Qurani·قرآني
বাংলা

চুল আঁচড়ানো (কিতাবুত তারাজ্জুল)

55 হাদিস · #4159–4213

হাদিস 4209 — Sunan Abu Dawud 35:51
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (5895) Sahih Muslim (2341)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ خِضَابِ النَّبِيِّ، صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ أَنَّهُ لَمْ يَخْضِبْ وَلَكِنْ قَدْ خَضَبَ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا ‏.‏
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেযাব ব্যবহার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খেযাব ব্যবহার করেননি; কিন্তু আবূ বাকর (রাঃ)-ও খেযাব লাগিয়েছেন।[1] সহীহ।
হাদিস 4210 — Sunan Abu Dawud 35:52
সহিহসহিহসহিহIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ مُطَرِّفٍ أَبُو سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي رَوَّادٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَلْبَسُ النِّعَالَ السِّبْتِيَّةَ وَيُصَفِّرُ لِحْيَتَهُ بِالْوَرْسِ وَالزَّعْفَرَانِ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يَفْعَلُ ذَلِكَ ‏.‏
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাকা চামড়ার তৈরী জুতা পরতেন এবং তাঁর দাঁড়িতে ওয়ারস ঘাসের রস ও জাফরান লাগাতেন। ইবনু উমার (রাঃ)-ও এরূপ করতেন।[1] সহীহ।
হাদিস 4211 — Sunan Abu Dawud 35:53
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ مَرَّ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رَجُلٌ قَدْ خَضَبَ بِالْحِنَّاءِ فَقَالَ ‏"‏ مَا أَحْسَنَ هَذَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَمَرَّ آخَرُ قَدْ خَضَبَ بِالْحِنَّاءِ وَالْكَتَمِ فَقَالَ ‏"‏ هَذَا أَحْسَنُ مِنْ هَذَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَمَرَّ آخَرُ قَدْ خَضَبَ بِالصُّفْرَةِ فَقَالَ ‏"‏ هَذَا أَحْسَنُ مِنْ هَذَا كُلِّهِ ‏"‏ ‏.‏
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক মেহেদির খেযাব লাগিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পাশ দিয়ে অতিক্রম করলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ এটা খুবই চমৎকার। বর্ণনাকারী বলেন, আরেক লোক মেহেদি ও কাতান মিশ্রিত খেযাব লাগিয়ে অতিক্রম করলে তিনি বলেন, এটা ওটার চেয়েও সুন্দর। অতঃপর আরেক লোক হলদে রঙের খেযাব লাগিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বলেন, এটা পূর্বের দু’টি তুলনায় আরো সুন্দর।[1] দুর্বল।
হাদিস 4212 — Sunan Abu Dawud 35:54
সহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا أَبُو تَوْبَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ الْجَزَرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يَكُونُ قَوْمٌ يَخْضِبُونَ فِي آخِرِ الزَّمَانِ بِالسَّوَادِ كَحَوَاصِلِ الْحَمَامِ لاَ يَرِيحُونَ رَائِحَةَ الْجَنَّةِ ‏"‏ ‏.‏
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শেষ যুগে এমন সম্প্রদায়ের আর্বিভাব হবে, যারা কবুতরের গলায় থলের ন্যায় কালো রঙের খেযাব লাগাবে। তারা জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না।[1] সহীহ।
হাদিস 4213 — Sunan Abu Dawud 35:55
দাঈফ Isnaadদাঈফ Isnaadদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جُحَادَةَ، عَنْ حُمَيْدٍ الشَّامِيِّ، عَنْ سُلَيْمَانَ الْمَنْبِهِيِّ، عَنْ ثَوْبَانَ، مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا سَافَرَ كَانَ آخِرُ عَهْدِهِ بِإِنْسَانٍ مِنْ أَهْلِهِ فَاطِمَةَ وَأَوَّلُ مَنْ يَدْخُلُ عَلَيْهَا إِذَا قَدِمَ فَاطِمَةَ فَقَدِمَ مِنْ غَزَاةٍ لَهُ وَقَدْ عَلَّقَتْ مِسْحًا أَوْ سِتْرًا عَلَى بَابِهَا وَحَلَّتِ الْحَسَنَ وَالْحُسَيْنَ قُلْبَيْنِ مِنْ فِضَّةٍ فَقَدِمَ فَلَمْ يَدْخُلْ فَظَنَّتْ أَنَّ مَا مَنَعَهُ أَنْ يَدْخُلَ مَا رَأَى فَهَتَكَتِ السِّتْرَ وَفَكَّكَتِ الْقُلْبَيْنِ عَنِ الصَّبِيَّيْنِ وَقَطَعَتْهُ بَيْنَهُمَا فَانْطَلَقَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُمَا يَبْكِيَانِ فَأَخَذَهُ مِنْهُمَا وَقَالَ ‏"‏ يَا ثَوْبَانُ اذْهَبْ بِهَذَا إِلَى آلِ فُلاَنٍ ‏"‏ ‏.‏ أَهْلِ بَيْتٍ بِالْمَدِينَةِ ‏"‏ إِنَّ هَؤُلاَءِ أَهْلُ بَيْتِي أَكْرَهُ أَنْ يَأْكُلُوا طَيِّبَاتِهِمْ فِي حَيَاتِهِمُ الدُّنْيَا يَا ثَوْبَانُ اشْتَرِ لِفَاطِمَةَ قِلاَدَةً مِنْ عَصَبٍ وَسِوَارَيْنِ مِنْ عَاجٍ ‏"‏ ‏.‏
। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আযাদকৃত গোলাম সাওবান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে বের হওয়ার সময় পরিবারের লোকদের মধ্যকার সবশেষ ফাতিমাহর কাছ থেকে বিদায় নিতেন; আর সফর শেষে বাড়ি এসে সবার আগে ফাতিমাহর সাথে দেখা করতেন। একদা তিনি কোনো এক যুদ্ধ থেকে ফিরে এসে দেখেন, ফাতিমাহর ঘরের দরজায় পশমী চাদর বা পর্দা ঝুলিয়েছেন এবং হাসান হুসাইনকে রূপার কাকন পরিয়েছেন। তাই তিনি তার ঘুরে ঢুকেননি। ফাতিমাহ (রাঃ) বুঝতে পারলেন যে, এসব দেখেই তিনি আমার নিকট আসেননি। তাই তিনি পর্দা ছিঁড়ে ফেলেন এবং কাকন দু’টো ছেলেদ্বয়ের হাত থেকে খুলে তাদের সামনেই ভেঙ্গে ফেলেন। তারা দু’ জন কাঁদতে কাঁদতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেলে তিনি তাদের হাত থেকে ভাঙ্গা কাকন নিয়ে বলেনঃ হে সাওবান! তুমি এটা নিয়ে মদীনার আহলে বাইতের অমুক পরিবারে যাও। নিঃসন্দেহে এরা হলো আমার ঘরের লোক। এরা তাদের পার্থিব জীবনে উত্তম খাবার গ্রহণ করুক তা আমি চাই না। হে সাওবান! ফাতিমাহর জন্য একটি পুতীর মালা ও হাতির দাঁতের তৈরি দু’টি কাকন কিনে আনো।[1] সনদ দুর্বল মুনকার।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।