حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي زِيَادٍ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي لَيْلَى، حَدَّثَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ حَدَّثَهُ وَذَكَرَ، قِصَّةً قَالَ فَدَنَوْنَا - يَعْنِي - مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَبَّلْنَا يَدَهُ .
। আব্দুর রাহমান ইবনু আবূ লাইলাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) তার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। অতঃপর পুরো ঘটনা বর্ণনা করে বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটবর্তী হয়ে তাঁর হাতে চুমু দিলাম।[1] দুর্বল।
হাদিস 5224 — Sunan Abu Dawud 43:452
সহিহ Isnaadসহিহ Isnaadসহিহ
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ حُصَيْنٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أُسَيْدِ بْنِ حُضَيْرٍ، - رَجُلٍ مِنَ الأَنْصَارِ - قَالَ بَيْنَمَا هُوَ يُحَدِّثُ الْقَوْمَ وَكَانَ فِيهِ مِزَاحٌ بَيْنَا يُضْحِكُهُمْ فَطَعَنَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي خَاصِرَتِهِ بِعُودٍ فَقَالَ أَصْبِرْنِي . فَقَالَ " اصْطَبِرْ " . قَالَ إِنَّ عَلَيْكَ قَمِيصًا وَلَيْسَ عَلَىَّ قَمِيصٌ . فَرَفَعَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنْ قَمِيصِهِ فَاحْتَضَنَهُ وَجَعَلَ يُقَبِّلُ كَشْحَهُ قَالَ إِنَّمَا أَرَدْتُ هَذَا يَا رَسُولَ اللَّهِ .
। উসাইদ ইবনু হুদাইর (রাঃ) নামক এক আনসারী সূত্রে বর্ণিত। তিনি লোকদের সঙ্গে কথাবার্তা বলছিলেন এবং মাঝে মধ্যে রসিকতা করে লোকদের হাসাচ্ছিলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি কাঠের টুকরা দিয়ে তার পেটে খোঁচা দিলেন। উসাইদ (রাঃ) বললেন, আপনি আমাকে এর বদলা নিতে দিন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমার থেকে বদলা নাও। উসাইদ বললেন, আপনার গায়ে তো জামা আছে, অথচ আমার গায়ে জামা ছিলো না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর গায়ের জামা খুললেন। তখন উসাইদ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জড়িয়ে ধরে তাঁর এক পাশে চুমু দিতে লাগলেন, আর বললেনঃ আমার এটাই ইচ্ছা ছিলো হে আল্লাহর রাসূল।[1] সনদ সহীহ।
। উম্মু আবান বিনতু ওয়াযি ইবনু যারি (রহঃ) থেকে তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (দাদা) আব্দুল কাইসের প্রতিনিধি দলের একজন ছিলেন। তিনি বলেন, আমরা মদীনায় এসে আমাদের আরোহী থেকে দ্রুত নেমে এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতে ও পায়ে চুমু দিলাম। হাসান, তবে পায়ে চুমু খাওয়া কথাটি বাদে। অন্যদিকে আল-মুনযির আল-আশাজ্জ তার কাপড়ের বান্ডিল থেকে কাপড় বের করে তা পরা পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন, তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ তোমার মধ্যে দু’টি উত্তম স্বভাব রয়েছে যা আল্লাহ পছন্দ করেনঃ ধৈর্য্য ও ধীর স্থিরতা। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি এ অভ্যাস গড়ে তুলেছি, না আল্লাহ আমাকে এ দু’টি অভ্যাসের উপর সৃষ্টি করেছেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহই তোমাকে এ দু’টি স্বভাবের উপর সৃষ্টি করেছেন। তখন তিনি বললেনঃ কৃতজ্ঞতা আদায় করছি সেই আল্লাহর যিনি আমাকে এমন দু’টি স্বভাবের উপর সৃষ্টি করেছেন, যাকে স্বয়ং আল্লাহ ও তাঁর রাসূল পছন্দ করেন।[1] সহীহ।
। আবূ যার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আবূ যার! আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি উপস্থিত, আমি আপনার জন্য উৎসর্গিত।[1] হাসান সহীহ।
। কাতাদাহ (রহঃ) বা অন্য কারো সূত্রে বর্ণিত। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) বলেন, জাহিলী যুগে আমরা বলতাম, ‘‘আল্লাহ তোমারেদ চক্ষু শীতল করুন অথবা প্রত্যুষে তুমি আনন্দি হও। ইসলামের আবির্ভাবের পর আমাদের এসব বলতে বাধা করে দেয়া হয়। আব্দুর রাযযাক (রহঃ) বলেন, মা‘মার বলেন, আল্লাহ তোমার জন্য তোমার চক্ষু শীতল করুন, এরূপ বলা অপছন্দনীয়। তবে আল্লাহ তোমার চক্ষু শীতল করুন’ এরূপ বলা দোষণীয় নয়।[1] সনদ দুর্বল।
হাদিস 5228 — Sunan Abu Dawud 43:456
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim (681)
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَبَاحٍ الأَنْصَارِيِّ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو قَتَادَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ فِي سَفَرٍ لَهُ فَعَطِشُوا فَانْطَلَقَ سَرَعَانُ النَّاسِ فَلَزِمْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تِلْكَ اللَّيْلَةَ فَقَالَ " حَفِظَكَ اللَّهُ بِمَا حَفِظْتَ بِهِ نَبِيَّهُ " .
। আবূ কাতাদাহ (রহঃ) বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সফরে ছিলেন। পথিমধ্যে লোকেরা পিপাসার্ত হওয়ায় দ্রুত অগ্রসর হয়। আমি ঐ রাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গেই ছিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ তোমাকে হিফাযাত করুন; যেমন তুমি তাঁর নবীকে হিফাযাত করেছো (পাহারা দিয়ে)।[1] সহীহ।
। আবূ মিজলায (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মু‘আবিয়াহ (রাঃ) ইবনু যুবায়র ও ইবনু আমিরের নিকট আসলেন। ইবনু আমির দাঁড়িয়ে গেলেন, কিন্তু ইবনুয যুবায়র বসে রইলেন। মু‘আবিয়াহ (রাঃ) ইবনু আমিরকে বললেন, বসো। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ যে লোক নিজের জন্য অন্য লোকের অপেক্ষা করাকে পছন্দ করে, সে যেন জাহান্নামে তার আসন নির্ধারণ করে নেয়।[1] সহীহ।
। আবূ উমামাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লাঠিতে ভর দিয়ে আমাদের নিকট আসলেন। আমরা তাঁর সম্মানে উঠে দাঁড়ালে তিনি বললেনঃ তোমরা দাঁড়াবে না, যেরূপ অনারবরা একে অপরকে সম্মান দেখানোর জন্য দাঁড়ায়।[1] দুর্বল।
। গালিব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা হাসান (রাঃ)-এর বাড়ির দরজায় বসা ছিলাম। এ সময় এক লোক এসে বললো, আমার পিতা আমার দাদার সূত্রে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আমাকে আমার পিতা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পাঠালেন। তিনি বললেন, তাঁর নিকট গিয়ে তাঁকে সালাম জানাবে। তিনি বলেন, আমি তাঁর নিকট পৌঁছে বললাম, আমার পিতা আপনাকে সালাম দিয়েছেন। তিনি বললেনঃ ‘আলাইকা ওয়া আলা আবীকাস সালাম (তোমার এবং তোমার পিতার উপর শান্তি বর্ষিত হোক)।[1] হাসান।
হাদিস 5232 — Sunan Abu Dawud 43:460
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (6253) Sahih Muslim (2447)
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ زَكَرِيَّا، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، أَنَّ عَائِشَةَ، رضى الله عنها حَدَّثَتْهُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَهَا " إِنَّ جِبْرِيلَ يَقْرَأُ عَلَيْكِ السَّلاَمَ " . فَقَالَتْ وَعَلَيْهِ السَّلاَمُ وَرَحْمَةُ اللَّهِ .
। আবূ সালামাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘‘আয়িশাহ (রাঃ) তার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেছেনঃ জিবরাঈল (আঃ) তোমাকে সালাম দিয়েছেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেনঃ ‘‘ওয়া আলাইহিস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ’’ (অর্থঃ তার উপরও শান্তি ও আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক)।’’[1] সহীহ।