حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، عَنْ بَكْرِ بْنِ سَوَادَةَ الْجُذَامِيِّ، عَنْ صَالِحِ بْنِ خَيْوَانَ، عَنْ أَبِي سَهْلَةَ السَّائِبِ بْنِ خَلاَّدٍ، - قَالَ أَحْمَدُ - مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَجُلاً أَمَّ قَوْمًا فَبَصَقَ فِي الْقِبْلَةِ وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنْظُرُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ فَرَغَ " لاَ يُصَلِّي لَكُمْ " . فَأَرَادَ بَعْدَ ذَلِكَ أَنْ يُصَلِّيَ لَهُمْ فَمَنَعُوهُ وَأَخْبَرُوهُ بِقَوْلِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " نَعَمْ " . وَحَسِبْتُ أَنَّهُ قَالَ " إِنَّكَ آذَيْتَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ " .
। আবূ সাহলা আস-সাইব ইবনু খালাদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। ইমাম আহমাদ (রহঃ) বলেন, তিনি ছিলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের ইমামতিকালে ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)র দিকে থু থু ফেললে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা লক্ষ্য করলেন। লোকটি সালাত শেষ করলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (উপস্থিত লোকদেরকে উদ্দেশ্য করে) বললেনঃ এই ব্যক্তিকে দিয়ে তোমাদের সালাত আদায় করাবে না (আর ইমামতি করবে না)। পরবর্তীতে লোকটি তাদের ইমামতি করতে চাইলে তারা তাকে নিষেধ করে এবং তার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তিও অবহিত করে। অতঃপর লোকটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ বিষয় অবহিত করলে তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। বর্ণনাকারী বলেন, আমার ধারণা, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একথাও বলেছেনঃ তুমি আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে কষ্ট দিয়েছ।[1] হাসান।
হাদিস 482 — Sunan Abu Dawud 2:92
সহিহসহিহসহিহসহিহ Muslim (554)
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، أَخْبَرَنَا سَعِيدٌ الْجُرَيْرِيُّ، عَنْ أَبِي الْعَلاَءِ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ يُصَلِّي فَبَزَقَ تَحْتَ قَدَمِهِ الْيُسْرَى .
। মুত্বাররিফ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে দেখতে পেলাম, তিনি সালাত আদায়কালে স্বীয় বাম পায়ের নিচে থু থু ফেললেন।[1] সহীহ।
। আবূল আ’লা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন উপরিউক্ত হাদীসের অর্থেই। তবে তিনি তাতে বৃদ্ধি করেছেন ‘‘অতঃপর তিনি [রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] তাঁর জুতা দিয়ে রগড়ে দিলেন।’’[1] সহীহ : মুসলিম।
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি দেখলাম, ওয়াসিলাহ ইবনু আসক্বা' (রাঃ) দামিশক্বের মসজিদে চাটাইয়ের উপর থু থু নিক্ষেপ করে পরে তা পা দিয়ে মুছে ফেলেন। তাকে এরূপ করার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এরূপই করতে দেখেছি। [1] দুর্বল।
। ‘উবাদাহ ইবনুল ওয়ালীদ ইবনু ‘উবাদাহ ইবনুস সামিত সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা জাবির ইবনু ‘আব্দুল্লাহ (রাঃ)-এর সাথে দেখা করতে আসি। সে সময় তিনি তার মসজিদে ছিলেন। তিনি বললেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবনু তাব নামক এক প্রকার খেজুরের ডাল হাতে নিয়ে আমাদের এই মসজিদে আসলেন। তিনি তাকিয়ে মসজিদের ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)র দিকে শ্লেষ্মা দেখতে পেয়ে সেখানে এগিয়ে গেলেন এবং ডালটি দ্বারা তা তুলে ফেলেন। অতঃপর বলেনঃ তোমাদের কেউ কি পছন্দ করবে যে, আল্লাহ তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন। তিনি আরো বলেনঃ তোমাদের কেউ যখন সালাতে দাঁড়ায়, তখন আল্লাহ তার সামনেই থাকেন। তাই কেউ যেন নিজের সম্মুখে ও ডান দিকে থু থু না ফেলে, বরং যেন বামদিকে (কিংবা) বাম পায়ের নিচে ফেলে। আর যদি হঠাৎ শ্লেষ্মা বেরিয়ে আসে (তাড়াতাড়ির প্রয়োজন হয়) তাহলে এরূপ করবে। এই বলে তিনি মুখের উপর কাপড় রেখে তা রগড়িয়ে বললেনঃ ‘আবির (এক ধরনের সুগন্ধি) নিয়ে এসো। জনৈক যুবক দাঁড়াল, এবং দ্রুত নিজের ঘরে গিয়ে হাতে সুগন্ধি নিয়ে এলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা নিয়ে ডালের মাথায় লাগিয়ে শেষ্মা লেগে থাকার স্থানে ঘষে দিলেন। জাবির (রাঃ) বলেন, এ কারণেই তোমরা মসজিদে সুগন্ধি ব্যবহার করে থাক।[1] সহীহ : মুসলিম।
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি উটের পিঠে সওয়ার হয়ে মসজিদে (নাববীর) কাছে আসল। এরপর উটটি মসজিদের আঙ্গিনায় বেঁধে বলল, আপনাদের মধ্যে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন সাহাবীগণের সামনেই বসা ছিলেন। আমরা লোকটিকে বললাম, এই যে সাদা বর্ণের লোকটি হেলান দিয়ে বসে আছেন- ইনিই (মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! লোকটি তাঁকে বলল, হে ‘আবদুল মুত্তালিবের পৌত্র! উত্তরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ আমি তোমার কথা শুনেছি। এরপর লোকটি বলল, হে মুহাম্মাদ! আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করছি ..... এরপর হাদীসের শেষ পর্যন্ত।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহাবাদের নিয়ে মসজিদে বসা ছিলেন। এমন সময় তাঁর কাছে ইয়াহুদীরা এসে বলল, হে আবূল কাসিম! পরে তারা তাদের মধ্যকার এমন এক পুরুষ ও এক নারী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল যারা যেনায় লিপ্ত হয়েছে।[1] দুর্বল।
হাদিস 489 — Sunan Abu Dawud 2:99
সহিহসহিহসহিহ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " جُعِلَتْ لِيَ الأَرْضُ طَهُورًا وَمَسْجِدًا " .
। আবূ যার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলূলাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার জন্য (অর্থাৎ আমার উম্মাতের জন্য) সমগ্র জমিনকে পবিত্র এবং মাসজিদ (সিজদার স্থান) বানানো হয়েছে।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিমে জাবির সূত্রে।
। আবূ সালিহ আল-গিফারী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। কোন এক সফরে ‘আলী (রাঃ) বাবিল নামক শহর অতিক্রমকালে তার কাছে মুয়াজ্জিন এসে ‘আসরের সালাতের আযান দেয়ার অনুমতি চাইল। কিন্তু তিনি বাবিল শহর থেকে বেরিয়ে এসে মুয়াজ্জিনকে ইক্বামাত(ইকামত/একামত) বলার নির্দেশ দিলেন। মুয়াজ্জিন ইক্বামাত(ইকামত/একামত) দিলে তিনি সালাত আদায় করলেন এবং সালাত শেষে বললেন, আমার প্রিয় বন্ধু (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে কবরস্থানে সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। অনুরূপভাবে আমাকে বাবিলের জমিনে সালাত আদায় করতেও নিষেধ করেছেন। কারণ তা অভিশপ্ত জমিন।[1] দুর্বল।