। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রাতে কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দ শুনতে পেলে ‘‘আউযুবিল্লাহ’’ বলবে। কেননা তারা (কুকুর ও গাধা) যা দেখতে পায় তোমরা তা দেখতে পাও না।[1] সহীহ।
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) ও আলী ইবনু উমার ইবনু হুসাইন ইবনু আলী সূত্রে বর্ণিত। তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লোক চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে তোমরা বাইরে কম যাবে। কেননা মহান আল্লাহর এমন কিছু জীবজন্তু আছে, যাদেরকে এ সময়ে তিনি বিক্ষিপ্তভাবে যমীনে ছেড়ে দেন। তাতে আরো আছেঃ কারণ আল্লাহর কিছু সৃষ্টি আছে। অতঃপর তিনি গাধা ও কুকুরের শব্দের অনুরূপ উল্লেখ করেন।[1] সহীহ।
। উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতিমাহ (রাঃ) যখন আলী (রাঃ)-এর পুত্র হাসান (রাঃ)-কে প্রসব করলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কানে সালাতের আযান ন্যায় আযান দিয়েছিলেন।[1] হাসান।
হাদিস 5106 — Sunan Abu Dawud 43:334
সহিহসহিহIsnaad Sahih Sahih Bukhari (6355) Sahih Muslim (286)
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، ح وَحَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُؤْتَى بِالصِّبْيَانِ فَيَدْعُو لَهُمْ بِالْبَرَكَةِ - زَادَ يُوسُفُ - وَيُحَنِّكُهُمْ وَلَمْ يَذْكُرْ بِالْبَرَكَةِ .
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বাচ্চাদেরকে আনা হলে তিনি তাদের জন্য বরকতের দু‘আ করতেন। ইউসুফের বর্ণনায় রয়েছেঃ তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খেজুর চিবিয়ে তাদের মুখে দিতেন। এতে ‘বরকতের জন্য’ কথাটি উল্লেখ নেই।[1] সহীহ।
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে প্রশ্ন করলেনঃ তোমাদের মধ্যে মুগাররিবূন দেখা গেছে কি? আমি বললাম, মুগাররিবূন কারা? তিনি বললেনঃ যাদের মধ্যে জিনের একটি অংশ আছে।[1] সনদ দুর্বল।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তোমাদের নিকট মহান আল্লাহর নামে আশ্রয় চায় তোমরা তাকে আশ্রয় দাও। আর যে তোমাদের নিকট আল্লাহর নামে কিছু চায় তোমরা তাকে তা দান করো।[1] হাসান সহীহ।
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ তোমাদের নিকট আল্লাহর নামে আশ্রয় চাইলে তোমরা তাকে আশ্রয় দিবে। কেউ আল্লাহর নামে তোমাদের নিকট কিছু চাইলে তোমরা তাকে দাও। বর্ণনাকারী সাহল ও উসমান আরো বলেন, যে তোমাদেরকে দাওয়াত দেয় তোমরা তাতে সাড়া দাও। অতঃপর বর্ণনাকারীগণ বলেন, আর যে ব্যক্তি তোমাদের প্রতি উত্তম আচরণ করবে তোমরা তার প্রতিদান দাও। যদি তাকে দেয়ার মতো কিছু না পাও তবে তার জন্য দু‘আ করতে থাকো। যখন বুঝতে পারো তোমরা তার প্রতিদান দিয়েছো।[1] সহীহ।
। আবূ যুমাইল (রহঃ) বলেন, একদা আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে বললাম, আমি আমার অন্তরে যেসব বিষয় অনুভব করি এগুলো কি? তিনি বললেন, তা কি? আমি বললাম, আল্লাহর কসম! আমি সে বিষয়ে মুখ খুলবো না। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে বললেন, সন্দেহমূলক কিছু? বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি হাসলেন এবং বললেন, এর থেকে কেউই রেহাই পায়নি, এমনকি মহান আল্লাহ নাযিল করেনঃ ‘‘আমি আপনার উপর যা নাযিল করেছি এ ব্যাপারে আপনি যদি সন্দেহে থাকেন, তাহলে যারা কিতাব পড়ে তাদেরকে প্রশ্ন করুন...’’ (সূরা ইউনুসঃ ৯৪)। বর্ণনাকারী বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) আমাকে বললেন, যখন তুমি মনের মধ্যে এ ধরনের কিছু উদ্রেক হতে দেখবে, তখন তুমি পাঠ করবেঃ ‘‘তিনিই আদি, তিনিই অনন্ত, তিনিই প্রকাশ্য তিনি গুপ্ত এবং তিনি সব বিষয়ে সম্যক অবহিত’’ (সূরা হাদীদঃ ৩)।[1] সনদ হাসান।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট তাঁর কতিপয় সাহাবী (রাঃ) এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আমাদের অন্তরে এমন কিছু অনুভব করি যা ব্যক্ত করাকে বা যা মুখে বলাকে আমরা গুরুতর মনে করি। আমরা এ ধরণের কথা মনে আসা অথবা পরস্পর সমালোচনা করাকে পছন্দ করি না। তিনি বললেনঃ তোমরা কি এরূপ অনুভব করো? তারা বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এটা স্পষ্ট ঈমানের লক্ষণ।[1] সহীহ।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কারো মনের মধ্যে এমন কিছু উদয় হয় যা মুখে ব্যাক্ত করার চেয়ে সে জ্বলে-পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাওয়াকে উত্তম মরে করে। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, আল্লাহ মহান, আল্লাহর জন্য সমস্ত প্রশংসা যিনি শয়তানের এ ধোঁকাকে কল্পনা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রেখেছেন।[1] সহীহ।