। আমর ইবনুল আস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমাদের ও আহলে কিতাবের সওমের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সাহারী খাওয়া।[1] সহীহ।
। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিলালের আযান যেন তোমাদেরকে সাহরী খাওয়া থেকে বিরত না রাখে। কেননা সে আযান দেয় (বা আহবান জানায়) রাতের সালাত আদায়কারীদেরকে ফিরিয়ে আনার জন্য, আর যারা ঘুমিয়েছিল তাদেরকে জাগ্রত করতে। আর এরূপ না হওয়া পর্যন্ত ফজর হয় না। ইয়াহইয়া (রহ.) হাতের তালুকে একত্র করে বলেন, এরূপ, ইয়াহইয়া তর্জননীদ্বয়কে প্রসারিত করেন।[1] সহীহ।
। কায়িস ইবনু তালক (রহ.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ খাও এবং পান করো। ঊর্ধ্বাকাশে ভোরের যে লম্বা রেখা ফুটে উঠে, তা যেন তোমাদেরকে (সাহারী খাওয়া থেকে) বিরত না রাখে। সুতরাং আকাশের দিগন্তে লাল রঙ্গের ফর্সা ফুটে উঠা পর্যন্ত তোমরা খাও এবং পান করো।[1] হাসান সহীহ।
হাদিস 2349 — Sunan Abu Dawud 14:37
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1916) Sahih Muslim (1090)
। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ ‘তোমরা পানাহার করো যতক্ষণ না রাতের কালো সুতা থেকে ভোরের সাদা সুতা (রেখা) স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত হয়’’ (সূরা আল-বাকারাহঃ ১৮৭)। তখন আমি একটি কালো ও একটি সাদা রংয়ের সুতা নিয়ে আমার বালিশের নীচে রাখি। এরপর আমি তা দেখতে থাকি কিন্তু তা স্পষ্টভাবে দেখতে পেলাম না। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে গিয়ে বিষয়টি উল্লেখ করলে তিনি হেসে হেসে উঠলেন এবং বললেনঃ বালিশ তো দৈঘ্য প্রস্থকারী। বরং এটা হচ্ছে রাত ও দিন। উসমানের বর্ণনায় রয়েছেঃ তা তো রাতের অন্ধকার এবং দিনের শুভ্রতা।[1] সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ ফজরের আযান শুনতে পায় অথচ খাবারের পাত্র তার হাতে থাকে, সে যেন তা রেখে না দেয় যতক্ষণ না তার প্রয়োজন পূরন হয়।[1] হাসান সহীহ।
হাদিস 2351 — Sunan Abu Dawud 14:39
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1954) Sahih Muslim (1100)
। ‘আসিম ইবনু উমার (রাযি.) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন এদিক (পূর্বদিকে) থেকে রাত আসে এবং এদিক(পশ্চিম দিক) থেকে দিন তিরোহিত হয় অর্থাৎ সূর্য অস্তমিত যায়, তখন সওম পালনকারীর ইফতারের সময়।[1] সহীহ।
হাদিস 2352 — Sunan Abu Dawud 14:40
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1955) Sahih Muslim (1101)
। আব্দুল্লাহ ইবনু আবূ ‘আওফা (রাযি.) বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সফরে গেলাম। তখন তিনি সওম পালনরত ছিলেন। সূর্য ডুবে গেলে তিনি বললেনঃ হে বিলাল! সওয়ারী থেকে নেমে আমাদের জন্য ছাতু তৈরী করে আনো। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সন্ধ্যা হতে দিন। তিনি বললেনঃ সওয়ারী থেকে নেমে আমাদের জন্য ছাতু তৈরী করে আনো। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এখনো তো দিন বাকী আছে। তিনি আবারও বললেনঃ নামো এবং আমাদের জন্য ছাতু বানাও। অতঃপর তিনি নেমে ছাতু তৈরী করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পান করে বললেনঃ যখন তোমরা এদিক (পূর্বদিক) থেকে রাতের অন্ধকার ঘনিয়ে আসতে দেখবে তখনই সওম পালনকারীর ইফতার করবে। তিনি তাঁর আঙ্গুল দিয়ে পূর্বদিকে ইঙ্গিত করে দেখালেন।[1] সহীহ।