। আবূ ওয়াইল আল-কাস (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা উরওয়াহ ইবনু মুহাম্মাদ আস সা‘দির নিটক গেলাম। তখন এক ব্যক্তি তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি করে তাকে রাগিয়ে দিলো। অতএব তিনি দাঁড়ালেন এবং উযু করলেন। অতঃপর বললেন, আমার পিতা আমার দাদা আতিয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রাগ হচ্ছে শয়তানী প্রভাবের ফল। শয়তানকে আগুন থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর আগুন পানি দিয়ে নিভানো যায়। অতএব তোমাদের কারো রাগ হলে সে যেন উযু করে নেয়।[1] দুর্বল।
হাদিস 4785 — Sunan Abu Dawud 43:13
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (6126) Sahih Muslim (2327)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها أَنَّهَا قَالَتْ مَا خُيِّرَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي أَمْرَيْنِ إِلاَّ اخْتَارَ أَيْسَرَهُمَا مَا لَمْ يَكُنْ إِثْمًا فَإِنْ كَانَ إِثْمًا كَانَ أَبْعَدَ النَّاسِ مِنْهُ وَمَا انْتَقَمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِنَفْسِهِ إِلاَّ أَنْ تُنْتَهَكَ حُرْمَةُ اللَّهِ تَعَالَى فَيَنْتَقِمَ لِلَّهِ بِهَا .
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখনই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দু’টি কাজের যে কোনো একটি গ্রহণের স্বাধীনতা দেয়া হতো তখন তিনি দু’টির মধ্যে সহজতরটি গ্রহণ করতেন, যদি না তা পাপ কাজ হতো। আর যদি তা পাপ কাজ হতো তবে তিনি তা থেকে অন্যদের তুলনায় সবচেয়ে বেশি দূরে থাকতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপারে প্রতিশোধ নেননি। কিন্তু আল্লাহর প্রদত্ত সীমারেখা বা নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তিনি আল্লাহর জন্য অবশ্যই তার প্রতিশোধ নিতেন।[1] সহীহ।
হাদিস 4786 — Sunan Abu Dawud 43:14
সহিহসহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها، قَالَتْ مَا ضَرَبَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَادِمًا وَلاَ امْرَأَةً قَطُّ .
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো কোনো খাদেমকে এবং কোনো মহিলাকে মারধর করেননি।[1] সহীহ।
। আব্দুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ) মহান আল্লাহর এ বাণী ‘‘তুমি ক্ষমানীতি অবলম্বন করো’’ (সূরা আল-আরাফঃ ১৯৯) সম্পর্কে বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মানুষের চারিত্রিক দুর্বলতা ক্ষমা করার আদেশ দেয়া হয়েছে।[1] সহীহ।
হাদিস 4788 — Sunan Abu Dawud 43:16
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (6101) Sahih Muslim (2356)
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ، - يَعْنِي الْحِمَّانِيَّ - حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِذَا بَلَغَهُ عَنِ الرَّجُلِ الشَّىْءُ لَمْ يَقُلْ مَا بَالُ فُلاَنٍ يَقُولُ وَلَكِنْ يَقُولُ " مَا بَالُ أَقْوَامٍ يَقُولُونَ كَذَا وَكَذَا " .
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কোনো ব্যক্তি কোনো বিষয়ে জানানো হলে তিনি এভাবে বলতেন নাঃ তার কি হলো যে, সে একথা বলে? বরং তিনি বলতেনঃ লোকজনের কি হলো যে, তারা এই এই বলে।[1] সহীহ।
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলো। তখন তার শরীরে হলুদ রঙ এর আলামত ছিলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কারো মুখের উপর তার দোষত্রুটি নির্দশ করতে সংকোচবোধ করতেন। তাই লোকটি যখন চলে যেতে লাগলো তখন তিনি বললেনঃ তোমরা যদি এ ব্যক্তিকে তার চেহারার ঐ রঙ ধুয়ে ফেলতে বলতে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, সালম আলী (রাঃ) বংশীয় নন। তিনি জ্যোর্তিবিদ্যা চর্চা করতেন। তিনি আদী ইবনু আরতাত (রাঃ)-এর সামনে চাঁদ দেখার সাক্ষ্য দিলে তিনি তার সাক্ষ্য গ্রহণ করেননি।[1] দুর্বল।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মু‘মিন ব্যক্তি সরল ও ভদ্র প্রকৃতির হয়ে থাকে, কিন্তু পাপীষ্ঠ ব্যক্তি ধোঁকাবাজ ও নির্লজ্জ হয়।[1] হাসান।
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসার জন্য অনুমতি চাইলে তিনি বললেন, গোত্রের কতই না খারাপ লোক। অতঃপর তিনি বললেনঃ আসতে দাও! যখন সে ভিতরে এলো তার সঙ্গে তিনি নম্রভাবে কথা বললেন (সে চলে গেলে) আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এ ব্যক্তির সঙ্গে নম্রভাবে কথা বললেন, অথচ ইতোপূর্বে আপনি তার সম্পর্কে অন্যরকম মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বললেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট ঐ ব্যক্তিই সবচেয়ে খারাপ, যাকে মানুষ তার অশালীন কথার ভয়ে ত্যাগ করেছে।[1] সহীহ।
হাদিস 4792 — Sunan Abu Dawud 43:20
হাসান Sahihহাসান SahihহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها أَنَّ رَجُلاً، اسْتَأْذَنَ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " بِئْسَ أَخُو الْعَشِيرَةِ " . فَلَمَّا دَخَلَ انْبَسَطَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَكَلَّمَهُ فَلَمَّا خَرَجَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَمَّا اسْتَأْذَنَ قُلْتَ " بِئْسَ أَخُو الْعَشِيرَةِ " . فَلَمَّا دَخَلَ انْبَسَطْتَ إِلَيْهِ . فَقَالَ " يَا عَائِشَةُ إِنَّ اللَّهَ لاَ يُحِبُّ الْفَاحِشَ الْمُتَفَحِّشَ " .
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসার অনুমতি চাইলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ গোত্রের নিকৃষ্ট ভাই। অতঃপর লোকটি প্রবেশ করলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বললেন। লোকটি চলে গেলে আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! লোকটি যখন প্রবেশের জন্য আপনার অনুমতি চেয়েছিল আপনি তখন তার সম্পর্কে বলেছিলেন, গোত্রের নিকৃষ্ট ভাই; কিন্তু প্রবেশ করলে আপনি তার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বললেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আয়িশাহ! মহান আল্লাহ অশালীন ভাষীকে ভালবাসেন না। হাসান সহীহ।