার) পর ঘরে বসে থাকতে তাদের মনে ভাল লাগবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৭১০, ইসলামিক সেন্টার)