। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর আল-গাযযী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শুনেছি আবু মুসহিরকে উবনা নামক জনপদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, ‘আমরা তো ফিলিস্তীনের ‘ইউবনা’ নামক স্থানকেই ‘উবনা’ বলে জানি।
হাদিস 2618 — Sunan Abu Dawud 15:142
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim (1901)
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، - يَعْنِي ابْنَ الْمُغِيرَةِ - عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ بَعَثَ - يَعْنِي النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم - بُسْبَسَةَ عَيْنًا يَنْظُرُ مَا صَنَعَتْ عِيرُ أَبِي سُفْيَانَ .
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ সুফিয়ানের কাফেলার গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘বুসাইসা’ নামক এক ব্যক্তিকে গুপ্তচর হিসেবে পাঠালেন।
। সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ কোনো পশুপালের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় সেখানে যদি মালিককে উপস্থিত পায় তাহলে তার নিকট অনুমতি প্রার্থনা করবে। সে অনুমতি দিলে দুধ দোহন করে পান করবে। আর যদি সেখানে মালিক উপস্থিত না পায় তাহলে তিনবার ডাক দিবে। তাতে কেউ সাড়া দিলে অনুমতি চাইবে। আর কেউ সাড়া না দিলে দুধ দোহন করে পান করবে, কিন্তু সঙ্গে নিতে পারবে না।
। ‘আব্বাদ ইবনু শুরাহবীল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ক্ষুধায় কাতর হয়ে মদীনার একটি বাগানে ঢুকে খেজুরের খোশা পরিস্কার করে তা খেলাম এবং কিছু খেজুর কাপড়ে বেঁধে নিলাম। বাগানের মালিক এসে আমাকে মারধর করলো এবং আমার কাপড় ছিনিয়ে নিলো। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে ঘটনাটি বললাম। তিনি বাগানের মালিককে (ডেকে এনে) বললেনঃ ছেলেটি অজ্ঞ ছিলো তুমি তাকে জ্ঞান দাওনি। সে ক্ষুধার্ত ছিলো তুমি খাওয়াওনি। তিনি তাকে আমার কাপড় ফেরত দেয়ার নির্দেশ দিলে বাগানের মালিক তা ফেরত দিলো এবং আমাকে এক কিংবা অর্ধ ওয়াসক খাদ্য দিলো।
। আবূ রাফি’ ইবনু ‘আমর আল-গিফারী (রহঃ)-এর চাচার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (চাচা) বলেন, আমি বালক বয়সে আনসারদের খেজুর গাছে ঢিল ছুঁড়ে মারতাম। একদা আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ধরে নিয়ে আসা হলে তিনি বললেনঃ হে বালক! তুমি খেজুর গাছে ঢিল ছুঁড়ো কেন? সে বললো, খেজুর খাওয়ার জন্য। তিনি বললেনঃ ঢিল ছুঁড়ে খেজুর পেড়ো না, বরং গাছতলায় পড়ে থাকা খেজুর খাও। অতঃপর তিনি তার মাথায় হাত বুলিয়ে বললেনঃ হে আল্লাহ! এর পেট ভরে দিন, একে পরিতৃপ্ত করুন।
হাদিস 2623 — Sunan Abu Dawud 15:147
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (2435) Sahih Muslim (1726)
। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কেউ যেন মালিকের অনুমতি ছাড়া মালিকের পশুর দুধ দোহন না করে। তোমাদের কেউ কি পছন্দ করবে যে, কেউ তার গুদাম ঘরে ঢুকে তা ভেঙ্গে তার খাদ্যদ্রব্য লুটপাট করুক? বস্তুর লোকদের পশুর স্তনসমূহে তাদের খাবার সঞ্চিত থাকে। কাজেই মালিকের অনুমতি ছাড়া কেউ তার পশুর দুধ দোহন করবে না।
হাদিস 2624 — Sunan Abu Dawud 15:148
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (4584) Sahih Muslim (1834)
। ইবনু জুরাইজ (রাঃ) বলেন, (আল্লাহর বাণী) ‘‘হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য করো, রাসূলের আনুগত্য করো এবং তোমাদের নেতৃবৃন্দের প্রতিও।’’[সূরা আন-নিসাঃ আয়াত ৫৯] নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আব্দুল্লাহ ইবনু কায়িস ইবনু ‘আদী (রাঃ)-কে একটি অভিযানে ক্ষুদ্র বাহিনীর সেনাপতি করে পাঠান। এ সময় ‘আব্দুল্লাহকে উপলক্ষ করে এ আয়াত অবতীর্ণ হয়।
হাদিস 2625 — Sunan Abu Dawud 15:149
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (7257) Sahih Muslim (1840)
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ زُبَيْدٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ السُّلَمِيِّ، عَنْ عَلِيٍّ، - رضى الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ جَيْشًا وَأَمَّرَ عَلَيْهِمْ رَجُلاً وَأَمَرَهُمْ أَنْ يَسْمَعُوا لَهُ وَيُطِيعُوا فَأَجَّجَ نَارًا وَأَمَرَهُمْ أَنْ يَقْتَحِمُوا فِيهَا فَأَبَى قَوْمٌ أَنْ يَدْخُلُوهَا وَقَالُوا إِنَّمَا فَرَرْنَا مِنَ النَّارِ وَأَرَادَ قَوْمٌ أَنْ يَدْخُلُوهَا فَبَلَغَ ذَلِكَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " لَوْ دَخَلُوهَا - أَوْ دَخَلُوا فِيهَا - لَمْ يَزَالُوا فِيهَا " . وَقَالَ " لاَ طَاعَةَ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ إِنَّمَا الطَّاعَةُ فِي الْمَعْرُوفِ " .
। ‘আলী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি সেনাদল প্রেরণ করলেন এবং একজনকে এর সেনাপতি বানিয়ে তাদেরকে সেনাপতির কথা শোনার ও আনুগত্য করার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর ঐ সেনাপতি আগুন জ্বালিয়ে তাদেরকে তাতে ঝাঁপ দেয়ার নির্দেশ দিলেন। একদল লোক তাতে ঝাঁপ দিতে অস্বীকার করে বললো, ‘আমরা তো আগুন থেকেই পালিয়েছি (জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার জন্যই ইসলাম কবূল করেছি)। আবার কিছু লোক আগুনে ঝাঁপ দেয়ার মনস্থ করলো। বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কানে পৌঁছলে তিনি বললেনঃ তারা যদি আগুনে ঝাঁপ দিতো তাহলে চিরস্থায়ী জাহান্নামী হয়ে যেতো। তিনি আরো বললেনঃ আল্লাহর অবাধ্যতায় কারোর আনুগত্য নেই। আনুগত্য কেবল সৎ কাজে।
। ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নেতা পাপ কাজের নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত তার নির্দেশ শোনা এবং আনুগত্য করা মুসলিম ব্যক্তির অবশ্য কর্তব্য, চাই তার মনঃপূত হোক বা না হোক। আর নেতা যখন পাপকাজের নির্দেশ দিবে তখন তার নির্দেশ শোনা ও আনুগত্য করা যাবে না।