حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، عَنْ عَبْدِ السَّلاَمِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ أَبِي خَالِدٍ الدَّالاَنِيِّ، عَنْ أَبِي الْعَلاَءِ الأَوْدِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْحِمْيَرِيِّ، عَنْ رَجُلٍ، مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا اجْتَمَعَ الدَّاعِيَانِ فَأَجِبْ أَقْرَبَهُمَا بَابًا فَإِنَّ أَقْرَبَهُمَا بَابًا أَقْرَبُهُمَا جِوَارًا وَإِنْ سَبَقَ أَحَدُهُمَا فَأَجِبِ الَّذِي سَبَقَ " .
। হুমাইদ ইবনু আব্দর রাহমান আল হিমজারী (রহঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এক সাহাবীর সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ দু’ ব্যক্তি একই সাথে দা‘ওয়াত করলে তোমার বাড়ীর নিকটতর ব্যক্তির দা‘ওয়াত কবূল করবে। কেননা বাড়ীর নিকটবর্তী ব্যক্তি নিকটতর প্রতিবেশী। আর যদি একজন অন্যজনের আগে দা‘ওয়াত দিতে আসে তবে প্রথমে আসা ব্যক্তির দওয়াত কবূল করবে।[1] দুর্বলঃ ইরওয়াহ (১৯৫১), মিশকাত (৩২২৩)।
হাদিস 3757 — Sunan Abu Dawud 28:22
সহিহসহিহসহিহIsnaad Sahih Sahih Bukhari (677) Sahih Muslim (559)
। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের রাতের খাবার উপস্থিত করা হলে এবং ‘ইশার সালাতের ইকামাত দেয়া হলে খাবার শেষ না করে সালাতে যাবে না। মুসাদ্দাদের বর্ণনায় রয়েছেঃ আব্দুল্লাহ ইবনু উমারের রাতের খাবার পরিবেশন করা হলে বা রাতের খাবার আনা হলে তিনি আহার শেষ না করে কখনো সালাতের জন্য উঠতেন না। এমন কি ইকামাত বা ইমামের কিরাআত শুনতে পেলেও তিনি আহার শেষ না করা পর্যন্ত উঠতেন না।[1] সহীহ।
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ খাবারের জন্য বা অন্য কোনো কারণে সালাতের জামা‘আত বিলম্বিত করা যাবে না।[1] দুর্বলঃ মিশকাত (১০৭১)।
। আব্দুল্লাহ ইবনু উবাইদ ইবনু উমাইর (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনুয যুবায়র (রাঃ)-এর সময় আমার পিতার সঙ্গে আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন আব্বাদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনুয যুবায়র বললেন, আমরা শুনেছি, রাতের আহারকে সালাতের উপর (অর্থাৎ আগে খেয়ে নেয়ার) অগ্রাধিকার দেয়া হতো। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তাকে বললেন, তোমার জন্য দুঃখ হয়! তুমি কি মনে করেছে আগেকার লোকদের রাতের আহার তোমার পিতার রাতের আহারের অনুরূপ ছিলো?[1] সনদ হাসান।
। আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম টয়লেট থেকে বেরিয়ে এলে তাঁর সামনে খাবার উপস্থিত করা হলো। সাহাবীগণ বললেন, আপনার জন্য উযুর পানি নিয়ে আনবো কি? তিনি বললেনঃ আমাকে তো সালাতের জন্য উযু করার আদেশ দেয়া হয়েছে।[1] সহীহ।
। সালমান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আম তাওরাতে পড়েছিঃ ‘‘খাবার শুরুর আগে উযু করার মধ্যেই খাবারের বরকত নিহিত।’’ আমি এ কথা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেনঃ খাদ্য গ্রহণের আগে ও পরে উযু করার (হাত ধোয়ার) মধ্যে খাদ্যের বরকত নিহিত। সুফিয়ান (রহঃ) খাওয়ার পূর্বে উযু করা পছন্দ করতেন না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটি যঈফ।[1] দুর্বলঃ যঈফাহ (১৬৮), মিশকাত (৪২০৮)।
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পেশাব-পায়খানা সেরে গিরিপথ থেকে নামলেন। আমাদের সামনে ঢালের উপর খেজুর রাখা ছিলো। আমরা তাঁকে খেতে ডাকলে তিনি আমাদের সঙ্গে খেজুর খেলেন কিন্তু পানি স্পর্শ করলে না (হাত ধৌত করেননি)।[1] সনদ দুর্বল।
হাদিস 3763 — Sunan Abu Dawud 28:28
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (5409) Sahih Muslim (2064)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ مَا عَابَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم طَعَامًا قَطُّ إِنِ اشْتَهَاهُ أَكَلَهُ وَإِنْ كَرِهَهُ تَرَكَهُ .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো খাদ্যের দোষ বর্ণনা করতেন না। রুচি হলে তিনি খেতেন, আর রুচি না হলে বাদ দিতেন।[1] সহীহ।
। ওয়াহশী ইবনু হারব থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা খাবার খাই, কিন্তু পরিতৃপ্ত হতে পারি না। তিনি বললেনঃ হয় তো তোমরা বিচ্ছিন্নভাবে খাও। তারা বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তোমরা একত্রে আহার করো এবং খাদ্য গ্রহণের সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করো, তাহলে তোমাদের খাদ্যে বরকত দেয়া হবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, যদি তোমাকে কোথাও দা‘ওয়াত করা হয় এবং খাবার সামনে রাখা হয় তাহলে বাড়ির কর্তা অনুমতি না দেয়া পর্যন্ত খাওয়া শুরু করবে না।[1] হাসান।
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেনঃ কোনো ব্যক্তি তার ঘরে প্রবেশ ও খাদ্য গ্রহণের সময় আল্লাহর নাম নিলে শয়তান (তার সঙ্গীদের) বলে, রাতে এখানে তোমাদের থাকা-খাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যখন কোনো ব্যক্তি ঘরে প্রবেশের সময় আল্লাহর নাম নেয় না, তখন শয়তান বলে, তোমরা রাতে থাকার স্থান পেলে। সে যখন খাবার সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করে না তখন শয়তান বলে, তোমরা রাতে থাকার জায়গা ও খাওয়ার দুটোর সুযোগই পেলে।[1] সহীহ।