আবু বকর ইবন ইসহাক সাগানী (রহঃ) ... শা'বী (রহঃ) সূত্রে ফাতিমা বিনূত কায়স (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে আমার স্বামী তালাক দিল, আমি তার ঘর থেকে চলে যাওয়ার ইচ্ছায় রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হলাম। তিনি বললেন, তুমি তোমার চাচাত ভাই আমর ইবন উম্মে মাকতুমের ঘরে গিয়ে সেখানে তোমার ইদ্দত পূর্ণ করা। একথা শুনে আসওয়াদ তাঁকে পাথর দ্বারা আঘাত করে বললেনঃ আপনার ধ্বংস হোক। আপনি এরূপ কথা কোন বর্ণনা করছেন? উমর (রাঃ) বললেন, যদি তুমি দুইজন সাক্ষী আনো, যারা এই সাক্ষ্য দিবে যে, আমরা ইহা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে শুনেছি; তাহলে আমি তোমার কথা গ্রহণ করবো। তা-না হলে আমরা একজন মহিলার কথায় আল্লাহর কিতাব ছাড়তে পারি না, আল্লাহর কিতাবে নির্দেশ আছেঃ "ঐ সকল মহিলাদেরকে তাদের ঘর হতে বের করো না, আর তারাও যেন বের না হয়; যদি না তারা প্ৰকাশ্য অশ্লীলতার কাজে লিপ্ত হয়।
আব্দুল হামিদ ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) ... জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তাঁর খালাকে তালাক দেওয়ার পর তিনি তার খেজুর বাগানে যেতে চাইলেন। পথে এক ব্যক্তির সাথে তার সাক্ষাৎ হলে সে তাকে সেখানে যেতে নিষেধ করলো। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গেলে, তিনি বললেনঃ তুমি গিয়ে তোমার খেজুর নিয়ে এসো। হয়তো তুমি সাদকা করবে এবং মানুষের উপকারের জন্য দিয়ে দেবে।
আহমদ ইবন আবদুল্লাহ্ ইবন হাকাম (রহঃ) ... আবু বকর ইবন হাফস (রহঃ) বলেনঃ আমি এবং আবু সালামা ফাতিমা বিনত কায়সের নিকট গেলাম। ফাতিমা বললেন, আমার স্বামী আমাকে তালাক দেয়, কিন্তু আমার জন্য থাকার ঘর ও খোরপোষের ব্যবস্থা করেনি। তিনি বলেন, সে তার চাচাতো ভাইয়ের নিকট আমার জন্য দশ কাফীয রাখল। এর পাঁচ কাফীয ছিল যব, আর পাঁচ কাফীয ছিল খেজুর। এরপর আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে তা উল্লেখ করলাম। তিনি বললেনঃ সে যা বলেছে সত্যই বলেছে। তিনি আমাকে আদেশ করলেন, আমি যেন অমুকের ঘরে আমার ইদ্দত পূৰ্ণ করি। তার স্বামী তাকে বায়িন তালাক দিয়েছিল।
আমর ইবন উসমান ইবন সাঈদ (রহঃ) ... উবায়দুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ ইবন উতবা (রাঃ) বলেন, আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন উসমান সাঈদ ইবন যায়দ এর কন্যাকে তালাক দিল, সেই কন্যার মাতার নাম ছিল হামনা বিনত কায়স। তিনি তাকে এমন তালাক দিলেন, যা দ্বারা সম্পর্ক একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, অর্থাৎ তিন তালাক। সেই মহিলার খালা ফাতিমা বিনত কায়স (রাঃ) তাকে বললেনঃ তুমি আবদুল্লাহ ইবন আমার-এর ঘরে চলে যাও। মারওয়ান একথা শুনে আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন উসমানের স্ত্রীকে নির্দেশ দিলেনঃ তোমার ইদ্দত পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তুমি নিজের গৃহে অবস্থান কর। আবদুল্লাহ ইবন আমর-এর স্ত্রী মারওয়ানের কাছে লোক পাঠিয়ে জানালেন যে, আমাকে আমার খালা ফাতিমা ঘর হতে চলে যাওয়ার আদেশ করেছেন। আর তিনি বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে ঐ সময় ঘর হতে বের হয়ে যাওয়ার আদেশ করেন, যখন তাকে তার স্বামী আবু আমর ইবন হাফস তালাক দিয়েছিলেন। মারওয়ান যখন এ ঘটনা জানতে পারলো, তখন তিনি কাবীসা ইবন যুবায়রকে ফাতিমা (রাঃ)-এর নিকট পাঠালেন। এ ব্যাপারে ফাতিমাকে কাবীসা (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ আমার স্বামী আবু আমার আলী (রাঃ)-এর সাথে চলে যান, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ইয়ামনের শাসক নিযুক্ত করেন। সেখানে পিয়ে আমার স্বামী এক তালাক দিয়ে পাঠান, আর তা ছিল ঐ তালাক, যা অবশিষ্ট ছিল। তখন হারিস ইবন হিশাম, এবং আইয়াশ ইবন আবু রবীআকে বলে পাঠান আমাকে খোরপোেষ দেয়ার জন্য। আমি আমার খরচ চাওয়ার জন্য তাদের নিকট লোক পাঠালাম, যা আমার স্বামী আমাকে দিতে বলেছিল। তারা উভয়ে বললেনঃ আল্লাহর শপথ! আমাদের নিকট তার জন্য কোন খোরপোেষ নেই। তবে যদি সে গৰ্ভবতী হতো, তা হলে তার জন্য খোরপোষ ছিল। আর আমরা যতক্ষণ না বলি, সে যেন আমাদের ঘরে না থাকে। ফাতিমা (রাঃ) বলেনঃ তখন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হলাম এবং তাঁকে এ ঘটনা জানালাম। তিনি তাদের উভয়কে সত্যবাদী মনে করলেন। আমি বললামঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি এখন কোথায় যাব? তিনি বললেনঃ ইবন উম্মে মাকতুমের নিকট চলে যাও, ইবন উম্মে মাকতুম অন্ধ লোক, যার জন্য আল্লাহ তা'আলা তার কিতাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সতর্ক করে দিয়েছিলেন। আমি তাঁর নিকট চলে গেলাম। আমি তাঁর নিকট গায়ের কাপড় ফেলে দিতাম। এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উসামা ইবন যায়ীদ (রাঃ)-এর সাথে আমার বিবাহ দেন।
আমর ইবন মানসূর (রহঃ) ... ফাতিমা বিনত আবু হুবায়শ (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গিয়ে রক্ত নির্গমনের কথা ব্যক্ত করলেন। তিনি তাকে বললেনঃ এই রক্ত কোন শিরা হতে প্রবাহিত হয় অর্থাৎ জরায়ু হতে আসে না। যখন তোমার হায়ায় আরম্ভ হয়, তখন তুমি এর প্রতি লক্ষ্য রাখ। তখন নামায় পড়বে না। হায়যের সময় চলে গেলে তুমি পাক হয়ে যাবে। তিনি বললেনঃ উভয় হয়েযের মধ্যবর্তী সময় নামায পড়বে।
যাকারিয়া ইবন ইয়াহইয়া (রহঃ) ... ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে (مَا نَنْسَخْ مِنْ آيَةٍ أَوْ نُنْسِهَا نَأْتِ بِخَيْرٍ مِنْهَا أَوْ مِثْلِهَا) এ আয়াতের তাফসীরে বর্ণিত যে, "আমি কোন আয়াত রহিত করলে অথবা ভুলিয়ে দিলে, তা হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আনি। ইবন আব্বাস (রাঃ) এরপর অন্য একটি আয়াত বর্ণনা করেন, (وَإِذَا بَدَّلْنَا آيَةً مَكَانَ آيَةٍ وَاللَّهُ أَعْلَمُ بِمَا يُنَزِّلُ) যখন আমি এক আয়াতের বদলে অন্য আয়াত উপস্থিত করি, আল্লাহ যা নাযিল করেন, তা তিনি-ই ভাল জানেন, তখন তারা বলে, তুমি তো কেবল মিথ্যা উদ্ভাবনকারী। আল্লাহর বাণীঃ 'আল্লাহর যা ইচ্ছা তা নিশ্চিহ্ন ফরেন এবং যা ইচ্ছা তা প্রতিষ্ঠিত রাখেন, আর তারই নিকট আছে কিতাবের মূল।' এরপর ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ সর্বপ্রথম কুরআনে যা রহিত হয়েছিল, তা ছিল কেবলা। ইবন আব্বাস (রাঃ) আরো বলেনঃ আল্লাহ্র বাণীঃ (وَالْمُطَلَّقَاتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنْفُسِهِنَّ ثَلَاثَةَ قُرُوءٍ وَلَا يَحِلُّ لَهُنَّ أَنْ يَكْتُمْنَ) 'মহিলারা তিন হায়েয পর্যন্ত অপেক্ষা করবে, আর তাদের জন্য বৈধ হবে না, আল্লাহ্ তা'আলা তাদের গর্ভে যা সৃষ্টি করেছেন তা গোপন রাখা।' যদি তারা আল্লাহ্ এবং কিয়ামতের দিনের উপর ঈমান রাখে। আর তাদের স্বামীগণ এই অবস্থায় তাদের ফিরিয়ে রাখার অধিক হকদার। যদি তারা অপেক্ষা করার ইচ্ছা রাখে।' তিনি এই আয়াত বৰ্ণনা করতে গিয়ে বলেন, এই অবস্থা এইরূপ ছিল, যখন কোন লোক স্বীয় স্ত্রীকে তালাক দিত, তবে সে-ই তার রাজআত করার অধিকারী ছিল, যদিও সে তাকে তিন তালাক দিত। আল্লাহ্ তা'আলা তা রহিত করে বলেনঃ তালাক দু'বার। এরপর স্ত্রীকে হয় বিধিমত রেখে দেবে, অথবা সদয়ভাবে মুক্ত করে দেবে।
হাদিস 3555 — Sunan an Nasai 27:169
সহিহসহিহহাসান
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ سَمِعْتُ يُونُسَ بْنَ جُبَيْرٍ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ، قَالَ طَلَّقْتُ امْرَأَتِي وَهِيَ حَائِضٌ فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عُمَرُ فَذَكَرَ لَهُ ذَلِكَ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " مُرْهُ أَنْ يُرَاجِعَهَا فَإِذَا طَهُرَتْ - يَعْنِي - فَإِنْ شَاءَ فَلْيُطَلِّقْهَا " . قُلْتُ لاِبْنِ عُمَرَ فَاحْتَسَبْتَ مِنْهَا فَقَالَ مَا يَمْنَعُهَا أَرَأَيْتَ إِنْ عَجَزَ وَاسْتَحْمَقَ .
মুহাম্মদ ইবন মুছান্না (রহঃ) ... ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আমার স্ত্রীকে তার হয়েয অবস্থায় তালাক দেই। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উমর (রাঃ) এসে এই ঘটনা জানালে তিনি বললেনঃ সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়। তারপর যখন সে পাক হবে, তখন ইচ্ছা হলে তাকে রাখবে, অথবা তালাক দেবে। ইবন উমরের শাগরেদ তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, এই প্রথম তালাকও কি হিসাব করা হবে? তিনি বললেনঃ হিসাবে অসুবিধা কি? তুমি চিন্তা করে দেখ, যদি কোন ব্যক্তি অপরাগ হয়- কিংবা অজ্ঞতার কারণে তালাক দিয়ে বসে- তা তো হিসাবে ধরা হবে।
বিশার ইবন খালিদ (রহঃ) ... ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি তাঁর স্ত্রীকে তার হায়েয অবস্থায় তালাক দিয়ে দিলেন। উমর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এই ঘটনা বর্ণনা করলে তিনি বললেনঃ তাকে বলে দাও, অন্য হয়েয না আসা পর্যন্ত সে যেন তাকে ফিরিয়ে নেয়। এরপর যখন সে পাক হবে তখন ইচ্ছা করলে সে তাকে তালাক দেবে, বা রেখে দেবে। কেননা, এই তালাক আল্লাহর আদেশ অনুযায়ী। আল্লাহ্ তা'আলা বলেছেনঃ তাদের তালাক দেবে ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে।
আলী ইবন হুজর (রহঃ) ... নাফে' (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবন উমর (রাঃ)-এর নিকট যখন ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করা হলো, যে তার স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দিয়ে দেয়। তিনি বললেনঃ ঐ ব্যক্তির এক অথবা দুই তালাক দেয়ার অবস্থায় রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সে ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেবে বরং অন্য হায়েয আসা পর্যন্ত তাকে রাখবে, সে পাক হলে তাকে সহবাসের পূর্বে তালাক দেবে; আর যদি সে তিন তালাক একত্রে দিয়ে থাকে, তবে আল্লাহ্ তা'আলা তাকে যে আদেশ করেছেন, সে তা আমান্য করলো। [তাহক্বীকঃ সহীহ।] ৩৫৬২. ইউসুফ ইবন ঈসা মারওয়ায়ী (রহঃ) ... ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি তাঁর স্ত্রীকে হয়েয অবস্থায় তালাক দেন। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নির্দেশ দিলে তিনি তাকে ফিরিয়ে নেন। [তাহক্বীকঃ সহীহ।] ৩৫৬৩. আমর ইবন আলী (রহঃ) ... ইবন তাউস (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি শুনেছেন, আবদুল্লাহ ইবন উমরকে ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হলো, যে তাঁর স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দিয়েছিল। তিনি বললেনঃ তুমি কি আবদুল্লাহ ইবন উমরকে চিন? সে বললোঃ হ্যা। তিনি বললেনঃ তিনি তার স্ত্রীকে হায়েয অবস্থায় তালাক দেন, পরে উমর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে এ সংবাদ দিলে তিনি তাকে ফিরিয়ে নিতে আদেশ করেন, পাক হওয়া পর্যন্ত । রাবী বলেনঃ এর অধিক বর্ণনা করতে আমি তাকে শুনিনি। [তাহক্বীকঃ সহীহ। ইরওয়া ৭/১৩০।] ৩৫৬৪. আবদ ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) ... ইবন আব্বাস (রাঃ) সূত্রে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাফসা (রাঃ)-কে তালাক দেন, পরে তিনি তাঁকে ফিরিয়ে নেন। আল্লাহ্ সম্যক অবগত। [তাহক্বীকঃ সহীহ। ইবন মাজাহ ২০১৬।]
হাদিস 3558 — Sunan an Nasai 27:172
সহিহসহিহIsnaad Sahih
أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ عِيسَى، - مَرْوَزِيٌّ - قَالَ حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، قَالَ حَدَّثَنَا حَنْظَلَةُ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ فَأَمَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَرَاجَعَهَا .
أَخْبَرَنَا يُوسُفُ بْنُ عِيسَى، - مَرْوَزِيٌّ - قَالَ حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، قَالَ حَدَّثَنَا حَنْظَلَةُ، عَنْ سَالِمٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ وَهِيَ حَائِضٌ فَأَمَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَرَاجَعَهَا .