হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী এবং আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... সাদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার উপস্থিতিতে কতিপয় লোককে কিছু দান করলেন। আমিও তখন তাদের মধ্যে ছিলাম। তিনি এক ব্যক্তিকে দেয়া থেকে বিরত থাকলেন। সে আমার দৃষ্টিতে তাদের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম লোক ছিল। সুতরাং আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি অমুক ব্যক্তিকে দেননি কেন? আল্লাহর শপথ আমি জানি সে মুমিন লোক। তিনি বললেন, বরং সে মুসলিম। অতঃপর আমি সামান্য সময় চুপ করে থাকলাম। কিন্তু তার সদগুণাবলী ও ঈমানী চরিত্র সম্পর্কে আমার অবগতি আমাকে প্রভাবিত করায় পুনরায় বললাম, "হে আল্লাহর রসূল! আপনি অমুক ব্যক্তিকে কেন দেননি? আল্লাহর কসম, আমি জানি সে মুমিন লোক। তিনি (এবারও) বললেন বরং সে মুসলিম। আমি আবার কিছু সময় চুপ থাকলাম। কিন্তু তার সম্পর্কে আমার অবগতি পুনরায় আমাকে প্রভাবিত করল। তাই আমি বললাম, আল্লাহর রসূল! আপনি অমুক ব্যক্তিকে কিছু দেননি কেন? আল্লাহর শপথ! আমি ভাল করেই জানি সে মু'মিন। তিনি বললেন, বরং সে মুসলিম। তৃতীয়বার বললেন, আমি অধিকাংশ সময় কোন ব্যক্তিকে দেই কিন্তু অপর ব্যক্তি আমার কাছে তার তুলনায় অধিক প্রিয়। এর কারণ হচ্ছে- যদি তাদেরকে না দেই তাহলে হয়ত তাদেরকে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। আল হুলওয়ানীর বর্ণনায় দু’বারের উল্লেখ আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩০১, ইসলামীক সেন্টার)
হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু সা'দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এ সূত্রেও যুহরী বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এ বর্ণনায় আরো আছে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (স্নেহ ভরে) আমার ঘাড় ও কাঁধের মাঝে হাত মেরে বললেনঃ হে সাদ! তুমি কি আমার সাথে লড়তে চাও। নিশ্চয়ই আমি কোন ব্যক্তিকে দিয়ে থাকি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩০৩, ইসলামীক সেন্টার)
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া আত তুজীবী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। হুনায়নের দিনে আল্লাহ তা'আলা তার রসূলকে বিনা যুদ্ধে হাওয়াযিন গোত্রের ধন-সম্পদ থেকে যা (গনীমাত হিসেবে) দান করেছিলেন এ থেকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরায়শদের কয়েকজন লোককে একশ' উট প্রদান করলেন। আনসারদের মধ্যে কয়েক ব্যক্তি বলল, “আল্লাহ তার রসূলকে ক্ষমা করুন, তিনি আমাদের না দিয়ে কুরায়শদের দিচ্ছেন। অথচ আমাদের তরবারি থেকে এখনও তাদের রক্ত করছে।" আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) বলেন, এ খবর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পৌছলে তিনি আনসারদের ডেকে পাঠালেন। তিনি একটি চামড়ার তাঁবুতে তাদের একত্রিত করলেন। তারা জড়ো হলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে বললেন, তোমাদের পক্ষ থেকে আমার কাছে যে কথা পৌছেছে তার মানে কী? আনসারদের মধ্যে থেকে বুদ্ধিমান ব্যক্তিগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের মধ্যে যারা বুদ্ধিমান ও অভিজ্ঞ তারা তো কিছুই বলেনি। তবে আমাদের মধ্যে যারা কম বয়সী তারা বলেছেন- আল্লাহ তা'আলা তার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ক্ষমা করুন, তিনি আমাদের না দিয়ে কুরায়শদের দিচ্ছেন। অথচ এখনো আমাদের তরবারি থেকে তাদের রক্ত টপকে পড়ছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ "আমি এমন লোকদের দিয়ে থাকি যারা সেদিনও কাফির ছিল যাতে তাদের মন সন্তুষ্ট (ও ইসলামের দিকে আকৃষ্ট) থাকে। তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, তারা (গনীমতের) মাল নিয়ে তাদের ঘরে চলে যাবে আর তোমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সাথে নিয়ে ঘরে যাবে? আল্লাহর শপথ! ওরা যা নিয়ে ঘরে ফিরবে তার চেয়ে উত্তম হচ্ছে তোমরা যা নিয়ে ঘরে ফিরবে। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা যা নিচ্ছি তাই উত্তম এবং আমরা সন্তুষ্ট আছি। পুনরায় তিনি বললেন, ভবিষ্যতেও এভাবে তোমাদের উপর অন্যদের (দানের ব্যাপারে) প্রাধান্য দেয়া হবে। তখন তোমরা আল্লাহ ও তার রসূলের সাথে সাক্ষাৎ করা পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করবে এবং হাওযে কাওসারের কাছে থাকবে। তারা বললেন, এখন থেকে আমরা ধৈর্য ধারণ করব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩০৪, ইসলামীক সেন্টার)
হাসান আল হুলওয়ানী ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে এ সূত্রেও হাওয়াযিন গোত্র থেকে বিনা যুদ্ধে সম্পদ লাভ ও বণ্টন সম্পর্কিত উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে এখানে আরো আছেঃ আনাস (রাযিঃ) বলেছেন, আমরা ধৈর্য ধারণ করতে পারিনি এবং ‘আমাদের কিছু লোক' শব্দটি উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩০৫, ইসলামীক সেন্টার)
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে আনাস (রাযিঃ) বলেছেন যে, তারা বললেন, “আমরা ধৈর্য ধারণ করব।" যেমন যুহরী থেকে ইউনুসের রিওয়ায়াতে বর্ণিত আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩০৬, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের এক স্থানে সমবেত করে বললেনঃ তোমরা অর্থাৎ আনসারগণ ছাড়া অন্য কেউ এখানে আছে কি? তারা (আনসারগণ) বললেন, না। তবে আমাদের এ ভাগ্নে এখানে উপস্থিত আছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, বোনের ছেলে বা ভাগ্নে (মাতুল) গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। অতঃপর তিনি বললেনঃ কুরায়শরা কেবলমাত্র জাহিলিয়্যাত পরিত্যাগ করেছে এবং সবেমাত্র বিপদ থেকে মুক্তি পেয়েছে। তাই আমি চাচ্ছি। তোমরা কি সন্তুষ্ট নও যে, মানুষ দুনিয়া নিয়ে ফিরে যাক, আর তোমরা আল্লাহর রসূলকে নিয়ে ঘরে প্রত্যাবর্তন কর? তোমাদের সাথে আমার ভালবাসা ও হৃদ্যতার স্বরূপ এই যে, দুনিয়ার সব লোক যদি কোন উপত্যকার দিকে ছুটে আর আনসারগণ যদি কোন গিরিপথে যায় তাহলে আমি আনসারদের গিরিপথেই যাবো (তাদের সাথেই থাকব)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩০৭, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু ওয়ালীদ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাক্কাহ (মক্কা) বিজয়ের পরে গনীমাতের মাল কুরায়শদের মধ্যে বণ্টন করা হলে আনসারগণ বললেন, এটা অত্যন্ত আশ্চর্যের কথা যে, আমাদের তরবারি দিয়ে এখনো তাদের রক্ত ঝরছে আর আমাদের গনীমাত তারাই লুটে নিচ্ছে। এ কথা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে পৌছলে তিনি তাদেরকে সমবেত করে বললেন, এ কেমন কথা যা তোমাদের পক্ষ থেকে আমার কাছে পৌছেছে? তারা বললেন, হ্যাঁ; এ ধরনের কথা হয়েছে। তারা কখনো মিথ্যা বলেন না। তিনি বললেন, তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট নও যে, অন্যান্য লোকেরা দুনিয়া নিয়ে ঘরে ফিরুক আর তোমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে নিয়ে ঘরে ফিরে যাও? অন্যান্য লোকেরা যদি কোন উপত্যকা বা গিরিপথে চলে এবং আনসারগণ যদি অপর কোন উপত্যকা বা গিরিপথ ধরে চলে তাহলে আমি আনসারদের উপত্যকা বা গিরিপথেই চলব (আমি আনসারদের সাথেই থাকব)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩০৮, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবরাহীম ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আর'আরাহ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুনায়নের যুদ্ধে হাওয়াযিন, গাতফান ও অন্যান্য গোত্রের লোকেরা তাদের সন্তান-সন্ততি ও গবাদি পশু নিয়ে এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশ হাজারের এক বিরাট বাহিনী এবং মাক্কার (মক্কা) তুলাকাদের নিয়ে সম্মুখ যুদ্ধে অবতীর্ণ হলেন। তুমুল যুদ্ধের মুখে এরা সবাই পিছে হটে গেল এবং (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একা যুদ্ধ ক্ষেত্রে রয়ে গেলেন। সেদিন তিনি দু'টি ডাক দিলেন কিন্তু এর মাঝখানে কোন কথা বলেননি। প্রথমে তিনি ডান দিকে ফিরে ডাক দিয়ে বললেনঃ “হে আনসার সম্প্রদায়”! তারা তাকে সাড়া দিয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা আপনার সাথেই আছি- আপনি এ সুসংবাদ গ্রহণ করুন। অতঃপর তিনি বাম দিকে ফিরে পুনরায় ডেকে বললেনঃ হে আনসার সম্প্রদায়! তারা ডাকে সাড়া দিয়ে বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আমরা আপনার সাথেই আছি, আপনি সুসংবাদ গ্রহণ করুন। বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাদা বর্ণের একটি খচ্চরের পিঠে উপবিষ্ট ছিলেন। অতঃপর তিনি নীচে নেমে এসে বললেন, "আমি আল্লাহর বান্দা ও তার রসূল! মুশরিকরা পরাজিত হলো, গনীমাতের অনেক মাল রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হস্তগত হলো। তিনি এসব মাল মুহাজির ও তুলাকাদের মধ্যে বণ্টন করে দিলেন। তিনি আনসারদের এ থেকে কিছুই দিলেন না। এতে অসন্তুষ্ট হয়ে আনসারগণ বললেন, “বিপদের সময় আমাদের ডাকা হয়, আর গনীমাত বণ্টনের সময় মজা লুটে অন্যরা। তাদের এ উক্তি তার কানে গিয়ে পৌছল। তিনি তাদেরকে একটি তাবুর নীচে একত্র করে বললেন, হে আনসার সম্পদ্রায়! তোমাদের পক্ষ থেকে কী কথা আমার কাছে পৌছেছে? তারা সবাই নীরব হয়ে গেলেন। তিনি বলেন, হে আনসার সম্প্রদায়! তোমরা কি এতে খুশী নও যে, অন্যান্য লোক দুনিয়া নিয়ে ঘরে ফিরবে আর তোমরা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সঙ্গে নিয়ে ঘরে ফিরবে? তারা (উত্তরে) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমরা এতে খুশী আছি। রাবী বলেন, অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “যদি অন্য লোকেরা এক গিরিপথের দিকে যায় আর আনসারগণ অন্য গিরিপথে চলে তাহলে আমি আনসারদের পথই অনুসরণ করব। বর্ণনাকারী হিশাম বলেন, আমি আনসারকে জিজ্ঞেস করলাম, হে আবূ হামযাহ! আপনি কি তখন উপস্থিত ছিলেন। তিনি বললেন, আমি তাকে ছেড়ে কোথায় যাব?” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩০৯, ইসলামীক সেন্টার)
উবায়দুল্লাহ ইবনু মু'আয, হামিদ ইবনু উমার ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ...... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মাক্কাহ (মক্কা) বিজয় করার পর হুনায়নের যুদ্ধ করলাম। আমি দেখেছি এ যুদ্ধে মুশরিকরা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও সুবিন্যস্তভাবে কাতারবন্দী হয়েছিল। এদের প্রথম সারিতে অশ্বারোহীগণ, তারপর পদাতিকগণ, এদের পিছনে স্ত্রী লোকেরা যথাক্রমে বকরী অন্যান্য গবাদি পশুগুলো সারিবদ্ধ হয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা সংখ্যায় অনেক লোক ছিলাম। আমাদের সংখ্যা প্রায় ছয় হাজার পৌছে ছিল। আমাদের একদিকে খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাযিঃ) আমাদের অশ্বারোহী বাহিনীর অধিনায়ক ছিলেন। যুদ্ধের এক পর্যায়ে আমাদের ঘোড়া পিছু হটতে লাগল। এমনকি আমরা টিকে থাকতে পারছিলাম না। বেদুঈনরা পালাতে শুরু করল। আমার জানা মতে আরো কিছু লোক পালিয়ে গেল। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথম মুহাজিরদের ধমক দিয়ে ডাকলেন, হে মুহাজিরগণ! হে মুহাজিরগণ! অতঃপর আনসারদের ধমক দিয়ে বললেন, হে আনসারগণ! হে আনসারগণ! আনসার (রাযিঃ) বলেন, এ হাদীস আমার নিকট লোক বর্ণনা করেছেন অথবা তিনি বলেছেন, আমার চাচা বর্ণনা করেছেন। রাবী বলেন, আমরা তার ডাকে সাড়া দিয়ে বললাম, "হে আল্লাহর রসূল! আমরা আপনার সাথেই আছি। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামনে অগ্রসর হলেন। আনসার (রাযিঃ) আরো বলেন, আল্লাহর শপথ আমাদের পৌছার পূর্বেই আল্লাহ তা'আলা তাদের পরাজিত করবেন এবং আমরা তাদের সকল প্রকার মাল হস্তগত করলাম। তারপর আমরা ত্বায়িফে গেলাম। ত্বায়িফের অধিবাসীদের চল্লিশ দিন যাবৎ অবরোধ করে রাখলাম, অতঃপর আমরা মাক্কায় (মক্কা) ফিরে আসলাম এবং অভিযান সমাপ্ত করলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক ব্যক্তিকে একশটি করে উট দিলেন ও অতঃপর হাদীসের বাকী অংশ কাতাদাহ্, আবূ তাইয়াহ ও হিমাম ইবনু যায়দ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩১০, ইসলামীক সেন্টার)