। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ক্বায়িস (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে রসুলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতর সালাত সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, তিনি বিতর সালাত কখনো রাতের প্রথমাংশে আবার কখনো শেষাংশে আদায় করেছেন। আমি জিজ্ঞেস করি, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিভাবে ক্বিরাআত করেছেন? তিনি কি নিঃশব্দে পড়তেন নাকি সশব্দে? তিনি বলেন, তিনি কখনো আস্তে এবং কখনো জোরে- উভয়ভাবেই পড়েছেন। তিনি কখনো গোসল করে ঘুমিয়েছেন এবং কখনো অযু করে ঘুমিয়েছেন।[1] সহীহ : মুসলিম। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, কুতাইবাহ ছাড়া অন্যরা ‘স্ত্রী সহবাসের গোসল’ বলেছেন।
হাদিস 1438 — Sunan Abu Dawud 8:23
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (998) Sahih Muslim (751)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " اجْعَلُوا آخِرَ صَلاَتِكُمْ بِاللَّيْلِ وِتْرًا " .
। ইবনু ‘উমার রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিতরকে তোমাদের রাতের শেষ সালাতে পরিণত করবে।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। ক্বায়িস ইবনু ত্বালক্ব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রমাযান মাসে ত্বালক্ব ইবনু ‘আলী (রাঃ) আমাদের সাথে দেখা করতে এসে এখানে সন্ধ্যা অতিবাহিত করেন এবং এখানেই ইফতার করেন। অতঃপর রাতে আমাদেরকে নিয়ে তারাবীহ ও বিতর সালাত আদায় করেন। অতঃপর তিনি নিজেদের মসজিদের গিয়ে তার সাথীদেরকে নিয়েও সালাত আদায় করেন। অতঃপর বিতর সালাতের জন্য এক ব্যক্তিকে সম্মুখে এগিয়ে দিয়ে বলেন, তোমার সাথীদেরকে বিতর পড়াও। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ একই রাতে দুইবার বিতর হয় না।[1] সহীহ।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই তোমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাতের নিকটবর্তী করবো। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) যুহর, ‘ইশা এবং ফজরের সালাতের শেষ রাক‘আতে দু‘আ কুনূত পাঠ করতেন। এতে মুমিনদের জন্য দু‘আ এবং কাফিরদের জন্য অভিসম্পাত করতেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মাস পর্যন্ত ‘ইশার সালাতে দু‘আ কুনূত পাঠ করেছেন। তিনি কুনূতে বলেছেনঃ ‘‘হে আল্লাহ! ওয়ালীদ ইবনু ওয়ালীকে মুক্ত করুন! হে আল্লাহ! সালামাহ ইবনু হিশামকে মুক্ত করুন! হে আল্লাহ! দুর্বল মুমিনদেরকে মুক্তি দিন! হে আল্লাহ! মুদার গোত্রের উপর আপনি কঠোর হোন! হে আল্লাহ! তাদের উপর এমন দুর্ভিক্ষ দিন যেমন দুর্ভিক্ষ দিয়েছিলেন ইউসুফ (আ)-এর যুগে।’’ আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, একদিন ভোরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর দুর্বল ও নির্যাতিত মুমিনদের জন্য দু‘আ না করায় আমি তাকে তা স্মরণ করিয়ে দিলে তিনি বলেনঃ তুমি কি তাদেরকে (নির্যাতিত মুসলিমদের) দেখছো না যে, তারা মাদীনায় ফিরে এসেছে?[1] সহীহ : মুসলিম। বুখারীতে এ কথা বাদে : ‘‘আমি তাকে স্মরণ করিয়ে দিলে...।’’
। ইবনু ‘আব্বাস রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরো এক মাস যুহর, ‘আসর, মাগরিব, ‘ইশা ও ফজরের সালাতে শেষ রাক‘আতে ‘‘সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ’’ বলার পর কুনূত পাঠ করেছেন। এ সময় তিনি বনু সুলাইমের কয়েকটি গোত্র, যেমন রি‘ল, যাকওয়ান ও উসাইয়্যার উপর বদদু‘আ করেছেন এবং তাঁর পিছনের মুক্তাদীরা আমীন আমীন বলেছেন।[1] হাসান।
হাদিস 1444 — Sunan Abu Dawud 8:29
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1001) Sahih Muslim (677)
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাতে কুনূত পড়েছেন কিনা এ সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, হ্যাঁ। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, রুকূ‘র পূর্বে নাকি পরে? তিনি বলেন, রুকূ‘র পরে। মুসাদ্দাদ বলেন, ছোট কুনূত পড়েছেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
হাদিস 1445 — Sunan Abu Dawud 8:30
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim (677)
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الطَّيَالِسِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَنَتَ شَهْرًا ثُمَّ تَرَكَهُ .
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরো এক মাস কুনূত পড়েছেন, অতঃপর তা ছেড়ে দিয়েছেন।[1] সহীহ : মুসলিম।