Qurani·قرآني
বাংলা

চিকিৎসা (কিতাবুত তিব্ব)

49 হাদিস · #3855–3903

হাদিস 3895 — Sunan Abu Dawud 29:41
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (5745) Sahih Muslim (2194)
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَعُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ، - يَعْنِي ابْنَ سَعِيدٍ - عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لِلإِنْسَانِ إِذَا اشْتَكَى يَقُولُ بِرِيقِهِ ثُمَّ قَالَ بِهِ فِي التُّرَابِ ‏ "‏ تُرْبَةُ أَرْضِنَا بِرِيقَةِ بَعْضِنَا يُشْفَى سَقِيمُنَا بِإِذْنِ رَبِّنَا ‏"‏ ‏.‏
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, কেউ ব্যথার অভিযোগ করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মুখের থুথু বের করে তাতে মাটি মিশিয়ে বলতেনঃ ‘‘আমাদের এ পৃথিবীর মাটিতে আমাদের কারো থুথু মিশালে আমাদের রবের আদেশে আমাদের রোগী ভালো হয়ে যায়।[1] সহীহ।
হাদিস 3896 — Sunan Abu Dawud 29:42
সহিহসহিহIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ زَكَرِيَّا، قَالَ حَدَّثَنِي عَامِرٌ، عَنْ خَارِجَةَ بْنِ الصَّلْتِ التَّمِيمِيِّ، عَنْ عَمِّهِ، أَنَّهُ أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَسْلَمَ ثُمَّ أَقْبَلَ رَاجِعًا مِنْ عِنْدِهِ فَمَرَّ عَلَى قَوْمٍ عِنْدَهُمْ رَجُلٌ مَجْنُونٌ مُوثَقٌ بِالْحَدِيدِ فَقَالَ أَهْلُهُ إِنَّا حُدِّثْنَا أَنَّ صَاحِبَكُمْ هَذَا قَدْ جَاءَ بِخَيْرٍ فَهَلْ عِنْدَكَ شَىْءٌ تُدَاوِيهِ فَرَقَيْتُهُ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَبَرَأَ فَأَعْطُونِي مِائَةَ شَاةٍ فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرْتُهُ فَقَالَ ‏"‏ هَلْ إِلاَّ هَذَا ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ مُسَدَّدٌ فِي مَوْضِعٍ آخَرَ ‏"‏ هَلْ قُلْتَ غَيْرَ هَذَا ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ خُذْهَا فَلَعَمْرِي لَمَنْ أَكَلَ بِرُقْيَةِ بَاطِلٍ لَقَدْ أَكَلْتَ بِرُقْيَةِ حَقٍّ ‏"‏ ‏.‏
। খারিজাহ ইবনুস সালদ আত-তামীমা (রাঃ) থেকে তার চাচার সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন। অতঃপর তাঁর কাছ থেকে ফেরার পথে তিনি এক গোত্রের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। সেই গোত্রের এক পাগল লোহার শিকলে বাঁধা ছিলো। গোত্রের লোকেরা তাকে বললো, আমরা জানতে পারলাম যে, তোমাদের এক সাথী (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নাকি কল্যাণ নিয়ে এসেছেন? তোমাদের এমন কিছু জানা আছে কি যাতে তোমরা এর চিকিৎসা করতে পারো? অতঃপর আমি সূরা ফাতিহা পড়ে তাকে ফুঁক দিলাম। সে সুস্থ হয়ে গেলো। তারা আমাকে একশটি বকরী দিলো। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে ঘটনাটি জানালে তিনি বললেনঃ এ সূরা ছাড়া অন্য কিছু পড়ে ফুঁক দিয়েছো কি? মুসাদ্দাদ অন্যত্র বলেন, এ সূরা ছাড়া অন্য কিছু বলেছো কি? আমি বললাম, না। তিনি বলেনঃ তবে এ উপহার নিতে পারো। আমার জীবনের কসম! লোকরো বাতিল মন্ত্র পড়ে রোজগার করে! আর তুমি তো সত্য ঝাড়ফুঁক দ্বারা রোজগার করেছো।[1] সহীহ।
হাদিস 3897 — Sunan Abu Dawud 29:43
সহিহসহিহহাসান
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا ابْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي السَّفَرِ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ خَارِجَةَ بْنِ الصَّلْتِ، عَنْ عَمِّهِ، أَنَّهُ مَرَّ - قَالَ - فَرَقَاهُ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ غُدْوَةً وَعَشِيَّةً كُلَّمَا خَتَمَهَا جَمَعَ بُزَاقَهُ ثُمَّ تَفَلَ فَكَأَنَّمَا أُنْشِطَ مِنْ عِقَالٍ فَأَعْطَوْهُ شَيْئًا فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ ذَكَرَ مَعْنَى حَدِيثِ مُسَدَّدٍ ‏.‏
। খারিজাহ ইবনু সালত (রাঃ) থেকে তার চাচার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, অতঃপর তিনি তিনদিন পর্যন্ত সকাল-সন্ধ্যা সূরা ফাতিহা পাঠ করে ফুঁক দিলেন। যখনই তা শেষ করেন তার মুখের থুথু একত্র করে তার উপর ছিটিয়ে দেন। দেখা গেলো, বন্দী যেন শিকল থেকে মুক্তি পেলো। অতঃপর তারা তাকে এর কিছু বিনিময় দিলেন। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এ সংবাদ পেলাম। অতঃপর মুসাদ্দাদ বর্ণিত হাদীসের অর্থ উল্লেখ করেন।[1] সহীহ।
হাদিস 3898 — Sunan Abu Dawud 29:44
সহিহসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا سُهَيْلُ بْنُ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ سَمِعْتُ رَجُلاً، مِنْ أَسْلَمَ قَالَ كُنْتُ جَالِسًا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَجَاءَ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِهِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ لُدِغْتُ اللَّيْلَةَ فَلَمْ أَنَمْ حَتَّى أَصْبَحْتُ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ مَاذَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ عَقْرَبٌ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَمَا إِنَّكَ لَوْ قُلْتَ حِينَ أَمْسَيْتَ أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ لَمْ تَضُرَّكَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ ‏"‏ ‏.‏
। আবূ সালিহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আসলাম গোত্রের এক লোককে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বসা ছিলাম। তখন তাঁর এক সঙ্গী এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি রাতের দংশিত হওয়ার কারণে সারা রাত ঘুমাতে পারিনি। তিনি বললেন, কিসে দংশন করেছে? আমি বললাম, বিচ্ছু। তিনি বললেনঃ রাতের বেলায় তুমি যদি এ কথা বলতেঃ (অর্থ) ‘‘আমি পরিপূর্ণ কালামের দ্বারা যাবতীয় দুষ্টের খারাবী থেকে আশ্রয় চাইছি’’, তাহলে আল্লাহর ইচ্ছায় কোনো কিছুই তোমার ক্ষতি করতে পারতো না।[1] সহীহ।
হাদিস 3899 — Sunan Abu Dawud 29:45
দাঈফ Isnaadদাঈফ IsnaadIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا حَيْوَةُ بْنُ شُرَيْحٍ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، حَدَّثَنِي الزُّبَيْدِيُّ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ طَارِقٍ، - يَعْنِي ابْنَ مُخَاشِنٍ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ أُتِيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِلَدِيغٍ لَدَغَتْهُ عَقْرَبٌ قَالَ فَقَالَ ‏"‏ لَوْ قَالَ أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ لَمْ يُلْدَغْ ‏"‏ ‏.‏ أَوْ ‏"‏ لَمْ تَضُرَّهُ ‏"‏ ‏.‏
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা বিছায় দংশিত এক ব্যক্তিকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আনা হলে তিনি বললেনঃ সে যদি বলতোঃ (অর্থ) ‘‘আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালামের সাহায্যে তাঁর সৃষ্ট বস্তুর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই’’, তাহলে তা তাকে দংশন করতে পারতো না অথবা তার ক্ষতি করতে পারতো না।[1] সনদ দুর্বল।
হাদিস 3900 — Sunan Abu Dawud 29:46
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (2276) Sahih Muslim (2201)
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ أَبِي الْمُتَوَكِّلِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ رَهْطًا، مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم انْطَلَقُوا فِي سَفْرَةٍ سَافَرُوهَا فَنَزَلُوا بِحَىٍّ مِنْ أَحْيَاءِ الْعَرَبِ فَقَالَ بَعْضُهُمْ إِنَّ سَيِّدَنَا لُدِغَ فَهَلْ عِنْدَ أَحَدٍ مِنْكُمْ شَىْءٌ يَنْفَعُ صَاحِبَنَا فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ نَعَمْ وَاللَّهِ إِنِّي لأَرْقِي وَلَكِنِ اسْتَضَفْنَاكُمْ فَأَبَيْتُمْ أَنْ تُضَيِّفُونَا مَا أَنَا بِرَاقٍ حَتَّى تَجْعَلُوا لِي جُعْلاً ‏.‏ فَجَعَلُوا لَهُ قَطِيعًا مِنَ الشَّاءِ فَأَتَاهُ فَقَرَأَ عَلَيْهِ أُمَّ الْكِتَابِ وَيَتْفُلُ حَتَّى بَرَأَ كَأَنَّمَا أُنْشِطَ مِنْ عِقَالٍ ‏.‏ قَالَ فَأَوْفَاهُمْ جُعْلَهُمُ الَّذِي صَالَحُوهُمْ عَلَيْهِ فَقَالُوا اقْتَسِمُوا ‏.‏ فَقَالَ الَّذِي رَقَى لاَ تَفْعَلُوا حَتَّى نَأْتِيَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَنَسْتَأْمِرَهُ ‏.‏ فَغَدَوْا عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرُوا لَهُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مِنْ أَيْنَ عَلِمْتُمْ أَنَّهَا رُقْيَةٌ أَحْسَنْتُمُ اقْتَسِمُوا وَاضْرِبُوا لِي مَعَكُمْ بِسَهْمٍ ‏"‏ ‏.‏
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একদল সাহাবী একটি স্থানের দিকে সফরে বের হলেন। পথে আরব বেদুঈনের একজন জনপদে তারা যাত্রা বিরতি করলে তাদের কেউ এসে বললো, আমাদের নেতাকে বিষাক্ত প্রাণী দংশন করেছে। তোমাদের কারো এমন কিছু জানা আছে কি যাতে তার উপকার হয়? সফরকারী দলের একজন বললেন, হ্যাঁ, আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই আমি ঝাড়ফুঁক করি। কিন্তু আমরা তোমাদের নিকট আতিথেয়তা চেয়েছিলাম, তোমরা তা অস্বীকার করেছো। কাজেই তোমরা আমার জন্য বিনিময় নির্ধারণ না করলে আমি ঝাড়ফুঁক করবো না। সুতরাং তারা এক পাল বকরী দেয়ার চুক্তি করলো। তিনি রোগীর নিকট এসে সূরা ফাতিহা পাঠ করে থুথু ছিটিয়ে দিলেন। সে সুস্থ হয়ে উঠলো, মনে হলো যেন সে বন্দী শিকল থেকে মুক্তি পেয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তারা চুক্তি মোতাবেক সব বিনিময় প্রদান করলো। দলের কয়েকজন বললো, এগুলো বণ্টন করে দাও। কিন্তু ঝাড়ফুঁককারী বললো, না, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে এ ব্যাপারে তাঁর পরামর্শ না নেয়া পর্যন্ত এরূপ করবো না। অতঃপর তারা সকলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে তাঁকে ঘটনাটি জানালো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ সূরা দ্বারা যে ঝাড়ফুঁক করা যায় তা তোমরা কিভাবে জানলে? তোমরা ভালই করেছো। এগুলো বণ্টন করে নাও এবং তোমাদের সঙ্গে আমাকেও একটি অংশ দিও।[1] সহীহ।
হাদিস 3901 — Sunan Abu Dawud 29:47
সহিহসহিহহাসান
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي ح، وَحَدَّثَنَا ابْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي السَّفَرِ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ خَارِجَةَ بْنِ الصَّلْتِ التَّمِيمِيِّ، عَنْ عَمِّهِ، قَالَ أَقْبَلْنَا مِنْ عِنْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَتَيْنَا عَلَى حَىٍّ مِنَ الْعَرَبِ فَقَالُوا إِنَّا أُنْبِئْنَا أَنَّكُمْ جِئْتُمْ مِنْ عِنْدِ هَذَا الرَّجُلِ بِخَيْرٍ فَهَلْ عِنْدَكُمْ مِنْ دَوَاءٍ أَوْ رُقْيَةٍ فَإِنَّ عِنْدَنَا مَعْتُوهًا فِي الْقُيُودِ قَالَ فَقُلْنَا نَعَمْ ‏.‏ قَالَ فَجَاءُوا بِمَعْتُوهٍ فِي الْقُيُودِ - قَالَ - فَقَرَأْتُ عَلَيْهِ فَاتِحَةَ الْكِتَابِ ثَلاَثَةَ أَيَّامٍ غُدْوَةً وَعَشِيَّةً كُلَّمَا خَتَمْتُهَا أَجْمَعُ بُزَاقِي ثُمَّ أَتْفُلُ فَكَأَنَّمَا نُشِطَ مِنْ عِقَالٍ قَالَ فَأَعْطَوْنِي جُعْلاً فَقُلْتُ لاَ حَتَّى أَسْأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ "‏ كُلْ فَلَعَمْرِي مَنْ أَكَلَ بِرُقْيَةِ بَاطِلٍ لَقَدْ أَكَلْتَ بِرُقْيَةِ حَقٍّ ‏"‏ ‏.‏
। খারিজাহ ইবনু সালত আত-তামীমা (রাঃ) থেকে তার চাচার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছ থেকে ফেরার পথে আরবের একটি জনপদে পৌঁছলাম। তারা বললো, আমরা সংবাদ পেয়েছি যে, আপনারা এ ব্যক্তি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছ থেকে কল্যাণকর কিছু নিয়ে এসেছেন। আপনাদের কারো নিকট কোনো ঔষধ বা ঝাড়ফুঁকের কিছু জানা আছে কি? কেননা আমরা এক পাগলকে বেঁধে রেখেছি। তিনি বললেন, আমরা বললাম, হ্যাঁ। তখন তারা বাঁধারত এক পাগলকে নিয়ে এলো। আমি তিনদিন ধরে সূরা ফাতিহা পড়ে তার উপর সকাল-সন্ধ্যা ফুঁক দিলাম এবং থুথু ছিটিয়ে দিলাম। তাতে সে যেন বন্দী দশা থেকে মুক্তি লাভ করলো। অতঃপর তারা আমাকে কিছু বিনিময় দিলো। আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ বিষয়ে প্রশ্ন না করে তা গ্রহণ করতে পারি না। এই ঘটনা শুনে তিনি বললেনঃ এগুলো তুমি খেতে পারো। আমার জীবনের কসম! লোকজন তো বাতিল মন্ত্র দিয়ে রোজগার করে। আর তুমি তো সত্য ঝাড়ফুঁক দ্বারা রোজগার করেছো।[1] সহীহ।
হাদিস 3902 — Sunan Abu Dawud 29:48
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (5016) Sahih Muslim (2192)
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا اشْتَكَى يَقْرَأُ فِي نَفْسِهِ بِالْمُعَوِّذَاتِ وَيَنْفُثُ فَلَمَّا اشْتَدَّ وَجَعُهُ كُنْتُ أَقْرَأُ عَلَيْهِ وَأَمْسَحُ عَلَيْهِ بِيَدِهِ رَجَاءَ بَرَكَتِهَا ‏.‏
। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনো ব্যথা অনুভব করলে তিনি নিজেই ‘মুআব্বিযাত’ সূরাগুলো (অর্থাৎ সূরা নাস ও ফালাক) পড়ে ফুঁ দিতেন। ব্যথা বৃদ্ধি পেলে আমি তা পড়ে তাঁর হাতে ফুঁ দিয়ে তা তাঁর ব্যথায় স্থানে বুলিয়ে দিতাম বরকত লাভের আশায়।[1] সহীহ।
হাদিস 3903 — Sunan Abu Dawud 29:49
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا نُوحُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ سَيَّارٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ أَرَادَتْ أُمِّي أَنْ تُسَمِّنِّي لِدُخُولِي عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمْ أَقْبَلْ عَلَيْهَا بِشَىْءٍ مِمَّا تُرِيدُ حَتَّى أَطْعَمَتْنِي الْقِثَّاءَ بِالرُّطَبِ فَسَمِنْتُ عَلَيْهِ كَأَحْسَنِ السِّمَنِ ‏.‏
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার মায়ের ইচ্ছা ছিলো আমাকে স্বাস্থ্যবর্তী বানিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পাঠাবেন। এজন্য তিনি অনেক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন কিন্তু কোনো ফল হয়নি। শেষে তিনি আমাকে পাকা খেজুরে সাথে শসা বা খিরা খাওয়াতে থাকলে আমি তাতে উত্তমরূপে স্বাস্থ্যের অধিকারী হই।[1] সহীহ।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।