حَدَّثَنَا عَبَّاسٌ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، فِي هَذِهِ الْقِصَّةِ قَالَتْ فَقَالَ تَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم " يَا عَائِشَةُ إِنَّ مِنْ شِرَارِ النَّاسِ الَّذِينَ يُكْرَمُونَ اتِّقَاءَ أَلْسِنَتِهِمْ " .
। আয়িশাহ (রাঃ) এ ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আয়িশাহ! সবচেয়ে খারাপ মানুষ তারাই যাদেরকে মানুষ তাদের জিহ্বার অনিষ্ট থেকে আত্মরক্ষার জন্য সম্মান করে।[1] সনদ দুর্বল।
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট কোনো ব্যক্তি এসে কানে কানে কথা বললে সে তার কান না সরানোর পূর্বে তাঁকে কখনো নিজের কান সরিয়ে নিতে দেখিনি। আর কোনো ব্যক্তি তার হাত ধরলে যতক্ষণ সে হাত না ছাড়তো ততক্ষণ তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর হাত সরাতেন না।[1] হাসান।
হাদিস 4795 — Sunan Abu Dawud 43:23
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (24) Sahih Muslim (36)
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَرَّ عَلَى رَجُلٍ مِنَ الأَنْصَارِ وَهُوَ يَعِظُ أَخَاهُ فِي الْحَيَاءِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " دَعْهُ فَإِنَّ الْحَيَاءَ مِنَ الإِيمَانِ " .
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসার গোত্রের এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। লোকটি তার ভাইকে লজ্জাশীলতার কারণে তিরস্কার করছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ একে ছেড়ে দাও; কেননা লজ্জাশীলতা ঈমানের একটি অঙ্গ।[1] সহীহ।
। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লজ্জার সবটুকুই কল্যাণকর। অধঃস্তন বর্ণনাকারী বুশাইর ইবনু কা‘ব বলেন, আমরা কতিপয় গ্রন্থে দেখতে পাই যে, লজ্জা দ্বারা প্রশান্তি ও গাম্ভীর্য অর্জন হয় এবং তাতে দুর্বলতা সৃষ্টি হয়। ইমরান (রাঃ) হাদীসটি পুনরায় বললেন। বুশাইরও তার কথার পুনরোক্তি করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, এতে ইমরান (রাঃ) রাগান্বিত হলেন, ফলে তার দু’ চোখ লাল হয়ে গেলো। তিনি বলেন, আমি তোমার নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীস বলছি আর তুমি এর বিপরীতে তোমার কিতাবের কথা উল্লেখ করছো। আবূ কাতাদাহ (রহঃ) বলেন, আমরা বললাম, হে আবূ নুজাইদ! থামো থামো।[1] সহীহ।
। আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পূর্বযুগের নবীগণের যে কথাটি মানুষের নিকট পৌঁছেছে তা হলোঃ যখন তুমি নির্লজ্জ হবে তখন যা ইচ্ছা তাই করতে পারো।[1] সহীহ।
হাদিস 4798 — Sunan Abu Dawud 43:26
সহিহসহিহসহিহ Lighairihiহাসান
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، - يَعْنِي الإِسْكَنْدَرَانِيَّ - عَنْ عَمْرٍو، عَنِ الْمُطَّلِبِ، عَنْ عَائِشَةَ، رَحِمَهَا اللَّهُ قَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِنَّ الْمُؤْمِنَ لَيُدْرِكُ بِحُسْنِ خُلُقِهِ دَرَجَةَ الصَّائِمِ الْقَائِمِ " .
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয়ই মু‘মিন ব্যক্তি তার ভালো চরিত্রের মাধ্যমে (দিনের) সওম পালনকারী ও (রাতের) তাহাজ্জুদ গুজারীর সমান মর্যাদা লাভ করতে পারে।[1] সহীহ।
। আবূ উমামা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত হওয়া সত্ত্বেও ঝগড়া পরিহার করবে আমি তার জন্য জান্নাতের বেষ্টনীর মধ্যে একটি ঘরের যিম্মাদার; আর যে ব্যক্তি তামাশার ছলেও মিথ্যা বলে না আমি তার জন্য জান্নাতের মাঝখানে একটি ঘরের যিম্মাদার আর যে ব্যক্তি তার চরিত্রকে সৌন্দর্যমন্ডিত করেছে আমি তার জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থানে অবস্থিত একটি ঘরের যিম্মাদার।[1] হাসান।
। হারিসা ইবনু ওয়াহব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জাওয়ায ও জা'যারি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি বলেন, জাওয়ায অর্থ অসভ্য।[1] সহীহ।
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আদবাকে (নবীজীর উষ্ট্রীকে) পরাজিত করা যেতো না। একদা এক বেদুঈন তার মাদী উষ্ট্রী নিয়ে এসে দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে তাতে বিজয়ী হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ মনোক্ষুণ্ণ হলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কোনো কিছুর চরম উন্নতী অর্জনের পর আবার অবনতির দিকে প্রত্যাবর্তিত করা আল্লাহর চিরন্তন নীতি।[1] সহীহ।