আমর আন নাকিদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সালাতের মধ্যে ইমামের আগে মাথা তোলে, আল্লাহ তার আকৃতিকে গাধার আকৃতির মতো করে দিবেন- এ ব্যাপারে সে নিজেকে নিরাপদ মনে করছে নাকি? (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৪৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবদুর রহমান ইবনু সাল্লাম আল জুমাহী, আবদুর রাহমান ইবনু রাবী' ইবনু মুসলিম ও উবাইদুল্লাহ ইবনু মু'আয, আবূ বাকর ইবনু শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে এ সনদে উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে রাবী' ইবনু মুসলিম-এর বর্ণনায় এ হাদীসের শেষের অংশ নিম্নরূপঃ আল্লাহ তার মুখমণ্ডল গাধার মুখমণ্ডলের মতোই করে দিবেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৪৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যেসব লোক সালাতের মধ্যে আকাশের দিকে তাকায় তাদের এমন করা থেকে বিরত থাকা উচিত। অন্যথায় তাদের দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৪৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ তাহির ও আমর ইবনু সাওওয়াদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ লোকেদের উচিত, তারা যেন সালাতের মধ্যে দু'আর সময় আকাশের দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ না করে। অন্যথায় তাদের দৃষ্টিশক্তি ছিনিয়ে নেয়া হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৪৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের কাছে বের হয়ে আসলেন। তিনি বললেনঃ আমি তোমাদের হাত উঠাতে দেখি কেন? মনে হয় যেন তা দুষ্ট ঘোড়ার লেজ। ধীরস্থিরভাবে সালাত আদায় করো, নড়াচড়া করো না। রাবী বলেন, তিনি আরেক দিন বের হয়ে আমাদের গোলাকারে দেখে বললেনঃ আমি তোমাদের পরস্পরকে বিচ্ছিন্ন দেখছি কেন? রাবী বলেন, তিনি পুনরায় বের হয়ে এসে বললেনঃ মালায়িকারা (ফেরেশতারা) যেভাবে তাদের প্রতিপালকের সামনে লাইন বেঁধে দাড়ায় তোমরা কি সেভাবে লাইন বাধবে না? আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কিভাবে ফেরেশতারা তাদের রবের সামনে কাতারবন্দী হন? তিনি বললেনঃ তারা প্রথম লাইন (আগে) পূর্ণ করে এবং পরস্পরের সাথে মিলে দাঁড়ায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৫০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে সালাত আদায় করতাম তখন, 'আসসালা-মু 'আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্ল-হ' 'আসসালামু 'আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্ল-হ' বলে সালাত শেষ করতাম। তিনি (জাবির) হাত দিয়ে উভয় দিকে ইশারা করে দেখালেন। (অর্থাৎ- সালামের সাথে সাথে হাতে ইশারাও করা হত)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ তোমরা (সালামের সময়) দুষ্ট ঘোড়ার লেজ ঘুরানোর মতো দু'হাত দিয়ে ইশারা করো কেন? তোমরা উরুর উপর হাত রেখে ডানে-বায়ে মুখ ফিরিয়ে তোমাদের ভাইদের সালাম দিবে। এরূপ করাই তোমাদের জন্য যথেষ্ট। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৫২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
হাদিস 971 — Sahih Muslim 4:133
وَحَدَّثَنَا الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّاءَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ فُرَاتٍ، - يَعْنِي الْقَزَّازَ - عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ صَلَّيْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَكُنَّا إِذَا سَلَّمْنَا قُلْنَا بِأَيْدِينَا السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ فَنَظَرَ إِلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " مَا شَأْنُكُمْ تُشِيرُونَ بِأَيْدِيكُمْ كَأَنَّهَا أَذْنَابُ خَيْلٍ شُمُسٍ إِذَا سَلَّمَ أَحَدُكُمْ فَلْيَلْتَفِتْ إِلَى صَاحِبِهِ وَلاَ يُومِئْ بِيَدِهِ " .
কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে সালাত আদায় করেছি। আমরা যখন সালাম ফিরাতাম হাত দিয়ে ইশারা করে বলতাম, আসসালা-মু আলাইকুম, আসসালা-মু 'আলাইকুম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেনঃ কি ব্যাপার তোমরা হাত দিয়ে ইশারা করছ, মনে হচ্ছে যেন দুষ্ট ঘোড়ার লেজ। তোমাদের কেউ যখন সালাম করে সে যেন তার সাথের লোকের দিকে ফিরে সালাম করে এবং হাত দিয়ে ইশারা না করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৫৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আবূ মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাতের সময় আমাদের কাঁধ স্পর্শ করে বলতেনঃ তোমরা সোজাসুজি দাঁড়াও এবং আগে পিছে ছিন্ন-ভিন্ন হয়ে দাঁড়িও না। অন্যথায় তোমাদের অন্তর মতভেদে লিপ্ত হয়ে পড়বে। বুদ্ধিমান, অভিজ্ঞ ও জ্ঞানী ব্যক্তিরা আমার কাছাকাছি দাঁড়াবে। অতঃপর এ গুণে যারা তাদের নিকটবর্তী তারা পর্যায়ক্রমে এদের কাছাকাছি দাঁড়াবে। আবূ মাসউদ (রাযিঃ) বলেন, কিন্তু আজকাল তোমাদের মধ্যে চরম বিভেদ-বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৮৫৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)