মুহাম্মাদ ইবন আবদুল আলা (রহঃ) ... আবু সালমা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উমরা (-রূপে প্রদত্ত জিনিস) ঐ ব্যক্তির হয়ে যায়, যার জন্য উমরা করা হয়।
হাদিস 3751 — Sunan an Nasai 34:33
সহিহসহিহIsnaad Sahih
أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ دُرُسْتَ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْمَاعِيلَ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، أَنَّ أَبَا سَلَمَةَ، حَدَّثَهُ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ نَبِيِّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْعُمْرَى لِمَنْ وُهِبَتْ لَهُ " .
ইয়াহইয়া ইবন দুরস্ত (রহঃ) ... জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যার জন্য উমরা দান করা হয়, তা তারই হয়ে যায়।
হাদিস 3752 — Sunan an Nasai 34:34
হাসান Sahihহাসান SahihIsnaad Hasan
أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ عُمْرَى فَمَنْ أُعْمِرَ شَيْئًا فَهُوَ لَهُ " .
আলী ইবন হুজর (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উমরা করা ঠিক নয়; তবে যদি কাউকে উমরা হিসেবে কিছু দান করা হয়, তবে তা তারই হয়ে যাবে।
হাদিস 3753 — Sunan an Nasai 34:35
হাসান Sahihহাসান SahihIsnaad Hasan
أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ حَدَّثَنَا عِيسَى، وَعَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ أُعْمِرَ شَيْئًا فَهُوَ لَهُ " .
ইসহাক ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যাকে উমরা হিসেবে কিছু দেয়া হয়; তা তারই হয়ে যায়।
হাদিস 3754 — Sunan an Nasai 34:36
সহিহসহিহসহিহ - Agreed Upon
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْعُمْرَى جَائِزَةٌ " .
মুহাম্মাদ ইবন মুসান্না (রহঃ) ... আবু হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ উমরা (করা) বৈধ (কার্যকর)।
মুহাম্মাদ ইবন মুসান্না (রহঃ) ... শুরায়হ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফায়সালা দিয়েছেনঃ উমরা (করা) বৈধ। কাতাদা (রহঃ) বলেন, আমি বললাম, মুহাম্মাদ ইবন নাযর (রহঃ) বাশীর ইবন নাহিক (রহঃ) সূত্রে আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহ্র নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উমরা জায়েয (কার্যকর)। কাতাদা (রহঃ) বলেন, হাসান (রহঃ) বলেছেন, উমরা করা বৈধ। কাতাদা (রহঃ) বলেন, যুহরী (রহঃ) বলেছেনঃ উমরা করা তখন বৈধ হবে যখন কোন ব্যক্তিকে এবং তার উত্তরসূরীদেরকে (ওয়ারিসদেরকে) উমরা করা হয়, (তখন ঐ উমরা করা বস্তু দাতার দিকে পুনঃ প্রত্যাবর্তন করবে না)। তবে যদি ওয়ারিসদের জন্য উমরা না করে থাকে, তবে তা শর্ত মত হবে, (অর্থাৎ দাতা ফেরত পাবে)। কাতাদা (রহঃ) বলেন, কোন ব্যক্তি আতা ইবন আবু রাবাহ (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উমরা করা বৈধ। কাতাদা (রহঃ) বলেন, যুহরী (রহঃ) বলেছেনঃ খলীফাগণ এর আদেশ করেন নি। আতা (রহঃ) বলেনঃ আবদুল মালিক ইবন মারওয়ান এরূপ করার আদেশ দিতেন।
মুহাম্মাদ ইবন মামার (রহঃ) ... ‘আমর ইবন শুআয়ব (রহঃ) তাঁর পিতার মাধ্যমে তাঁর দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ স্ত্রীর পক্ষে তার মাল হতে দান করা বৈধ নয়, যখন তার স্বামী তার ইযযতের মালিক হয়ে যায়।
ইসমাঈল ইবন মাসউদ ও হুমায়দ ইবন মাস'আদা (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইব্ন আমর ইবন শুআয়ব (রহঃ) তার পিতা হতে, তিনি তার দাদা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের পর খুতবা দিতে গিয়ে দাঁড়িয়ে বললেনঃ স্বামীর অনুমতি ব্যতীত কোন স্ত্রীর জন্য কাউকে কিছু দান করা বৈধ নয়।
হান্নাদ ইবন সারী (রহঃ) ... আবদুর রহমান ইবন আলকামা (রাঃ) বলেন, সাকাফী গোত্রের প্রতিনিধি দল রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়, তখন তাদের হাতে কিছু হাদিয়া ছিল। তিনি বললেনঃ এটা হাদিয়া না সাদকা? যদি তা হাদিয়া হয়, তবে এরদ্বারা তো আল্লাহর রাসূলের সন্তুষ্টি অর্জন এবং উদ্দেশ্য পূর্ণ হওয়ার বাসনা হয়ে থাকে। আর যদি তা সাদাকা হয়, তবে তা মহান মহীয়ান আল্লাহ্ তা'আলার সন্তুষ্টি লাভ করা উদ্দেশ্য। তারা বললেনঃ না, ইহা হাদিয়া। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের এই হাদিয়া গ্রহণ করলেন। আর তিনি তাদের সাথে উপবেশন করলেন এবং তিনি জিজ্ঞাসাবাদ করতে লাগলেন (তাদের প্রশ্ন করতে লাগলেন এবং তারাও তাকে প্রশ্ন করতে) লাগলো। এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুহরের সালাত আদায় করলেন আসরের সালাতের সঙ্গে।
আবু আসিম খুশায়শ ইব্ন আসরাম (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি ইচ্ছা করেছিলাম, কারো হাদিয়া গ্রহণ করবো না; তবে কুরায়শী, আনসারী, সাকাফী এবং দাওসীদের হাদিয়া গ্রহণ করবো।