Qurani·قرآني
বাংলা

নবীজির আদর্শ আচরণ (কিতাবুস সুন্নাহ)

177 হাদিস · #4596–4772

হাদিস 4626 — Sunan Abu Dawud 42:31
সহিহসহিহ LighairihiহাসানIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا هِلاَلُ بْنُ بِشْرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُثْمَانَ، عَنْ عُثْمَانَ الْبَتِّيِّ، قَالَ مَا فَسَّرَ الْحَسَنُ آيَةً قَطُّ إِلاَّ عَلَى الإِثْبَاتِ ‏.‏
। উসমান আল-বাত্তী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাসান বাসরী (রহঃ) যখন কোনো আয়াতের ব্যাখ্যা করতেন, তখন তাকদীরকে প্রমাণ করতেন।[1] সহীহ।
হাদিস 4627 — Sunan Abu Dawud 42:32
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (3698)
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كُنَّا نَقُولُ فِي زَمَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لاَ نَعْدِلُ بِأَبِي بَكْرٍ أَحَدًا ثُمَّ عُمَرَ ثُمَّ عُثْمَانَ ثُمَّ نَتْرُكُ أَصْحَابَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم لاَ تَفَاضُلَ بَيْنَهُمْ ‏.‏
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে বলতাম, আমরা আবূ বাকর (রাঃ)-এর সমকক্ষ কাউকে গণ্য করবো না। অতঃপর উমার, এরপর উসমান, এরপর আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণের মধ্যে কোনো রূপ মর্যাদার তারতম্য করবো না।[1] সহীহ।
হাদিস 4628 — Sunan Abu Dawud 42:33
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَنْبَسَةُ، حَدَّثَنَا يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ قَالَ سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ إِنَّ ابْنَ عُمَرَ قَالَ كُنَّا نَقُولُ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَىٌّ أَفْضَلُ أُمَّةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بَعْدَهُ أَبُو بَكْرٍ ثُمَّ عُمَرُ ثُمَّ عُثْمَانُ رضى الله عنهم أَجْمَعِينَ ‏.‏
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশায় বলতাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরে তাঁর উম্মাতের মধ্যে সর্বোত্তম হলেন আবূ বাকর (রাঃ), অতঃপর উমার (রাঃ), অতঃপর উসমান (রাঃ)।[1] সহীহ।
হাদিস 4629 — Sunan Abu Dawud 42:34
সহিহসহিহসহিহ Bukhari (3671)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا جَامِعُ بْنُ أَبِي رَاشِدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو يَعْلَى، عَنْ مُحَمَّدِ ابْنِ الْحَنَفِيَّةِ، قَالَ قُلْتُ لأَبِي أَىُّ النَّاسِ خَيْرٌ بَعْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ أَبُو بَكْرٍ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ ثُمَّ مَنْ قَالَ ثُمَّ عُمَرُ ‏.‏ قَالَ ثُمَّ خَشِيتُ أَنْ أَقُولَ ثُمَّ مَنْ فَيَقُولَ عُثْمَانُ فَقُلْتُ ثُمَّ أَنْتَ يَا أَبَةِ قَالَ مَا أَنَا إِلاَّ رَجُلٌ مِنَ الْمُسْلِمِينَ ‏.‏
। মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আমার পিতাকে বললাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরে কোন ব্যক্তি সর্বোত্তম? তিনি বলেন, আবূ বাকর (রাঃ)। আমি বললাম, তারপর কে? তিনি বললেন, তারপর উমার (রাঃ), বর্ণনাকারী বলেন, তারপর কে তা প্রশ্ন করতে শঙ্কিত হলাম। তিনি হয় তো বলতেন, উসমান (রাঃ)। আমি বললাম, হে পিতা! তারপর আপনি? তিনি বললেন, আমি মুসলিমদেরই একজন।[1] সহীহ।
হাদিস 4630 — Sunan Abu Dawud 42:35
সহিহ Isnaad Maqtuসহিহ Isnaad MaqtuসহিহIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مِسْكِينٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، - يَعْنِي الْفِرْيَابِيَّ - قَالَ سَمِعْتُ سُفْيَانَ، يَقُولُ مَنْ زَعَمَ أَنَّ عَلِيًّا، عَلَيْهِ السَّلاَمُ كَانَ أَحَقَّ بِالْوِلاَيَةِ مِنْهُمَا فَقَدْ خَطَّأَ أَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ وَالْمُهَاجِرِينَ وَالأَنْصَارَ وَمَا أُرَاهُ يَرْتَفِعُ لَهُ مَعَ هَذَا عَمَلٌ إِلَى السَّمَاءِ ‏.‏
। সুফিয়ান সাওরী (রহঃ) বলেন, যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, আলী (রাঃ) তাদের দু’ জনের তুলনায় খিলাফাতের অধিক হকদার ছিলেন, সে আবূ বাকর (রাঃ), উমার (রাঃ), মুহাজিরগণ ও আনসারগণের ভুল নির্দেশ করলো। আর যে ব্যক্তি এরূপ মত পোষণ করে, তার কোনো আমল আকাশে উঠবে বলে আমি মনে করি না।[1] সনদ সহীহ মাকতু।
হাদিস 4631 — Sunan Abu Dawud 42:36
দাঈফ Isnaad Maqtuদাঈফ Isnaad Maqtuদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، حَدَّثَنَا عَبَّادٌ السَّمَّاكُ، قَالَ سَمِعْتُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيَّ، يَقُولُ الْخُلَفَاءُ خَمْسَةٌ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ وَعَلِيٌّ وَعُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ رضى الله عنهم ‏.‏
। সুফিয়ান সাওরী (রহঃ) বলেন, খলিফাগণের সংখ্যা পাঁচজনঃ আবূ বাকর, উমার, উসমান, আলী ও উমার ইবনুল আব্দুল আযীয (রাঃ)।[1] সনদ যঈফ মাকতু।
হাদিস 4632 — Sunan Abu Dawud 42:37
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (7046) Sahih Muslim (2269)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، - قَالَ مُحَمَّدٌ كَتَبْتُهُ مِنْ كِتَابِهِ - قَالَ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ كَانَ أَبُو هُرَيْرَةَ يُحَدِّثُ أَنَّ رَجُلاً أَتَى إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِنِّي أَرَى اللَّيْلَةَ ظُلَّةً يَنْطِفُ مِنْهَا السَّمْنُ وَالْعَسَلُ فَأَرَى النَّاسَ يَتَكَفَّفُونَ بِأَيْدِيهِمْ فَالْمُسْتَكْثِرُ وَالْمُسْتَقِلُّ وَأَرَى سَبَبًا وَاصِلاً مِنَ السَّمَاءِ إِلَى الأَرْضِ فَأَرَاكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَخَذْتَ بِهِ فَعَلَوْتَ بِهِ ثُمَّ أَخَذَ بِهِ رَجُلٌ آخَرُ فَعَلاَ بِهِ ثُمَّ أَخَذَ بِهِ رَجُلٌ آخَرُ فَعَلاَ بِهِ ثُمَّ أَخَذَ بِهِ رَجُلٌ آخَرُ فَانْقَطَعَ ثُمَّ وُصِلَ فَعَلاَ بِهِ ‏.‏ قَالَ أَبُو بَكْرٍ بِأَبِي وَأُمِّي لَتَدَعَنِّي فَلأَعْبُرَنَّهَا ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ اعْبُرْهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَمَّا الظُّلَّةُ فَظُلَّةُ الإِسْلاَمِ وَأَمَّا مَا يَنْطِفُ مِنَ السَّمْنِ وَالْعَسَلِ فَهُوَ الْقُرْآنُ لِينُهُ وَحَلاَوَتُهُ وَأَمَّا الْمُسْتَكْثِرُ وَالْمُسْتَقِلُّ فَهُوَ الْمُسْتَكْثِرُ مِنَ الْقُرْآنِ وَالْمُسْتَقِلُّ مِنْهُ وَأَمَّا السَّبَبُ الْوَاصِلُ مِنَ السَّمَاءِ إِلَى الأَرْضِ فَهُوَ الْحَقُّ الَّذِي أَنْتَ عَلَيْهِ تَأْخُذُ بِهِ فَيُعْلِيكَ اللَّهُ ثُمَّ يَأْخُذُ بِهِ بَعْدَكَ رَجُلٌ فَيَعْلُو بِهِ ثُمَّ يَأْخُذُ بِهِ رَجُلٌ آخَرُ فَيَعْلُو بِهِ ثُمَّ يَأْخُذُ بِهِ رَجُلٌ آخَرُ فَيَنْقَطِعُ ثُمَّ يُوصَلُ لَهُ فَيَعْلُو بِهِ أَىْ رَسُولَ اللَّهِ لَتُحَدِّثَنِّي أَصَبْتُ أَمْ أَخْطَأْتُ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ أَصَبْتَ بَعْضًا وَأَخْطَأْتَ بَعْضًا ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ أَقْسَمْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَتُحَدِّثَنِّي مَا الَّذِي أَخْطَأْتُ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تُقْسِمْ ‏"‏ ‏.‏
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করতেন, একদা এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললো, আমি রাতে স্বপ্নে দেখেছি, এক টুকরা মেঘ থেকে মাখন ও মধু ঝড়ে পড়ছে এবং আমি আরো দেখলাম যে, লোকজন হাতের মুঠোয় করে তা তুলে নিচ্ছে; তাতে কেউ বেশী নিচ্ছে আবার কেউ কম নিচ্ছে। আর দেখতে পেলাম একখানা রশি আকাশ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। হে আল্লাহর রাসূল! আমি দেখলাম সেটা ধরে আপনি উপরে উঠে গেলেন। অতঃপর অন্য এক ব্যক্তি তা ধরে উপরের দিকে উঠে গেলেন। অতঃপর আর ব্যক্তি তা ধরে উঠতে লাগলে তা ছিঁড়ে যায়, তারপর পুনরায় তা জোড়া দেয়া হলে সেও তা দিয়ে উপরে উঠে যায়। আবূ বাকর (রাঃ) বললেন, আমার পিতা-মাতার কসম! আমাকে অনুমতি দিলে আমি এর ব্যাখ্যা করি। তিনি বললেন, ঠিক আছে, করুন। তিনি [আবূ বাকর (রাঃ)] বললেন, মেঘ হলো ইসলামের মেঘ, আর মেঘ থেকে যে মধু ও মাখন ঝড়ে পড়ছে তা হলো কুরআনের মাধুর্যতা ও আস্বাদ, আর কম-বেশি গ্রহণ হলো কুরআন থেকে বেশি হিদায়াত গ্রহণ ও কম গ্রহণ করা। আর আকাশ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত ঝুলন্ত রশিটি হলো সেই সত্য যার উপর আপনি রয়েছেন এবং এটা ধরেই আল্লাহ আপনাকে উর্ধ্বে উঠাবেন। অতঃপর এক ব্যক্তি তা ধরে উপরে উঠবেন [তিনি হলেন, আবূ বাকর (রাঃ)] তারপর এক ব্যক্তি তা ধরে উপরের দিকে উঠতেই তা ছিঁড়ে যাবে, তারপর পুনরায় জুড়ে দেয়া হলে তা ধরে তিনিও উপরে উঠবেন [তিনি হলেন উসমান (রাঃ)]। হে আল্লাহর রাসূল! আমি ভুল বলেছি না ঠিক বলেছি বলে দিন। তিনি বলেন, কিছুটা ঠিক হয়েছে এবং কিছুটা ভুল হয়েছে। তিনি বললেন, আমি কসম করে বলছি! আমার যা ভুল হয়েছে তা হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে অবশ্যই বলে দিন। এতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি কসম করো না।[1] সহীহ।
হাদিস 4633 — Sunan Abu Dawud 42:38
দাঈফ Isnaadদাঈফ Isnaadসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ فَارِسٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ كَثِيرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذِهِ الْقِصَّةِ قَالَ فَأَبَى أَنْ يُخْبِرَهُ ‏.‏
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে অনুরূপ ঘটনাটি বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি তাকে ভুল-ত্রুটি অবহিত করতে অসম্মতি জানান।[1] সনদ দুর্বল।
হাদিস 4634 — Sunan Abu Dawud 42:39
সহিহসহিহদাঈফ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا الأَشْعَثُ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي بَكْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ذَاتَ يَوْمٍ ‏ "‏ مَنْ رَأَى مِنْكُمْ رُؤْيَا ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ رَجُلٌ أَنَا رَأَيْتُ كَأَنَّ مِيزَانًا نَزَلَ مِنَ السَّمَاءِ فَوُزِنْتَ أَنْتَ وَأَبُو بَكْرٍ فَرُجِحْتَ أَنْتَ بِأَبِي بَكْرٍ وَوُزِنَ عُمَرُ وَأَبُو بَكْرٍ فَرُجِحَ أَبُو بَكْرٍ وَوُزِنَ عُمَرُ وَعُثْمَانُ فَرُجِحَ عُمَرُ ثُمَّ رُفِعَ الْمِيزَانُ فَرَأَيْنَا الْكَرَاهِيَةَ فِي وَجْهِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏
। আবূ বাকরা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে স্বপ্ন দেখেছে? এক ব্যক্তি বললো, আমি দেখেছি যে, আসমান থেকে যেন একটি দাড়ি-পাল্লা নেমে এলো। তাতে আপনাকে এবং আবূ বাকর (রাঃ)-কে ওজন করা হলো। এতে দেখা গেলো যে, আপনার ওজনই আবূ বাকর (রাঃ)-এর চেয়ে বেশী। অতঃপর আবূ বাকর ও উমার (রাঃ)-কে ওজন করা হলে দেখা গেলো, আবূ বাকর (রাঃ)-এর ওজন বেশী হয়েছে। তারপর উমার (রাঃ) ও উসমান (রাঃ)-কে ওজন করা হলে উমার (রাঃ)-এর ওজন বেশী হলো। অতঃপর দাড়ি-পাল্লা উপরে তুলে নেয়া হলো। আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারায় অসন্তুষ্টির ভাব দেখলাম।[1] সহীহ।
হাদিস 4635 — Sunan Abu Dawud 42:40
সহিহসহিহদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ذَاتَ يَوْمٍ ‏"‏ أَيُّكُمْ رَأَى رُؤْيَا ‏"‏ ‏.‏ فَذَكَرَ مَعْنَاهُ وَلَمْ يَذْكُرِ الْكَرَاهِيَةَ ‏.‏ قَالَ فَاسْتَاءَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَعْنِي فَسَاءَهُ ذَلِكَ فَقَالَ ‏"‏ خِلاَفَةُ نُبُوَّةٍ ثُمَّ يُؤْتِي اللَّهُ الْمُلْكَ مَنْ يَشَاءُ ‏"‏ ‏.‏
। আব্দুর রাহমান ইবনু আবূ বাকরা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে স্বপ্ন দেখেছে? অতঃপর উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থে বর্ণিত। তবে অসন্তুষ্টির কথা উল্লেখ নেই। বরং বর্ণনাকারী বলেন, একথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিরক্তি প্রকাশ করে বললেন, তুমি যা দেখেছো তার ব্যাখ্যা হলো নাবুওয়াতের প্রতিনিধিত্বের পর হলো রাজতন্ত্র; আল্লাহ যাকে ইচ্ছা রাজত্ব দান করেন।[1] সহীহ।
← আগের সংগ্রহে ফিরে যান পরের →

শুধুমাত্র সহিহ ও হাসান হাদিস দেখানো হয়।