Qurani·قرآني
বাংলা

হদ্দের বিধানের অধ্যায়

41 হাদিস · #1423–1463

হাদিস 1423 — Jami At Tirmidhi 17:1
সহিহসহিহহাসান
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى الْقُطَعِيُّ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ الْبَصْرِيِّ، عَنْ عَلِيٍّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ رُفِعَ الْقَلَمُ عَنْ ثَلاَثَةٍ عَنِ النَّائِمِ حَتَّى يَسْتَيْقِظَ وَعَنِ الصَّبِيِّ حَتَّى يَشِبَّ وَعَنِ الْمَعْتُوهِ حَتَّى يَعْقِلَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَلِيٍّ حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَقَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ عَلِيٍّ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَذَكَرَ بَعْضُهُمْ ‏"‏ وَعَنِ الْغُلاَمِ حَتَّى يَحْتَلِمَ ‏"‏ ‏.‏ وَلاَ نَعْرِفُ لِلْحَسَنِ سَمَاعًا عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ عَنْ أَبِي ظَبْيَانَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ هَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏ وَرَوَاهُ الأَعْمَشُ عَنْ أَبِي ظَبْيَانَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ عَلِيٍّ مَوْقُوفًا وَلَمْ يَرْفَعْهُ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى قَدْ كَانَ الْحَسَنُ فِي زَمَانِ عَلِيٍّ وَقَدْ أَدْرَكَهُ وَلَكِنَّا لاَ نَعْرِفُ لَهُ سَمَاعًا مِنْهُ وَأَبُو ظَبْيَانَ اسْمُهُ حُصَيْنُ بْنُ جُنْدَبٍ ‏.‏
। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন প্রকার লোক হতে কলম উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে (শাস্তি থেকে মুক্ত রাখা হয়েছে) ঘুমিয়ে থাকা লোক জাগ্রত না হওয়া পর্যন্ত; শিশু বয়োপ্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত এবং নিস্ক্রিয়বুদ্ধিসম্পন্ন (অজ্ঞান) লোকের জ্ঞান না আসা পর্যন্ত। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২০৪১, ২০৪২) আইশা (রাঃ)-এর নিকট হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা উল্লেখিত সনদ সূত্রে হাসান গারীব বলেছেন। আলী (রাঃ) হতে আরো একাধিক সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণিত আছে। কোন কোন বর্ণনায় আছেঃ “ওয়া আনিল গুলামি হাত্তা ইয়াহতালিমা” (বালক প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগ পর্যন্ত)। আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ)-এর নিকট হতে হাসান বাসরী (রাহঃ) সরাসরি হাদীস শুনেছেন বলে আমাদের জানা নেই। এ হাদীস আতা ইবনু সাইব-আবূ যাবিয়ান হতে, তিনি আলী (রাঃ) হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ সূত্রেও বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি আমাশ-আবূ যাবিয়ান হতে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে, তিনি আলী (রাঃ)-এর সূত্রে মাওকৃফরূপে বর্ণনা করেছেন, মারফুভাবে বর্ণনা করেননি। এ হাদীস মোতাবিক অভিজ্ঞ আলিমগণ আমল করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, হাসান বাসরী (রাহঃ) আলী (রাঃ)-কে জীবদ্দশায় পেয়েছেন কিন্তু তার কাছে কোন কিছু শুনতে পেয়েছেন বলে আমাদের জানা নেই। আবূ যাবিয়ানের নাম হলো হুসাইন, বাবার নাম জুনদাব।
হাদিস 1424 — Jami At Tirmidhi 17:3
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ زِيَادٍ، نَحْوَ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ رَبِيعَةَ وَلَمْ يَرْفَعْهُ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ لاَ نَعْرِفُهُ مَرْفُوعًا إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ رَبِيعَةَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ زِيَادٍ الدِّمَشْقِيِّ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَرَوَاهُ وَكِيعٌ عَنْ يَزِيدَ بْنِ زِيَادٍ نَحْوَهُ وَلَمْ يَرْفَعْهُ وَرِوَايَةُ وَكِيعٍ أَصَحُّ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ نَحْوُ هَذَا عَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُمْ قَالُوا مِثْلَ ذَلِكَ ‏.‏ وَيَزِيدُ بْنُ زِيَادٍ الدِّمَشْقِيُّ ضَعِيفٌ فِي الْحَدِيثِ وَيَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ الْكُوفِيُّ أَثْبَتُ مِنْ هَذَا وَأَقْدَمُ ‏.‏
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ زِيَادٍ، نَحْوَ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ رَبِيعَةَ وَلَمْ يَرْفَعْهُ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ لاَ نَعْرِفُهُ مَرْفُوعًا إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ رَبِيعَةَ عَنْ يَزِيدَ بْنِ زِيَادٍ الدِّمَشْقِيِّ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَرَوَاهُ وَكِيعٌ عَنْ يَزِيدَ بْنِ زِيَادٍ نَحْوَهُ وَلَمْ يَرْفَعْهُ وَرِوَايَةُ وَكِيعٍ أَصَحُّ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ نَحْوُ هَذَا عَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُمْ قَالُوا مِثْلَ ذَلِكَ ‏.‏ وَيَزِيدُ بْنُ زِيَادٍ الدِّمَشْقِيُّ ضَعِيفٌ فِي الْحَدِيثِ وَيَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ الْكُوفِيُّ أَثْبَتُ مِنْ هَذَا وَأَقْدَمُ ‏.‏
হাদিস 1425 — Jami At Tirmidhi 17:5
وَرَوَى أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، قَالَ حُدِّثْتُ عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ وَكَأَنَّ هَذَا أَصَحُّ مِنَ الْحَدِيثِ الأَوَّلِ حَدَّثَنَا بِذَلِكَ عُبَيْدُ بْنُ أَسْبَاطِ بْنِ مُحَمَّدٍ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي عَنِ الأَعْمَشِ بِهَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏
وَرَوَى أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، قَالَ حُدِّثْتُ عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ وَكَأَنَّ هَذَا أَصَحُّ مِنَ الْحَدِيثِ الأَوَّلِ حَدَّثَنَا بِذَلِكَ عُبَيْدُ بْنُ أَسْبَاطِ بْنِ مُحَمَّدٍ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي عَنِ الأَعْمَشِ بِهَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏
হাদিস 1426 — Jami At Tirmidhi 17:6
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ Bukhari
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الْمُسْلِمُ أَخُو الْمُسْلِمِ لاَ يَظْلِمُهُ وَلاَ يُسْلِمُهُ وَمَنْ كَانَ فِي حَاجَةِ أَخِيهِ كَانَ اللَّهُ فِي حَاجَتِهِ وَمَنْ فَرَّجَ عَنْ مُسْلِمٍ كُرْبَةً فَرَّجَ اللَّهُ عَنْهُ كُرْبَةً مِنْ كُرَبِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ وَمَنْ سَتَرَ مُسْلِمًا سَتَرَهُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عُمَرَ.‏
। সালিম (রহঃ) হতে তার বাবার সূত্রে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক মুসলিম একজন অন্যজনের ভাই। সে তার উপর কোনরকম যুলুম-অত্যাচার করতে পারে না এবং শক্রর কাছেও তাকে সমর্পণ করতে পারে না বা তাকে অসহায়ভাবে ছেড়ে দিতে পারে না। কোন লোক তার ভাইয়ের প্রয়োজন মিটানোর কাজে যে পর্যন্ত লেগে থাকে, আল্লাহ তা'আল্লাও তার প্রয়োজন মিটিয়ে দেন। কোন মুসলিম ব্যক্তির কোন অসুবিধা যে লোক অপসারণ করে দেয়, আল্লাহ তা'আলা কিয়ামত দিবসে তার অসুবিধাগুলোর মধ্য হতে একটি অসুবিধা দূর করে দিবেন। কোন মুসলিম ব্যক্তির দোষ-ত্রুটি যে লোক গোপন করে রাখে আল্লাহ তা'আলা কিয়ামত দিবসে তার দোষ-ত্রুটি গোপন করে রাখবেন। সহীহ, সহীহাহ (৫০৪), নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা ইবনু উমারের হাদীস হিসেবে হাসান সহীহ গারীব বলেছেন।
হাদিস 1427 — Jami At Tirmidhi 17:7
সহিহসহিহসহিহ Muslim
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِمَاعِزِ بْنِ مَالِكٍ ‏"‏ أَحَقٌّ مَا بَلَغَنِي عَنْكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَمَا بَلَغَكَ عَنِّي قَالَ ‏"‏ بَلَغَنِي أَنَّكَ وَقَعْتَ عَلَى جَارِيَةِ آلِ فُلاَنٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ نَعَمْ ‏.‏ فَشَهِدَ أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ فَأَمَرَ بِهِ فَرُجِمَ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏ وَرَوَى شُعْبَةُ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ مُرْسَلاً وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, মায়িয ইবনু মালিক (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার সম্পর্কে আমি যা কিছু জেনেছি তা কি সত্য? তিনি বললেন, আপনি আমার ব্যাপারে কি জেনেছেন? তিনি বললেনঃ আমি জানতে পারলাম, তুমি অমুকের বাদীর উপর পতিত হয়েছ (যিনায় লিপ্ত হয়েছ)। তিনি বললেন, হ্যাঁ। তারপর তিনি চারবার স্বীকারোক্তি করেন। তিনি তার ব্যাপারে রায় দিলে সে মোতাবিক তাকে রজম (পাথর মেরে হত্যা) করা হয়। সহীহ, ইরওয়া (৭/৩৫৫), মুসলিম সাইব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান বলেছেন। এ হাদীসটি সাঈদ ইবনু জুবাইরের সূত্রে সিমাক ইবনু হারব মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন এবং তাতে তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর নাম উল্লেখ করেননি।
হাদিস 1428 — Jami At Tirmidhi 17:8
হাসান Sahihহাসান SahihহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ جَاءَ مَاعِزٌ الأَسْلَمِيُّ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِنَّهُ قَدْ زَنَى ‏.‏ فَأَعْرَضَ عَنْهُ ثُمَّ جَاءَ مِنْ شِقِّهِ الآخَرِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ قَدْ زَنَى ‏.‏ فَأَعْرَضَ عَنْهُ ثُمَّ جَاءَ مِنْ شِقِّهِ الآخَرِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ قَدْ زَنَى ‏.‏ فَأَمَرَ بِهِ فِي الرَّابِعَةِ فَأُخْرِجَ إِلَى الْحَرَّةِ فَرُجِمَ بِالْحِجَارَةِ فَلَمَّا وَجَدَ مَسَّ الْحِجَارَةِ فَرَّ يَشْتَدُّ حَتَّى مَرَّ بِرَجُلٍ مَعَهُ لَحْىُ جَمَلٍ فَضَرَبَهُ بِهِ وَضَرَبَهُ النَّاسُ حَتَّى مَاتَ فَذَكَرُوا ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ فَرَّ حِينَ وَجَدَ مَسَّ الْحِجَارَةِ وَمَسَّ الْمَوْتِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ هَلاَّ تَرَكْتُمُوهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ وَقَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ وَرُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ هَذَا ‏.‏
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, মায়িয আল-আসলামী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললেন, এই লোক (মাইয) যিনা করেছে। তিনি তার কাছ থেকে মুখ সরিয়ে নিলেন। মায়িয (রাঃ)-ও অপর দিকে ঘুরে এসে বললেন, এই লোক যিনা করেছে। তিনি আবারও তার দিক থেকে মুখ সরিয়ে নেন। মায়িয (রাঃ)-ও পুনরায় অপর দিক হতে ঘুরে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এই লোক যিনা করেছে। তিনি চতুর্থবারে তার ব্যাপারে হুকুম করলেন এবং সে মোতাবিক তাকে হাররার প্রান্তরে নেওয়া হয় এবং তার উপর পাথর ছুড়ে মারা হয়। সে পাথরের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে পালিয়ে এক লোককে অতিক্রম করে যাচ্ছিল। ঐ লোকটির হাতে উটের চোয়ালের হাড় ছিল। সে তাকে তা দিয়ে আঘাত করে এবং অন্যান্য লোকজনও আঘাত করে। ফলে লোকটি মৃত্যুবরণ করে। লোকেরা এ ঘটনাটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বর্ণনা করে যে, তিনি পাথরের আঘাতে এবং প্রত্যক্ষ মৃত্যুর স্পর্শ পেয়ে ভয়ে পালাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা তাকে ছেড়ে দিলে না কেন? হাসান সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৫৫৪) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান বলেছেন। এ হাদীসটি আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে আরো কয়েকটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। আবূ সালামা (রাহঃ) হতে জাবির (রাঃ)-এর সূত্রে একইরকম হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস 1429 — Jami At Tirmidhi 17:9
সহিহসহিহসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا بِذَلِكَ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَجُلاً، مِنْ أَسْلَمَ جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَاعْتَرَفَ بِالزِّنَا فَأَعْرَضَ عَنْهُ ثُمَّ اعْتَرَفَ فَأَعْرَضَ عَنْهُ حَتَّى شَهِدَ عَلَى نَفْسِهِ أَرْبَعَ شَهَادَاتٍ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَبِكَ جُنُونٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَحْصَنْتَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ فَأَمَرَ بِهِ فَرُجِمَ بِالْمُصَلَّى فَلَمَّا أَذْلَقَتْهُ الْحِجَارَةُ فَرَّ فَأُدْرِكَ فَرُجِمَ حَتَّى مَاتَ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَيْرًا وَلَمْ يُصَلِّ عَلَيْهِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّ الْمُعْتَرِفَ بِالزِّنَا إِذَا أَقَرَّ عَلَى نَفْسِهِ أَرْبَعَ مَرَّاتٍ أُقِيمَ عَلَيْهِ الْحَدُّ وَهُوَ قَوْلُ أَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ إِذَا أَقَرَّ عَلَى نَفْسِهِ مَرَّةً أُقِيمَ عَلَيْهِ الْحَدُّ وَهُوَ قَوْلُ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ وَالشَّافِعِيِّ ‏.‏ وَحُجَّةُ مَنْ قَالَ هَذَا الْقَوْلَ حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ وَزَيْدِ بْنِ خَالِدٍ أَنَّ رَجُلَيْنِ اخْتَصَمَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ أَحَدُهُمَا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ ابْنِي زَنَى بِامْرَأَةِ هَذَا الْحَدِيثَ بِطُولِهِ وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اغْدُ يَا أُنَيْسُ عَلَى امْرَأَةِ هَذَا فَإِنِ اعْتَرَفَتْ فَارْجُمْهَا ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَقُلْ فَإِنِ اعْتَرَفَتْ أَرْبَعَ مَرَّاتٍ ‏.‏
। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসলাম বংশের একজন লোক এসে ব্যভিচারের স্বীকারোক্তি করে। তিনি তার সামনে থেকে মুখ সরিয়ে নিলেন। সে পুনরায় তার পাপ কর্মের স্বীকারোক্তি করে। পুনরায় তিনি তার কাছ থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিলেন। এমনিভাবে সে তার নিজের বিরুদ্ধে চারবার সাক্ষ্য প্রদান করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি পাগল নাকি? সে বলল, না। তিনি প্রশ্ন করেনঃ তুমি কি বিবাহিত? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি তার ব্যাপারে রায় দিলেন এবং সে মোতাবিক তাকে ঈদগাহের ময়দানে নিয়ে রজম (পাথর মেরে হত্যা) করা হল। পাথরের আঘাতে জর্জরিত হয়ে সে পালাতে থাকলে তাকে আটক করে রজম (পাথর মেরে হত্যা) করা হয়। তার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাল কথা বলেছেন (তার প্রশংসা করেছেন)। কিন্তু তিনি নিজে তার জানাযার নামায আদায় করেননি। সহীহ, ইরওয়া (৭/৩৫৩), নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীস অনুসারে একদল অভিজ্ঞ আলিম আমল করেছেন। তারা বলেছেন, যিনাকারী ব্যক্তি নিজের বিরুদ্ধে চারবার সাক্ষ্য প্রদান করলে (স্বীকারোক্তি দিলে) তার উপর যিনার শাস্তি কার্যকর হবে। এই মত দিয়েছেন ইমাম আহমাদ ও ইসহাকও। অন্য আরেক দল অভিজ্ঞ আলিম বলেছেন, যিনার অপরাধ একবার স্বীকার করলেই শাস্তি কার্যকর হবে। এই মত প্রকাশ করেছেন ইমাম মালিক ও শাফিঈ। শেষোক্ত দুইজন ইমাম আবূ হুরাইরা ও যাইদ ইবনু খালিদ (রাঃ)-এর বর্ণিত হাদীসটি নিজেদের মতের অনুকূলে দলীল হিসাবে নিয়েছেন। হাদীসটি এইঃ “দু'জন লোক নিজেদের মধ্যকার ঝগড়া সমাধানের উদ্দেশ্যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তা উপস্থাপন করে। তাদের মধ্যে একজন বলে, হে আল্লাহর রাসূল! এই লোকটির স্ত্রীর সাথে আমার ছেলে যিনা করেছে...... (দীর্ঘ হাদীস)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে উনাইস! তার স্ত্রীর নিকট যাও। সে যিনার পাপকে স্বীকার করলে তবে তাকে রজম (পাথর মেরে হত্যা) কর”। এ হাদীসটিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে একথা বলেননি যে, সে চারবার স্বীকারোক্তি করলে তাকে রজম কর।
হাদিস 1430 — Jami At Tirmidhi 17:10
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ قُرَيْشًا، أَهَمَّهُمْ شَأْنُ الْمَرْأَةِ الْمَخْزُومِيَّةِ الَّتِي سَرَقَتْ فَقَالُوا مَنْ يُكَلِّمُ فِيهَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا مَنْ يَجْتَرِئُ عَلَيْهِ إِلاَّ أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ حِبُّ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَكَلَّمَهُ أُسَامَةُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَتَشْفَعُ فِي حَدٍّ مِنْ حُدُودِ اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَامَ فَاخْتَطَبَ فَقَالَ ‏"‏ إِنَّمَا أَهْلَكَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكُمْ أَنَّهُمْ كَانُوا إِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الشَّرِيفُ تَرَكُوهُ وَإِذَا سَرَقَ فِيهِمُ الضَّعِيفُ أَقَامُوا عَلَيْهِ الْحَدَّ وَايْمُ اللَّهِ لَوْ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ مُحَمَّدٍ سَرَقَتْ لَقَطَعْتُ يَدَهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ مَسْعُودِ ابْنِ الْعَجْمَاءِ وَيُقَالُ مَسْعُودُ بْنُ الأَعْجَمِ وَابْنِ عُمَرَ وَجَابِرٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَائِشَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, মাখযুম বংশের একজন অপরের সাথে বলাবলি করল, এ ব্যাপারটি নিয়ে কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে আলোচনা করতে পারে? তারা বলল, এ বিষয়ে তার সাথে কথা বলার সাহস উসামা ইবনু যাইদ ছাড়া আর কারো নেই। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খুবই প্রিয়। উসামা (রাঃ) তার সাথে কথা বললেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ্ তা'আলার নির্ধারিত শাস্তিসমূহের অন্তর্ভুক্ত একটি শাস্তি প্রসঙ্গে তুমি সুপারিশ করছ? তারপর তিনি দাড়িয়ে ভাষণ দেন এবং বলেনঃ তোমাদের পূর্ববর্তী জাতিগুলো একারণে ধ্বংস হয়েছে যে, তাদের মধ্যে কোন ধনী-মর্যাদাশালী লোক চুরি করলে তাকে তারা ছেড়ে দিত এবং তাদের মাঝে কোন দুর্বল প্রকৃতির লোক চুরি করলে তার উপর শাস্তি কার্যকর করত। আল্লাহর শপথ মুহাম্মাদের মেয়ে ফাতিমাও যদি চুরি করত তবে আমি অবশ্যই তার হাত কেটে দিতাম। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৫৪৭), নাসা-ঈ মাসউদ ইবনুল আজমাআ বা ইবনুল আজম, ইবনু উমার ও জাবির (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
হাদিস 1431 — Jami At Tirmidhi 17:11
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ الأَزْرَقُ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، قَالَ رَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَرَجَمَ أَبُو بَكْرٍ وَرَجَمْتُ وَلَوْلاَ أَنِّي أَكْرَهُ أَنْ أَزِيدَ فِي كِتَابِ اللَّهِ لَكَتَبْتُهُ فِي الْمُصْحَفِ فَإِنِّي قَدْ خَشِيتُ أَنْ تَجِيءَ أَقْوَامٌ فَلاَ يَجِدُونَهُ فِي كِتَابِ اللَّهِ فَيَكْفُرُونَ بِهِ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عُمَرَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَرُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ عُمَرَ ‏.‏
। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রজমের আইন বাস্তবায়ন করেছেন, আবূ বাকর (রাঃ)-ও রজমের আইন বাস্তবায়ন করেছেন এবং রজমের আইন আমিও বাস্তবায়ন করছি। আল্লাহ্ তা'আলার কিতাবের মধ্যে যদি কোন কিছু যোগ করাকে আমি নিষিদ্ধ মনে না করতাম তবে অবশ্যই এই বিধান মাসহাফে (কুরআনে) লিখে দিতাম। কেননা আমার ভয় হয় যে, পরবর্তী সময়ে মানব জাতির এমন দল আসবে যারা এই হুকুম আল্লাহ্ তা'আলার কিতাবে না দেখতে পেয়ে তা অস্বীকার করবে। সহীহ, তা’লীক আলা ইবনু মা-জাহ, ইরওয়া (৮/৫০৪) আলী (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। উল্লেখিত হাদীসটি বিভিন্ন সূত্রে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে।
হাদিস 1432 — Jami At Tirmidhi 17:12
সহিহসহিহসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ شَبِيبٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَالْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، وَغَيْرُ، وَاحِدٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، قَالَ إِنَّ اللَّهَ بَعَثَ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم بِالْحَقِّ وَأَنْزَلَ عَلَيْهِ الْكِتَابَ فَكَانَ فِيمَا أَنْزَلَ عَلَيْهِ آيَةُ الرَّجْمِ فَرَجَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَرَجَمْنَا بَعْدَهُ وَإِنِّي خَائِفٌ أَنْ يَطُولَ بِالنَّاسِ زَمَانٌ فَيَقُولَ قَائِلٌ لاَ نَجِدُ الرَّجْمَ فِي كِتَابِ اللَّهِ فَيَضِلُّوا بِتَرْكِ فَرِيضَةٍ أَنْزَلَهَا اللَّهُ أَلاَ وَإِنَّ الرَّجْمَ حَقٌّ عَلَى مَنْ زَنَى إِذَا أَحْصَنَ وَقَامَتِ الْبَيِّنَةُ أَوْ كَانَ حَبَلٌ أَوِ اعْتِرَافٌ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَرُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ.‏
। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট হতে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, তিনি (উমার) বলেন, আল্লাহ তা'আলা নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সত্য সহকারে প্রেরণ করেছেন এবং তার উপর কিতাব (কুরআন) নাযিল করেছেন। তিনি যা কিছু তার উপর অবতীর্ণ করেছেন তার মধ্যে রজম বিষয়ক আয়াতও ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রজমের বিধান কার্যকর করেছেন। আমরাও তার মৃত্যুর পর রজমের বিধান কার্যকর করেছি। আমার ভয় হচ্ছে, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পর কেউ হয়ত বলবে, আল্লাহ্ তা'আলার কিতাবে তো আমরা রজমের উল্লেখ দেখতে পাচ্ছি না। তারা এভাবেই আল্লাহ্ তা'আলার নাযিলকৃত একটি বিধান ছেড়ে দিয়ে পথভ্রষ্ট হবে। সাবধান! যিনাকারীকে রজম (পাথর মেরে হত্যা) করা আল্লাহ্ তা'আলার কিতাব দ্বারা প্রমাণিত, যদি সে সুরক্ষিত (বিবাহিত) হয় এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ বিদ্যমাণ থাকে অথবা অন্তঃসত্তা প্রকাশিত হয় অথবা নিজেই এর স্বীকারোক্তি করে। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৫৫৩), নাসা-ঈ আলী (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। উমার (রাঃ) হতে একাধিক সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।