। উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দৈনিক বার রাক‘আত নফল সালাত আদায় করবে, এর বিনিময়ে তার জন্য জান্নাতে একখানা ঘর নির্মাণ করা হবে।[1] সহীহ।
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নফল সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, তিনি আমার ঘরে যুহরের (ফারয সালাতের) পূর্বে চার রাক‘আত সালাত আদায় করেন, অতঃপর বাইরে গিয়ে লোকরেদকে নিয়ে (ফরয) সালাত আদায় করেন। পুনরায় আমার ঘরে ফিরে এসে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেন। তিনি লোকদেরকে নিয়ে ‘ইশার সালাত আদায়ের পর আমার ঘরে এসে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। এছাড়া তিনি রাতে বিতর সহ নয় রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। তিনি রাতে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে এবং দীর্ঘক্ষণ বসে সালাত আদায় করতেন। তিনি দাঁড়িয়ে ক্বিরাআত পড়ার সময় ঐ অবস্থায়ই রুকূ‘ ও সিজদা্ করতেন আর বসাবস্থায় ক্বিরাআত পড়লে বসাবস্থায় থেকেই রুকূ‘ ও সিজদা্ করতেন। ফজর উদয় হলে তিনি দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। অতঃপর বের হয়ে লোকদেরকে নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করতেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের (ফারয সালাতের) পূর্বে দু’ রাক‘আত ও পরে দু’ রাক‘আত, মাগরিবের পর দু’ রাক‘আত সালাত তাঁর ঘরে আদায় করতেন। তিনি ‘ইশার পরে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। আর জুমু‘আহর (ফারয সালাতের) পরে ঘরে এসে দু’ রাক‘আত আদায় করতেন।[1] সহীহ : বুখারী, মুসলিমে কেবল জুমু‘আহর পর দু’ রাক‘আত।
হাদিস 1253 — Sunan Abu Dawud 5:4
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1182)
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْتَشِرِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ لاَ يَدَعُ أَرْبَعًا قَبْلَ الظُّهْرِ وَرَكْعَتَيْنِ قَبْلَ صَلاَةِ الْغَدَاةِ .
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের পূর্বে চার রাক‘আত ও ফজরের পূর্বে দু’ রাক‘আত সালাত কখনো ছাড়তেন না।[1] সহীহ : বুখারী।
হাদিস 1254 — Sunan Abu Dawud 5:5
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1169) Sahih Muslim (724)
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي عَطَاءٌ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَكُنْ عَلَى شَىْءٍ مِنَ النَّوَافِلِ أَشَدَّ مُعَاهَدَةً مِنْهُ عَلَى الرَّكْعَتَيْنِ قَبْلَ الصُّبْحِ .
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের পূর্বে দু’ রাক‘আত সালাতের চেয়ে অধিক দৃঢ় প্রত্যয় অন্য কোন নফল সালাতে রাখেননি।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
হাদিস 1255 — Sunan Abu Dawud 5:6
সহিহসহিহসহিহসহিহ Bukhari (1171) Sahih Muslim (724)
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের পূর্বে দু’ রাক‘আত সালাত এতো সংক্ষেপে আদায় করতেন যে, আমি (মনে মনে) বলতাম, তিনি কি এ দু’ রাক‘আতে সূরাহ ফাতিহা পাঠ করেছেন?[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। বিলাল (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ফজরের সালাতের সংবাদ দিতে আসলে ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বিলালকে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করে তাকে তাতেই ব্যস্ত রাখলেন, এমতাবস্থায় আকাশ পরিষ্কার হয়ে গেলো। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর বিলাল (রাঃ) এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বারবার সংবাদ দেয়া সত্ত্বেও তিনি বাইরে আসলেন না। অতঃপর কিছক্ষণ পর বাইরে এসে লোকদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তিনি তাঁকে জানালেন যে, ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) তাকে কোন এক কাজে ব্যস্ত রেখেছিলেন এবং তিনি-ও বাইরে আসতে যথেষ্ট দেরী করেছেন, এমতাবস্থায় আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। অতঃপর (বিলম্ব হওয়ার কারণ সম্পর্কে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি ফজরের দু্’ রাক‘আত (সুন্নাত) সালাত আদায় করেছি। বিলাল বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনিও আজ খুব ভোর করে ফেলেছেন। তিনি বললেনঃ আমি এর চেয়ে অধিক ভোর করলেও ঐ দু’ রাক‘আত আদায় করবো এবং তা উত্তম সুন্দরভাবে আদায় করবো।[1] সহীহ।
হাদিস 1258 — Sunan Abu Dawud 5:9
দাঈফদাঈফদাঈফদাঈফ
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْحَاقَ الْمَدَنِيَّ - عَنِ ابْنِ زَيْدٍ، عَنِ ابْنِ سِيْلاَنَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَدَعُوهُمَا وَإِنْ طَرَدَتْكُمُ الْخَيْلُ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা ফজরের দু’ রাক‘আত কখনো ত্যাগ করো না, যদিও তোমাদেরকে ঘোড়া পদদলিত করে।[1] দুর্বল।
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুমা সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিকাংশ সময় ফজরের দু’ রাক‘আতে ‘‘আমান্না বিল্লাহি ওয়ামা উনযিলা ইলাইনা’’ (সূরাহ আল-বাকারাহ : ১৩৬) এ আয়াতটি তিলাওয়াত করতেন। তিনি বলেন, তবে এ আয়াতটি প্রথম রাক‘আতে পাঠ করতেন। আর দ্বিতীয় রাক‘আতে পাঠ করতেনঃ ‘‘আমান্না বিল্লাহি ওয়াশহাদ বিআন্না মুসলিমূন’’ (সূরাহ আলে-‘ইমরান : ৫২)।[1] সহীহ : মুসলিমে এ কথা বাদে : অধিকাংশ সময়।