। ইবনু ‘উমার রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে অবস্থানকালে একই বৈঠকে একশো বার এ দু‘আ পাঠ করেছেন এবং আমরা তা গণনা করেছিঃ ‘‘রব্বিগফিরলী ওয়াতুব ‘আলাইয়া ইন্নাকা আনতাত্ তাওয়াবুর রহীম।’’ প্রভূ হে! আমাকে ক্ষমা করে দাও, আমার তওবা কবুল করে নাও, তুমিই তওবা কবুলকারী ও দয়ালু।’’[1] সহীহ।
হাদিস 1517 — Sunan Abu Dawud 8:102
সহিহসহিহসহিহ Lighairihiহাসান
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ عُمَرَ الشَّنِّيُّ، حَدَّثَنِي أَبِي عُمَرُ بْنُ مُرَّةَ، قَالَ سَمِعْتُ بِلاَلَ بْنَ يَسَارِ بْنِ زَيْدٍ، مَوْلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ سَمِعْتُ أَبِي يُحَدِّثُنِيهِ عَنْ جَدِّي أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ قَالَ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ غُفِرَ لَهُ وَإِنْ كَانَ فَرَّ مِنَ الزَّحْفِ " .
। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুক্তদাস বিলাল ইবনু ইয়াসার ইবনু যায়িদ (রাঃ) বলেন, আমি আমার আব্বাকে আমার দাদার সূত্রে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, যে ব্যক্তি এই দু‘আ পাঠ করবেঃ আসতাগফিরুল্লাহ আল্লাযী লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল ক্বাইয়্রূম ওয়া আতূবু ইলায়হি’’ সে জিহাদের ময়দান হতে পলায়ন করলেও তাকে ক্ষমা করা হবে।[1] সহীহ।
। ইবনু ‘আব্বাস রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি নিয়মিত ইসতিগফার পড়লে আল্লাহ তাকে প্রত্যেক বিপদ হতে মুক্তির ব্যবস্থা করবেন, সকল দুশ্চিন্তা হতে মুক্ত করবেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক্ব দিবেন যা সে কল্পনাও করতে পারবে না।[1] দুর্বল।
। ‘আবদুল ‘আযীয ইবনু সুহাইব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ক্বাতাদাহ (রহঃ) আনাস (রাঃ)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিকাংশ সময় কোন দু‘আ পাঠ করতেন তা জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, তিনি অধিকাংশ সময় এ দু‘আ পাঠ করতেনঃ ‘‘আল্লাহুম্মা আতিনা ফিদ্দুনয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়াক্বিনা ‘আযাবান নারি।’’ যিয়াদের বর্ণনায় এটাও রয়েছে যে, আনাস (রাঃ) কেবল একটি দু‘আ দিয়ে মুনাজাতের ইচ্ছা করলে এটিই পাঠ করতেন, আর একাধিক দু‘আ পড়তে চাইলেও তাতে এ দু‘আ শামিল করতেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। আবূ উমামাহ ইবনু সাহল ইবনু হুনাইফ (রাঃ) হতে তার পিতার সুত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি খাঁটি অন্তরে আল্লাহর নিকট শাহাদাত চায়, আল্লাহ তাকে শহীদদের মর্যাদা দিবেন, যদিও সে নিজ বিছানায় মৃত্যুবরণ করে।[1] সহীহ : মুসলিম।
। আসমা ইবনুল হাকাম (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আলী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমি এমন এক ব্যক্তি, যখন আমি সরাসরি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে কোনো হাদীস শুনি, তখন তার মাধ্যমে মহান আল্লাহ যতটুকু চান কল্যাণ লাভ করি। কিন্তু যদি তাঁর কোন সাহাবী আমাকে হাদীস বর্ণনা করেন, আমি তাকে (সত্যতা যাচাইয়ের জন্য) শপথ করাতাম। তিনি শপথ করলে আমি তাকে বিশ্বাস করতাম। তিনি বলেন, আবূ বাকর (রাঃ) আমাকে একটি হাদীস বর্ণনা করলেন, মুলতঃ তিনি সত্যই বলেছেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যখন কোনো বান্দা কোনরূপ গুনাহ করার পর উত্তমরূপে অযু করে দাঁড়িয়ে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে এবং আল্লাহর নিকট গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে, নিশ্চয় আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন। অতঃপর তিনি প্রমাণ হিসেবে এ আয়াত তিলাওয়াত করেনঃ ‘‘এবং যখন তারা কোনো অন্যায় কাজ করে কিংবা নিজেদের উপর অত্যাচার করে.....আয়াতের শেষ পর্যন্ত (সূরাহ আলে ‘ইমরান : ১৩৫)।[1] সহীহ।
। ‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে প্রত্যেক সালাতের পর ‘কুল আ‘ঊযু বি-রব্বিল ফালাক্ব ও কুল আ‘ঊযু বি-রব্বিন্ নাস’ সূরাহ দুটি পাঠ করতে নির্দেশ দিয়েছেন।[1] সহীহ।
হাদিস 1524 — Sunan Abu Dawud 8:109
দাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ سُوَيْدٍ السَّدُوسِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُعْجِبُهُ أَنْ يَدْعُوَ ثَلاَثًا وَيَسْتَغْفِرَ ثَلاَثًا .
। আসমা বিনতু উমাইস রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেন, আমি কি তোমাকে এমন কয়েকটি বাক্য শিক্ষা দিবো না, যা তুমি বিপদের সময় পাঠ করবে? তা হচ্ছেঃ ‘‘আল্লাহু আল্লাহু রব্বী লা উশরিকু বিহি শাইয়ান’’ (অর্থঃ আল্লাহ! আল্লাহ! আমার রব্ব! তাঁর সাথে আমি কাউকে শরীক করি না)।[1] সহীহ।