। খালিদ আল-হাযযা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে ‘‘তোমরা কেউই কাউকে আল্লাহ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত।’’ এ আয়াতের অর্থ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, শুধু তাদেরকেই শয়তান পথভ্রষ্ট করতে পারবে যাদের জাহান্নামে প্রবেশ করাকে আল্লাহ অবধারিত করেছেন।[1] সনদ সহীহ মাকতু।
। হুমাইদ (রহঃ) বলেন, হাসান বাসরী (রহঃ) বলতেন, তার আকাশ (জান্নাত) থেকে জমিনে পতিত হওয়া একথা বলা তার নিকট এটা কথা বলার চেয়ে উত্তম যে, ‘বিষয়টি আমারই কর্তৃত্বে।’’[1] সনদ সহীহ মাকতু।
। হুমাইদ (রহঃ) বলেন, হাসান বাসরী (রহঃ) বাশরা থেকে মক্কায় আমাদের নিকট আগমন করলে মক্কার ফকীহগণ আমাকে তার সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব দিলেন যে, তিনি তাদের উদ্দেশ্যে এক সমাবেশে যেন ভাষণ দেন। তিনি তাতে সম্মত হলে তারা একত্র হলেন এবং তিনি তাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। আমি তার চেয়ে উত্তম বক্ত আর দেখিনি। এক ব্যক্তি বললো, হে আবূ সাঈদ! শয়তানকে কে সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ ছাড়া কি অন্য কোনো সৃষ্টিকর্তা আছে? মহান আল্লাহ শয়তান, ভালো-মন্দ সবই সৃষ্টি করেছেন। লোকটি বললো, আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করুন! কি করে তারা এই শায়িখের উপর মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।[1] সহীহ।
। হাসান বাসরী (রহঃ) মহান আল্লাহর এ বাণীঃ ‘‘তাদের ও এদের বাসনার মধ্যে প্রতিবন্ধক সৃষ্টি করা হয়েছে’’ (সূরা সাবাঃ ৫৪) সম্পর্কে বলেন, তাদের ও ঈমানের মধ্যে।[1] সনদ সহীহ মাকতু।
। ইবনু আওন (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সিরিয়া সফর করছিলাম। তখন এক ব্যক্তি আমার পিছন থেকে আমাকে ডাকলো। আমি তাকিয়ে দেখি তিনি রাজা ‘ইবনু হাইওয়ান। তিনি আমাকে বললেন, হে আবূ আওন! তারা হাসান বাসরী (রহঃ) সম্পর্কে এসব কি বলছে! ইবনু আওন বলেন, আমি বললাম, তারা হাসান বাসরী (রহঃ)-এর উপর অনেক মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।[1] সনদ সহীহ মাকতু।
। হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, আমি আইয়ূবকে বলতে শুনেছি, দু’ ধরণের লোক হাসান বাসরী (রহঃ)-এর উপর মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। এক. তাকদীর অস্বীকারকারীরা, তাদের এরূপ মিথ্যা বলার কারণ হলো তাদের ধারণা, এরূপ প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সন্দেহের মধ্যে ফেলা যাবে। দুই. যারা তার ব্যাপারে অন্তরে শত্রুতা ও হিংসা রাখে। তারা বলে, তিনি কি এই এই বলেননি?[1] সহীহ।
। ইয়াহইয়াহ ইবনু কাসীর আল-আনবারী (রহঃ) বলেন, কুররাহ ইবনু খালিদ (রহঃ) আমাদেরকে বলতেন, হে যুবক সমাজ! তোমরা হাসান বাসরী (রহঃ) সম্পর্কে এরূপ ধারণা করো না যে, তিনি তাকদীর বিরোধী ছিলেন। কারণ তার অভিমত ছিলো সুন্নাত মোতাবেক ও সঠিক।[1] সহীহ।
। ইবনু আওন (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, যদি আমরা জানতাম, হাসান বাসরী (রহঃ)-এর উক্তি এতটা প্রসিদ্ধি লাভ করবে তাহলে অবশ্যই আমরা তার নিকট গিয়ে একটি কিতাব লিখতাম এবং লোকদেরকে সাক্ষী বানাতাম। কিন্তু আমরা একটি কথা বলেছি, এখন কে তা প্রসিদ্ধ করবে।[1] সহীহ।