। আরফাজা ইবনু আসআদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, জাহিলী আমলে কুলাবের যুদ্ধে আমার নাক আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। আমি রুপার একটি নাক বাধিয়ে নিলাম। কিন্তু আমি তাতে দুৰ্গন্ধ অনুভব করি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে একটি স্বর্ণের নাক বানিয়ে নিতে বললেন। হাসান, মিশকাত তাহকীক ছানী (৪৪০০) আলী ইবনু হুজর রাবী ইবনু বাদর হতে এবং মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াযীদ আল-ওয়াসিতী আবূল আশহাব হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন। আমরা এ হাদীস সম্বন্ধে শুধু আবদুর রাহমান ইবনু তারাফার সূত্রে জেনেছি। সালম ইবনু যারীর ও আব্দুর রহমান ইবনু তারাফার সুত্রে আবুল আশহাবের হাদিসের মতই বর্ণনা করেছেন। অসংখ্য অভিজ্ঞ আলিম হতে বর্ণিত আছে, তারা নিজেদের দাঁত স্বর্ণ দ্বারা বাধিয়ে নিয়েছেন। এ হাদীসটি তাদের দলীল। আবদুর রাহমান ইবনু মাহদী বলেন, সালম ইবনু জারীর বলা অমূলক বরং ইবনু ওয়া জারীর সঠিক। আবূ সাঈদ আস-সানআনীর নাম মুহাম্মাদ, পিতা মুইয়াসসির।
হাদিস 1771 — Jami At Tirmidhi 24:59
সহিহহাসান
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَزِيدَ الرِّشْكِ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ نَهَى عَنْ جُلُودِ السِّبَاعِ . وَهَذَا أَصَحُّ .
। আবূল মালীহ (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, হিংস্র প্রাণীর চামড়া ফরাশ হিসাবে ব্যবহার করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন। সহীহ, সহীহা (১০১১), মিশকাত (৫০৬) আবূল মালীহ (রহঃ) হতে তার বাবার সূত্রে বর্ণিত আছে, হিংস্র প্রাণীর চামড়া কাজে লাগানোকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষিদ্ধ করেছেন। সহীহ দেখুন পূর্বের হাদীস মুআয ইবনু হিশাম-তার পিতা হতে, তিনি কাতাদা হতে, তিনি আবূল মালীহ হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি হিংস্র প্রাণীর চামড়া কাজে লাগানোকে অপছন্দ বলে মনে করেন। সহীহ, দেখুন পূর্বের হাদীস আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসের সনদ “আবূল মালীহ-তার পিতা হতে” এভাবে সাঈদ ইবনু আবূ আরূবা ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। ১৭৭১/২। আবূল মালীহ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, হিংস্র প্রাণীর চামড়া ব্যবহারকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। সহীহ দেখুন পূর্বের হাদীস এই বর্ণনাটিই অনেক বেশি সহীহ (কারণ স্মরণ শক্তির দিক হতে শুবা (রহঃ) সাঈদ ইবনু আবূ আরবার চাইতে অগ্রগণ্য)।
হাদিস 1772 — Jami At Tirmidhi 24:60
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ Bukhari
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ قُلْتُ لأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ كَيْفَ كَانَ نَعْلُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَهُمَا قِبَالاَنِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
। কাতাদা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে আমি প্রশ্ন করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জুতাজোড়া কেমন ছিল? তিনি বললেন, এর দু'টি করে ফিতা ছিল। সহীহ, মুখতাসার শামা-ইল (৬০, ৬২) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জুতাজোড়ার দু'টি করে ফিতা ছিল। সহীহ, মুখতাসার শামা-ইল (৬০, ৬২) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। ইবনু আব্বাস ও আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এক পায়ে জুতা পরে যেন তোমাদের কেউ না হঁটে। হয় সে দুটো পায়ে জুতা পরবে অথবা দুটো পা-ই উদম রাখবে। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৬১৭), নাসা-ঈ এ হাদিসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। জাবির (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, দাঁড়ানো অবস্থায় কাউকে জুতা পরতে ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৬১৮) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা গারীব বলেছেন। এ হাদীসটি আনাস (রাঃ) হতেও অন্য সূত্রে (নিম্নে দ্র.) বর্ণিত আছে। কিন্তু হাদীস বিশারদগণের মতে এই দুইটি হাদীস সহীহ নয়। তারা মনে করেন হারিস ইবনু নাবহান হাদীসের হাফিয নন। তাছাড়া কাতাদা-আনাস (রাঃ)-এর সূত্রে এ হাদীসের কোন ভিত্তি আছে বলে আমাদের জানা নেই।
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, এক পায়ে জুতা পরে তিনি চলাফিরা করেছেন। সহীহ, প্রাগুক্ত এই বর্ণনাটি অনেক বেশি সহীহ। আবূ ঈসা বলেন, এটাকে আবদুর রাহমান ইবনুল কাসিমের সূত্রে সুফিয়ান সাওর ও অপরাপর বর্ণনাকারীগণ মওকুফভাবে বর্ণনা করেছেন।
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ জুতা পরার সময় আগে ডান পায়ে জুতা পরবে এবং তা খোলার সময় আগে বাম পায়ের জুতা খুলবে। অতএব জুতা পরার সময় ডান পা প্রথম হবে এবং খোলার সময় ডান পা দ্বিতীয় হবে। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৬১৬), মুসলিম এবং বুখারীও একই অর্থে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।