। হুমায়দ ইবনু মাস’আদা (রহঃ) ... উকবা ইনব আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনটি সময়ে আমাদেরকে সালাত আদায় ও মৃত ব্যাক্তিকে দাফন করতে নিষেধ করতেন (১) যখন সুর্য উদয় আরম্ভ হয়, তখন থেকে সুর্য উপরে উঠা পর্যন্ত; (২) ঠিক দ্বিপ্রহরের সময়, পশ্চিম আকাশে সুর্য ঢলে না পড়া পর্যন্ত এবং (৩) যখন সুর্য অস্তমিত হওয়ার উপক্রম হয়, তখন থেকে সুর্য অস্তমিত না যাওয়া পর্যন্ত।
হাদিস 566 — Sunan an Nasai 6:73
সহিহসহিহIsnaad Sahih
أَخْبَرَنَا مُجَاهِدُ بْنُ مُوسَى، قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ ضَمْرَةَ بْنِ سَعِيدٍ، سَمِعَ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، يَقُولُ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الصُّبْحِ حَتَّى الطُّلُوعِ وَعَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى الْغُرُوبِ .
। মুজাহিদ ইবনু মূসা (রহঃ) ... আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের পর সূর্যোদয় না হওয়া পর্যন্ত এবং আসরের পর সূর্যাস্ত না যাওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন।
। আবদুল হামীদ ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) ... আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, ফজরের পর সুর্য উদিত না হওয়া পর্যন্ত এবং আসরের পর সুর্য অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত কোনো সালাত নেই।
হাদিস 568 — Sunan an Nasai 6:75
দাঈফসহিহ
أَخْبَرَنِي مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ نَمِرٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِنَحْوِهِ .
। আমর ইবনু আলী (রহঃ) ... ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন সূর্যের উপরিভাগ উদিত হয়, তখন পূর্ণ আলোকিত না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করবেনা এবং যখন সূর্যের এক পার্শ্ব অস্তমিত হয়, তখন পূর্ণ অস্ত না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করা থেকে বিরত থাকবে। সহিহ, বুখারী হাঃ ৫৮৩ ৫৭২ (ক) ঊরওয়াহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'উমার (রাঃ) আমাকে অবহিত করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা নামায আদায় করার জন্য সূর্যোদয় ও সূর্যঅস্তকে বেছে নেবে না। কেননা তা শয়তানের দুই শিং এর মাঝ থেকে উদিত হয়। [সহিহ]
। আমর ইবনু মানসুর (রহঃ) ... আমর ইবনু আবাসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! এমন কোনো সময় আছে কি, যে সময় অন্য সময়ের তুলনায় আল্লাহ তা’আলার নৈকট্যলাভের বেশি উপযোগী? অথবা এমন কোন মুহূর্ত আছে কি, সেই সময়ের যিকর কাম্য? তিনি বললেন, হ্যাঁ, রাতের শেষার্ধে আল্লাহ তা’আলা বান্দার অতি নিকটবর্তী হন। সক্ষম হলে তুমিও সে মুহুর্তে আল্লাহর জিকিরকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবে। কারণ ঐ মুহুর্তের সালাতে ফেরেশতাগণ শামিল থাকেন এবং প্রত্যক্ষ করেন, আর এ অবস্থা সূর্যোদয় পর্যন্ত থাকে। সুর্য শয়তানের দুই শিঙের মাঝখান দিয়ে উদিত হয়, আর তা কাফিরদের ইবাদতের সময়। কাজেই ঐ সময় সালাত আদায় করা থেকে বিরত থাকবে, যতক্ষণ না এক বল্লম বরাবর সুর্য উপরে ওঠে এবং তার উদয়কালীন আলোকরশ্মি দূরীভূত হয়। আবার যোহরের সালাতে ফেরেশতাগণ শামিল হন এবং প্রত্যক্ষ করেন। দ্বিপ্রহরের সুর্য বর্শার মত সোজা না হওয়া পর্যন্ত। কেননা তা এমন একটি সময় যে সময়ে জাহান্নামের দরজা খুলে দেওয়া হয় এবং আরো প্রজ্জ্বলিত করা হয়। তখন ছায়া ঝুঁকে না পড়া পর্যন্ত সালাত আদায় করবে না। আবার আসরের সালাতে ফেরেশতাগণ শামিল হন এবং প্রত্যক্ষ করেন যাবৎ না সুর্য অস্ত যায়। কেননা সুর্য শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝখানে অস্ত যায় আর তা কাফিরদের ইবাদতের সময়।
হাদিস 573 — Sunan an Nasai 6:80
সহিহসহিহIsnaad Sahih
أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ هِلاَلِ بْنِ يِسَافٍ، عَنْ وَهْبِ بْنِ الأَجْدَعِ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الصَّلاَةِ بَعْدَ الْعَصْرِ إِلاَّ أَنْ تَكُونَ الشَّمْسُ بَيْضَاءَ نَقِيَّةً مُرْتَفِعَةً .
। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসরের পর সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। তবে হ্যাঁ, যতক্ষণ পর্যন্ত সুর্য ঊর্ধাকাশে শুভ্র ও উজ্জ্বল থাকে (ততক্ষণ কাযা সালাত আদায় করা যাবে)।