ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ... ইকরামা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে এসে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি আমার স্ত্রীর সাথে যিহার করি এবং কাফফারা দেওয়ার পূর্বেই তার সাথে সহবাস করি। তিনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি এরূপ করলে কেন? আর এ কাজ করার জন্য তোমাকে কে উদ্বুদ্ধ করলো? সে বললোঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ্! চাঁদের আলোতে তার সুন্দর পায়ের গোছা আমার দৃষ্টিগোচর হয়। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ তোমার উপর যা আদায় করা জরুরী তা আদায় না করা পর্যন্ত দূরে থাক। ইমাম নাসাঈ (রহঃ) বলেনঃ ইসহাক তার বর্ণিত হাদীসে, "তুমি তার থেকে দূরে থাক' বৰ্ণনা করেছেন।
ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, আল্লাহর শোকর যিনি শব্দসমূহ শ্রবণ করে থাকেন। খাওলা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে তার স্বামীর ব্যাপারে অভিযোগ করলো। সে তার কথা আমার নিকট গোপন রাখলো। তখন আল্লাহ্ তা’আলা আয়াত নাযিল করলেন, আল্লাহ্ তা'আলা ঐ মহিলার কথা শ্ৰবণ করেছেন, যে তার স্বামীর ব্যাপারে আপনার সাথে বিতর্ক করছে এবং আল্লাহর নিকট অভিযোগ করছে। আর আল্লাহ তা'আলা তোমাদের উভয়ের প্রশ্নোত্তর শ্রবণ করছেন। নিশ্চয় আল্লাহ শ্রবণকারী এবং দর্শনকারী। এরপর আল্লাহ তা’আলা যিহার এবং এর কাফফারার আদেশ নাযিল করলেন।
ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে মহিলারা স্বীয় স্বামীর সাথে মনোমালিন্য করে এবং খুলা করে, তারা মুনাফিক এবং ধোঁকাবাজ।
হাদিস 3462 — Sunan an Nasai 27:74
সহিহসহিহIsnaad Sahih
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالَ أَنْبَأَنَا ابْنُ الْقَاسِمِ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرَةَ بِنْتِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ عَنْ حَبِيبَةَ بِنْتِ سَهْلٍ، أَنَّهَا كَانَتْ تَحْتَ ثَابِتِ بْنِ قَيْسِ بْنِ شَمَّاسٍ وَأَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَرَجَ إِلَى الصُّبْحِ فَوَجَدَ حَبِيبَةَ بِنْتَ سَهْلٍ عِنْدَ بَابِهِ فِي الْغَلَسِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ هَذِهِ " . قَالَتْ أَنَا حَبِيبَةُ بِنْتُ سَهْلٍ يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ " مَا شَأْنُكِ " . قَالَتْ لاَ أَنَا وَلاَ ثَابِتُ بْنُ قَيْسٍ . لِزَوْجِهَا فَلَمَّا جَاءَ ثَابِتُ بْنُ قَيْسٍ قَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هَذِهِ حَبِيبَةُ بِنْتُ سَهْلٍ قَدْ ذَكَرَتْ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ تَذْكُرَ " . فَقَالَتْ حَبِيبَةُ يَا رَسُولَ اللَّهِ كُلُّ مَا أَعْطَانِي عِنْدِي . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِثَابِتٍ " خُذْ مِنْهَا " . فَأَخَذَ مِنْهَا وَجَلَسَتْ فِي أَهْلِهَا .
মুহাম্মদ ইবন সালামা (রহঃ) ... হাবীবা বিনতে সাহল (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি সাবিত ইবন কায়সের স্ত্রী ছিলেন। হাবীব (রাঃ) বলেনঃ একদিন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুব ভোরে নামায পড়তে গেলেন। তিনি হাবীবা বিনতে সাহলকে দরজায় পেয়ে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কে? হাবীব (রাঃ) বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমি হাবীব বিনতে সাহল। তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ কি ব্যাপার, তুমি কেন এসেছ? তিনি বললেন ? আমার মধ্যে এবং আমার স্বামীর মধ্যে মিল অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যখন সাবিত ইবন কায়স আগমন করলো, তখন তিনি বললেন, এই যে হাবীব বিনতে সাহল! আল্লাহ যা ইচ্ছা করেছেন, তা-ই সে বলছে। হাবীব (রাঃ) বলে উঠলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! এই ব্যক্তি যা আমাকে দান করেছে, তা আমার নিকট রয়েছে। তিনি সাবিত ইবন কায়সকে বললেনঃ তুমি যা দিয়েছ তা তার থেকে নিয়ে নাও। সাবিত (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদেশ মত তাকে যা দিয়েছিলেন, তা নিয়ে নিলেন। আর হাবীবা বিনতে সাহল (রাঃ) তার পরিজনদের মধ্যে অবস্থান করলেন, অর্থাৎ সাবিতের ঘর থেকে চলে গেলেন।
হাদিস 3463 — Sunan an Nasai 27:75
সহিহসহিহসহিহ Bukhari
أَخْبَرَنَا أَزْهَرُ بْنُ جَمِيلٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، قَالَ حَدَّثَنَا خَالِدٌ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ امْرَأَةَ، ثَابِتِ بْنِ قَيْسٍ أَتَتِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ ثَابِتُ بْنُ قَيْسٍ أَمَا إِنِّي مَا أَعِيبُ عَلَيْهِ فِي خُلُقٍ وَلاَ دِينٍ وَلَكِنِّي أَكْرَهُ الْكُفْرَ فِي الإِسْلاَمِ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَتَرُدِّينَ عَلَيْهِ حَدِيقَتَهُ " . قَالَتْ نَعَمْ . قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اقْبَلِ الْحَدِيقَةَ وَطَلِّقْهَا تَطْلِيقَةً " .
আযহার ইবন জামিল (রহঃ) ... ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, সাবিত ইবন কায়সের স্ত্রী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! সাবিত ইবন কায়সের অভ্যাস এবং ধর্মের ব্যাপারে আমার কোন অভিযোগ নেই। কিন্তু আমি ইসলামে নাশোকরীকে অপছন্দ করি। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কি তাকে বাগান ফিরিয়ে দেবে? সে বললোঃ হ্যাঁ, দেব। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাবিত ইবন কায়সকে বললেনঃ তুমি তোমার বাগান নিয়ে নাও এবং তাকে এক তালাক দিয়ে দাও।
হুসায়ন ইবন হুরায়াছ (রহঃ) ... ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললোঃ আমার স্ত্রী এমন যে, কেউ তাকে গায়ে হাত দেয়, সে তাকে নিষেধ করে না। তিনি বললেনঃ যদি তুমি ইচ্ছা কর, তবে তাকে তালাক দিয়ে দাও। ঐ লোকটি বললোঃ কিন্তু আমার ভয় হয়, আমার মন তার সাথে লেগে থাকবে এবং সবর করতে না পেরে আমি গুনাহে লিপ্ত হয়ে যাব। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি এরূপ করতে না পার, তবে তাকে নিজের কাজে লাগাও।
ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ... ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি বললোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমার স্ত্রী সে এমন, যে কোন ব্যক্তি তার গায়ে হাত দিলে সে তাকে বাধা দেয় না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তাকে তালাক দিয়ে দাও। সে ব্যক্তি বললোঃ আমি তাকে ছেড়ে থাকতে পারবো না। তিনি বললেনঃ তাহলে তুমি তাকে রেখে দাও।
হাদিস 3466 — Sunan an Nasai 27:78
সহিহসহিহসহিহ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَعْمَرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عَدِيٍّ، قَالَ جَاءَنِي عُوَيْمِرٌ - رَجُلٌ مِنْ بَنِي الْعَجْلاَنِ - فَقَالَ أَىْ عَاصِمُ أَرَأَيْتُمْ رَجُلاً رَأَى مَعَ امْرَأَتِهِ رَجُلاً أَيَقْتُلُهُ فَتَقْتُلُونَهُ أَمْ كَيْفَ يَفْعَلُ يَا عَاصِمُ سَلْ لِي رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَسَأَلَ عَاصِمٌ عَنْ ذَلِكَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَعَابَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَسَائِلَ وَكَرِهَهَا . فَجَاءَهُ عُوَيْمِرٌ فَقَالَ مَا صَنَعْتَ يَا عَاصِمُ فَقَالَ صَنَعْتُ أَنَّكَ لَمْ تَأْتِنِي بِخَيْرٍ كَرِهَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَسَائِلَ وَعَابَهَا . قَالَ عُوَيْمِرٌ وَاللَّهِ لأَسْأَلَنَّ عَنْ ذَلِكَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَانْطَلَقَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلَهُ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " قَدْ أَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ فِيكَ وَفِي صَاحِبَتِكَ فَائْتِ بِهَا " . قَالَ سَهْلٌ وَأَنَا مَعَ النَّاسِ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَجَاءَ بِهَا فَتَلاَعَنَا فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَاللَّهِ لَئِنْ أَمْسَكْتُهَا لَقَدْ كَذَبْتُ عَلَيْهَا . فَفَارَقَهَا قَبْلَ أَنْ يَأْمُرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِفِرَاقِهَا فَصَارَتْ سُنَّةَ الْمُتَلاَعِنَيْنِ .
মুহাম্মদ ইবন মা'মার (রহঃ) ... আসিম ইবন আদী (রাঃ) থেকে বর্ণিত । তিনি বলেন, আজলান গোত্রের উওয়াইমির আমার নিকট এসে বললোঃ হে আসিম! এ ব্যাপারে তোমার মত কি, কোন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে তার স্ত্রীর সাথে দেখলো, যদি ঐ স্ত্রীর স্বামী তার বন্ধুকে হত্যা করে, তাকে কি তোমরা হত্যা করবে? অথবা কি করবে? অতএব হে আসিম! তুমি আমার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জিজ্ঞাসা কর। আসিম (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলে, তিনি তা অপছন্দ করলেন। এরপর উওয়াইমির তার নিকট এসে জিজ্ঞাসা করলো, হে আসিম! তুমি কি করেছ? তিনি বললেনঃ কি করবো, তুমি কল্যাণ নিয়ে আস নাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই কথা উত্থাপন করাকে অপছন্দ করেছেন। উওয়াইমির (রাঃ) বললেন : আল্লাহর কসম! আমি ইহা অবশ্যই রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জিজ্ঞাসা করবো। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে, তিনি বললেনঃ আল্লাহ্ তা'আলা তোমার ও তোমার স্ত্রীর ব্যাপারে আয়াত নাযিল করেছেন। অতএব, তাকে (তোমার স্ত্রীকে) ডেকে আনো। সাহল (রাঃ) বললেনঃ এ সময় আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। যখন উওয়াইমির (রাঃ) সেই মহিলাকে নিয়ে আসলো এবং উভয়ে লি”আন করলো এবং উওয়াইমির কসম করে বলতে লাগলোঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্! যদি আমি তাকে রেখে দেই তা হলে আমাকে মিথ্যা দোষারোপকারী বলা হবে। এ বলে তিনি তাকে তালাক দিয়ে দিলেন। এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বলার পূর্বেই পৃথক করে দিলেন। ইহাই পরে লি'আনের নিয়ম হয়ে গেল।
আহমদ ইবন আলী (রহঃ) ... ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উওয়াইমির আজলানী এবং তার স্ত্রীর মধ্যে লি আন করান। আর এ সময় উওয়াইমির আজলানীর স্ত্রী গর্ভাবস্থায় ছিল।
ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ... আবদুল আ'লা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি হিশামের কাছে জিজ্ঞাসা করলো, ঐ ব্যক্তি সম্বন্ধে, যে তার স্ত্রীর প্রতি অপবাদ আরোপ করেছে। তখন হিশাম বৰ্ণনা করলে যে, রাবী মুহাম্মদ (রহঃ) আনাস (রাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করেছিল, কেননা সকলেই অবগত ছিল যে, এ ব্যাপারে তার জানা আছে। এরপর আনাস ইবন মালিক (রাঃ) বর্ণনা করলেন, হিলাল ইবন উমাইয়া স্বীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যভিচারের অপবাদ আরোপ করে এবং যার সাথে সে ব্যভিচার করতো, তার নাম শরীক ইবন সাহিমা ছিল। আর শরীক ইবন সাহমা বারা ইবন মালিক (রাঃ)-এর মায়ের দিক থেকে ভাই ছিলেন। আন্যাস ইবন মালিক (রাঃ) বলেন, ঐ ব্যক্তিই প্রথম লি”আন করেছিল। এই জন্য লি'আনের নিয়ম পদ্ধতি তার লি'আনের দ্বারা জানা যায়। এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উভয়ের মধ্যে লি'আন করার আদেশ দেন এবং বলেন, তোমরা ইহা দেখতে থাকে। যদি সে সাদা রং লটকান চুল এবং ত্রুটিযুক্ত চোখ বিশিষ্ট বাচ্চা প্রসব করে, তবে তা হবে হিলাল ইবন উমাইয়ার। আর যদি সে হাল্কা পাতলা পা বিশিষ্ট সুরমা রং এর চক্ষু, আর কোঁকড়ান চুল বিশিষ্ট সন্তান প্রসব করে, তবে ঐ সন্তান হবে শরীক ইবন সাহমা-এর। আনাস (রাঃ) বলেন, আমার নিকট সংবাদ পৌছেছে যে, সে সুরমা চক্ষু, কোঁকড়ান চুল এবং হাল্কা পা বিশিষ্ট সন্তান প্রসব করে।