সাঈদ ইবনু মানসূর, আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (মৃত্যুশয্যায় থাকাকালীন সময়ে) হুজরার পর্দা তুলে দিলেন। লোকেরা এ সময় আবূ বাকরের পিছনে সালাতের কাতারে দাঁড়ানো ছিল। তিনি বললেনঃ হে লোক সকল! আর নুবুওয়াতের ধারা অবশিষ্ট থাকবে না। তবে মুসলিমরা সত্যস্বপ্ন দেখবে অথবা তাদের দেখানো হবে। সাবধান! আমাকে নিষেধ করা হয়েছে আমি যেন রুকু বা সাজদারত অবস্থায় কুরআন পাঠ না করি। তোমরা রুকু অবস্থায় মহান প্রভুর শ্রেষ্ঠত্ব ও মহত্ত বর্ণনা করবে এবং সাজদারত অবস্থায় অধিক দু’আ পড়ার চেষ্টা করবে, কেননা তোমাদের দু'আ কবুল হওয়ার উপযোগী। হাদীসটি আবূ বকর (রহঃ) حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سُلَيْمَانَ বলে রিওয়ায়াত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ূব (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ কক্ষের পর্দা সরিয়ে দিলেন এ সময় তিনি মৃত্যু শয্যায় ছিলেন। তার মাথা (কাপড় দিয়ে) বাধা ছিল। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! আমি কি তোমার বাণী পৌছে দিয়েছি? এ কথা তিনি তিনবার বললেন। নুবুওয়াতের সুসংবাদ (ধারা) আর অবশিষ্ট থাকবে না। তবে ভাল স্বপ্ন অবশিষ্ট থাকবে। নেক বান্দারা তা দেখবে অথবা তাদেরকে দেখানো হবে। হাদীসের পরবর্তী বর্ণনা সুফইয়ানের বর্ণনার অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ তাহির ও হারমালাহ্ (রহঃ) ..... 'আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে রুকূ’ বা সাজদায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৫৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বকর ইবনু ইসহাক (রহঃ) ..... আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে রুকু’-সাজদায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। আমি বলছি না "তিনি তোমাদের নিষেধ করেছেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
যুহারর ইবনু হারব ও ইসহাক (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার প্রিয়তম (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে রুকু’-সাজদার কিরাআত পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, ঈসা ইবনু হাম্মদ আল মিসরী, হারূন ইবনু আবদুল্লাহ, আল মুকাদ্দামী, হারূন ইবনু সাঈদ আল লাইলী, ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব ও কুতাইবাহ ইবনু হুজর এবং হান্নাদ ইবনু আস্ সারী (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে রুকু অবস্থায় কুরআন পাঠ করতে নিষেধ করেছেন। উল্লেখিত সব রাবীই রুকুর কথা বলেছেন। তারা নিজ নিজ বর্ণনায় 'সাজদার মধ্যে কুরআন পাঠ করা নিষেধ' এরূপ কথা উল্লেখ করেননি; যেমন- যুহরী, যায়দ ইবনু আসলাম, ওয়ালীদ ইবনু কাসীর এবং দাউদ ইবনু কায়স নিজেদের বর্ণনায় এ নিষেধাজ্ঞার কথাও উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
কুতাইবাহ (রহঃ) ..... আলী (রাযিঃ) হতে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। এ সূত্রে ‘সাজদায় কুরআন পাঠ করা নিষেধ' এ কথার উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আমর ইবনু 'আলী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে নিষেধ করা হয়েছে আমি যেন রুকূর মধ্যে কুরআন পাঠ না করি। এ সূত্রে ‘আলীর নাম উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯৬৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)