حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ، عَنِ الزُّبَيْدِيِّ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبَانَ بْنِ عُثْمَانَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُ كَانَ يُحَدِّثُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " أُرِيَ اللَّيْلَةَ رَجُلٌ صَالِحٌ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ نِيطَ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَنِيطَ عُمَرُ بِأَبِي بَكْرٍ وَنِيطَ عُثْمَانُ بِعُمَرَ " . قَالَ جَابِرٌ فَلَمَّا قُمْنَا مِنْ عِنْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قُلْنَا أَمَّا الرَّجُلُ الصَّالِحُ فَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَمَّا تَنَوُّطُ بَعْضِهِمْ بِبَعْضٍ فَهُمْ وُلاَةُ هَذَا الأَمْرِ الَّذِي بَعَثَ اللَّهُ بِهِ نَبِيَّهُ صلى الله عليه وسلم . قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ يُونُسُ وَشُعَيْبٌ لَمْ يَذْكُرَا عَمْرًا .
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমাকে স্বপ্নে এক পূণ্যবান ব্যক্তিকে দেখানো হয়েছে, আবূ বাকর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছেন, উমার (রাঃ), আবূ বাকর (রাঃ)-এর সঙ্গে এবং উসমান (রাঃ) উমার (রাঃ)-এর সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছেন। জাবির (রাঃ) বলেন, যখন আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট থেকে উঠে দাঁড়ালাম তখন আমরা বললাম, সেই পূণ্যবান ব্যক্তি হলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আর একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হলো নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যে নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ প্রেরণ করেছেন তারা তারই অভিভাবক।[1] দুর্বল।
। সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি স্বপ্নে দেখলাম, একটি বালতি আকাশ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ) এসে এর কাঠের হাতলের দু’ প্রান্ত ধরে জৎসামান্য পান করলেন। অতঃপর উমার (রাঃ) এসে বালতির কাঠের হাতলের দু’ প্রান্ত ধরলেন এবং পেট ভরে পান করলেন। অতঃপর উসমান (রাঃ) আসলেন এবং এর কাঠের হাতলের দু’ প্রান্ত ধরে পেট ভরে পান করলেন। অতঃপর আলী (রাঃ) এসে তার কাঠের হাতলের দু’ প্রান্ত ধরলে তা দোল খেতে থাকে। এবং কিছু পানি তা থেকে ছিটকে তার দেহে পরে যায়।[1] দুর্বল।
। মাকহুল (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রোমিওরা সিরিয়ায় প্রবেশ করে চল্লিশদিন অবস্থান করবে এবং দামিস্ক ও আম্মান ব্যতীত কোনো স্থানই তাদের থেকে নিরাপদ থাকবে না।[1] সনদ যঈফ মাকতু।
। আব্দুল আযীয ইবনুল আলা (রহঃ) আব্দুল আয়াস আব্দুর রাহমান ইবনু সালমান (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন, অচিরেই একজন বিদেশী বাদশাহ দামিস্ক ছাড়া অন্যান্য সকল শহরের উপর বিজয়ী হবে।[1] সনদ সহীহ মাকতু।
হাদিস 4640 — Sunan Abu Dawud 42:45
সহিহসহিহসহিহ Lighairihiসহিহ
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا بُرْدٌ أَبُو الْعَلاَءِ، عَنْ مَكْحُولٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَوْضِعُ فُسْطَاطِ الْمُسْلِمِينَ فِي الْمَلاَحِمِ أَرْضٌ يُقَالُ لَهَا الْغُوطَةُ " .
। মাকহুল (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তুমুল যুদ্ধের সময় মুসলিমদের সমাবেশ স্থলের নাম হলো গুতাহ।[1] সহীহ।
। আওফ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে ভাষণ দানকালে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয়ই উসমান (রাঃ)-এর উদাহরণ মহান আল্লাহর নিকট মরিয়মের পুত্র ঈসা (আঃ)-এর মতো। অতঃপর তিনি এ আয়াত পড়ে ব্যাখ্যা করলেনঃ ‘‘যখন আল্লাহ বলেছিলেন, হে ঈসা! আমি তোমাকে ফিরিয়ে আনবো এবং তোমাকে আমার নিকট উঠিয়ে আনবো। তোমাকে যারা মেনে নিতে অস্বীকার করেছে তাদের সাহচর্য থেকে তোমাকে পবিত্র করবো।’’ (সূরা আল ইমরানঃ ৫৫) এবং সে তার হাতের মাধ্যমে আমাদেরকে সিরিয়াবাসীদের দিকে ইঙ্গিত করছিল।[1] দুর্বল মাকতু।
। রবী ইবনু খালিদ আদ-দাব্বী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে তার ভাষণে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কারো প্রয়োজনে প্রেরিত দূত তার নিকট বেশী সম্মানিত না তার পরিবারের মধ্যে তার প্রতিনিধি? এ কথা শুনে আমি মনে মনে বললাম, আল্লাহর কসম! আমার এখন কর্তব্য হলো, তোমার পিছনে কখনো সালাত না পড়া। আর আমি যদি এমন কোনো দল পাই যারা তোমার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করবে তবে আমিও তাদের সঙ্গী হয়ে তোমার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করবো। ইসহাক (রহঃ) তার হাদীসে বৃদ্ধি করেন যে, তিনি বলেন, জামাজিম যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধ করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি নিহত হন।[1] সনদ যঈফ মাকতু।
। আসিম (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় করো, এতে কোনো ব্যতিক্রম নেই। আর আমীরুল মু‘মিনীন আব্দুল মালিকের (আদেশ) শোনো এবং অনুসরণ করো। এতেও কোনো ব্যতিক্রম নেই। আল্লাহর কসম! আমি লোকদেরকে যদি মসজিদের এক দরজা দিয়ে বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেই এবং তারা অন্য দরজা দিয়ে বের হয়, তাহলে আমার জন্য তাদের রক্ত ও সম্পদ বৈধ। আল্লাহর কসম! যদি আমি রবী‘আহ গোত্রকে মুদার গোত্রের অপরাধের জন্য শাস্তি দেই এটাও আমার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে বৈধ। হুজাইল পুত্র মনে করে যে, সে যেভাবে কুরআন পড়ে তা আল্লাহর পক্ষ থেকে। আল্লাহর কসম! তা তো বেদুঈনদের সঙ্গিতমালার মধ্যকার সঙ্গিত মাত্র। তা আল্লাহ তাঁর নবীর উপর নাযিল করেননি। অনারব লোকদের পক্ষ থেকে কে আমার নিকট ওজনখাহি করবে। তাদের মধ্যকার কেউ পাথর নিক্ষেপ করে, অতঃপর বলে, দেখো! এই পাথর কতদূর গিয়ে পৌঁছে। সে একটি নতুন ঘটনার জন্ম দিলো। আল্লাহর কসম! আমি তাদেরকে গত কালের ন্যায় নিশ্চিহ্ন করবো। বর্ণনাকারী বলেন, আমি কথাগুলো আল-আমাশ (রহঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেন, আল্লাহর কসম! আমিও তাকে কথাগুলো বলতে শুনেছি।[1] সনদ সহীহ- হাজ্জাজ পর্যন্ত।
। আ‘মাশ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি, এসব অনারব আযাদকৃত গোলামদের বংশধর হত্যা ও টুকরা টুকরা করে দেয়ার যোগ্য। আল্লাহর কসম! আমি যদি চরম আঘাত হানি তাহলে তাদেরকে গতকালের মতো নিশ্চিহ্ন করে দিবো।[1] সহীহ।
। সুলাইমান আল-আ‘মাশ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজের সঙ্গে জুম‘আহর সালাত আদায় করলাম। তিনি ভাষণ দিলেন ... অতঃপর বর্ণনাকারী আবূ বাকর ইবনু আইয়্যাশের হাদীস উল্লেখ করেন। তিনি ভাষণে বলেন, তোমরা আল্লাহর প্রতিনিধি ও বন্ধু আব্দুল মালিক ইবনু মারওয়ানের কথা শুনবে ও মেনে চলবে। অতঃপর হাদীসের বাকী অংশ উল্লেখ করেন। তিনি বললেন, আমি যদি রবী‘আহ গোত্রকে মুদার গোত্রের অপরাধে পাকড়াও করি। কিন্তু বর্ণনাকারী এখানে অনারবদের ঘটনাটি উল্লেখ করেননি।[1] সহীহ- হাজ্জাজ পর্যন্ত।