حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ الْعَبْدِيُّ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي أَبُو حُصَيْنٍ، عَنْ شَيْخٍ، مِنْ أَهْلِ الْمَدِينَةِ عَنْ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ مَعَهُ بِدِينَارٍ يَشْتَرِي لَهُ أُضْحِيَةً فَاشْتَرَاهَا بِدِينَارٍ وَبَاعَهَا بِدِينَارَيْنِ فَرَجَعَ فَاشْتَرَى لَهُ أُضْحِيَةً بِدِينَارٍ وَجَاءَ بِدِينَارٍ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَتَصَدَّقَ بِهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَدَعَا لَهُ أَنْ يُبَارَكَ لَهُ فِي تِجَارَتِهِ .
। হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের জন্য একটি কুরবানীর পশু কিনতে তাকে একটি দীনারসহ বাজারে পাঠালেন। তিনি এক দীনারে তা ক্রয় করে দু’ দীনারে বিক্রি করলেন। তিনি পুনরায় ফিরে গিয়ে এক দীনারে তাঁর জন্য একটি কুরবানীর পশু কিনে একটি দীনারসহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দীনারটি সাদাকাহ করে দিলেন এবং তার ব্যবসায় বরকতের দু’আ করলেন।
। সালিম ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কেউ এক ফারাক চাউলের অধিকারী লোকের মতো হতে সক্ষম হলে যেন তাই হয়। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! চাউলওয়ালা কে? জবাবে তিনি গুহার মুখে পাথরচাপা পড়ে আটকে পড়া লোকদের ঘটনা বর্ণনা করলেন। তাদের প্রত্যেকে পরস্পরকে বললো, তোমরা তোমাদের জীবনের সবচেয়ে উত্তম কাজটি স্মরণ করো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তাদের মধ্যকার তৃতীয় ব্যক্তি হলো, হে আল্লাহ! তুমি তো অবহিত আছো, এক ফারাক চাউলের বিনিময়ে এক ব্যক্তির মজুর নিয়োগ করেছিলাম। সন্ধ্যা বেলায় আমি তার প্রাপ্য তাকে দিতে চাইলে সে তা নিতে অসম্মতি জানিয়ে চলে গেলো। আমি তার মজুরী কাজে খাটিয়ে তদ্বারা অনেক গরু ও রাখাল জমা করলাম। পরবর্তীতে লোকটি এসে আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বললো, আমার প্রাপ্য দিন। আমি তাকে বললাম, ঐসব গরু ও তার রাখালদের নিয়ে যাও। সে ওগুলো হাঁকিয়ে নিয়ে চলে গেলো।
। ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি, ‘আম্মার ও সা‘দ (রাঃ) এ মর্মে চুক্তি করি যে, ‘আমরা বদরের যুদ্ধে যা পাবো, তাতে ‘আমরা সমান অংশীদার হবো। তিনি বলেন, সা‘দ দু’জন দুশমনকে বন্দী করে আনলেন কিন্তু আমি ও ‘আম্মার কিছুই লাভ করতে পারিনি।
হাদিস 3389 — Sunan Abu Dawud 23:64
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim (1547)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ، يَقُولُ مَا كُنَّا نَرَى بِالْمُزَارَعَةِ بَأْسًا حَتَّى سَمِعْتُ رَافِعَ بْنَ خَدِيجٍ يَقُولُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْهَا . فَذَكَرْتُهُ لِطَاوُسٍ فَقَالَ قَالَ لِي ابْنُ عَبَّاسٍ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَنْهَ عَنْهَا وَلَكِنْ قَالَ " لأَنْ يَمْنَحَ أَحَدُكُمْ أَرْضَهُ خَيْرٌ مِنْ أَنْ يَأْخُذَ عَلَيْهَا خَرَاجًا مَعْلُومًا " .
। ‘আমর ইবনু দীনার (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছিঃ ‘আমরা ভাগচাষকে আপত্তিকর ভাবতাম। কিন্তু রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ)-কে বলতে শুনলাম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাগচাষ বর্জন করতে বলেছেন। আমি (‘আমর) কথাটি তাঊসকে জানালে তিনি বললেন, আমাকে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! ভাগচাষ নিষেধ করেননি। বরং তিনি বলেছেনঃ তোমাদের কারো বিনিময় ছাড়া ধার হিসেবে জমি দেয়াটা এর উপর নির্ধারিত করো গ্রহণ অপেক্ষা উত্তম।
। সা‘দ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আমরা নালার পার্শ্ববর্তী জমি ভাগচাষে দিতাম। এতে নিজ থেকেই পানি প্রবাহিত হতো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এরূপ করতে নিষেধ করলেন। তিনি আমাদেরকে স্বর্ণ মুদ্রা অথবা রৌপ্য মুদ্রার বিনিময়ে জমি ভাড়ায় খাটাতে আদেশ করেন।
হাদিস 3392 — Sunan Abu Dawud 23:67
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (2346، 2347) Sahih Muslim (1547 After 1548)
। হানযালাহ ইবনু কায়িস আল-আনসারী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাফি‘ ইবনু খাদীজ (রাঃ)-কে সোনা (দীনার) ও রূপার (দিরহাম) বিনিময়ে জমি ভাড়ায় খাটানো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এতে আপত্তি নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে লোকেরা নালার পার্শ্ববর্তী জমি, পাহাড়ের পাদদেশের জমি ও অন্যান্য কৃষিভূমি ভাগচাষে খাটাতো। এতে দেখা যেতো, এ অংশে কোনো ফসলই উৎপন্ন হতো না কিন্তু অপর অংশে যথেষ্ট ফসল উৎপন্ন হতো। আবার কখনো এ অংশের ফসল নিরাপদ থাকতো অথচ অপর অংশের ফসল নষ্ট হয়ে যেতো। তখন ভাগচাষ ব্যতীত জমি বন্দোবস্ত দেয়ার অন্য কোনো নিয়ম প্রচলিত ছিলো না। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাগচাষ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। অবশ্য নির্দিষ্ট ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা থাকলে কোনো আপত্তি নেই। বর্ণনাকারী ইবরাহীমের বর্ণনাটি পূর্ণাঙ্গ।
। হানযালাহ ইবনু কায়িস (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি রাফি‘ খাদীজা (রাঃ)-কে জমি বর্গা দেয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, ভাগচাষ করতে নিষেধ করেছেন। আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম, সোনা-রূপার বিনিময়ে? তিনি বললেন, সোনা-রূপার বিনিময়ে হলে কোনো দোষ নেই।
হাদিস 3394 — Sunan Abu Dawud 23:69
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (2345) Sahih Muslim (1547)
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ شُعَيْبِ بْنِ اللَّيْثِ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي اللَّيْثِ، حَدَّثَنِي عُقَيْلٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ ابْنَ عُمَرَ، كَانَ يُكْرِي أَرْضَهُ حَتَّى بَلَغَهُ أَنَّ رَافِعَ بْنَ خَدِيجٍ الأَنْصَارِيَّ حَدَّثَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَنْهَى عَنْ كِرَاءِ الأَرْضِ فَلَقِيَهُ عَبْدُ اللَّهِ فَقَالَ يَا ابْنَ خَدِيجٍ مَاذَا تُحَدِّثُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي كِرَاءِ الأَرْضِ قَالَ رَافِعٌ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ سَمِعْتُ عَمَّىَّ وَكَانَا قَدْ شَهِدَا بَدْرًا يُحَدِّثَانِ أَهْلَ الدَّارِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ كِرَاءِ الأَرْضِ . قَالَ عَبْدُ اللَّهِ وَاللَّهِ لَقَدْ كُنْتُ أَعْلَمُ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّ الأَرْضَ تُكْرَى . ثُمَّ خَشِيَ عَبْدُ اللَّهِ أَنْ يَكُونَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَحْدَثَ فِي ذَلِكَ شَيْئًا لَمْ يَكُنْ عَلِمَهُ فَتَرَكَ كِرَاءَ الأَرْضِ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ أَيُّوبُ وَعُبَيْدُ اللَّهِ وَكَثِيرُ بْنُ فَرْقَدٍ وَمَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ رَافِعٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَرَوَاهُ الأَوْزَاعِيُّ عَنْ حَفْصِ بْنِ عِنَانٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ رَافِعٍ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَكَذَلِكَ رَوَاهُ زَيْدُ بْنُ أَبِي أُنَيْسَةَ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّهُ أَتَى رَافِعًا فَقَالَ سَمِعْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ نَعَمْ . وَكَذَا قَالَ عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ عَنْ أَبِي النَّجَاشِيِّ عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ عَلَيْهِ السَّلاَمُ . وَرَوَاهُ الأَوْزَاعِيُّ عَنْ أَبِي النَّجَاشِيِّ عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ عَنْ عَمِّهِ ظُهَيْرِ بْنِ رَافِعٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . قَالَ أَبُو دَاوُدَ أَبُو النَّجَاشِيِّ عَطَاءُ بْنُ صُهَيْبٍ .
। ইবনু শিহাব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে সালিম ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রহঃ) জানিয়েছেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) তার জমি ভাগচাষে খাটাতেন। তিনি যখন অবহিত হলেন, রাফি‘ ইবনু খাদীজ আল-আনসারী (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাগচাষে জমি খাটাতে নিষেধ করেছেন, তখন ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) তার সাথে সাক্ষাৎ করলেন। তিনি বললেন, হে ইবনু খাদীজ! জমি বর্গা দেয়া সম্পর্কে আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছ থেকে কি হাদীস বর্ণনা করেন? রাফি‘ (রাঃ) ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমারকে বললেন, আমি আমার দু’ চাচার নিকট শুনেছি, তারা উভয়ে বদরের যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন, তারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরিবারের কাছ থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জমি বর্গা দিতে নিষেধ করেছেন। ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমি জানতাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে ভাগচাষ প্রচলন ছিলো। অতঃপর ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) এই আশংকা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ বিষয়ে হয়তো নতুন কোনো নির্দেশ দিয়েছেন যা তার জানা নেই। অতঃপর তিনি জমি বর্গা দেয়া বর্জন করেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আইয়ূব, উবাইদুল্লাহ কাসীর ইবনু ফারকাদ এবং মালিক এরা সকলেই রাফি থেকে খাদীজের মাধ্যমে হাদীসটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। আওযাঈ (রহঃ) হাফস ইবনু ইনান থেকে রাফি‘ (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আমি হাদীসটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে শুনেছি। অনুরূপভাবে যায়িদ ইবনু আবূ উনাইসাহ (রহঃ) হাকীম থেকে রাফি‘র মাধ্যমে ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি রাফি‘র কাছে এসে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে শুনেছেন? রাফি‘ বললেন, হ্যাঁ। এমনিভাবে ইকরিমাহ ইবনু ‘আম্মার (রহঃ) আবুন-নাজ্জাশীর থেকে রাফি‘ সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে (এ হাদীস) শুনেছি। আওযাঈ (রহঃ) আবুন-নাজ্জাশী থেকে রাফি‘ ইবনু খাদীজের সূত্রে এবং তিনি তার চাচা যুহাইর ইবনু রাফি’ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
হাদিস 3395 — Sunan Abu Dawud 23:70
সহিহসহিহসহিহ Muslim (1548)
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَيْسَرَةَ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ يَعْلَى بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّ رَافِعَ بْنَ خَدِيجٍ، قَالَ كُنَّا نُخَابِرُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ أَنَّ بَعْضَ عُمُومَتِهِ أَتَاهُ فَقَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ أَمْرٍ كَانَ لَنَا نَافِعًا وَطَوَاعِيَةُ اللَّهِ وَرَسُولِهِ أَنْفَعُ لَنَا وَأَنْفَعُ . قَالَ قُلْنَا وَمَا ذَاكَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ كَانَتْ لَهُ أَرْضٌ فَلْيَزْرَعْهَا أَوْ فَلْيُزْرِعْهَا أَخَاهُ وَلاَ يُكَارِيهَا بِثُلُثٍ وَلاَ بِرُبُعٍ وَلاَ بِطَعَامٍ مُسَمًّى " .
। সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাফি‘ ইবনু খাদীজা (রাঃ) বলেন, ‘আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে জমি ভাগচাষে খাটাতাম। তিনি উল্লেখ করলেন, তার এক চাচা তার কাছে এসে বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি কাজ বর্জন করতে বলেছেন, যা আমাদের জন্য লাভজনক ছিলো। কিন্তু আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করা আমাদের জন্য তার চেয়েও অধিক লাভজনক ও কল্যাণকর। বর্ণনাকারী বলেন, ‘আমরা বললাম, তা কীভাবে? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার জমি আছে সে নিজে তা চাষ করবে অথবা তার ভাইকে যেন চাষ করতে দেয়। সে যেন তা এক-তৃতীয়াংশ বা এক-চতুর্থাংশ অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যশস্য প্রদানের বিনিময়ে বর্গা না দেয়।