সহিহসহিহসহিহ Bukhari (5892، 5893) Sahih Muslim (259)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمَرَ بِإِحْفَاءِ الشَّوَارِبِ وَإِعْفَاءِ اللِّحَى .
। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোঁচ কাটতে এবং দাড়ি লম্বা করতে আদেশ দিয়েছেন।[1] সহীহ।
হাদিস 4200 — Sunan Abu Dawud 35:42
সহিহসহিহদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ الدَّقِيقِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ وَقَّتَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَلْقَ الْعَانَةِ وَتَقْلِيمَ الأَظْفَارِ وَقَصَّ الشَّارِبِ وَنَتْفَ الإِبْطِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا مَرَّةً . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ أَبِي عِمْرَانَ عَنْ أَنَسٍ لَمْ يَذْكُرِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ وُقِّتَ لَنَا وَهَذَا أَصَحُّ .
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের জন্য সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন অন্তত চল্লিশ দিনে একবার নাভির নীচের লোম কামাতে, নখ কাটতে, মোঁচ ছাঁটতে এবং বগলের লোম উপড় ফেলতে। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটি জা‘ফার ইবনু সুলাইমান থেকে আবূ ইমরান থেকে আনাস (রাঃ) সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। এ সূত্রে বর্ণনাকারী 'নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন' এরূপ বর্ণনা করেননি, বরং বর্ণনা করেছেন এভাবেঃ আমাদের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আর এটাই অধিক সহীহ।[1] সহীহ।
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা হজ (হজ্জ) ও উমরা ছাড়া দাঁড়ির সম্মুখ ভাগ লম্বা করে রাখতাম। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ নাভির নীচের লোম কামিয়ে ফেলা।[1] সনদ দুর্বল।
। আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা পাকা চুল-দাঁড়ি উপড়িয়ে ফেলো না। কেননা কোনো মুসলিম ইসলামের মধ্যে থেকে চুল পাকালে (সুফিয়ানের বর্ণনায় রয়েছে) এটা তার জন্য কিয়ামতের দিন উজ্জ্বল নূর হবে। (ইয়াহইয়ার বর্ণনায় রয়েছে) আল্লাহ তার প্রতিটি পাকা চুলের পরিবর্তে তাকে একটি নেকী দান করবেন এবং একটি গুনাহ মিটিয়ে দিবেন।[1] হাসান সহীহ।
হাদিস 4203 — Sunan Abu Dawud 35:45
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (5899) Sahih Muslim (2103)
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، وَسُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى لاَ يَصْبُغُونَ فَخَالِفُوهُمْ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নিশ্চয়ই ইয়াহুদী ও নাসারাগণ চুল-দাঁড়িতে খেযাব লাগায় না। কাজেই তোমার তাদের বিপরীত করো।[1] সহীহ।
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন আবূ কুহাফাকে আনা হলো। এ সময় তার মাথার চুল ও দাঁড়ি সাগামাহ (গাছের) মত একেবারে সাদা ছিলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ খেযাব লাগিয়ে এগুলো পরিবর্তন করো কিন্তু কালো রঙ বর্জন করো।[1] সহীহ।
। আবূ যার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এ বার্ধক্য পরিবর্তনের সবচেয়ে উত্তম রঙ হলো মেহেদি ও কাতাম (কালো রঙ নিঃসারক উদ্ভিদ)।[1] সহীহ।
হাদিস 4206 — Sunan Abu Dawud 35:48
সহিহসহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، - يَعْنِي ابْنَ إِيَادٍ - قَالَ حَدَّثَنَا إِيَادٌ، عَنْ أَبِي رِمْثَةَ، قَالَ انْطَلَقْتُ مَعَ أَبِي نَحْوَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا هُوَ ذُو وَفْرَةٍ بِهَا رَدْعُ حِنَّاءَ وَعَلَيْهِ بُرْدَانِ أَخْضَرَانِ .
। আবূ রিমসাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আমার পিতার সঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যাই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কানের লতি পর্যন্ত দীর্ঘ বাবরি চুল মেহেদির রঙে রঞ্জিত ছিলো এবং তাঁর পরিধানে ছিলো দু’টি সবুজ রঙের চাদর।[1] সহীহ।
। আবূ রিমসাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, অতঃপর আমার পিতা তাঁকে বলেন, আপনার পিঠের এ জিনিসটি (নাবূওয়াতের মোহর) আমাকে দেখান, কারণ আমি একজন চিকিৎসক। তিনি বললেনঃ আল্লাহ হলেন চিকিৎসক, আর তুমি একজন বন্ধু। তিনিই এর চিকিৎসক যিনি একে সৃষ্টি করেছেন।[1] সহীহ।
। আবূ রিমসাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। আমি ও আমার পিতা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম। তিনি এক ব্যক্তিকে বা তার পিতাকে বললেনঃ এটা কে? তিনি বলেন, আমার ছেলে। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ তার উপর মন্দ আচরণ করো না। এ সময় তাঁর দাঁড়ি মেহেদির রঙে রঞ্জিত ছিলো।[1] সহীহ।