حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي عَطِيَّةَ، قَالَ دَخَلْتُ عَلَى عَائِشَةَ - رضى الله عنها - أَنَا وَمَسْرُوقٌ فَقُلْنَا يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ رَجُلاَنِ مِنْ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم أَحَدُهُمَا يُعَجِّلُ الإِفْطَارَ وَيُعَجِّلُ الصَّلاَةَ وَالآخَرُ يُؤَخِّرُ الإِفْطَارَ وَيُؤَخِّرُ الصَّلاَةَ قَالَتْ أَيُّهُمَا يُعَجِّلُ الإِفْطَارَ وَيُعَجِّلُ الصَّلاَةَ قُلْنَا عَبْدُ اللَّهِ . قَالَتْ كَذَلِكَ كَانَ يَصْنَعُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
। আবূ ‘আতিয়্যাহ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি ও মাসরূক (রহ.) ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে বলি, হে উম্মুল মু‘মিনীন! মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুইজন সাহাবীর একজন সূর্যাস্তের সাথে সাথে ইফতার করেন এবং খুব তাড়াতাড়ি (মাগরিবের) সালাত আদায় করে নেন। আর দ্বিতীয়জন বিলম্বে ইফতার করেন এবং সালাতও বিলম্বে আদায় করেন। তিনি বললেন, তাদের মধ্যে কে ইফতার অনতিবিলম্বে করেন এবং সালাত তাড়াতাড়ি আদায় করেন? আমরা বললাম, তিনি হচ্ছেন আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাযি.)। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপই করতেন।[1] সহীহ।
। মারওয়ান ইবনু সালিম আল-মুকাফফা‘ (রহ.) বলেন, আমি ইবনু উমার (রাযি.)-কে তার দাড়ি মুষ্টিবদ্ধ করে ধরে মুষ্টির বাড়তি অংশ কেটে ফেলতে দেখেছি। আর তিনি বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইফতারের সময় বলতেনঃ ‘পিপাসা দূরীভূত হয়েছে, শিরা-উপশিরাগুলো সিক্ত হয়েছে এবং ইনশাআল্লাহ প্রতিদানও নির্ধারিত হয়েছে।’[1] হাসান।
হাদিস 2358 — Sunan Abu Dawud 14:46
দাঈফদাঈফSanad Daifদাঈফ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ زُهْرَةَ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا أَفْطَرَ قَالَ " اللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلَى رِزْقِكَ أَفْطَرْتُ " .
। মুয়ায ইবনু যুহরা (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তাঁর নিকট হাদীস পৌঁছেছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইফতারের সময় বলতেনঃ ‘‘আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়া ‘আলা রিযকিকা আফতারতু।’’ অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার উদ্দেশ্যেই সওম পালন করেছি এবং আপনার দেয়া রিযিক দ্বারাই ইফতার করেছি।[1] দুর্বলঃ মিশকাত (১৯৯৪), ইরওয়া
। আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সময় রমাযানে এক মেঘাচ্ছন্ন দিনে ইফতার করার পূর্বে সূর্য প্রকাশ হয়ে পড়লো। আবূ উসামাহ (রহ.) বলেন, আমি হিশামকে বললাম, তাদেরকে কি তা কাযা করার নির্দেশ করা হয়েছিল? তিনি বললেন, তা অবশ্যই করণীয়।[1] সহীহ।
হাদিস 2360 — Sunan Abu Dawud 14:48
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1962) Sahih Muslim (1102)
। ইবনু উমার (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিরতিহীন সওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। লোকেরা বললো, আপনি তো সাওমে বিসাল রাখেন। তিনি বললেনঃ আমার অবস্থা তোমাদের মতো নয়। কেননা আমাকে পানাহার করানো হয়।[1] সহীহ।
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেনঃ তোমরা বিরতিহীন সওম পালন করো না। অবশ্য কেউ ‘সাওমে বিসাল’ করতে চাইলে সাহারী পর্যন্ত করতে পারে। সাহাবীরা বললেন, আপনি তো ক্রমাগত সওম পালন করেন? তিনি বলেনঃ আমার অবস্থা তোমাদের মতো নয়। আমার খাদ্যদাতা ও পানীয়দাতা আছেন। তিনি আমাকে পানাহার করান।[1] সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ যদি সওম পালন করেও মিথ্যা বলা ও অপকর্ম ত্যাগ না করে, তাহলে তার পানাহার বর্জন করাতে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।[1] সহীহ।