حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ لَمَّا جَاءَ أَهْلُ الْيَمَنِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " قَدْ جَاءَكُمْ أَهْلُ الْيَمَنِ وَهُمْ أَوَّلُ مَنْ جَاءَ بِالْمُصَافَحَةِ " .
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ইয়ামেনবাসীরা এসে উপস্থিত হলে রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের নিকট ইয়ামেনবাসীরা এসেছে। আর এরাই সর্বপ্রথম মুসাফাহা করেছে।[1] সহীহ। কিন্তু তার বক্তব্যঃ ‘‘এরাই সর্বপ্রথম মুসাফাহা করেছে’’- এ কথাটি মুদরাজ, যা আনাসের উক্তি।
। আনাযাহ গোত্রের এক ব্যক্তির সূত্রে বর্ণিত। তিনি আবূ যার (রাঃ)-কে সিরিয়া ত্যাগের সময় বললেন, আমি আপনার নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদীসসমূহের মধ্যকার একটি হাদীস সম্পর্কে প্রশ্ন করতে আগ্রহী। আবূ যার (রাঃ) বললেন, তার গোপন কোনো বিষয় না হলে আমি আপনাকে বলবো। আমি বললাম, না, তা কোনো গোপন বিষয় নয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে আপনাদের দেখা হলে তিনি কি আপনাদের সঙ্গে মুসাফাহা করতেন? তিনি বলেন, হ্যাঁ, যখনই রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে আমার দেখা হতো তিনি আমার সঙ্গে মুসাফাহা করতেন। একদিন তিনি আমার নিকট লোক পাঠালেন। আমি তখন বাড়িতে ছিলাম না। আমি ফিরে এলে জানানো হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট লোক পাঠিয়েছেন। অতঃপর আমি তাঁর নিকট আসলাম। তখন তিনি গদীর উপর ছিলেন। তিনি আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন। তা ছিলো খুবই উত্তম ও মনোরোম।[1] দুর্বলঃ যঈফাহ হা/ ৪৬৮৩।
হাদিস 5215 — Sunan Abu Dawud 43:443
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (4121) Sahih Muslim (1768)
حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ أَهْلَ، قُرَيْظَةَ لَمَّا نَزَلُوا عَلَى حُكْمِ سَعْدٍ أَرْسَلَ إِلَيْهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَجَاءَ عَلَى حِمَارٍ أَقْمَرَ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " قُومُوا إِلَى سَيِّدِكُمْ " . أَوْ " إِلَى خَيْرِكُمْ " . فَجَاءَ حَتَّى قَعَدَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, সা‘দ (রাঃ)-এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বনূ কুরাইজার লোকেরা আত্মসমর্পন করলো। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকট লোক পাঠালেন। সা‘দ (রাঃ) একটি সাদা বর্ণের গাধায় চড়ে আসলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা তোমাদের নেতা বা তোমাদের মধ্যকার উত্তম ব্যক্তির আগমনে দাঁড়াও। অতঃপর সা‘দ (রাঃ) এসে রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বসলেন।[1] সহীহ।
। শু‘বাহ (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন তিনি (সা‘দ) মসজিদের নিকট আসলেন তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের বললেনঃ তোমরা তোমাদের নেতার আগমনে দাঁড়াও।[1] সহীহ।
। উম্মুল মু‘মিনীন আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে শারীরিক গঠন, চাল-চলন, চরিত্র, (বর্ণনাকারী হাসানের মতে) আলাপচারিতা ও কথাবার্তায় ফাতিমাহ (রাঃ)-এর চাইতে এতখানি মিল আর কাউকে আমি দেখিনি। বর্ণনাকারী হাসান শারীরিক গঠন, চাল-চলন, চরিত্র ও বৈশিষ্ট্যের উল্লেখ করেননি। ফাতিমাহ (রাঃ) যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলেন, তিনি উঠে তাঁর দিকে এগিয়ে যেতেন, তার হাত ধরে চুমু খেতেন এবং তাঁর আসনে তাকে বসাতেন। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ফাতিমাহর নিকট যেতেন, তখন তিনিও তাঁর জন্য উঠে আসতেন, তাঁর হাত ধরে তাতে চুমু খেতেন এবং তার আসনে তাকে বসাতেন।[1] সহীহ।
হাদিস 5218 — Sunan Abu Dawud 43:446
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (5997) Sahih Muslim (2118)
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ الأَقْرَعَ بْنَ حَابِسٍ، أَبْصَرَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يُقَبِّلُ حُسَيْنًا فَقَالَ إِنَّ لِي عَشْرَةً مِنَ الْوَلَدِ مَا فَعَلْتُ هَذَا بِوَاحِدٍ مِنْهُمْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ لاَ يَرْحَمُ لاَ يُرْحَمُ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল-আকরা ইবনু হারিস (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখলেন যে, তিনি হুসাইন (রাঃ)-কে চুমু দিচ্ছেন। আকরা বললেন, আমাদের দশটি সন্তান আছে, আমি তাদের একজনকেও চুমু দেইনি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে অনুগ্রহ করে না, তাকেও অনুগ্রহ করা হয় না।[1] সহীহ।
হাদিস 5219 — Sunan Abu Dawud 43:447
সহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ عُرْوَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ ثُمَّ قَالَ تَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم " أَبْشِرِي يَا عَائِشَةُ فَإِنَّ اللَّهَ قَدْ أَنْزَلَ عُذْرَكِ " . وَقَرَأَ عَلَيْهَا الْقُرْآنَ فَقَالَ أَبَوَاىَ قُومِي فَقَبِّلِي رَأْسَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَقَالَتْ أَحْمَدُ اللَّهَ لاَ إِيَّاكُمَا .
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আয়িশাহ! সুসংবাদ গ্রহণ করো। আল্লাহ তোমার নির্দোষ হওয়া সম্পর্কে আয়াত অবতীর্ণ করেছেন। তিনি কুরআনের আয়াতটি তাকে পড়ে শুনালেন। তখন আমার পিতা-মাতা (আবূ বাকর ও উম্মু রুমান) বললেন, ওঠো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মাথায় চুমু দাও। আমি বললাম, শুকরিয়া আদায় করছি আমি সম্মানিত মহান আল্লাহর; আপনাদের নয়।[1] সহীহ।
হাদিস 5220 — Sunan Abu Dawud 43:448
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ أَجْلَحَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم تَلَقَّى جَعْفَرَ بْنَ أَبِي طَالِبٍ فَالْتَزَمَهُ وَقَبَّلَ مَا بَيْنَ عَيْنَيْهِ .
। আশ-শা‘বী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দেখা হলো, জা‘ফা ইবনু আবূ তালিবের সঙ্গে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জড়িয়ে ধরলেন এবং তার দু’চোখর মাঝখানে চুমু দিলেন।[1] দুর্বলঃ মিশকাত হা/ ৪৬৮৬।
। আল-বারাআ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সর্বপ্রথমে মদীনায় আগমনকারী আবূ বাকর (রাঃ)-এর সঙ্গে আসলাম। এ সময় তার কন্যা আয়িশাহ (রাঃ)-কে বিছানায় শোয়া দেখলাম। তিনি জ্বরে আক্রান্ত হয়েছিলেন। আবূ বাকর (রাঃ) তাকে দেখতে এসে বললেন, হে প্রিয় কন্যা! তুমি কেমন আছো? এবং তিনি তার গালে চুমু দিলেন।[1] সহীহ।