। যায়িদ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি। বর্ণনাকারী সুলায়মানের বর্ণনায় রয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক ফারয সালাতের পর বলতেনঃ ‘‘হে আল্লাহ! আপনি আমাদের এবং প্রত্যেক বস্তুর রব্ব। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ আপনার বান্দাহ ও রসূল। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের এবং প্রত্যেক বস্তুর রব্ব! আমাকে এবং আমার পরিবার-পরিজনকে দুনিয়া ও আখিরাতের প্রতি মুহুর্তে আপনার অকৃত্রিম ‘ইবাদাতকারী বানিয়ে দিন। হে মহান পরাক্রমশালী ও সম্মানের অধিকারী! আমার ফরিয়াদ শুনুন, আমার দু‘আ কবুল করুন। আল্লাহ মহান, আপনি সবচেয়ে মহান। হে আল্লাহ! আসমান ও যমীনের নূর। সুলায়মান ইবনু দাউদ বলেছেন, আপনিই আকাশ ও যমীনের রব্ব! হে আল্লাহ! আপনি মহান, অতি মহান। আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট এবং উত্তম অভিভাবক। হে আল্লাহ! আপনি মহান! অতি মহান।’’[1] দুর্বল।
। ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের সালাম ফিরানোর পর বলতেনঃ আল্লাহুম্মাগ ফিরলী মা ক্বাদ্দামতু ওয়ামা আখখারতু ওয়ামা আসরারতু ওয়ামা আ‘লানতু ওয়ামা আসরাফতু ওয়ামা আনতা আ‘লামু বিহি মিন্নী আনতাল মুক্বাদ্দিমু ওয়া আনতাল মুয়াখখিরু লা ইলাহা ইল্লা আনতা।’’ অর্থঃ হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন যা কিছু আমি পূর্বে ও পরে করেছি, গোপনে, প্রকাশ্যে ও সীমালঙ্ঘন করেছি, এবং যা আমার চেয়ে আপনি অধিক জ্ঞাত। আপনিই আদি ও অন্ত। আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই।[1] সহীহ : মুসলিম।
। ইবনু ‘আব্বাস রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু‘আ করতেনঃ ‘‘হে আমার রব্ব! আমাকে সাহায্য করুন, আমার বিরুদ্ধে সাহায্য করবেন না। শত্রুর প্রতারণার বিরুদ্ধে আমাকে জবাব দেয়ার তাওফীক দিন, তবে তাকে আমার উপর প্রতারক বানাবেন না। আমাকে কল্যাণের পথ দেখান, অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌছার পথকে আমার জন্য সহজ করুন, যে আমার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী আমাকে তার বিরুদ্ধে সাহায্য করুন, হে আল্লাহ! আমাকে আপনার কৃতজ্ঞ ও স্মরণকারী, ভীত ও আনুগত্যকারী, আপনার প্রতি আস্থাশীল ও আপনার দিকে প্রত্যাবর্তনকারী বানিয়ে দিন। হে রব্ব! আমার তওবা কবুল করুন, আমার সমস্ত গুনাহ ধুয়ে পরিস্কার করুন, আমার ডাকে সারা দিন, আমার ঈমান ও ‘আমলের প্রমাণে আমাকে কবরে ফিরিশতাদের প্রশ্নে স্থির রাখুন, আমার অন্তরকে সরল পথের অনুসারী করুন, আমার জিহ্বাকে সদা সত্য বলার তাওফীক দিন এবং আমার অন্তরকে হিংসা-বিদ্বেষ ও যাবতীয় দোষ হতে মুক্ত রাখুন।’’[1] সহীহ।
। সুফয়ান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আমর ইবনু মুররাহকে উপরোক্ত সানাদ ও অর্থে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিনি ‘ওয়া ইয়াসসিরিল হুদা ইলাইয়্যা’ বলেছেন, কিন্তু ‘হুদায়া’ বলেননি।[1] সহীহ।
হাদিস 1512 — Sunan Abu Dawud 8:97
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim (592)
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ، وَخَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا سَلَّمَ قَالَ " اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ " .
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের সালাম ফিরানোর পর বলতেনঃ ‘‘আল্লাহুম্মা আনতাস সালাম ওয়া মিনকাস সালাম তাবারকতা ইয়া যালজালালি ওয়াল ইকরাম।’’[1] ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, সুফয়ান (রহঃ) ‘আমর ইবনু মুররাহ হতে আঠারটি হাদীস শুনেছেন, এ হাদীস সেগুলোরই একটি। সহীহ : মুসলিম।
হাদিস 1513 — Sunan Abu Dawud 8:98
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim (591)
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا عِيسَى، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ أَبِي عَمَّارٍ، عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ، عَنْ ثَوْبَانَ، مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَنْصَرِفَ مِنْ صَلاَتِهِ اسْتَغْفَرَ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ ثُمَّ قَالَ " اللَّهُمَّ " . فَذَكَرَ مَعْنَى حَدِيثِ عَائِشَةَ رضى الله عنها .
। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুক্তদাস সাওবান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শেষে তিনবার ‘ইস্তিগফার’ পাঠ করতেন। অতঃপর সাওবান (রাঃ) ‘আল্লাহুম্মা’ হতে... ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর হাদীসের ভাবার্থ বর্ণনা করেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
। আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি গুনাহ করার পরপরই ক্ষমা চায়, সে বারবার গুনাহকারী গণ্য হবে না। যদিও সে দৈনিক সত্তর বার ঐ পাপে লিপ্ত হয়।[1] দুর্বল।
। আগার আল-মুযানী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কখনো কখনো আমার হৃৎপিন্ডের উপরও আবরণ পড়ে। তাই আমি দৈনিক একশো বার ক্ষমা চাই।[1] সহীহ : মুসলিম।