। আয়িশাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে উসমান! আল্লাহ তা'আলা হয়ত তোমাকে একটি জামা পরিধান করাবেন (খিলাফত দান করবেন)। তোমার হতে লোকেরা তা খুলে নিতে চাইলে তুমি তাদের দাবিতে তা ত্যাগ করবে না। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১১২)। এ হাদীসে দীর্ঘ ঘটনা আছে। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান গারীব।
। উসমান ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু মাওহিব (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, এক মিসরবাসী বাইতুল্লাহর হাজ্জ আদায় করে। সে একদল লোককে বসা দেখে বলে, এরা কারা? লোকেরা বলল, এরা কুরাইশ বংশীয়। সে পুনরায় বলে, এই বয়স্ক (শায়খ) লোকটি কে? লোকেরা বলল, ইবনু উমর (রাযিঃ)। সে সময় সে তার নিকটে এসে বলল, আপনাকে আমি কয়েকটি বিষয় প্রশ্ন করব। অতএব আপনি আমাকে (তা) বলুন। আমি এ বাইতুল্লাহর মর্যাদার শপথ দিয়ে আপনাকে প্রশ্ন করছি, আপনি কি অবহিত আছেন যে, উসমান (রাযিঃ) উহুদ যুদ্ধের দিন (যুদ্ধক্ষেত্র হতে) পলায়ন করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সে আবার বলল, আপনি কি জানেন, তিনি (হুদাইবিয়ায় অনুষ্ঠিত) বাই’আতুর রিযওয়ানে অনুপস্থিত ছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সে পুনরায়ও বলল, আপনি কি অবহিত আছেন যে, তিনি বদরের যুদ্ধে অনুপস্থিত ছিলেন এবং তাতে উপস্থিত হননি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সে বলল, আল্লাহু আকবার। তারপর ইবনু উমার (রাযিঃ) তাকে বললেন, এবার এসো। যেসব বিষয়ে তুমি প্রশ্ন করেছ তা তোমাকে আমি সুস্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেই। উহুদের দিন তার পলায়নের ঘটনা প্রসঙ্গে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তার ঐ ব্যাপারটা ইতোমধ্যেই আল্লাহ তা’আলা ক্ষমা করে দিয়েছেন, সম্পূর্ণভাবে মাফ করেছেন। তারপর বদরের যুদ্ধে তার অনুপস্থিতির কারণ এই যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মেয়ে (রুকাইয়াহ্) তার সহধর্মিণী ছিলেন (এবং সে সময় তিনি মারাত্মক অসুস্থ ছিলেন)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ যে লোক বদরের যুদ্ধে যোগদান করেছে তার সমপরিমাণ সাওয়াব ও গানীমাত তুমি পাবে। আর তিনি রুকাইয়ার দেখাশুনা করার জন্য তাকে মাদীনাতে থাকারই নির্দেশ দিলেন। আর বাই’আতে রিদওয়ানে তার অনুপস্থিতির কারণ এই যে, মাক্কাবাসীদের কাছে উসমান (রাযিঃ)-এর চাইতে বেশি মর্যাদাবান কোন মুসলিম লোক (হুদাইবিয়ায়) উপস্থিত থাকলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তার পরিবর্তে) তাকেই প্রেরণ করতেন। তা না থাকাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উসমান (রাযিঃ)-কেই (মাক্কায়) প্রেরণ করলেন। আর উসমান (রাযিঃ)-এর মক্কার অভিমুখে রওয়ানা হয়ে যাওয়ার পর বাই’আতুর রিযওয়ান অনুষ্ঠিত হয়। বর্ণনাকারী বলেন, (বাই’আতঅনুষ্ঠানকালে)রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ডান হাতের দিকে ইশারা করে বললেনঃ এটা উসমানের হাত। তারপর তিনি ঐ হাতটি তার অন্য হাতের উপর স্থাপন করে বললেনঃ এটি উসমানের (বাই’আত) তারপর ইবনু উমার (রাযিঃ) লোকটিকে বললেন, এবার তুমি এ ব্যাখ্যা সঙ্গে নিয়ে যাও। সহীহঃ বুখারী (৯৬৯৮)। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
। ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশাতেই আমরা আবূ বাকর, উমার ও উসমান (রাযিঃ)-কে গণ্যমান্য লোক বলতাম। সহীহঃ মিশকাত (৬০৭৬), বুখারী (৩৬৯৭)। আবূ ঈসা বলেন, উপর্যুক্ত সনদে এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। এ হাদীস উবাইদুল্লাহ ইবনু উমারের বর্ণনার পরিপ্রেক্ষিতে গারীব গণ্য হয়েছে। উক্ত হাদীস ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে অন্যসূত্রেও বর্ণিত আছে।
। ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ঝগড়ার কথা উল্লেখ করে বলেনঃ সে অর্থাৎ উসমান ইবনু আফফান সেই ঝগড়ায় অন্যায়ভাবে নিহত হবে। সনদ হাসান। আবূ ঈসা বলেন, উক্ত সনদসূত্রে ইবনু উমর (রাযিঃ)-এর এ হাদীসটি হাসান গারীব।
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ এক লোকের মরদেহ তার জানাযার নামায আদায়ের উদ্দেশ্যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে আনা হয়। কিন্তু তিনি তার জানাযার নামায আদায় করলেন না। তাকে বলা হল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা এই লোকের পূর্বে আপনাকে আর কারো জানাযা আদায় করা হতে বিরত থাকতে দেখিনি। তিনি বললেনঃ এ লোকটি উসমানের প্রতি হিংসা পোষণ করত, তাই আল্লাহ তা'আলা তার প্রতি নারাজ হয়েছেন। মাওযু, যঈফা (১৯৬৭) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু উপরোক্ত সূত্রেই এ হাদীস জেনেছি। এই মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ হলেন মায়মূন ইবনু মিহরানের শিষ্য এবং তিনি হাদীস শাস্ত্রে অত্যাধিক দুর্বল। আর মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ, যিনি আবূ হুরাইরা (রাঃ)-এর শিষ্য, বসরার অধিবাসী, নির্ভরযোগ্য রাবী এবং তার উপনাম আবূল হারিস। আর মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ আল-আলহানী হলেন আবূ উমামা (রাঃ)-এর শিষ্য, তিনিও নির্ভরযোগ্য রাবী। তিনি সিরিয়ার বাসিন্দা এবং তার আরেক নাম আবূ সুফিয়ান।
। আবূ মূসা আল-আশ'আরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে রওয়ানা হলাম। তিনি এক আনসারীর বাগিচায় ঢুকে তার প্রকৃতিক প্রয়োজন সারেন, তারপর আমাকে বললেনঃ হে আবূ মূসা দরজায় যাও, যাতে বিনা অনুমতিতে কেউ আমার নিকট প্রবেশ করতে না পারে। এক লোক এসে দরজায় আঘাত করলে আমি বললাম, আপনি কে? তিনি বললেন, আমি আবূ বাকর। সে সময় আমি গিয়ে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এই যে আবূ বাকর অনুমতিপ্রার্থী। তিনি বললেনঃ তাকে অনুমতি দাও এবং তাকে জান্নাতের সুখবর দাও। অতএব তিনি প্রবেশ করলেন এবং আমি তাকে জান্নাতের সুখবর জানালাম। তারপর এক লোক এসে দরজায় আঘাত করলে আমি বললাম, আপনি কে? তিনি বলেন, উমার। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এই যে উমার আপনার অনুমতি চায়। তিনি বললেনঃ তাকে দরজা খুলে দাও এবং তাকেও জান্নাতের সুসংবাদ দাও। অতএব আমি দরজা খুলে দিলে তিনি প্রবেশ করেন এবং তাকেও আমি জান্নাতের সুসংবাদ দিলাম। তারপর আরেক লোক এসে দরজায় আঘাত করলে আমি বললাম, আপনি কে? তিনি বললেন, উসমান। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এই যে উসমান অনুমতিপ্রার্থী। তিনি বললেনঃ তাকে দরজা খুলে দাও এবং তার উপর কঠিন বিপদ আসবে এ কথা বলে তাকেও জান্নাতের সুসংবাদ জানাও। সহীহঃ সহীহ আদাবুল মুফরাদ, বুখারী ও মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীস আবূ উসমান আন-নাহদী হতে একাধিক সনদে বর্ণিত হয়েছে। এ অনুচ্ছেদে জাবির ও ইবনু উমর (রাযিঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
। আবূ সাহলাহ্ (রহঃ) বলেন, উসমান (রাযিঃ) নিজগৃহে অবরুদ্ধ থাকাকালে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে একটি ওয়াদা (উপদেশ) দিয়েছেন। সুতরাং আমি তাতে ধৈর্য ধারণ করব। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১১৩)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। এ হাদীস আমরা শুধুমাত্র ইসমাঈল ইবনু আবূ খালিদের সনদে অবগত হয়েছি।
হাদিস 3712 — Jami At Tirmidhi 49:108
সহিহসহিহহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ الضُّبَعِيُّ، عَنْ يَزِيدَ الرِّشْكِ، عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، قَالَ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَيْشًا وَاسْتَعْمَلَ عَلَيْهِمْ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ فَمَضَى فِي السَّرِيَّةِ فَأَصَابَ جَارِيَةً فَأَنْكَرُوا عَلَيْهِ وَتَعَاقَدَ أَرْبَعَةٌ مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا إِذَا لَقِينَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرْنَاهُ بِمَا صَنَعَ عَلِيٌّ وَكَانَ الْمُسْلِمُونَ إِذَا رَجَعُوا مِنَ السَّفَرِ بَدَءُوا بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَلَّمُوا عَلَيْهِ ثُمَّ انْصَرَفُوا إِلَى رِحَالِهِمْ فَلَمَّا قَدِمَتِ السَّرِيَّةُ سَلَّمُوا عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَامَ أَحَدُ الأَرْبَعَةِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَلَمْ تَرَ إِلَى عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ صَنَعَ كَذَا وَكَذَا . فَأَعْرَضَ عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَامَ الثَّانِي فَقَالَ مِثْلَ مَقَالَتِهِ فَأَعْرَضَ عَنْهُ ثُمَّ قَامَ إِلَيْهِ الثَّالِثُ فَقَالَ مِثْلَ مَقَالَتِهِ فَأَعْرَضَ عَنْهُ ثُمَّ قَامَ الرَّابِعُ فَقَالَ مِثْلَ مَا قَالُوا فَأَقْبَلَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَالْغَضَبُ يُعْرَفُ فِي وَجْهِهِ فَقَالَ " مَا تُرِيدُونَ مِنْ عَلِيٍّ مَا تُرِيدُونَ مِنْ عَلِيٍّ مَا تُرِيدُونَ مِنْ عَلِيٍّ إِنَّ عَلِيًّا مِنِّي وَأَنَا مِنْهُ وَهُوَ وَلِيُّ كُلِّ مُؤْمِنٍ مِنْ بَعْدِي " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ مِنْ حَدِيثِ جَعْفَرِ بْنِ سُلَيْمَانَ .
। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি আবী তলিব (রাযিঃ)-কে তাদের সেনাপতি নিযুক্ত করেন। তিনি সেনাদলের একটি খণ্ডাংশের (সারিয়্যা) পরিদর্শনে যান এবং এক যুদ্ধবন্দিনীর সঙ্গে মিলিত হন। কিন্তু তার সাথীরা তার এ কাজ পছন্দ করলেন না। অতএব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চারজন সাহাবী শপথ করে বললেন, যখন আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দেখা পাব, তাকে তখন আলীর কার্যকলাপ প্রসঙ্গে জানাব। মুসলিমদের নিয়ম ছিল যে, তারা কোন সফর বা অভিযান শেষে ফিরে এসে সর্বপ্রথম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাকে সালাম করতেন, তারপর নিজ নিজ গৃহে ফিরে যেতেন। সুতরাং উক্ত সেনাদল ফিরে এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সালাম জানায় এবং চার সাহাবীর একজন দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! লক্ষ্য করুন, আলী ইবনু আবী তলিব এই এই করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিক হতে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। তারপর দ্বিতীয় ব্যক্তি দাঁড়িয়ে পূর্বোক্ত ব্যক্তির মতো বক্তব্য পেশ করেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হতেও মুখ ফিরিয়ে নিলেন। এবার তৃতীয়জন দাঁড়িয়ে পূর্বোক্তজনের একই রকম বক্তব্য পেশ করেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হতেও মুখ ফিরিয়ে নেন। অবশেষে চতুৰ্থজন দাড়িয়ে পূর্বোক্তদের একই রকম বক্তব্য পেশ করেন। এবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার চেহারায় অসন্তুষ্টির ভাব নিয়ে তাদের দিকে মনোনিবেশ করে বললেনঃ কি বলতে চাও? তোমরা ‘আলী প্রসঙ্গে কি বলতে চাও? ‘আলী প্রসঙ্গে তোমরা কি বলতে চাও? (বংশ, বৈবাহিক সম্পর্ক, অগ্রগণ্যতা, ভালবাসা ইত্যাদি প্রসঙ্গে) আলী আমার হতে এবং আমি আলী (রাযিঃ) হতে। আমার পরে সে-ই হবে সমস্ত মুমিনের সঙ্গী ও পৃষ্ঠপোষক। সহীহঃ সহীহাহ (২২২৩)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীস আমরা শুধুমাত্র জাফর ইবনু সুলাইমানের সনদে অবগত হয়েছি।
হাদিস 3713 — Jami At Tirmidhi 49:109
সহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا الطُّفَيْلِ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي سَرِيْحَةَ، أَوْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ شَكَّ شُعْبَةُ - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ كُنْتُ مَوْلاَهُ فَعَلِيٌّ مَوْلاَهُ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ . وَقَدْ رَوَى شُعْبَةُ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ مَيْمُونٍ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَأَبُو سَرِيحَةَ هُوَ حُذَيْفَةُ بْنُ أَسِيدٍ صَاحِبُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
। আবূ সারীহাহ অথবা যাইদ ইবনু আরকাম (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি যার সাথী বা পৃষ্ঠপোষক, আলীও তার সাথী বা পৃষ্ঠপোষক। সহীহঃ সহীহাহ (১৭৫০), রাওযুন নায়ীর (১৭১), মিশকাত (৬০৮২)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীস শুবাহ আবূ আবদুল্লাহ মাইমূন হতে, তিনি যাইদ ইবনু আরকাম (রাযিঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে একই রকম রিওয়ায়াত করেছেন। আবূ সারীহাহ হলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী হুযইফাহ ইবনু আসীদ আল-গিফারী (রাযিঃ)।
। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা আবূ বাকরের দারুল হিজরাতে (মাদীনায়) নিয়ে এসেছেন এবং নিজের মাল দিয়ে বিলালকে গোলাম হতে আযাদ করেছেন। আল্লাহ তা'আলা উমারকে দয়া করুন। অপ্রিয় হলেও তিনি হাক (সত্য) কথা বলেন। তার সত্য ভাষণই তাকে সঙ্গহীন করেছেন। আল্লাহ তা'আলা উসমানের প্রতি দয়া করুন। সে এত অধিক লাজুক যে, ফিরিশতারা পর্যন্ত তাকে দেখে লজ্জাবোধ (সম্মান) করেন। আল্লাহ তা'আলা আলীকে দয়া করুন। হে আল্লাহ! সে যেখানেই থাকুক, সত্যকে তার চিরসার্থী করুন। অত্যন্ত দুর্বল, যঈফা (২০৯৪), মিশকাত (৬১২৫) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু উপরোক্ত সূত্রেই এ হাদীস জেনেছি। মুখতার ইবনু নাফি’ বাসরার শাইখ, অনেক অপরিচিত বিষয় তিনি বর্ণনা করেন, আবূ হাইয়্যান আত-তাইনীর নাম ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ কূফার অধিবাসী নির্ভরযোগ্য রাবী।