। মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ... বারা ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ প্রথম কাতারে সালাত আদায়কারীদের প্রতি অনুগ্রহ করেন এবং তাঁর ফেরেশতাগণও তাদের জন্য অনুগ্রহ প্রার্থনা করেন এবং মুয়াযযিনকে তার আওয়াজের দূরত্ব পরিমান ক্ষমা করে দেয়া হয় এবং যে সব শুষ্ক ও আদ্র জিনিস তার শব্দ শোনে, তারা তাকে সত্যবাদী বলে ঘোষণা দেয় এবং তাকে তার সাথে সালাত আদায়কারীদের সমপরিমাণ পূরস্কার দেওয়া হয়।
। আমর ইবনু আলী (রহঃ) ... ইয়াহইয়া ও আবদূর রহমান (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, সুফিয়ান এর অনুরুপ হাদীসে বর্ণনা করেছেন। আবূ আবদূর রহমান (রহঃ) বলেনঃ এ সনদে উল্লিখিত আবূ জাফর আবূ জাফর ফাররা নন।
। কুতায়বা (রহঃ) ... আমর ইবনু আওস (রাঃ) থেকে বর্নিত। তিনি বলেন, আমার নিকট সাকীফ গোত্রের এক ব্যক্তি বর্ননা করেছেন যে, তিনি সফর অবস্থায় বর্ষার এক রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ঘোষককে বলতে শুনেছেনঃ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ حَىَّ عَلَى الْفَلاَحِ صَلُّوا فِي رِحَالِكُمْ "সকলেই আপন আপন স্থানে সালাত আদায় করে নিন"।
। কুতায়বা (রহঃ) ... নাফে (রহঃ) থেকে বর্ণিত। আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) এক রাতে সালাতের জন্য আযান দেন। সে রাত্রে খুব ঠাণ্ডা পড়েছিল ও প্রচণ্ড বাতাস বইছিল। তিনি আযানে বলেনঃ أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ সকলেই আপন আপন স্থানে সালাত আদায় করে নিন। কেননা ঠাণ্ডা ও বৃষ্টির রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুয়াযযিনকে এই কথা ঘোযণা করতে নির্দেশ দিতেন যে, সকলেই আপন আপন স্থানে সালাত আদায় করে নিন।
। ইবরাহীম ইবনু হারুন (রহঃ) ... জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চলতে থাকলেন এবং আরাফায় পৌছলেন। সেখানে পৌছে দেখলেন-যে, নামীরা নামক স্থানে তার জন্য তাঁবু স্থাপন করা হয়েছে। তিনি সেখানে অবতরণ করলেন। যখন সূর্য ঢলে পড়ল, কাসওয়া নামক উষ্ট্রীর পিঠে হাওদা স্থাপন করার নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি বাতন-ই ওয়াদিতে পৌছার পর লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তারপর বিলাল (রাঃ) আযান দিলেন এবং ইকামত বললেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহরের সালাত আদায় করলেন। পূনরায় বিলাল (রাঃ) ইকামত বললে তিনি আসরের সালাত আদায় করলেন। আর এ দুই সালাতের মধ্যবর্তী সময়ে কোন সালাত আদায় করলেন না।