Qurani·قرآني
বাংলা

বিবাহের অধ্যায়

66 হাদিস · #1080–1145

হাদিস 1120 — Jami At Tirmidhi 11:42
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي قَيْسٍ، عَنْ هُزَيْلِ بْنِ شُرَحْبِيلَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمُحِلَّ وَالْمُحَلَّلَ لَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَأَبُو قَيْسٍ الأَوْدِيُّ اسْمُهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ ثَرْوَانَ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْهُمْ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَعُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ وَغَيْرُهُمْ وَهُوَ قَوْلُ الْفُقَهَاءِ مِنَ التَّابِعِينَ وَبِهِ يَقُولُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَابْنُ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ قَالَ وَسَمِعْتُ الْجَارُودَ بْنَ مُعَاذٍ يَذْكُرُ عَنْ وَكِيعٍ أَنَّهُ قَالَ بِهَذَا وَقَالَ يَنْبَغِي أَنْ يُرْمَى بِهَذَا الْبَابِ مِنْ قَوْلِ أَصْحَابِ الرَّأْىِ ‏.‏ قَالَ جَارُودٌ قَالَ وَكِيعٌ وَقَالَ سُفْيَانُ إِذَا تَزَوَّجَ الرَّجُلُ الْمَرْأَةَ لِيُحَلِّلَهَا ثُمَّ بَدَا لَهُ أَنْ يُمْسِكَهَا فَلاَ يَحِلُّ لَهُ أَنْ يُمْسِكَهَا حَتَّى يَتَزَوَّجَهَا بِنِكَاحٍ جَدِيدٍ ‏.‏
। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, যে লোক হিলা করে এবং যে লোকের জন্য হিলা করা হয় উভয়কেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিসম্পাত করেছেন। — সহীহ, দেখুন পূর্বের হাদীস এ হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আবু কাইস আল-আওদীর নাম আবদুর রাহমান, পিতা সারওয়ান। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে একাধিক সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীস অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ সাহাবীদের মধ্যে উমার ইবনুল খাত্তাব, উসমান ইবনু আফফান, আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) প্রমুখ সাহাবী মত দিয়েছেন। এই মত ফিকহবিদ তাবিঈদেরও। একই কথা বলেছেন সুফিয়ান সাওরী, ইবনু মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাকও। ওয়াকীও একইরকম মত দিয়েছেন এবং বলেছেন, এই বিষয়ে আহলুর রায়ের মত ছুড়ে ফেলে দেয়া কর্তব্য। ওয়াকী বলেন, সুফিয়ান সাওরী বলেছেন, হিলার উদ্দশ্যে কোন নারীকে কোন লোক বিয়ে করার পর তাকে নিজের বিবাহধীনে রাখতে চাইলে তা জায়িয নয়। নতুনভাবে এই মহিলার সাথে তার বিয়ে হতে হবে।
হাদিস 1121 — Jami At Tirmidhi 11:43
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، وَالْحَسَنِ، ابْنَىْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ أَبِيهِمَا، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ مُتْعَةِ النِّسَاءِ وَعَنْ لُحُومِ الْحُمُرِ الأَهْلِيَّةِ زَمَنَ خَيْبَرَ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ سَبْرَةَ الْجُهَنِيِّ وَأَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَلِيٍّ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ وَإِنَّمَا رُوِيَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ شَيْءٌ مِنَ الرُّخْصَةِ فِي الْمُتْعَةِ ثُمَّ رَجَعَ عَنْ قَوْلِهِ حَيْثُ أُخْبِرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَأَمْرُ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ عَلَى تَحْرِيمِ الْمُتْعَةِ وَهُوَ قَوْلُ الثَّوْرِيِّ وَابْنِ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ ‏.‏
। আলী ইবনু আবু তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, খাইবারের যুদ্ধের দিন নারীদের সাথে মুত্আ বিয়ে করতে এবং গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। – সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৯৬১), বুখারী, মুসলিম সাবরা আল-জুহানী ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও তাবিঈগণ আমল করেছেন। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে মুতআর অনুমতি আছে বলে বর্ণিত আছে। কিন্তু এটা করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন বলে তাকে জানানো হলে তিনি তার মত প্রত্যাহার করেন। মুতআ বিয়ে বেশিরভাগ আলিমের মতে হারাম। একথা বলেছেন সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাকও।
হাদিস 1122 — Jami At Tirmidhi 11:44
দাঈফMunkarদাঈফ
حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُقْبَةَ، أَخُو قَبِيصَةَ بْنِ عُقْبَةَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُبَيْدَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ إِنَّمَا كَانَتِ الْمُتْعَةُ فِي أَوَّلِ الإِسْلاَمِ كَانَ الرَّجُلُ يَقْدَمُ الْبَلْدَةَ لَيْسَ لَهُ بِهَا مَعْرِفَةٌ فَيَتَزَوَّجُ الْمَرْأَةَ بِقَدْرِ مَا يَرَى أَنَّهُ يُقِيمُ فَتَحْفَظُ لَهُ مَتَاعَهُ وَتُصْلِحُ لَهُ شَيْئَهُ حَتَّى إِذَا نَزَلَتِ الآيَةُ ‏:‏ ‏(‏ إِلاَّ عَلَى أَزْوَاجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ ‏)‏ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ فَكُلُّ فَرْجٍ سِوَى هَذَيْنِ فَهُوَ حَرَامٌ ‏.‏
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, ইসলামের প্রথম যুগে মুত'আ বিয়ের চর্চা ছিল। কোন ব্যক্তি কাজের উদ্দেশে কোন অপরিচিত লোকালয়ে গিয়ে পৌছত। সেখানে সে যত দিন থাকবে বলে মনে করত তত দিনের জন্য সে কোন নারীকে বিয়ে করত। সে তার মাল-পত্রের দেখাশুনা করত এবং তাকে রান্না করে দিত। অবশেষে যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলঃ “যারা নিজেদের লজ্জাস্থানের হিফাযাত করে, নিজেদের স্ত্রীদের ব্যতীত এবং তাদের ডান হাত যাদের মালিক হয় সেসব মেয়েলোক ব্যতীত। এসব ক্ষেত্রে (লজ্জাস্থানের হিফাযাত না করা হলেও) তারা ভৎসনা এবং তিরস্কারের যোগ্য নয়। এদের ব্যতীত অন্য কিছু চাইলে তারা অবশ্যই সীমালংঘনকারী হবে”-সূরা মু'মিনূনঃ ৫, ৬, ৭ এবং সূরা মাআরিজঃ ২৯, ৩০, ৩১। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ তারপর এ দু'টি ব্যতীত সব লজ্জাস্থানই হারাম হয়ে গেল। মুনকার, ইরওয়া (১৯০৩), মিশকাত তাহকীক ছানী
হাদিস 1123 — Jami At Tirmidhi 11:45
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الشَّوَارِبِ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، وَهُوَ الطَّوِيلُ قَالَ حَدَّثَ الْحَسَنُ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ جَلَبَ وَلاَ جَنَبَ وَلاَ شِغَارَ فِي الإِسْلاَمِ وَمَنِ انْتَهَبَ نُهْبَةً فَلَيْسَ مِنَّا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَنَسٍ وَأَبِي رَيْحَانَةَ وَابْنِ عُمَرَ وَجَابِرٍ وَمُعَاوِيَةَ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَوَائِلِ بْنِ حُجْرٍ ‏.‏
। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইসলামে জালাব’, ‘জানাব' বা ‘শিগার কোনটারই স্থান নেই। যে লোক ছিনতাই বা লুণ্ঠন করল সে লোক আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।। – সহীহ, মিশকাত তাহকীক ছানী (২৯৪৭), সহীহ আবু দাউদ (২৩২৪) এ হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। আনাস, আবূ রাইহানা, ইবনু উমার, জাবির, মুআবিয়া, আবু হুরাইরা ও ওয়াঈল ইবনু হুজর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস 1124 — Jami At Tirmidhi 11:46
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مَعْنٌ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الشِّغَارِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ عَامَّةِ أَهْلِ الْعِلْمِ لاَ يَرَوْنَ نِكَاحَ الشِّغَارِ ‏.‏ وَالشِّغَارُ أَنْ يُزَوِّجَ الرَّجُلُ ابْنَتَهُ عَلَى أَنْ يُزَوِّجَهُ الآخَرُ ابْنَتَهُ أَوْ أُخْتَهُ وَلاَ صَدَاقَ بَيْنَهُمَا ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ نِكَاحُ الشِّغَارِ مَفْسُوخٌ وَلاَ يَحِلُّ وَإِنْ جُعِلَ لَهُمَا صَدَاقًا ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ الشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ ‏.‏ وَرُوِيَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ أَنَّهُ قَالَ يُقَرَّانِ عَلَى نِكَاحِهِمَا وَيُجْعَلُ لَهُمَا صَدَاقُ الْمِثْلِ ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ أَهْلِ الْكُوفَةِ ‏.‏
ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিগার নিষিদ্ধ করেছেন। – সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৮৮৩),বুখারী, মুসলিম এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী বেশিরভাগ আলিম আমল করেছেন। তারা শিগার (অদল-বদল) প্রথায় বিয়েকে জায়িয বলে মনে করেন না। শিগারের অর্থ এই যে, কোন ব্যক্তি কর্তৃক এই শর্তে তার মেয়েকে অন্য ব্যক্তির সাথে বিয়ে দেওয়া যে, বিনিময়ে দ্বিতীয় ব্যক্তি তার মেয়ে অথবা বোনকে প্রথমোক্ত ব্যক্তির সাথে বিয়ে দিবে এবং এদের মধ্যে কোন মোহরের আদান-প্রদান হবে না। এ ধরণের বিয়েকে ‘নিকাহে শিগার’ বলে। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক বলেছেন, নিকাহে শিগার বাতিল, এটা জায়িয নয়, এমনকি মোহর নির্ধারণ করলেও। আতা ইবনু আবু রাবাহ বলেছেন, উভয়ই নিজ নিজ বিয়েকে ঠিক রাখবে এবং উভয়ের স্ত্রীর জন্য “মোহরে মিসাল’ নির্দিষ্ট হবে। কুফার আলিমদেরও এই মত।
হাদিস 1125 — Jami At Tirmidhi 11:47
সহিহদাঈফসহিহ
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ أَبِي حَرِيزٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ تُزَوَّجَ الْمَرْأَةُ عَلَى عَمَّتِهَا أَوْ عَلَى خَالَتِهَا ‏.‏ وَأَبُو حَرِيزٍ اسْمُهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ حُسَيْنٍ ‏.‏ حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَابْنِ عُمَرَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَأَبِي سَعِيدٍ وَأَبِي أُمَامَةَ وَجَابِرٍ وَعَائِشَةَ وَأَبِي مُوسَى وَسَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ ‏.‏
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, কোন মহিলাকে তার ফুফু অথবা খালার সাথে (সতীনরপে) বিয়ে করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন। — সহীহ, ইরওয়া (২৮৮২), যঈফ আবু দাউদ (৩৫২) বর্ণনাকারী আবু হারযের নাম আব্দুল্লাহ ইবনু হুসাইন। নাসর ইবনু আলী আব্দুল আ'লা হতে, তিনি হিশাম ইবনু হাসসান হতে, তিনি ইবনু সীরীন হতে, তিনি আবূ হুরায়রা হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উপরোক্ত হাদীসের মতই বর্ণনা করেছেন। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৯২৯), নাসা-ঈ আলী, ইবনু উমার, আব্দুল্লাহ ইবনু আমর, আবূ সাইদ, আবূ উমামা, জাবির, আইশা, আবু মূসা ও সামুরা ইবনু জুনদাব (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
হাদিস 1126 — Jami At Tirmidhi 11:48
সহিহসহিহহাসান SahihIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا دَاوُدُ بْنُ أَبِي هِنْدٍ، حَدَّثَنَا عَامِرٌ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ تُنْكَحَ الْمَرْأَةُ عَلَى عَمَّتِهَا أَوِ الْعَمَّةُ عَلَى ابْنَةِ أَخِيهَا أَوِ الْمَرْأَةُ عَلَى خَالَتِهَا أَوِ الْخَالَةُ عَلَى بِنْتِ أُخْتِهَا لاَ تُنْكَحُ الصُّغْرَى عَلَى الْكُبْرَى وَلاَ الْكُبْرَى عَلَى الصُّغْرَى ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ عَامَّةِ أَهْلِ الْعِلْمِ لاَ نَعْلَمُ بَيْنَهُمُ اخْتِلاَفًا أَنَّهُ لاَ يَحِلُّ لِلرَّجُلِ أَنْ يَجْمَعَ بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَعَمَّتِهَا أَوْ خَالَتِهَا فَإِنْ نَكَحَ امْرَأَةً عَلَى عَمَّتِهَا أَوْ خَالَتِهَا أَوِ الْعَمَّةَ عَلَى بِنْتِ أَخِيهَا فَنِكَاحُ الأُخْرَى مِنْهُمَا مَفْسُوخٌ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ عَامَّةُ أَهْلِ الْعِلْمِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى أَدْرَكَ الشَّعْبِيُّ أَبَا هُرَيْرَةَ وَرَوَى عَنْهُ ‏.‏ وَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا فَقَالَ صَحِيحٌ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَرَوَى الشَّعْبِيُّ عَنْ رَجُلٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏
। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, কোন মহিলাকে তার ফুফুর সাথে অথবা ফুফুকে তার ভাইয়ের মেয়ের সাথে অথবা কোন মহিলাকে তার খালার সাথে অথবা খালাকে তার বোনের মেয়ের সাথে এবং ছোট বোনের সাথে বড় বোনকে এবং বড় বোনের সাথে ছোট বোনকে একত্রে (সতীনরপে) বিয়ে করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন। — সহীহ, ইরওয়া (৬/২৮৯), সহীহ আবু দাউদ (১৮০২) ইবনু আব্বাস ও আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসদ্বয়কে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী সকল বিশেষজ্ঞ আলিম আমল করার কথা বলেছেন। কোন মহিলাকে তার ফুফু অথবা খালার সাথে একত্রে (সতীনরপে) বিয়ে করা যে বৈধ নয় তাদের মধ্যে এই ব্যাপারে কোন মত পার্থক্য নেই। কোন মহিলাকে যদি কোন ব্যক্তি তার খালা অথবা ফুফুর সাথে একত্রে বিয়ে করে তবে পরের বিয়েটি বাতিল হয়ে যাবে। সকল আলিমই এ কথা বলেছেন। আবু ঈসা বলেন, আবূ হুরাইরা (রাঃ)-এর দেখা পেয়েছেন শাবি (রাহঃ) এবং তার নিকট হতে হাদীসও বর্ণনা করেছেন। আমি ইমাম বুখারীকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তিনি এর সত্যতা স্বীকার করেন। শাবী এক রাবীর মধ্যস্থতায়ও আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে হাদীস বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 1127 — Jami At Tirmidhi 11:49
সহিহসহিহহাসান Sahihসহিহ - Agreed Upon
حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ عِيسَى، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ مَرْثَدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْيَزَنِيِّ أَبِي الْخَيْرِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ أَحَقَّ الشُّرُوطِ أَنْ يُوفَى بِهَا مَا اسْتَحْلَلْتُمْ بِهِ الْفُرُوجَ ‏"‏ ‏.‏ حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى، مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جَعْفَرٍ، نَحْوَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْهُمْ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ قَالَ إِذَا تَزَوَّجَ رَجُلٌ امْرَأَةً وَشَرَطَ لَهَا أَنْ لاَ يُخْرِجَهَا مِنْ مِصْرِهَا فَلَيْسَ لَهُ أَنْ يُخْرِجَهَا ‏.‏ وَهُوَ قَوْلُ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ وَبِهِ يَقُولُ الشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَرُوِيَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ أَنَّهُ قَالَ شَرْطُ اللَّهِ قَبْلَ شَرْطِهَا ‏.‏ كَأَنَّهُ رَأَى لِلزَّوْجِ أَنْ يُخْرِجَهَا وَإِنْ كَانَتِ اشْتَرَطَتْ عَلَى زَوْجِهَا أَنْ لاَ يُخْرِجَهَا ‏.‏ وَذَهَبَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ إِلَى هَذَا وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَبَعْضِ أَهْلِ الْكُوفَةِ ‏.‏
। উকবা ইবনু আমির আল-জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদেরকে (বিয়ের চুক্তির) যে সকল শর্ত পালন করতে হয় তার মধ্যে সেসব শর্তই সবচেয়ে বেশি পালনীয় যার দ্বারা কোন মহিলাকে তোমরা হালাল কর। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৯৫৪), বুখারী, মুসলিম উপরের হাদীসের মত আবু মূসা মুহাম্মাদ ইবনুল মূসান্না-ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ হতে, তিনি আবদুল হামীদ ইবনু জাফরের সনদসূত্রেও বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একদল বিশেষজ্ঞ সাহাবী আমল করেছেন। তাদের মধ্যে উমর (রাঃ)-ও অন্তর্ভুক্ত আছেন। তিনি বলেছেন, যদি কোন মহিলাকে বিয়ে করার সময় কোন লোক এই শর্ত করে যে, তার শহর হতে তাকে অন্য কোথাও সে নিয়ে যেতে পারবে না, তবে তার শহর হতে তাকে অন্য কোথাও স্বামী নিয়ে যেতে পারবে না তবে তার শহর হতে তাকে অন্য কোথাও স্বামী নিয়ে যেতে পারবে না। কিছু সংখ্যক আলিমেরও এই অভিমত। একথা বলেছেন ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রাহঃ)-ও। আলী (রাঃ) বলেছেন, আল্লাহ তা'আলার শর্ত নারীর শর্ত হতে বেশি অগ্রগণ্য। অর্থাৎ তিনি বলতে চান, কোন স্ত্রীলোক তার স্বামীর উপর ‘তাকে তার শহর হতে অন্য কোথাও নিয়ে যেতে পারবে না’ এরকম শর্ত দিলেও স্বামী তা মেনে নিতে বাধ্য নয়। এই মত একদল আলিম গ্রহণ করেছেন। এই মত সুফিয়ান সাওরী ও কোন কোন কুফাবাসী আলিমেরও।
হাদিস 1128 — Jami At Tirmidhi 11:50
সহিহসহিহসহিহহাসান
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ غَيْلاَنَ بْنَ سَلَمَةَ الثَّقَفِيَّ، أَسْلَمَ وَلَهُ عَشْرُ نِسْوَةٍ فِي الْجَاهِلِيَّةِ فَأَسْلَمْنَ مَعَهُ فَأَمَرَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَتَخَيَّرَ أَرْبَعًا مِنْهُنَّ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَكَذَا رَوَاهُ مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ ‏.‏ قَالَ وَسَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ يَقُولُ هَذَا حَدِيثٌ غَيْرُ مَحْفُوظٍ وَالصَّحِيحُ مَا رَوَى شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ وَغَيْرُهُ عَنِ الزُّهْرِيِّ قَالَ حُدِّثْتُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سُوَيْدٍ الثَّقَفِيِّ أَنَّ غَيْلاَنَ بْنَ سَلَمَةَ أَسْلَمَ وَعِنْدَهُ عَشْرُ نِسْوَةٍ ‏.‏ قَالَ مُحَمَّدٌ وَإِنَّمَا حَدِيثُ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رَجُلاً مِنْ ثَقِيفٍ طَلَّقَ نِسَاءَهُ فَقَالَ لَهُ عُمَرُ لَتُرَاجِعَنَّ نِسَاءَكَ أَوْ لأَرْجُمَنَّ قَبْرَكَ كَمَا رُجِمَ قَبْرُ أَبِي رِغَالٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَالْعَمَلُ عَلَى حَدِيثِ غَيْلاَنَ بْنِ سَلَمَةَ عِنْدَ أَصْحَابِنَا مِنْهُمُ الشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, যে সময়ে গাইলান ইবনু সালামা আস-সাকাফী ইসলাম গ্রহণ করেন সে সময়ে তার দশজন স্ত্রী ছিল, যাদের তিনি বিয়ে করেছিলেন জাহিলী যুগের মধ্যে। তার সাথে সাথে তারাও মুসলিম হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এদের মধ্যে যে কোন চারজনকে বেছে নেয়ার নির্দেশ দেন। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৯৫৩) আবু ঈসা বলেন, মামার যুহরী হতে, তিনি সালিমের পিতার সুত্রেও একইরকম বর্ণনা করেছেন। তিনি আরও বলেনঃ আমি ইমাম বুখারীকে বলতে শুনেছি, এ হাদীসটি সুরক্ষিত নয়। যুহরী হতে শুআইব ইবনু আবূ হামযা ও অন্যান্যদের বর্ণিত রিওয়ায়াতটিই সহীহ। ইমাম বুখারী বলেন, আমি এ হাদীসটি মুহাম্মাদ ইবনু সুওয়াইদ সাকাফী হতে পেয়েছি। এতে আছে, গাইলান ইবনু সালামা ইসলাম গ্রহণ করলেন, সে সময় তার দশজন স্ত্রী ছিল। এই বর্ণনাটিই সহীহ। ইমাম বুখারী আরো বলেন, যুহরী সালিমের সূত্রে, তিনি তার পিতার সূত্রে যে হাদীস বর্ণনা করেছেন তা হলঃ “সাকীফ গোত্রের কোন এক লোক তার স্ত্রীদের তালাক প্রদান করলো। উমার (রাঃ) তাকে বললেন, পুনরায় তোমার স্ত্রীদেরকে তুমি ফিরিয়ে আনবে। অন্যথায় (সামূদ জাতির এক অভিশপ্ত ব্যক্তি) যেভাবে আবূ রিগালের কবরে পাথর মারা হয়েছিল, সেভাবে আমিও তোমার কবরে পাথর মারব।" আবু ঈসা বলেন, আমাদের সাখীদের মতে, গাইলান ইবনু সালামার হাদীস অনুসারে আমল করতে হবে। তাদের মধ্যে ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাকও অন্তর্ভুক্ত।
হাদিস 1129 — Jami At Tirmidhi 11:51
হাসানহাসানহাসান
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ أَبِي وَهْبٍ الْجَيْشَانِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ فَيْرُوزَ الدَّيْلَمِيَّ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَسْلَمْتُ وَتَحْتِي أُخْتَانِ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اخْتَرْ أَيَّتَهُمَا شِئْتَ ‏"‏ ‏.‏
। ইবনু ফাইরূয আদ-দাইলামী (রহঃ) হতে তার পিতার সুত্রে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি এবং আমার অধীনে দুই বোন স্ত্রী হিসেবে আছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ দু'জনের মধ্যে যাকে ভালো লাগে তাকে বেছে নাও। – হাসান, ইবনু মা-জাহ
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।