। সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, আমি এ হাদীসটি আমার নিজ কানে শুনেছি স্বয়ং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট থেকে এবং আমার অন্তর তা হিফাযাত করেছে। তিনি বলেছেনঃ যে ব্যক্তি স্বীয় পিতাকে ভিন্ন বংশের বলে দাবি করলো অথচ সে জানে যে, তার পিতা কে, তার জন্য জান্নাত হারাম। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি আবূ বাকরাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি তার নিকট উত্থাপন করলে তিনি বলেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ হাদীস আমার কান শুনেছে এবং আমার স্মৃতিশক্তি তা হিফাযাত করেছে। আসিম (রহঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আবূ উসমান! আপনার নিকট দু’জন লোক সাক্ষ্য দিয়েছে, তারা কে? তিনি বলেন, তাদের একজন হলেন, সা‘দ ইবনু মালিক (রাঃ) যিনি সর্বপ্রথম আল্লাহর পথে দ্বীন ইসলামের তীর ছুঁড়েছেন। আর দ্বিতীয় ব্যক্তি হলেন যিনি বিশের অধিক লোকের একটি দলের সঙ্গে তায়েফ থেকে হেটে এসেছেন। তিনি তার ফাযীলাতও বর্ণনা করলেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আন-নুফাইলী (রহঃ) এ হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন, আল্লাহর কসম! এটি আমার নিকট মধুর চেয়েও মিষ্টি অর্থাৎ এর সনদ। আবূ আলী বলেন, আমি আবূ দাঊদকে বলতে শুনেছি, আমি আহমাদ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি. কূফাবাসীর হাদীসে নূর নেই। আমি বাসরাহবাসীর অনুরূপ দেখিনি, তারা হাদীসটি শু‘বাহ (রহঃ) থেকে শিখেছেন।[1] সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নিজ মনিব গোত্রের অনুমতি ব্যতীত অন্য কোনো গোত্রে পালিয়ে যায় তার উপর আল্লাহ, ফিরিশতাকূল ও সকল মানুষের পক্ষ থেকে লা‘নাত। কিয়ামতের দিন তার কোনো ফরয ও নফল অথবা তওবা ও ফিদইয়া গ্রহণযোগ্য হবে না।[1] সহীহ।
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি তার পিতার বংশ পরিচয় বাদ দিয়ে অন্য বংশের হওয়ার দাবি করে অথবা নিজের প্রকৃত অভিভাবক পরিবারকে বাদ দিয়ে অন্যের পরিচয়ে নিজেকে পরিচিত করে, তার উপর আল্লাহর পক্ষ থেকে কিয়ামত পর্যন্ত অবিরাম অভিশাপ বর্ষিত হতে থাকবে।[1] সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মহান আল্লাহ তোমাদের জাহিলী যুগের মিথ্যা অহংকার ও পূর্বপুরুষদেরকে নিয়ে গর্ব করার প্রথাকে বিলুপ্ত করেছেন। মু‘মিন হলো আল্লাহভীরু আর পাপী হলো দুর্ভাগা। তোমরা সকলে আদম সন্তান আর আদম (আঃ) মাটির তৈরী। লোকদের উচিৎ বিশেষ গোত্রের ভুক্ত হওয়াকে কেন্দ্র করে অহংকার না করা। এখন তো তারা জাহান্নামের কয়লায় পরিণত হয়েছে। অন্যথায় তোমরা মহান আল্লাহর নিকট ময়লার সেই কীটের চেয়ে জঘন্য গণ্য হবে যে তার নাক দিয়ে ময়লা ঠেলে নিয়ে যায়।[1] হাসান।
। আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি তার কওমের লোকদেরকে অন্যায়ভাবে সাহায্য করে, সে ঐ উটের মত, যেটিকে গর্তে পড়ার পর তার লেজ ধরে টানা হচ্ছে।[1] সহীহ মাওকূফ ও মারফূভাবে।
হাদিস 5118 — Sunan Abu Dawud 43:346
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا ابْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ انْتَهَيْتُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ فِي قُبَّةٍ مِنْ أَدَمٍ فَذَكَرَ نَحْوَهُ .
। আব্দুর রাহমান ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেলাম, তখন তিনি একটি চামড়ার তাঁবুতে ছিলেন ... অতঃপর বাকী অংশ উপরের হাদীসের অনুরূপ।[1] সহীহ।
। সুরাকাহ ইবনু মালিক ইবনু জু‘শাম আল-মুদলিজী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেয়ার সময় বলেনঃ যে ব্যক্তি পাপাচারে লিপ্ত না হয়ে তার গোত্রের উপর নির্যাতন হওয়া প্রতিরোধ করে সে-ই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আইয়ূব ইবনু সুয়াইদ দুর্বল বর্ণনাকারী।[1] দুর্বলঃ মিশকাত হা/ ৪৯০৬।
। জুবায়র ইবনু মুত্ব‘ইম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আসাবিয়্যাতের দিকে ডাকে বা গোত্রের দিয়ে আহবান করে লোকদেরকে সমবেত করে সে আমার দলভুক্ত নয়। আর ঐ ব্যক্তিও আমাদের দলভুক্ত নয় যে আসবিয়্যাতের ভিত্তিতে যুদ্ধ করে এবং সেও নয় যে আসাবিয়্যাতের উপর মারা যায়।[1] দুর্বলঃ মিশকাত হা/ ৪৯০৭, গায়াতুল মারাম হা/ ৩০৪।
হাদিস 5122 — Sunan Abu Dawud 43:350
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ عَوْفٍ، عَنْ زِيَادِ بْنِ مِخْرَاقٍ، عَنْ أَبِي كِنَانَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ابْنُ أُخْتِ الْقَوْمِ مِنْهُمْ " .
। আবূ মুসা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গোত্রের ভাগনে তাদের অন্তর্ভুক্ত।[1] সহীহ।