أَخْبَرَنِي مَحْمُودُ بْنُ خَالِدٍ، عَنْ مَرْوَانَ، قَالَ حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ سَلاَّمٍ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ خَسَفَتِ الشَّمْسُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَمَرَ فَنُودِيَ الصَّلاَةُ جَامِعَةٌ فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالنَّاسِ رَكْعَتَيْنِ وَسَجْدَةً ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَسَجْدَةً . قَالَتْ عَائِشَةُ مَا رَكَعْتُ رُكُوعًا قَطُّ وَلاَ سَجَدْتُ سُجُودًا قَطُّ كَانَ أَطْوَلَ مِنْهُ . خَالَفَهُ مُحَمَّدُ بْنُ حِمْيَرٍ .
। মাহমুদ ইবনু খালিদ (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে একবার সূয গ্রহণ লেগে গেল। তখন তিনি আদেশ দিলে আওয়ায দেওয়া হল যে, সালাত অনুষ্ঠিত হবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন, দু’রুকু এবং সিজদা দ্বারা। পরে দাঁড়ালেন ও সালাত আদায় করলেন দু’রুকু এবং সিজদা দ্বারা। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি কখনো এর চেয়ে দীর্ঘ কোন রুকু এবং সিজদা করিনি।
হাদিস 1480 — Sunan an Nasai 16:22
সহিহসহিহহাসান
أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ حِمْيَرٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ سَلاَّمٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي طُعْمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ كَسَفَتِ الشَّمْسُ فَرَكَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَكْعَتَيْنِ وَسَجْدَتَيْنِ ثُمَّ قَامَ فَرَكَعَ رَكْعَتَيْنِ وَسَجْدَتَيْنِ ثُمَّ جُلِّيَ عَنِ الشَّمْسِ . وَكَانَتْ عَائِشَةُ تَقُولُ مَا سَجَدَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سُجُودًا وَلاَ رَكَعَ رُكُوعًا أَطْوَلَ مِنْهُ . خَالَفَهُ عَلِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ .
। ইয়াহয়া ইবনু উসমান (রহঃ) ... আব্দুলাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার সূর্যগ্রহণ লেগে গেল। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুটো রুকু এবং দুটো সিজদা করলেন, তারপর দাঁড়ালেন এবং দুটো রুকু ও দুটো সিজদা করলেন, পরে গ্রহণ ছেড়ে গেল। আয়িশা (রাঃ) বলতেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর থেকে কোন দীর্ঘ রুকু এবং সিজদা করেননি।
। আবূ বকর ইবনু ইসহাক (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম আবূ হাফসা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আয়িশা (রাঃ) তার কাছে বর্ণনা করেছেন, একবার যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে সূর্য গ্রহণ লেগে গেল, তখন তিনি উযু করলেন এবং নির্দেশ দিলে আওয়ায দেওয়া হল যে, সালাত অনুষ্টিত হবে। তখন তিনি দাঁড়ালেন এবং তার সালাতে দাঁড়ানোকে দীর্ঘায়িত করলেন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি অনুমান করলাম যে, তিনি সূরা বাকারা পড়ছিলেন, তারপর রুকু করলেন-এবং রুকুকে দীর্ঘায়িত করলেন। এরপরে বললেন "সামিআল্লাহু লিমান হামিদা" তারপর দাঁড়ালেন পুর্বের দাঁড়ানোর সমপরিমাণ। কিন্তু সিজদা করলেন না। পরে রুকু এবং সিজদা করলেন। এরপরে দাঁড়ালেন এবং পূর্বের মতই দু’রুকু এবং সিজদা করলেন। তারপর বসলেন এবং সূর্য গ্রহণও ছেড়ে গেল।
। হিলাল ইবনু বিশর (রহঃ) ... আবূ সাইব (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) তার কাছে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে একবার সূর্যের গ্রহণ লেগে গেল। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে দাঁড়িয়ে গেলেন, আর তার সাথে যারা ছিল তাঁরাও দাঁড়িয়ে গেল। তিনি দাঁড়ালেন আর রুকুকে দীর্ঘায়িত করলেন, তারপর রুকু করলেন আর রুকুকেও দীর্ঘায়িত করলেন। তারপর তাঁর মাথা উঠালেন ও সিজদা করলেন এবং সিজদাকেও দীর্ঘায়িত করলেন। তারপর মাথা উঠালেন ও বসলেন, আর বসাকেও দীর্ঘায়িত করলেন। তারপর সিজদা করলেন এবং এ সিজদাকেও দীর্ঘায়িত করলেন। তারপর মাথা উঠালেন ও দাঁড়িয়ে গেলেন। তিনি প্রথম রাকআতে যা যা করেছিলেন অর্থাৎ দাঁড়ানো, রুকু, সিজদা, এবং বসা তদ্রুপ দ্বিতীয় রাকআতেও করলেন। তিনি দ্বিতীয় রাকআতের শেষ সিজদায় ফুঁক মারতে লাগলেন এবং কেঁদে কেঁদে বলতে লাগলেন, (হে আল্লাহ!) আমি তাদের মাঝে বিদ্যমান থাকাকালীন তুমি তাদের এমনতরো আযাব দেওয়ার আমার কাছে ওয়াদা করনি, তোমার কাছে মাগফিরাত চাওয়াকালীন তুমি তো আমার কাছে তাদের আযাব দেওয়ার ওয়াদা করনি। তারপর তিনি মাথা উঠালেন এবং সূর্যও আলোকিত হয়ে গেল। তখন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দাঁড়ালেন এবং মানুষদের লক্ষ্য করে খূতবা দিলেন। তিনি আল্লাহর প্রশংসা এবং গুনগান করলেন। তারপর বললেন, সূর্য এবং চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শন সমূহের দুটি নিদর্শন। অতএব, যখন তোমরা তাদের কোনটার গ্রহণ দেখতে পাও, তখন আল্লাহ জন্যর নিকট অভিমুখে দ্রুত ধাবিত হও। ঐ সত্তার শপথ, যার হাতে আমার প্রাণ! নিশ্চয়ই জান্নাত আমার নিকটবর্তী করে দেওয়া হয়েছিল যে, আমি যদি হস্ত প্রসারিত করতাম তাহলে আমি তার ফলরাশি ধরতে পারতাম, আর জাহান্নামও আমার নিকটবতীঃ করে দেওয়া হলো। আমি তার থেকে বেঁচে থাকতে লাগলাম এই ভয়ে যে তা তোমাদের বেহুশ করে ফেলে! আমি তাতে হিময়ার গোত্রের এক মহিলাকে দেখতে পেলাম। তাকে একটি বিড়ালের কারণে আযাব দেওয়া হচ্ছে, যাকে সে বেঁধে রেখেছিল। তাকে যমীনের কীট-পতঙ্গ খাওয়ার জন্য ছেড়েও দিতনা আর তাকে সে খাদ্য ও পানিও দিত না, এমনকি বিড়ালটা মারা গিয়েছিল। আমি তাকে দেখতে পেলাম যে, বিড়ালটি ঐ মহিলাকে খামচাচ্ছে যখনই সে তার দিকে মুখ করছে, আর যখন সে পিছনে ফিরছে, তখন তার নিতম্বে খামচাচ্ছে। এমনকি আমি তাতে দা'দাগোত্রের চোর ভাইকেও দেখেছি, তাকে দু'শাখা বিশিষ্ট একটি লাঠি দ্বারা ঠেলে দু’মুখে নিক্ষেপ করা হচ্ছিল। আমি আরও তাতে মাথা বাকা লাঠি ওয়ালা মানুষটিকে দেখেছি, যে বক্র মাথা লাঠি দ্বারা হাজীদের মাল চুরি করত। দেখতে পেলাম, সে জাহান্নামে বক্র মাথা লাঠিতে ঠেস দিয়ে বলছে, আমি বক্র মাথা লাঠি দ্বারা চুরি করতাম।
। মুহাম্মাদ ইবনু উবায়দুল্লাহ (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে সূর্যগ্রহণ লেগে গেল। তখন তিনি দাঁড়ালেন এবং মানুষদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তিনি দাঁড়ানোকে দীর্ঘায়িত করলেন তারপর রুকু করলেন আর রুকুও দীর্ঘায়িত করলেন। তারপর দাঁড়ালেন এবং দাঁড়ানোকেও দীঘায়িত করলেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী দাঁড়ানো থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর রুকু করলেন এবং রুকুকেও দীর্ঘায়িত করলেন, কিন্তু পূর্ববর্তী রুকু থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর সিজদা করলেন আর সিজদাকেও দীর্ঘায়িত করলেন। পরে তার মাথা উঠালেন এবং সিজদা করলেন। আর সিজদাও দীর্ঘায়িত করলেন কিন্তু তা পূর্ববর্তী সিজদা থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর দাড়ালেন ও দু' রুকু করলেন এবং তাতেও পুর্বের ন্যায় করলেন। তারপর দু'টা সিজদা করলেন এবং তাতেও পূর্বের ন্যায় করলেন। এভাবে তিনি তার সালাত থেকে অবসর হয়ে গেলেন। তারপর বললেন, সূর্য এবং চন্দ্র আল্লাহর নিদর্শন সমূহের দু'টি নিদর্শন। নিশ্চয়ই কারো জন্ম মৃত্যূর কারণে তাদের গ্রহণ হয় না। অতএব, তোমরা যখন তা দেখবে তখন দ্রুত আল্লাহর যিকর এবং সালাতের প্রতি ধাবিত হবে।
। হিলাল ইবনু আলা (রহঃ) ... আসওয়াদ ইবনু কায়স (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বসরার অধিবাসী ছা'লাবা ইবনু আব্বাদ আবদী (রহঃ) একদিন সামুরা ইবনু জুন্দুব (রাঃ)-এর খুতবায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি তার খুতবায় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একটি হাদীস বর্ণনা করলেন। সামুরা (রাঃ) বললেন, আমি এবং এক আনসারী গোলাম রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে একদিন আমাদের লক্ষ্যস্থলে তীর নিক্ষেপ করছিলাম। ইতিমধ্যে যখন সূর্য দিগন্তে দর্শনার্থীদের দৃষ্টিতে দুই কি তিন বর্শার পরিমাণ মাত্র অবশিষ্ট রয়ে গেল, তা কাল হয়ে গেল। তখন আমাদের একজন তার সাথীকে বলল, তুমি আমাদের সাথে মসজিদে চল। আল্লাহর শপথ! নিশ্চয় রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে সূর্যের এ অবস্থা তার উম্মাতের জন্য কোন নতুন ঘটনার ইঙ্গিতবহ। তিনি বলেন, তখন আমরা মসজিদে গেলাম এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখতে পেলাম যে, তিনি লোকদের নিকট বের হয়ে এসেছেন। তিনি বলেন,রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অগ্রসর হয়ে সালাতে দাঁড়ালেন। তিনি সালাতে এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলেন যে, ইতিপূর্বে তিনি আমাদের নিয়ে সালাতে এতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন নি। তার কোন আওয়াজ আমরা শুনতে পাচ্ছিলাম না। তারপর তিনি আমাদের সহ এত দীর্ঘ রুকু করলেন যে, ইতিপূর্বে কোন সালাতে আমাদের নিয়ে এত দীঘায়িত রুকু করেন নি। আমরা তার কোন আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলাম না। তারপর তিনি আমাদের নিয়ে এত দীর্ঘ সিজদা করলেন যে, ইতিপূর্বে কোন সালাতে এরূপ দীর্ঘ সিজদা করেননি। তার কোন আওয়াজ আমরা শুনতে পাচ্ছিলাম না। তারপর তিনি অনুরূপভাবে দ্বিতীয় রাকআতেও করলেন। তিনি বলেন, তার দ্বিতীয় রাকআতে বসা অবস্থায় আলো বিকশিত হয়ে গেল। পরে তিনি সালাম ফিরালেন এবং আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা ও তারীফ করলেন এবং এ কথার সাক্ষ্য দিলেন যে, আল্লাহ ভিন্ন কোন ইলাহ নেই এবং এ কথারও সাক্ষ্য দিলেন যে, তিনি আল্লাহর বান্দা এবং তার রাসুল। (সংক্ষিপ্ত)
। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... নু'মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যূগে একবার সূর্যগ্রহণ লেগে গেল। তখন তিনি ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে তার কাপড় সামলাতে সামলাতে বের হয়ে মসজিদে পৌছে গেলেন এবং আমাদের তিনি এভাবে সালাত আদায় করতে থাকলেন যে, সূর্য আলোকিত হয়ে গেল। যখন সূর্য আলোকিত হয়ে গেল, তখন তিনি বললেন, মানূষেরা ধারণা করে যে, সূর্য এবং চন্দ্র গ্রহণ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুর কারণেই হয়ে থাকে, কিন্তু ব্যাপারে তা নয়। কারো মৃত্যুর করেণে চন্দ্র-সূর্য গ্রহণ হয় না, বরং তা আল্লাহর নিদর্শন সমূহের দু'টি নিদর্শন। যখন আল্লাহর জন্য তাঁর কোন সৃষ্টির প্রতি তার নূরে বহিঃপ্রকাশ ঘটান, তখন ঐ সৃষ্টি তাঁর অনুগত হয়ে যায় (অথাৎ তার আলো নিষ্প্রভ হয়ে যায়)। অতএব, তোমরা যখন তা দেখ, তখন সালাত আদায় কর, তোমাদের আদায়কৃত ফরয সালাতের মধ্যে সালাত আদায়কৃত সালাতের (ফজরের সালাতের) মত।
। ইবরাহীম ইবনু ইয়াকুব (রহঃ) ... কাবীসা ইবনু মুখারিক হিলালী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার সূর্যগ্রহণ লেগে গেল। তখন আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে মদীনায় ছিলাম। তখন তিনি ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে কাপড় সামলাতে সামলাতে বের হলেন। তারপর দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন এবং তা এত দীর্ঘায়িত করলেন যে, তার সালাত সমাপ্তির সাথে সাথে সূর্যের আলো বিকশিত হয়ে গেল। তারপর আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা ও তারীফ করলেন। তারপর বললেন যে, চন্দ্র-সূর্য আল্লাহর নিদর্শন সমূহের দু'টি নিদর্শন। নিশ্চয়ই কারো জন্ম মৃত্যুর কারণে তাদের গ্রহণ হয় না। অতএব তোমরা যখন তার কোন চিহ্ন দেখতে পাও, তখন সালাত আদায় কর তোমাদের সালাত আদায়কৃত ফরয সালাতের ন্যায়।
। মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ... কাবীসা হিলালী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, একবার সূর্যগ্রহণ লেগে গেল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’রাকআত, দু’রাকআত করে সালাত আদায় করতে লাগলেন। ইত্যবসরে সূর্য আলোকিত হয়ে গেল। তারপর তিনি বললেন, কারো মৃত্যুর কারণে চন্দ্র-সূর্যে গ্রহণ হয় না বরং তারা হল আল্লাহর সৃষ্ট বস্তু সমূহের মধ্যে দু'টি বস্তু, আর আল্লাহ তা'আলা তার সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা নব নব সৃষ্টি করেন এবং আল্লাহ তা'আলা যখন তার কোন বস্তুতে তার নূরের বহিঃপ্রকাশ ঘটান তখন তা তার অনুগত হয়ে যায় (অর্থাৎ সেই বস্তুর আলো নিস্প্রভ হয়ে যায়)। অতএব সূর্য এবং চন্দ্রে যদি নতুন কিছু ঘটে, তবে তোমরা সালাত আদায় করতে থাকবে, তা আলোকিত হওয়া অথবা আল্লাহ তা’আলার নতুন কোন ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত।
হাদিস 1488 — Sunan an Nasai 16:30
দাঈফদাঈফদাঈফ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، عَنْ مُعَاذِ بْنِ هِشَامٍ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا خَسَفَتِ الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ فَصَلُّوا كَأَحْدَثِ صَلاَةٍ صَلَّيْتُمُوهَا " .
। মুহাম্মদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ... নু'মান ইবনু বশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন সূর্য এবং চন্দ্রের গ্রহণ লেগে যায়, তখন তোমরা সম্প্রতি সালাত আদায়কৃত সালাতের ন্যায় সালাত আদায় কর।